ঢাকা ০৯:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ফুটবল ম্যাচ দেখে ফেরার পথে হামলায় প্রাণ গেল যুবকের

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজধানীর কদমতলী এলাকায় মারধরের শিকার হয়ে গুরুতর আহত মো. রাসেল (২৮) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। তিনি নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা উপজেলার রসুলপুর গ্রামের আব্দুল মালেকের ছেলে।

মঙ্গলবার দিবাগত রাতে মাতুয়াইলের একটি হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। পরে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে রাত তিনটার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। বিষয়টি নিশ্চিত করেন ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক।

নিহতের বোন রেশমা আক্তার জানিয়েছেন, গত সোমবার দিবাগত রাতে আর্জেন্টিনা খেলা দেখার কথা বলে বাসা বাহিরে যায়। আমি ভাইকে ফোন করে ছিলাম, সে আমাকে বলেন, তিনি খেলা দেখছিলেন, ঘণ্টা খানিক পর বাসায় চলে যাবেন। কিন্তু সংবাদ পাই, সে গুরুতর আহত, সে হাসপাতালে আছে।

তিনি জানান, তার ভাইয়ের পরিচিত স্থানীয় রনি নামের এক ব্যক্তি কদমতলী থানার মুন্সিখোলা এলাকার নদীর পাড় থেকে আহত অবস্থায় রাসেলকে উদ্ধার করেন। পরে তাকে প্রথমে স্থানীয় পপুলার হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং সেখান থেকে খানপুর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। রাত আনুমানিক দুইটার দিকে পরিবারের সদস্যদের বিষয়টি জানানো হয়।

এরপর নিহতের মা হাসপাতালে পৌঁছালে তাকে সঙ্গে নিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকরা তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়ে দ্রুত আইসিইউতে নেওয়ার পরামর্শ দেন। তবে ঢামেক হাসপাতালে আইসিইউ বেড খালি না থাকায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের পরামর্শে তাকে মাতুয়াইলের একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

তিনি বলেন, দুই বোন এক ভাইয়ের মধ্যে সে ছিল বড়। সে মুন্সিখোলা এলাকায় একটি রডের দোকানে কাজ করতো। তবে কি কারণে, কে বা কাহারা তাকে মারধর করেছিল তাদের কে আমি চিনি না। কি কারণে মেরেছে সে ব্যাপারে আমি কিছু জানতে পারেনি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

ফুটবল ম্যাচ দেখে ফেরার পথে হামলায় প্রাণ গেল যুবকের

আপডেট সময় ১২:১০:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজধানীর কদমতলী এলাকায় মারধরের শিকার হয়ে গুরুতর আহত মো. রাসেল (২৮) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। তিনি নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা উপজেলার রসুলপুর গ্রামের আব্দুল মালেকের ছেলে।

মঙ্গলবার দিবাগত রাতে মাতুয়াইলের একটি হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। পরে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে রাত তিনটার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। বিষয়টি নিশ্চিত করেন ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক।

নিহতের বোন রেশমা আক্তার জানিয়েছেন, গত সোমবার দিবাগত রাতে আর্জেন্টিনা খেলা দেখার কথা বলে বাসা বাহিরে যায়। আমি ভাইকে ফোন করে ছিলাম, সে আমাকে বলেন, তিনি খেলা দেখছিলেন, ঘণ্টা খানিক পর বাসায় চলে যাবেন। কিন্তু সংবাদ পাই, সে গুরুতর আহত, সে হাসপাতালে আছে।

তিনি জানান, তার ভাইয়ের পরিচিত স্থানীয় রনি নামের এক ব্যক্তি কদমতলী থানার মুন্সিখোলা এলাকার নদীর পাড় থেকে আহত অবস্থায় রাসেলকে উদ্ধার করেন। পরে তাকে প্রথমে স্থানীয় পপুলার হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং সেখান থেকে খানপুর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। রাত আনুমানিক দুইটার দিকে পরিবারের সদস্যদের বিষয়টি জানানো হয়।

এরপর নিহতের মা হাসপাতালে পৌঁছালে তাকে সঙ্গে নিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকরা তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়ে দ্রুত আইসিইউতে নেওয়ার পরামর্শ দেন। তবে ঢামেক হাসপাতালে আইসিইউ বেড খালি না থাকায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের পরামর্শে তাকে মাতুয়াইলের একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

তিনি বলেন, দুই বোন এক ভাইয়ের মধ্যে সে ছিল বড়। সে মুন্সিখোলা এলাকায় একটি রডের দোকানে কাজ করতো। তবে কি কারণে, কে বা কাহারা তাকে মারধর করেছিল তাদের কে আমি চিনি না। কি কারণে মেরেছে সে ব্যাপারে আমি কিছু জানতে পারেনি।