ঢাকা ০৮:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২

ভিয়েতনামে ফ্লাইট পরিচালনায় সময়ানুবর্তিতায় শীর্ষে সান ফু কুওক এয়ারওয়েজ

ভিয়েতনামের এভিয়েশন খাতে ফ্লাইট পরিচালনায় সময়ানুবর্তিতার দিক থেকে শীর্ষস্থান দখল করেছে সান ফু কুওক এয়ারওয়েজ। ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরে সংস্থাটির ফ্লাইটের সময়ানুবর্তিতার হার ছিল ৮৬.৮ শতাংশ। অথচ একই সময়ে ভিয়েতনামের সামগ্রিক এভিয়েশন খাতের গড় হার ছিল ৭৮.৪ শতাংশ। অর্থাৎ, জাতীয় গড়ের চেয়ে ৮.৪ শতাংশ পয়েন্ট এগিয়ে রয়েছে এই বিমান সংস্থাটি।

মৌসুমি যাত্রী চাহিদা কমে যাওয়া এবং দক্ষিণ ভিয়েতনামে টাইফুন ও প্রতিকূল আবহাওয়ার মতো কঠিন পরিস্থিতির মধ্যেও এই ধারাবাহিক সাফল্য অর্জন করেছে প্রতিষ্ঠানটি। আগস্টের তুলনায় সেপ্টেম্বরে তাদের সময়ানুবর্তিতার হার ১৭.৪ শতাংশ বেড়েছে। ফু কুওক বিমানবন্দরে সংস্থাটির সময়মতো ফ্লাইট পরিচালনার হার ছিল ৮৮ শতাংশ, যেখানে ওই বিমানবন্দরের গড় হার ছিল ৭৫.৬ শতাংশ। এছাড়া তান সন নাত বিমানবন্দরে সংস্থাটি ৮৭.২ শতাংশ সময়ানুবর্তিতা বজায় রেখেছে, যা ওই বিমানবন্দরের ৮০.৮ শতাংশ গড় থেকে বেশি। তথ্য অনুযায়ী, আগস্টের তুলনায় সেপ্টেম্বরে সান ফু কুওক এয়ারওয়েজের সময়ানুবর্তিতা ১৭ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়েছে। একই সময়ে দক্ষিণ ভিয়েতনামে ঝড় ও টাইফুনের প্রভাবে ফ্লাইট পরিচালনায় বাড়তি চাপ তৈরি হয়।

ফ্লাইট সময়ানুবর্তিতার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণেও জোর দিয়েছে সান ফু কুওক এয়ারওয়েজ। সেপ্টেম্বরে তাদের আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের সংখ্যা ৪১৪টি থেকে বেড়ে ৫৭০টিতে উন্নীত হয়েছে। এর ফলে মোট বাণিজ্যিক ফ্লাইটে আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের অবদান ১৩.২ শতাংশ থেকে বেড়ে ১৮.৫ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় ৩০ সেপ্টেম্বর হ্যানয়–হংকং নতুন রুটে ফ্লাইট পরিচালনা শুরু করেছে সংস্থাটি। সেপ্টেম্বরে তাদের আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের সংখ্যা ৪১৪ থেকে বেড়ে ৫৭০টিতে পৌঁছায়।

পরিচালন সক্ষমতা বাড়াতে প্রযুক্তিগত উৎকর্ষের দিকেও ঝুঁকছে এয়ারলাইনটি। ২২ সেপ্টেম্বর প্রথম এয়ারবাস এ৩৩০ উড়োজাহাজ বহরে যুক্ত করার পর ৩ অক্টোবর থেকে বাণিজ্যিকভাবে এটি ব্যবহার শুরু হয়। একইসঙ্গে সংস্থাটি তাদের কেন্দ্রীভূত লোড নিয়ন্ত্রণ বা সিএলসি (CLC) ব্যবস্থা চালু করেছে। ভিয়েতনামে এই প্রযুক্তি গ্রহণ করা দ্বিতীয় বিমান সংস্থা হলো সান ফু কুওক এয়ারওয়েজ। এই ব্যবস্থায় উড়োজাহাজের ওজন ও ভারসাম্য নির্ধারণ, মালামাল বহন পরিকল্পনা এবং প্রয়োজনীয় নথিপত্র কেন্দ্রীয়ভাবে তৈরি করা হচ্ছে, যা ফ্লাইট প্রস্তুতিতে নতুন গতির সঞ্চার করেছে। এতে বিভিন্ন বিভাগের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো এবং ফ্লাইট প্রস্তুতির প্রক্রিয়া আরও সুশৃঙ্খল করার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

নতুন উড়োজাহাজ, প্রযুক্তিগত আধুনিকায়ন এবং আন্তর্জাতিক রুটের সম্প্রসারণের ফলে সান ফু কুওক এয়ারওয়েজের সক্ষমতা ক্রমাগত বাড়ছে। তবে ভবিষ্যতে যাত্রীসেবার মান ধরে রাখা এবং সময়ানুবর্তিতার এই ধারা বজায় রাখা প্রতিষ্ঠানটির জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। সংশ্লিষ্টদের মতে, নতুন উড়োজাহাজ সংযোজন, প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থাপনা এবং আন্তর্জাতিক রুট সম্প্রসারণের ফলে এয়ারলাইনটির পরিচালন সক্ষমতা বাড়ছে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

