ঢাকা ০৩:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তারেক রহমানের সঙ্গে কাজাখস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ গুলশানে ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিশেষ অভিযান, লার্ভা পাওয়ায় জরিমানা বাণিজ্য ঘাটতি পূরণে যুগোপযোগী পদক্ষেপ নেবেন প্রধানমন্ত্রী : রিজভী জাপানের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে প্রাথমিক শিক্ষায় সংস্কার আনা হবে : প্রতিমন্ত্রী জামায়াতের অধিকাংশ এমপি অধ্যাপক জাফর ইকবালের মতো: রাশেদ আরেক মামলায় গ্রেফতার কণ্ঠশিল্পী মমতাজ ১০ হাজার বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠানোর দাবি, নতুন বিতর্কের মুখে শুভেন্দু মসজিদের ভেতরে ইমামের ঝুলন্ত লাশ, পাশে পাওয়া গেছে চিরকুট বেইজিংয়ের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রতি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ইনহাউস কোচিংয়ের ব্যবস্থা রাখতে হবে : শিক্ষামন্ত্রী

জামায়াতের অধিকাংশ এমপি অধ্যাপক জাফর ইকবালের মতো: রাশেদ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

বিএনপি নেতা রাশেদ খান মন্তব্য করেছেন, জামায়াতে ইসলামীর অধিকাংশ সংসদ সদস্যের বর্তমান ভূমিকা অধ্যাপক মুহম্মদ জাফর ইকবালের সঙ্গে তুলনীয়। তার ভাষ্য, যারা সরাসরি আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ছিলেন না, তারা এখন আন্দোলনের ইতিহাস ও সংস্কার নিয়ে সবচেয়ে বেশি কথা বলছেন।

বুধবার (২৪ জুন) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে রাশেদ খান এ মন্তব্য করেন।

পোস্টে তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় বয়স ও সুযোগ থাকা সত্ত্বেও অধ্যাপক জাফর ইকবাল যুদ্ধে অংশ নেননি। তবে স্বাধীনতার পর তিনি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের অন্যতম বড় কণ্ঠে পরিণত হন। এমন পরিস্থিতিও তৈরি হয়েছিল যে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদেরও জাফর ইকবালের কাছ থেকে মুক্তিযুদ্ধের গল্প শুনতে হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর জামায়াতের কিছু নেতা ও সমর্থকের অবস্থাও একই ধরনের হয়েছে। তার ভাষ্য, গত ১৭ বছরে যারা কখনো মাঠের আন্দোলনে ছিলেন না, তাদের কাছ থেকেই এখন জুলাই আন্দোলনের গল্প শুনতে হচ্ছে।

রাশেদ খানের অভিযোগ, যারা কোনোদিন রাজপথে নেমে শেখ হাসিনাকে স্বৈরাচার বলেননি বা রাষ্ট্র সংস্কারের দাবি তোলেননি, তারাই এখন সবচেয়ে বেশি সংস্কার ও জুলাই আন্দোলনের কথা বলছেন। এতে এসব শব্দের গুরুত্ব হ্রাস পাচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

জামায়াতের নারী সংসদ সদস্যদের কাউকেই রাজপথে দেখেননি বলে দাবি করেন বিএনপির এ নেতা। একই সঙ্গে তিনি বলেন, জামায়াতের অধিকাংশ পুরুষ সংসদ সদস্যও আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ছিলেন না।

একজন সংসদ সদস্য প্রার্থীর প্রসঙ্গ টেনে রাশেদ খান বলেন, তাকে মানুষ চিনেছে ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের প্রতিদ্বন্দ্বী’ হিসেবে। কিন্তু ৫ আগস্টের আগে তার রাজনৈতিক ভূমিকা দৃশ্যমান ছিল না বলে দাবি করেন তিনি।

ফেসবুক পোস্টের শেষাংশে রাশেদ খান বলেন, ‘এরা হলো অধ্যাপক জাফর ইকবালের মতো। যুদ্ধ শেষে যুদ্ধের ইতিহাস লেখক বা কথক, যুদ্ধের সংগঠক নয়। এদের মুখে নতুন বিপ্লবের হুংকার শোনা, আর জাফর ইকবালের লেখা বিপ্লবের ইতিহাস পড়া প্রায় একইরকম।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তারেক রহমানের সঙ্গে কাজাখস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ

জামায়াতের অধিকাংশ এমপি অধ্যাপক জাফর ইকবালের মতো: রাশেদ

আপডেট সময় ০১:২০:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

বিএনপি নেতা রাশেদ খান মন্তব্য করেছেন, জামায়াতে ইসলামীর অধিকাংশ সংসদ সদস্যের বর্তমান ভূমিকা অধ্যাপক মুহম্মদ জাফর ইকবালের সঙ্গে তুলনীয়। তার ভাষ্য, যারা সরাসরি আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ছিলেন না, তারা এখন আন্দোলনের ইতিহাস ও সংস্কার নিয়ে সবচেয়ে বেশি কথা বলছেন।

বুধবার (২৪ জুন) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে রাশেদ খান এ মন্তব্য করেন।

পোস্টে তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় বয়স ও সুযোগ থাকা সত্ত্বেও অধ্যাপক জাফর ইকবাল যুদ্ধে অংশ নেননি। তবে স্বাধীনতার পর তিনি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের অন্যতম বড় কণ্ঠে পরিণত হন। এমন পরিস্থিতিও তৈরি হয়েছিল যে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদেরও জাফর ইকবালের কাছ থেকে মুক্তিযুদ্ধের গল্প শুনতে হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর জামায়াতের কিছু নেতা ও সমর্থকের অবস্থাও একই ধরনের হয়েছে। তার ভাষ্য, গত ১৭ বছরে যারা কখনো মাঠের আন্দোলনে ছিলেন না, তাদের কাছ থেকেই এখন জুলাই আন্দোলনের গল্প শুনতে হচ্ছে।

রাশেদ খানের অভিযোগ, যারা কোনোদিন রাজপথে নেমে শেখ হাসিনাকে স্বৈরাচার বলেননি বা রাষ্ট্র সংস্কারের দাবি তোলেননি, তারাই এখন সবচেয়ে বেশি সংস্কার ও জুলাই আন্দোলনের কথা বলছেন। এতে এসব শব্দের গুরুত্ব হ্রাস পাচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

জামায়াতের নারী সংসদ সদস্যদের কাউকেই রাজপথে দেখেননি বলে দাবি করেন বিএনপির এ নেতা। একই সঙ্গে তিনি বলেন, জামায়াতের অধিকাংশ পুরুষ সংসদ সদস্যও আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ছিলেন না।

একজন সংসদ সদস্য প্রার্থীর প্রসঙ্গ টেনে রাশেদ খান বলেন, তাকে মানুষ চিনেছে ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের প্রতিদ্বন্দ্বী’ হিসেবে। কিন্তু ৫ আগস্টের আগে তার রাজনৈতিক ভূমিকা দৃশ্যমান ছিল না বলে দাবি করেন তিনি।

ফেসবুক পোস্টের শেষাংশে রাশেদ খান বলেন, ‘এরা হলো অধ্যাপক জাফর ইকবালের মতো। যুদ্ধ শেষে যুদ্ধের ইতিহাস লেখক বা কথক, যুদ্ধের সংগঠক নয়। এদের মুখে নতুন বিপ্লবের হুংকার শোনা, আর জাফর ইকবালের লেখা বিপ্লবের ইতিহাস পড়া প্রায় একইরকম।’