ঢাকা ১১:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আমার বাবাকে মিথ্যা মামলায় হত্যা করা হয়, সে কারণেই আমি আজ সংসদে ১৮ মাস যে আরামে ছিলেন, সে আরাম এখন হচ্ছে না: বিরোধী দলকে প্রতিমন্ত্রী জামায়াতের এমপিকে মসজিদে হত্যাচেষ্টা, সংসদে চাইলেন নিরাপত্তা গাইবান্ধায় বজ্রপাতে শিশুসহ ৫ জনের মৃত্যু দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণে সম্ভাব্যতা সমীক্ষার কার্যক্রম চলছে : সেতুমন্ত্রী সচিবালয়ে ২১ তলা ভবন নির্মাণ প্রকল্প অনুমোদন দেয়নি একনেক আত্মঘাতী হামলায় মালির প্রতিরক্ষামন্ত্রী নিহত এসি রুমে বসে জনগণের সমস্যা বোঝা যায় না: সংসদে হাসনাত আবদুল্লাহ শুল্কমুক্ত গাড়ি আমদানির সুবিধা বাতিল করে সংসদে বিল পাস বাসা থেকে ঢাবি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার, চিরকুটে পাওয়া গেল শিক্ষকের নাম

বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে আচমকা বিয়ে বাড়িতে ইউএনও’র হানা

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

গত শুক্রবার (১৩ অক্টোবর) টাঙ্গাইল জেলার কাশিল ইউনিয়নের বাথুলীসাদী পশ্চিমপাড়ার জুলহাসের মেয়ে মিতু আক্তারের (১৩ বিয়ে হওয়ার কথা। বরযাত্রী আসার আগেই বিয়ে বাড়িতে আসলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)। এই কর্মকর্তাকে দেখে বিয়ে বাড়ির লোকজন হতভম্ব হয়ে কণেকে আড়াল করলেও পরে অপ্রাপ্ত কণেকে কর্মকর্তার সামনে আনতে বাধ্য হন তার স্বজনরা। বাল্যবিয়ের ক্ষতিকারক দিকগুলো বুঝিয়ে মিতুর বাল্যবিয়ে ঠেকালেন ইউএনও শামছুন নাহার স্বপ্না।

মিতু স্থানীয় লাইলী বেগম উচ্চ বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণির ছাত্রী। শুক্রবার (১৩ অক্টোবর) মিতুকে পাশের এলাকা নথখোলা গ্রামের প্রবাসী আকবর আলীর সাথে বিয়ে দেয়ার জন্য সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করে তার পরিবার। গোপন সংবাদে দুপরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামছুন নাহার স্বপ্না বিয়ে বাড়িতে হাজির হয়।

এ কর্মকর্তার উপস্থিতি টের পেয়ে তার পরিবার মিতুকে লুকিয়ে ফেলে। প্রায় ২০ মিনিট পর মিতুকে তার সামনে আনা হয়। পরে মেয়ের মা-বাবা তাকে প্রাপ্ত বয়স না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দেবেন না মর্মে মুচলেকা দেন। এসময় নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে ছিলেন উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান, নারী উন্নয়ন ফোরামের সভাপতি রাশেদা সুলতানা রুবি ও উপজেলা মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তা মাহমুদা খাতুন। আইন অমান্য করে যদি মেয়েটির বিয়ের আয়োজন করে তাহলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে আচমকা বিয়ে বাড়িতে ইউএনও’র হানা

আপডেট সময় ১১:২৬:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

গত শুক্রবার (১৩ অক্টোবর) টাঙ্গাইল জেলার কাশিল ইউনিয়নের বাথুলীসাদী পশ্চিমপাড়ার জুলহাসের মেয়ে মিতু আক্তারের (১৩ বিয়ে হওয়ার কথা। বরযাত্রী আসার আগেই বিয়ে বাড়িতে আসলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)। এই কর্মকর্তাকে দেখে বিয়ে বাড়ির লোকজন হতভম্ব হয়ে কণেকে আড়াল করলেও পরে অপ্রাপ্ত কণেকে কর্মকর্তার সামনে আনতে বাধ্য হন তার স্বজনরা। বাল্যবিয়ের ক্ষতিকারক দিকগুলো বুঝিয়ে মিতুর বাল্যবিয়ে ঠেকালেন ইউএনও শামছুন নাহার স্বপ্না।

মিতু স্থানীয় লাইলী বেগম উচ্চ বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণির ছাত্রী। শুক্রবার (১৩ অক্টোবর) মিতুকে পাশের এলাকা নথখোলা গ্রামের প্রবাসী আকবর আলীর সাথে বিয়ে দেয়ার জন্য সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করে তার পরিবার। গোপন সংবাদে দুপরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামছুন নাহার স্বপ্না বিয়ে বাড়িতে হাজির হয়।

এ কর্মকর্তার উপস্থিতি টের পেয়ে তার পরিবার মিতুকে লুকিয়ে ফেলে। প্রায় ২০ মিনিট পর মিতুকে তার সামনে আনা হয়। পরে মেয়ের মা-বাবা তাকে প্রাপ্ত বয়স না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দেবেন না মর্মে মুচলেকা দেন। এসময় নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে ছিলেন উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান, নারী উন্নয়ন ফোরামের সভাপতি রাশেদা সুলতানা রুবি ও উপজেলা মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তা মাহমুদা খাতুন। আইন অমান্য করে যদি মেয়েটির বিয়ের আয়োজন করে তাহলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।