২৬ অক্টোবর চারদিনের সফরে জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

ভিয়েতনামে ফ্লাইট পরিচালনায় সময়ানুবর্তিতায় শীর্ষে সান ফু কুওক এয়ারওয়েজ

আপডেট সময় ০৭:২২:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬

ভিয়েতনামের এভিয়েশন খাতে ফ্লাইট পরিচালনায় সময়ানুবর্তিতার দিক থেকে শীর্ষস্থান দখল করেছে সান ফু কুওক এয়ারওয়েজ। ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরে সংস্থাটির ফ্লাইটের সময়ানুবর্তিতার হার ছিল ৮৬.৮ শতাংশ। অথচ একই সময়ে ভিয়েতনামের সামগ্রিক এভিয়েশন খাতের গড় হার ছিল ৭৮.৪ শতাংশ। অর্থাৎ, জাতীয় গড়ের চেয়ে ৮.৪ শতাংশ পয়েন্ট এগিয়ে রয়েছে এই বিমান সংস্থাটি।

মৌসুমি যাত্রী চাহিদা কমে যাওয়া এবং দক্ষিণ ভিয়েতনামে টাইফুন ও প্রতিকূল আবহাওয়ার মতো কঠিন পরিস্থিতির মধ্যেও এই ধারাবাহিক সাফল্য অর্জন করেছে প্রতিষ্ঠানটি। আগস্টের তুলনায় সেপ্টেম্বরে তাদের সময়ানুবর্তিতার হার ১৭.৪ শতাংশ বেড়েছে। ফু কুওক বিমানবন্দরে সংস্থাটির সময়মতো ফ্লাইট পরিচালনার হার ছিল ৮৮ শতাংশ, যেখানে ওই বিমানবন্দরের গড় হার ছিল ৭৫.৬ শতাংশ। এছাড়া তান সন নাত বিমানবন্দরে সংস্থাটি ৮৭.২ শতাংশ সময়ানুবর্তিতা বজায় রেখেছে, যা ওই বিমানবন্দরের ৮০.৮ শতাংশ গড় থেকে বেশি। তথ্য অনুযায়ী, আগস্টের তুলনায় সেপ্টেম্বরে সান ফু কুওক এয়ারওয়েজের সময়ানুবর্তিতা ১৭ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়েছে। একই সময়ে দক্ষিণ ভিয়েতনামে ঝড় ও টাইফুনের প্রভাবে ফ্লাইট পরিচালনায় বাড়তি চাপ তৈরি হয়।

ফ্লাইট সময়ানুবর্তিতার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণেও জোর দিয়েছে সান ফু কুওক এয়ারওয়েজ। সেপ্টেম্বরে তাদের আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের সংখ্যা ৪১৪টি থেকে বেড়ে ৫৭০টিতে উন্নীত হয়েছে। এর ফলে মোট বাণিজ্যিক ফ্লাইটে আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের অবদান ১৩.২ শতাংশ থেকে বেড়ে ১৮.৫ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় ৩০ সেপ্টেম্বর হ্যানয়–হংকং নতুন রুটে ফ্লাইট পরিচালনা শুরু করেছে সংস্থাটি। সেপ্টেম্বরে তাদের আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের সংখ্যা ৪১৪ থেকে বেড়ে ৫৭০টিতে পৌঁছায়।

পরিচালন সক্ষমতা বাড়াতে প্রযুক্তিগত উৎকর্ষের দিকেও ঝুঁকছে এয়ারলাইনটি। ২২ সেপ্টেম্বর প্রথম এয়ারবাস এ৩৩০ উড়োজাহাজ বহরে যুক্ত করার পর ৩ অক্টোবর থেকে বাণিজ্যিকভাবে এটি ব্যবহার শুরু হয়। একইসঙ্গে সংস্থাটি তাদের কেন্দ্রীভূত লোড নিয়ন্ত্রণ বা সিএলসি (CLC) ব্যবস্থা চালু করেছে। ভিয়েতনামে এই প্রযুক্তি গ্রহণ করা দ্বিতীয় বিমান সংস্থা হলো সান ফু কুওক এয়ারওয়েজ। এই ব্যবস্থায় উড়োজাহাজের ওজন ও ভারসাম্য নির্ধারণ, মালামাল বহন পরিকল্পনা এবং প্রয়োজনীয় নথিপত্র কেন্দ্রীয়ভাবে তৈরি করা হচ্ছে, যা ফ্লাইট প্রস্তুতিতে নতুন গতির সঞ্চার করেছে। এতে বিভিন্ন বিভাগের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো এবং ফ্লাইট প্রস্তুতির প্রক্রিয়া আরও সুশৃঙ্খল করার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

নতুন উড়োজাহাজ, প্রযুক্তিগত আধুনিকায়ন এবং আন্তর্জাতিক রুটের সম্প্রসারণের ফলে সান ফু কুওক এয়ারওয়েজের সক্ষমতা ক্রমাগত বাড়ছে। তবে ভবিষ্যতে যাত্রীসেবার মান ধরে রাখা এবং সময়ানুবর্তিতার এই ধারা বজায় রাখা প্রতিষ্ঠানটির জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। সংশ্লিষ্টদের মতে, নতুন উড়োজাহাজ সংযোজন, প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থাপনা এবং আন্তর্জাতিক রুট সম্প্রসারণের ফলে এয়ারলাইনটির পরিচালন সক্ষমতা বাড়ছে।