ঢাকা ০৮:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ২৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ব্যাংক লেনদেনে কর আরোপের চিন্তা করছে সরকার: এনবিআর চেয়ারম্যান আবারও বিরোধী দলের ওয়াকআউট আল্লাহ ভালো জানেন একাত্তরে কার কী ভূমিকা ছিল: জামায়াত আমির আসুন আগে রোগ ডিটেক্ট করি, তারপরে ওষুধ দেই: বিরোধী দলকে আইনমন্ত্রী জ্বালানি খাতে মাসে আড়াই হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিচ্ছে সরকার বিএনপি খুব দ্রুত দমনমূলক অবস্থানে যাচ্ছে: আসিফ সরকার শুধু নোট অব ডিসেন্টকে অক্ষরে অক্ষরে পালন করতে চায়’:আখতার হোসেন ফ্যামিলি কার্ডের প্রলোভনে বিধবাকে ধর্ষণের অভিযোগ যুদ্ধবিরতি ‘ভুল’ ছিল, ইরানকে ছাড় দেওয়া উচিত হয়নি: ইসরায়েলি মন্ত্রী শেরপুর-৩ আসনে উপনির্বাচন: ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের অভিযোগ জামায়াত প্রার্থীর, প্রত্যাখ্যান বিএনপির

সরকার শুধু নোট অব ডিসেন্টকে অক্ষরে অক্ষরে পালন করতে চায়’:আখতার হোসেন

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রংপুর-৪ আসনের (পীরগাছা-কাউনিয়া) সংসদ সদস্য ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেন বলেছেন, সরকার দলের বন্ধুরা (সংসদ সদস্যরা) শুধু জুলাই সনদের নোট অব ডিসেন্টকেই অক্ষরে অক্ষরে পালন করতে চান।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামানের উত্থাপিত সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ রহিতকরণে বিল-২০২৬ এর আপত্তি জানিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

আখতার হোসেন বলেন, সরকারদলের যেসব বন্ধু আছেন তাদের কাছ থেকে আমরা জুলাই সনদের কথা শুনি, জুলাই সনদ নাকি তারা অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করবেন। সেই জুলাই সনদের দুইটা পার্ট আছে, একটা পার্ট হচ্ছে বামদিকে—জুলাই সনদের মূল ভাষ্য, আর ডানদিকে আছে নোট অব ডিসেন্ট।

তিনি আরও বলেন, তারা (সরকার) যখন জুলাই সনদের কথা বলেন, তখন নোট অব ডিসেন্টের কথা বলেন। তারা এটাকেই অক্ষর অক্ষরে পালন করতে চান।

আখতার হোসেন বলেন, বিচারপতি নিয়োগের ব্যাপারে সংবিধানের ৯৫ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, প্রধান বিচারপতির পরামর্শক্রমে বিচারপতি নিয়োগ দেবেন রাষ্ট্রপতি। দেখে খুব সুন্দর মনে হয়, রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতির সঙ্গে পরামর্শক্রমে বিচারপতি নিয়োগ দেবেন।

এই নেতা বলেন, বাংলাদেশের সংবিধানের ৪৮/৩ এ বলা আছে রাষ্ট্রপতি শুধুমাত্র প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ এবং প্রধান বিচারপতি নিয়োগ এই দুইটা বাদে অন্য যত কার্যক্রম তিনি সম্পূর্ণ করবেন অর্থাৎ প্রধান বিচারপতিকে সুপ্রিম কোর্টের অ্যাপিলেট ডিভিশন, হাইকোর্ট ডিভিশনের যত বিচারপতি নিয়োগ দেবেন সেই বিচারপতিগুলো নিয়োগ দেওয়ার সময় তাকে অবশ্যই সংবিধানের ৪৮/৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে সেটা করতে হবে। এ কারণে ৯৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতির পরামর্শের বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্রে যে বিধানের কথা বলা হয়েছে, সেই বিধানটা ৪৮/৩ যখন যায়, তখনই শপথ-বদ্ধ রাজনীতিবিদদের মতো বিচারপতি নিয়োগ হয়। যেমন, খাইরুল হকের মতো বিচারপতি, মানিকের মতো ব্যক্তিরা ওই শেখ হাসিনার দ্বারা তখন নিয়োগ হয়েছিল। সেই দিনের সেই ধরনের একটা পরিস্থিতি বাংলাদেশের আবার চলুক এটা তো আমরা মেনে নিতে পারি না।

