ঢাকা ০৯:২০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে আচমকা বিয়ে বাড়িতে ইউএনও’র হানা

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

গত শুক্রবার (১৩ অক্টোবর) টাঙ্গাইল জেলার কাশিল ইউনিয়নের বাথুলীসাদী পশ্চিমপাড়ার জুলহাসের মেয়ে মিতু আক্তারের (১৩ বিয়ে হওয়ার কথা। বরযাত্রী আসার আগেই বিয়ে বাড়িতে আসলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)। এই কর্মকর্তাকে দেখে বিয়ে বাড়ির লোকজন হতভম্ব হয়ে কণেকে আড়াল করলেও পরে অপ্রাপ্ত কণেকে কর্মকর্তার সামনে আনতে বাধ্য হন তার স্বজনরা। বাল্যবিয়ের ক্ষতিকারক দিকগুলো বুঝিয়ে মিতুর বাল্যবিয়ে ঠেকালেন ইউএনও শামছুন নাহার স্বপ্না।

মিতু স্থানীয় লাইলী বেগম উচ্চ বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণির ছাত্রী। শুক্রবার (১৩ অক্টোবর) মিতুকে পাশের এলাকা নথখোলা গ্রামের প্রবাসী আকবর আলীর সাথে বিয়ে দেয়ার জন্য সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করে তার পরিবার। গোপন সংবাদে দুপরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামছুন নাহার স্বপ্না বিয়ে বাড়িতে হাজির হয়।

এ কর্মকর্তার উপস্থিতি টের পেয়ে তার পরিবার মিতুকে লুকিয়ে ফেলে। প্রায় ২০ মিনিট পর মিতুকে তার সামনে আনা হয়। পরে মেয়ের মা-বাবা তাকে প্রাপ্ত বয়স না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দেবেন না মর্মে মুচলেকা দেন। এসময় নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে ছিলেন উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান, নারী উন্নয়ন ফোরামের সভাপতি রাশেদা সুলতানা রুবি ও উপজেলা মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তা মাহমুদা খাতুন। আইন অমান্য করে যদি মেয়েটির বিয়ের আয়োজন করে তাহলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে আচমকা বিয়ে বাড়িতে ইউএনও’র হানা

আপডেট সময় ১১:২৬:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

গত শুক্রবার (১৩ অক্টোবর) টাঙ্গাইল জেলার কাশিল ইউনিয়নের বাথুলীসাদী পশ্চিমপাড়ার জুলহাসের মেয়ে মিতু আক্তারের (১৩ বিয়ে হওয়ার কথা। বরযাত্রী আসার আগেই বিয়ে বাড়িতে আসলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)। এই কর্মকর্তাকে দেখে বিয়ে বাড়ির লোকজন হতভম্ব হয়ে কণেকে আড়াল করলেও পরে অপ্রাপ্ত কণেকে কর্মকর্তার সামনে আনতে বাধ্য হন তার স্বজনরা। বাল্যবিয়ের ক্ষতিকারক দিকগুলো বুঝিয়ে মিতুর বাল্যবিয়ে ঠেকালেন ইউএনও শামছুন নাহার স্বপ্না।

মিতু স্থানীয় লাইলী বেগম উচ্চ বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণির ছাত্রী। শুক্রবার (১৩ অক্টোবর) মিতুকে পাশের এলাকা নথখোলা গ্রামের প্রবাসী আকবর আলীর সাথে বিয়ে দেয়ার জন্য সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করে তার পরিবার। গোপন সংবাদে দুপরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামছুন নাহার স্বপ্না বিয়ে বাড়িতে হাজির হয়।

এ কর্মকর্তার উপস্থিতি টের পেয়ে তার পরিবার মিতুকে লুকিয়ে ফেলে। প্রায় ২০ মিনিট পর মিতুকে তার সামনে আনা হয়। পরে মেয়ের মা-বাবা তাকে প্রাপ্ত বয়স না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দেবেন না মর্মে মুচলেকা দেন। এসময় নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে ছিলেন উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান, নারী উন্নয়ন ফোরামের সভাপতি রাশেদা সুলতানা রুবি ও উপজেলা মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তা মাহমুদা খাতুন। আইন অমান্য করে যদি মেয়েটির বিয়ের আয়োজন করে তাহলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।