ঢাকা ০৫:১৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বাংলাদেশ চুপ থাকবে না: শামা ওবায়েদ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে সফল পারমাণবিক বিক্রিয়া সম্পন্ন চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর

ফুটবল ম্যাচ দেখে ফেরার পথে হামলায় প্রাণ গেল যুবকের

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজধানীর কদমতলী এলাকায় মারধরের শিকার হয়ে গুরুতর আহত মো. রাসেল (২৮) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। তিনি নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা উপজেলার রসুলপুর গ্রামের আব্দুল মালেকের ছেলে।

মঙ্গলবার দিবাগত রাতে মাতুয়াইলের একটি হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। পরে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে রাত তিনটার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। বিষয়টি নিশ্চিত করেন ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক।

নিহতের বোন রেশমা আক্তার জানিয়েছেন, গত সোমবার দিবাগত রাতে আর্জেন্টিনা খেলা দেখার কথা বলে বাসা বাহিরে যায়। আমি ভাইকে ফোন করে ছিলাম, সে আমাকে বলেন, তিনি খেলা দেখছিলেন, ঘণ্টা খানিক পর বাসায় চলে যাবেন। কিন্তু সংবাদ পাই, সে গুরুতর আহত, সে হাসপাতালে আছে।

তিনি জানান, তার ভাইয়ের পরিচিত স্থানীয় রনি নামের এক ব্যক্তি কদমতলী থানার মুন্সিখোলা এলাকার নদীর পাড় থেকে আহত অবস্থায় রাসেলকে উদ্ধার করেন। পরে তাকে প্রথমে স্থানীয় পপুলার হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং সেখান থেকে খানপুর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। রাত আনুমানিক দুইটার দিকে পরিবারের সদস্যদের বিষয়টি জানানো হয়।

এরপর নিহতের মা হাসপাতালে পৌঁছালে তাকে সঙ্গে নিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকরা তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়ে দ্রুত আইসিইউতে নেওয়ার পরামর্শ দেন। তবে ঢামেক হাসপাতালে আইসিইউ বেড খালি না থাকায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের পরামর্শে তাকে মাতুয়াইলের একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

তিনি বলেন, দুই বোন এক ভাইয়ের মধ্যে সে ছিল বড়। সে মুন্সিখোলা এলাকায় একটি রডের দোকানে কাজ করতো। তবে কি কারণে, কে বা কাহারা তাকে মারধর করেছিল তাদের কে আমি চিনি না। কি কারণে মেরেছে সে ব্যাপারে আমি কিছু জানতে পারেনি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরিত্রিয়া সীমান্তে ইথিওপীয় সেনার অগ্রগতি, বাড়ছে নতুন যুদ্ধের শঙ্কা

ফুটবল ম্যাচ দেখে ফেরার পথে হামলায় প্রাণ গেল যুবকের

আপডেট সময় ১২:১০:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজধানীর কদমতলী এলাকায় মারধরের শিকার হয়ে গুরুতর আহত মো. রাসেল (২৮) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। তিনি নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা উপজেলার রসুলপুর গ্রামের আব্দুল মালেকের ছেলে।

মঙ্গলবার দিবাগত রাতে মাতুয়াইলের একটি হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। পরে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে রাত তিনটার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। বিষয়টি নিশ্চিত করেন ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক।

নিহতের বোন রেশমা আক্তার জানিয়েছেন, গত সোমবার দিবাগত রাতে আর্জেন্টিনা খেলা দেখার কথা বলে বাসা বাহিরে যায়। আমি ভাইকে ফোন করে ছিলাম, সে আমাকে বলেন, তিনি খেলা দেখছিলেন, ঘণ্টা খানিক পর বাসায় চলে যাবেন। কিন্তু সংবাদ পাই, সে গুরুতর আহত, সে হাসপাতালে আছে।

তিনি জানান, তার ভাইয়ের পরিচিত স্থানীয় রনি নামের এক ব্যক্তি কদমতলী থানার মুন্সিখোলা এলাকার নদীর পাড় থেকে আহত অবস্থায় রাসেলকে উদ্ধার করেন। পরে তাকে প্রথমে স্থানীয় পপুলার হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং সেখান থেকে খানপুর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। রাত আনুমানিক দুইটার দিকে পরিবারের সদস্যদের বিষয়টি জানানো হয়।

এরপর নিহতের মা হাসপাতালে পৌঁছালে তাকে সঙ্গে নিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকরা তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়ে দ্রুত আইসিইউতে নেওয়ার পরামর্শ দেন। তবে ঢামেক হাসপাতালে আইসিইউ বেড খালি না থাকায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের পরামর্শে তাকে মাতুয়াইলের একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

তিনি বলেন, দুই বোন এক ভাইয়ের মধ্যে সে ছিল বড়। সে মুন্সিখোলা এলাকায় একটি রডের দোকানে কাজ করতো। তবে কি কারণে, কে বা কাহারা তাকে মারধর করেছিল তাদের কে আমি চিনি না। কি কারণে মেরেছে সে ব্যাপারে আমি কিছু জানতে পারেনি।