ঢাকা ০৪:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তারেক রহমানের সঙ্গে কাজাখস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ গুলশানে ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিশেষ অভিযান, লার্ভা পাওয়ায় জরিমানা বাণিজ্য ঘাটতি পূরণে যুগোপযোগী পদক্ষেপ নেবেন প্রধানমন্ত্রী : রিজভী জাপানের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে প্রাথমিক শিক্ষায় সংস্কার আনা হবে : প্রতিমন্ত্রী জামায়াতের অধিকাংশ এমপি অধ্যাপক জাফর ইকবালের মতো: রাশেদ আরেক মামলায় গ্রেফতার কণ্ঠশিল্পী মমতাজ ১০ হাজার বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠানোর দাবি, নতুন বিতর্কের মুখে শুভেন্দু মসজিদের ভেতরে ইমামের ঝুলন্ত লাশ, পাশে পাওয়া গেছে চিরকুট বেইজিংয়ের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রতি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ইনহাউস কোচিংয়ের ব্যবস্থা রাখতে হবে : শিক্ষামন্ত্রী

ফুটবল ম্যাচ দেখে ফেরার পথে হামলায় প্রাণ গেল যুবকের

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজধানীর কদমতলী এলাকায় মারধরের শিকার হয়ে গুরুতর আহত মো. রাসেল (২৮) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। তিনি নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা উপজেলার রসুলপুর গ্রামের আব্দুল মালেকের ছেলে।

মঙ্গলবার দিবাগত রাতে মাতুয়াইলের একটি হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। পরে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে রাত তিনটার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। বিষয়টি নিশ্চিত করেন ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক।

নিহতের বোন রেশমা আক্তার জানিয়েছেন, গত সোমবার দিবাগত রাতে আর্জেন্টিনা খেলা দেখার কথা বলে বাসা বাহিরে যায়। আমি ভাইকে ফোন করে ছিলাম, সে আমাকে বলেন, তিনি খেলা দেখছিলেন, ঘণ্টা খানিক পর বাসায় চলে যাবেন। কিন্তু সংবাদ পাই, সে গুরুতর আহত, সে হাসপাতালে আছে।

তিনি জানান, তার ভাইয়ের পরিচিত স্থানীয় রনি নামের এক ব্যক্তি কদমতলী থানার মুন্সিখোলা এলাকার নদীর পাড় থেকে আহত অবস্থায় রাসেলকে উদ্ধার করেন। পরে তাকে প্রথমে স্থানীয় পপুলার হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং সেখান থেকে খানপুর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। রাত আনুমানিক দুইটার দিকে পরিবারের সদস্যদের বিষয়টি জানানো হয়।

এরপর নিহতের মা হাসপাতালে পৌঁছালে তাকে সঙ্গে নিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকরা তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়ে দ্রুত আইসিইউতে নেওয়ার পরামর্শ দেন। তবে ঢামেক হাসপাতালে আইসিইউ বেড খালি না থাকায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের পরামর্শে তাকে মাতুয়াইলের একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

তিনি বলেন, দুই বোন এক ভাইয়ের মধ্যে সে ছিল বড়। সে মুন্সিখোলা এলাকায় একটি রডের দোকানে কাজ করতো। তবে কি কারণে, কে বা কাহারা তাকে মারধর করেছিল তাদের কে আমি চিনি না। কি কারণে মেরেছে সে ব্যাপারে আমি কিছু জানতে পারেনি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তারেক রহমানের সঙ্গে কাজাখস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ

ফুটবল ম্যাচ দেখে ফেরার পথে হামলায় প্রাণ গেল যুবকের

আপডেট সময় ১২:১০:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজধানীর কদমতলী এলাকায় মারধরের শিকার হয়ে গুরুতর আহত মো. রাসেল (২৮) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। তিনি নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা উপজেলার রসুলপুর গ্রামের আব্দুল মালেকের ছেলে।

মঙ্গলবার দিবাগত রাতে মাতুয়াইলের একটি হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। পরে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে রাত তিনটার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। বিষয়টি নিশ্চিত করেন ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক।

নিহতের বোন রেশমা আক্তার জানিয়েছেন, গত সোমবার দিবাগত রাতে আর্জেন্টিনা খেলা দেখার কথা বলে বাসা বাহিরে যায়। আমি ভাইকে ফোন করে ছিলাম, সে আমাকে বলেন, তিনি খেলা দেখছিলেন, ঘণ্টা খানিক পর বাসায় চলে যাবেন। কিন্তু সংবাদ পাই, সে গুরুতর আহত, সে হাসপাতালে আছে।

তিনি জানান, তার ভাইয়ের পরিচিত স্থানীয় রনি নামের এক ব্যক্তি কদমতলী থানার মুন্সিখোলা এলাকার নদীর পাড় থেকে আহত অবস্থায় রাসেলকে উদ্ধার করেন। পরে তাকে প্রথমে স্থানীয় পপুলার হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং সেখান থেকে খানপুর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। রাত আনুমানিক দুইটার দিকে পরিবারের সদস্যদের বিষয়টি জানানো হয়।

এরপর নিহতের মা হাসপাতালে পৌঁছালে তাকে সঙ্গে নিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকরা তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়ে দ্রুত আইসিইউতে নেওয়ার পরামর্শ দেন। তবে ঢামেক হাসপাতালে আইসিইউ বেড খালি না থাকায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের পরামর্শে তাকে মাতুয়াইলের একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

তিনি বলেন, দুই বোন এক ভাইয়ের মধ্যে সে ছিল বড়। সে মুন্সিখোলা এলাকায় একটি রডের দোকানে কাজ করতো। তবে কি কারণে, কে বা কাহারা তাকে মারধর করেছিল তাদের কে আমি চিনি না। কি কারণে মেরেছে সে ব্যাপারে আমি কিছু জানতে পারেনি।