ঢাকা ০৯:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ৩০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘সাংবাদিকতা সত্য-ন্যায় থেকে সরে গেলে রাষ্ট্রের অন্য তিনটি অঙ্গও দুর্বল হয়ে যায়’ রাজধানীর ধলপুরে ডিএসসিসির বিশেষ পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন অভিযান ঈদযাত্রায় অনিয়ম পেলেই সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা: সড়কপরিবহন মন্ত্রী রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ৫০ ঘণ্টা আলোচনা হবে সংসদে মতবিরোধের নামে কারো আচরণ মাত্রা ছাড়ালে বুঝতে হবে অন্য উদ্দেশ্য আছে: তথ্যমন্ত্রী শত্রুদের কাছে ক্ষতিপূরণ নেওয়া হবে: মোজতবা খামেনি সংবিধান সংস্কার পরিষদ নিয়ে সিদ্ধান্ত সংসদেই হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মুক্তি পেলেন সাংবাদিক আনিস আলমগীর স্বাস্থ্যসেবাকে জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে চাই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ‘তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা দেশপ্রেমিক সরকার পেয়েছি’:পানিসম্পদ মন্ত্রী

ব্যাটিং অর্ডার ঘনঘন পরিবর্তন হতো, আমি ‘না’ করতাম না: মাহমুদউল্লাহ

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক : 

বরাবরই তিনি অন্তর্মুখী। স্বল্পভাষী। কিন্তু এতদিন পর শেষ পর্যন্ত মুখ খুললেন মাহমুদউল্লাহ। তার মতো আর কোনো ক্রিকেটার বারবার নিজের অভ্যস্ত ব্যাটিং পজিশন বিসর্জন দেননি, বলেছেন সাবেক বাংলাদেশ অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ। এতদিন পর জানালেন, সব সময় তার পছন্দের পজিশন ছিল চার নম্বর। অথচ, এ নিয়ে তেমন উচ্চবাচ্য কখনো করেননি তিনি। বরং, টিম ম্যানেজমেন্ট যে পজিশনে তাকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছে, তিনি তা মেনে নিয়েছেন। অর্থাৎ, নিজের ইচ্ছার জলাঞ্জলি দিয়ে অনভ্যস্ত ব্যাটিং পজিশনে দ্বিধাহীন চিত্তে নিজেকে সঁপে দিয়েছেন।

‘সিম্পলি সাঈদ’ পডকাস্টে চাপা স্বভাবের মাহমুদউল্লাহ মনের অর্গল খুলে দেন। তার ব্যাটিং পজিশন বারবার বদলানো হয়েছে। অনিচ্ছায় অনুরোধের ঢেঁকি গিলেছেন। প্রায়শই ‘না’ বলতে সংকোচ বোধ করেছেন। এমন ঘটনা বেশিরভাগ সময় ঘটেছে মাশরাফি মুর্তজার অধিনায়ক থাকার সময়। পডকাস্টে তার সাক্ষাৎকার প্রচারিত হয়েছে বৃহস্পতিবার। সেখানে মাহমুদউল্লাহ বলেছেন, ‘আমি সব সময় চেয়েছি চারে কিংবা পাঁচে ব্যাট করতে। কিন্তু এ নিয়ে কখনো কোনো কথা বলিনি। চুপ থেকেছি। সুযোগের অপেক্ষায় থেকেছি।’

২০২৫ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নেওয়া মাহমুদউল্লাহ বলেন, ‘বছরের পর বছর ধরে বাংলাদেশ দলে ব্যাটিং পজিশন নিয়ে আমি যত ত্যাগ স্বীকার করেছি, অন্য কোনো ক্রিকেটার তা করেনি।’ তার সংযোজন, ‘আমার পছন্দের ব্যাটিং পজিশন ছিল চার। কিন্তু আমি সেই পজিশন বারবার ছেড়ে দিয়েছি। আলহামদুলিল্লাহ, আমি এ নিয়ে কোনো অভিযোগ করছি না। দলের প্রয়োজনে আমার আত্মত্যাগ। যদি দলের অনুকূলে ফল হয়, তাতেই আমি খুশি থাকতাম। কোনো অভিযোগ কখনো করিনি।’ মাহমুদউল্লাহ এ প্রসঙ্গে একটি উদাহরণ দেন। যেমন, ‘মাশরাফি ভাই বলতেন, রিয়াদ, আজ তুমি চারে ব্যাট করবে। কাল পাঁচে। আমি বলতাম, ঠিক আছে। পাঁচে যদি আমি রান করতাম, তখন তিনি (মাশরাফি) বলতেন, ঠিক আছে। আজ তুমি ছয়ে ব্যাট করো। আমি ‘না’ করতাম না। এভাবেই আমার ব্যাটিং অর্ডার ঘনঘন পরিবর্তন হতো।’

