ঢাকা ০৯:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে সাংবাদিক আনিসের বিরুদ্ধে মামলা আসন সমঝোতা হলেও জোটের রাজনৈতিক গুরুত্ব আছে: নাহিদ ইসলাম স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত বিপিএল এসএসসি পরীক্ষা শুরু ২১ এপ্রিল, সময়সূচি প্রকাশ গণঅভ্যুত্থান সুরক্ষা ও দায়মুক্তি নির্ধারণ আইন অনুমোদন হয়েছে : আসিফ নজরুল বিএনপি ক্ষমতায় এলে দেশের ঘরে ঘরে নারীদের ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে: দুলু জামায়াত জোটের আসন ভাগাভাগি চূড়ান্ত, রাতে প্রার্থী ঘোষণা শহীদ হাদি হত্যা মামলায় নতুন মোড়, পুনরায় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে আদালত নির্বাচন ঘিরে একটি পক্ষ ইচ্ছাকৃত বিভ্রান্তি তৈরি করতে চাইছে,সতর্ক থাকার আহ্বান : মির্জা আব্বাস

বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে আচমকা বিয়ে বাড়িতে ইউএনও’র হানা

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

গত শুক্রবার (১৩ অক্টোবর) টাঙ্গাইল জেলার কাশিল ইউনিয়নের বাথুলীসাদী পশ্চিমপাড়ার জুলহাসের মেয়ে মিতু আক্তারের (১৩ বিয়ে হওয়ার কথা। বরযাত্রী আসার আগেই বিয়ে বাড়িতে আসলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)। এই কর্মকর্তাকে দেখে বিয়ে বাড়ির লোকজন হতভম্ব হয়ে কণেকে আড়াল করলেও পরে অপ্রাপ্ত কণেকে কর্মকর্তার সামনে আনতে বাধ্য হন তার স্বজনরা। বাল্যবিয়ের ক্ষতিকারক দিকগুলো বুঝিয়ে মিতুর বাল্যবিয়ে ঠেকালেন ইউএনও শামছুন নাহার স্বপ্না।

মিতু স্থানীয় লাইলী বেগম উচ্চ বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণির ছাত্রী। শুক্রবার (১৩ অক্টোবর) মিতুকে পাশের এলাকা নথখোলা গ্রামের প্রবাসী আকবর আলীর সাথে বিয়ে দেয়ার জন্য সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করে তার পরিবার। গোপন সংবাদে দুপরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামছুন নাহার স্বপ্না বিয়ে বাড়িতে হাজির হয়।

এ কর্মকর্তার উপস্থিতি টের পেয়ে তার পরিবার মিতুকে লুকিয়ে ফেলে। প্রায় ২০ মিনিট পর মিতুকে তার সামনে আনা হয়। পরে মেয়ের মা-বাবা তাকে প্রাপ্ত বয়স না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দেবেন না মর্মে মুচলেকা দেন। এসময় নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে ছিলেন উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান, নারী উন্নয়ন ফোরামের সভাপতি রাশেদা সুলতানা রুবি ও উপজেলা মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তা মাহমুদা খাতুন। আইন অমান্য করে যদি মেয়েটির বিয়ের আয়োজন করে তাহলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে আচমকা বিয়ে বাড়িতে ইউএনও’র হানা

আপডেট সময় ১১:২৬:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

গত শুক্রবার (১৩ অক্টোবর) টাঙ্গাইল জেলার কাশিল ইউনিয়নের বাথুলীসাদী পশ্চিমপাড়ার জুলহাসের মেয়ে মিতু আক্তারের (১৩ বিয়ে হওয়ার কথা। বরযাত্রী আসার আগেই বিয়ে বাড়িতে আসলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)। এই কর্মকর্তাকে দেখে বিয়ে বাড়ির লোকজন হতভম্ব হয়ে কণেকে আড়াল করলেও পরে অপ্রাপ্ত কণেকে কর্মকর্তার সামনে আনতে বাধ্য হন তার স্বজনরা। বাল্যবিয়ের ক্ষতিকারক দিকগুলো বুঝিয়ে মিতুর বাল্যবিয়ে ঠেকালেন ইউএনও শামছুন নাহার স্বপ্না।

মিতু স্থানীয় লাইলী বেগম উচ্চ বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণির ছাত্রী। শুক্রবার (১৩ অক্টোবর) মিতুকে পাশের এলাকা নথখোলা গ্রামের প্রবাসী আকবর আলীর সাথে বিয়ে দেয়ার জন্য সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করে তার পরিবার। গোপন সংবাদে দুপরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামছুন নাহার স্বপ্না বিয়ে বাড়িতে হাজির হয়।

এ কর্মকর্তার উপস্থিতি টের পেয়ে তার পরিবার মিতুকে লুকিয়ে ফেলে। প্রায় ২০ মিনিট পর মিতুকে তার সামনে আনা হয়। পরে মেয়ের মা-বাবা তাকে প্রাপ্ত বয়স না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দেবেন না মর্মে মুচলেকা দেন। এসময় নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে ছিলেন উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান, নারী উন্নয়ন ফোরামের সভাপতি রাশেদা সুলতানা রুবি ও উপজেলা মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তা মাহমুদা খাতুন। আইন অমান্য করে যদি মেয়েটির বিয়ের আয়োজন করে তাহলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।