ঢাকা ০৪:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২

দিল্লিতে বিধিনিষেধ তুলে নিতে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ

ভারতের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবিতে তেলাপোকা জনতা পার্টি (সিজেপি) ও সহযোগী সংগঠনের বিক্ষোভের জেরে দিল্লিতে জারি করা কঠোর বিধিনিষেধ প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্ট। আদালত স্পষ্ট জানিয়েছে, আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার প্রয়োজন ছাড়া সব ধরনের ব্যারিকেড সরিয়ে নিতে হবে এবং ইন্টারনেট পরিষেবা স্বাভাবিক রাখতে হবে। শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের বেআইনিভাবে আটক না করার জন্যও সরকারকে কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যদি না তা ‘অত্যন্ত জরুরি’ হয়, তবে সমস্ত ব্যারিকেড সরিয়ে ফেলতে হবে।

রোববার বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ও বিচারপতি ভি. মোহনার বেঞ্চের বিশেষ শুনানিতে আদালত জানায়, সাধারণ মানুষের অবাধ চলাচল নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। আইনশৃঙ্খলা রক্ষার নামে সবকিছু স্তব্ধ করে দেওয়া গ্রহণযোগ্য নয়। আদালত ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার (বিএনএসএস) ১৬৩ নম্বর ধারা—যার অধীনে বড় জমায়েতে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছিল—তা প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছে। এছাড়া, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র সচিব, দিল্লি পুলিশ এবং দিল্লি মেট্রো রেল কর্পোরেশনকে (ডিএমআরসি) আগামী মঙ্গলবার নাগাদ এ বিষয়ে একটি কমপ্লায়েন্স রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে। ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা (বিএনএসএস), ২০২৩ এর ১৬৩ নম্বর ধারা—যার মাধ্যমে বড় জমায়েত নিষিদ্ধ করা হয়—তা প্রত্যাহারেরও নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

এর আগে শুক্রবার সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশনা দিয়েছিল যেন ১০ অক্টোবর দিল্লিতে মেট্রো ও ট্রেন চলাচলের ওপর কোনো ‘সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা’ না থাকে। কিন্তু অভিযোগ উঠেছে যে মেট্রো স্টেশনগুলো বন্ধ রাখা হয়েছিল, যাকে আইনজীবী শৈলেন্দ্র মণি ত্রিপাঠী আদালতের অবমাননা বলে অভিহিত করেছেন। এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষের কাছে নোটিশ জারি করেছে আদালত।

বিচারপতিরা বিক্ষোভকারীদের উদ্দেশ্যে বলেছেন, শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের অধিকার সবার আছে, তবে তা অবশ্যই পুলিশ আইনের সীমানার মধ্যে হতে হবে। বিক্ষোভ প্রদর্শনের অধিকার পুলিশ আইনের চেয়ে ঊর্ধ্বে নয় বলে পর্যবেক্ষণ দিয়েছে বেঞ্চ। বর্তমান পরিস্থিতি ও আটকের ঘটনাগুলো নিয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন দাখিলের মাধ্যমে সরকারকে পুরো বিষয়টি স্পষ্ট করতে বলা হয়েছে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৩৭ বছরে পা, জন্মদিনে বিশেষ এসএমএস পেয়ে আবেগপ্রবণ অপু

দিল্লিতে বিধিনিষেধ তুলে নিতে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ

আপডেট সময় ০২:৪৮:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬

ভারতের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবিতে তেলাপোকা জনতা পার্টি (সিজেপি) ও সহযোগী সংগঠনের বিক্ষোভের জেরে দিল্লিতে জারি করা কঠোর বিধিনিষেধ প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্ট। আদালত স্পষ্ট জানিয়েছে, আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার প্রয়োজন ছাড়া সব ধরনের ব্যারিকেড সরিয়ে নিতে হবে এবং ইন্টারনেট পরিষেবা স্বাভাবিক রাখতে হবে। শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের বেআইনিভাবে আটক না করার জন্যও সরকারকে কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যদি না তা ‘অত্যন্ত জরুরি’ হয়, তবে সমস্ত ব্যারিকেড সরিয়ে ফেলতে হবে।

রোববার বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ও বিচারপতি ভি. মোহনার বেঞ্চের বিশেষ শুনানিতে আদালত জানায়, সাধারণ মানুষের অবাধ চলাচল নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। আইনশৃঙ্খলা রক্ষার নামে সবকিছু স্তব্ধ করে দেওয়া গ্রহণযোগ্য নয়। আদালত ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার (বিএনএসএস) ১৬৩ নম্বর ধারা—যার অধীনে বড় জমায়েতে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছিল—তা প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছে। এছাড়া, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র সচিব, দিল্লি পুলিশ এবং দিল্লি মেট্রো রেল কর্পোরেশনকে (ডিএমআরসি) আগামী মঙ্গলবার নাগাদ এ বিষয়ে একটি কমপ্লায়েন্স রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে। ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা (বিএনএসএস), ২০২৩ এর ১৬৩ নম্বর ধারা—যার মাধ্যমে বড় জমায়েত নিষিদ্ধ করা হয়—তা প্রত্যাহারেরও নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

এর আগে শুক্রবার সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশনা দিয়েছিল যেন ১০ অক্টোবর দিল্লিতে মেট্রো ও ট্রেন চলাচলের ওপর কোনো ‘সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা’ না থাকে। কিন্তু অভিযোগ উঠেছে যে মেট্রো স্টেশনগুলো বন্ধ রাখা হয়েছিল, যাকে আইনজীবী শৈলেন্দ্র মণি ত্রিপাঠী আদালতের অবমাননা বলে অভিহিত করেছেন। এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষের কাছে নোটিশ জারি করেছে আদালত।

বিচারপতিরা বিক্ষোভকারীদের উদ্দেশ্যে বলেছেন, শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের অধিকার সবার আছে, তবে তা অবশ্যই পুলিশ আইনের সীমানার মধ্যে হতে হবে। বিক্ষোভ প্রদর্শনের অধিকার পুলিশ আইনের চেয়ে ঊর্ধ্বে নয় বলে পর্যবেক্ষণ দিয়েছে বেঞ্চ। বর্তমান পরিস্থিতি ও আটকের ঘটনাগুলো নিয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন দাখিলের মাধ্যমে সরকারকে পুরো বিষয়টি স্পষ্ট করতে বলা হয়েছে।