এনসিপির এই নেতা বলেন, সংবিধানের ৯৫ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে বিচারপতি নিয়োগের জন্য সরকার চাইলে আইন করতে পারবে। বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্রে মাত্র তিনটা শর্ত দেওয়া আছে। ০১. বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে। ০২. হাইকোর্টে ১০ বছরের প্র্যাকটিসের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। ০৩. বিচার বিভাগে ১০ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

সরকার শুধু নোট অব ডিসেন্টকে অক্ষরে অক্ষরে পালন করতে চায়’:আখতার হোসেন

আপডেট সময় ০৪:১৫:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রংপুর-৪ আসনের (পীরগাছা-কাউনিয়া) সংসদ সদস্য ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেন বলেছেন, সরকার দলের বন্ধুরা (সংসদ সদস্যরা) শুধু জুলাই সনদের নোট অব ডিসেন্টকেই অক্ষরে অক্ষরে পালন করতে চান।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামানের উত্থাপিত সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ রহিতকরণে বিল-২০২৬ এর আপত্তি জানিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

আখতার হোসেন বলেন, সরকারদলের যেসব বন্ধু আছেন তাদের কাছ থেকে আমরা জুলাই সনদের কথা শুনি, জুলাই সনদ নাকি তারা অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করবেন। সেই জুলাই সনদের দুইটা পার্ট আছে, একটা পার্ট হচ্ছে বামদিকে—জুলাই সনদের মূল ভাষ্য, আর ডানদিকে আছে নোট অব ডিসেন্ট।

তিনি আরও বলেন, তারা (সরকার) যখন জুলাই সনদের কথা বলেন, তখন নোট অব ডিসেন্টের কথা বলেন। তারা এটাকেই অক্ষর অক্ষরে পালন করতে চান।

আখতার হোসেন বলেন, বিচারপতি নিয়োগের ব্যাপারে সংবিধানের ৯৫ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, প্রধান বিচারপতির পরামর্শক্রমে বিচারপতি নিয়োগ দেবেন রাষ্ট্রপতি। দেখে খুব সুন্দর মনে হয়, রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতির সঙ্গে পরামর্শক্রমে বিচারপতি নিয়োগ দেবেন।

এই নেতা বলেন, বাংলাদেশের সংবিধানের ৪৮/৩ এ বলা আছে রাষ্ট্রপতি শুধুমাত্র প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ এবং প্রধান বিচারপতি নিয়োগ এই দুইটা বাদে অন্য যত কার্যক্রম তিনি সম্পূর্ণ করবেন অর্থাৎ প্রধান বিচারপতিকে সুপ্রিম কোর্টের অ্যাপিলেট ডিভিশন, হাইকোর্ট ডিভিশনের যত বিচারপতি নিয়োগ দেবেন সেই বিচারপতিগুলো নিয়োগ দেওয়ার সময় তাকে অবশ্যই সংবিধানের ৪৮/৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে সেটা করতে হবে। এ কারণে ৯৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতির পরামর্শের বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্রে যে বিধানের কথা বলা হয়েছে, সেই বিধানটা ৪৮/৩ যখন যায়, তখনই শপথ-বদ্ধ রাজনীতিবিদদের মতো বিচারপতি নিয়োগ হয়। যেমন, খাইরুল হকের মতো বিচারপতি, মানিকের মতো ব্যক্তিরা ওই শেখ হাসিনার দ্বারা তখন নিয়োগ হয়েছিল। সেই দিনের সেই ধরনের একটা পরিস্থিতি বাংলাদেশের আবার চলুক এটা তো আমরা মেনে নিতে পারি না।

এনসিপির এই নেতা বলেন, সংবিধানের ৯৫ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে বিচারপতি নিয়োগের জন্য সরকার চাইলে আইন করতে পারবে। বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্রে মাত্র তিনটা শর্ত দেওয়া আছে। ০১. বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে। ০২. হাইকোর্টে ১০ বছরের প্র্যাকটিসের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। ০৩. বিচার বিভাগে ১০ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।