ক্যারিয়ারে সবচেয়ে বড় কষ্ট তিনি পেয়েছিলেন ২০১৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের কাছে পরাজয়ে। বেঙ্গালুরুতে জয়ের অবস্থানে থেকেও মুশফিকুর রহিমকে সঙ্গে নিয়ে তিনি বাংলাদেশকে জেতাতে পারেননি। এই আক্ষেপ তার রয়ে গেছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিয়ের ২৪ দিনের মাথায় স্বামীর বাড়িতে তরুণীর ঝুলন্ত লাশ

ব্যাটিং অর্ডার ঘনঘন পরিবর্তন হতো, আমি ‘না’ করতাম না: মাহমুদউল্লাহ

আপডেট সময় ০২:৩১:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক : 

বরাবরই তিনি অন্তর্মুখী। স্বল্পভাষী। কিন্তু এতদিন পর শেষ পর্যন্ত মুখ খুললেন মাহমুদউল্লাহ। তার মতো আর কোনো ক্রিকেটার বারবার নিজের অভ্যস্ত ব্যাটিং পজিশন বিসর্জন দেননি, বলেছেন সাবেক বাংলাদেশ অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ। এতদিন পর জানালেন, সব সময় তার পছন্দের পজিশন ছিল চার নম্বর। অথচ, এ নিয়ে তেমন উচ্চবাচ্য কখনো করেননি তিনি। বরং, টিম ম্যানেজমেন্ট যে পজিশনে তাকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছে, তিনি তা মেনে নিয়েছেন। অর্থাৎ, নিজের ইচ্ছার জলাঞ্জলি দিয়ে অনভ্যস্ত ব্যাটিং পজিশনে দ্বিধাহীন চিত্তে নিজেকে সঁপে দিয়েছেন।

‘সিম্পলি সাঈদ’ পডকাস্টে চাপা স্বভাবের মাহমুদউল্লাহ মনের অর্গল খুলে দেন। তার ব্যাটিং পজিশন বারবার বদলানো হয়েছে। অনিচ্ছায় অনুরোধের ঢেঁকি গিলেছেন। প্রায়শই ‘না’ বলতে সংকোচ বোধ করেছেন। এমন ঘটনা বেশিরভাগ সময় ঘটেছে মাশরাফি মুর্তজার অধিনায়ক থাকার সময়। পডকাস্টে তার সাক্ষাৎকার প্রচারিত হয়েছে বৃহস্পতিবার। সেখানে মাহমুদউল্লাহ বলেছেন, ‘আমি সব সময় চেয়েছি চারে কিংবা পাঁচে ব্যাট করতে। কিন্তু এ নিয়ে কখনো কোনো কথা বলিনি। চুপ থেকেছি। সুযোগের অপেক্ষায় থেকেছি।’

২০২৫ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নেওয়া মাহমুদউল্লাহ বলেন, ‘বছরের পর বছর ধরে বাংলাদেশ দলে ব্যাটিং পজিশন নিয়ে আমি যত ত্যাগ স্বীকার করেছি, অন্য কোনো ক্রিকেটার তা করেনি।’ তার সংযোজন, ‘আমার পছন্দের ব্যাটিং পজিশন ছিল চার। কিন্তু আমি সেই পজিশন বারবার ছেড়ে দিয়েছি। আলহামদুলিল্লাহ, আমি এ নিয়ে কোনো অভিযোগ করছি না। দলের প্রয়োজনে আমার আত্মত্যাগ। যদি দলের অনুকূলে ফল হয়, তাতেই আমি খুশি থাকতাম। কোনো অভিযোগ কখনো করিনি।’ মাহমুদউল্লাহ এ প্রসঙ্গে একটি উদাহরণ দেন। যেমন, ‘মাশরাফি ভাই বলতেন, রিয়াদ, আজ তুমি চারে ব্যাট করবে। কাল পাঁচে। আমি বলতাম, ঠিক আছে। পাঁচে যদি আমি রান করতাম, তখন তিনি (মাশরাফি) বলতেন, ঠিক আছে। আজ তুমি ছয়ে ব্যাট করো। আমি ‘না’ করতাম না। এভাবেই আমার ব্যাটিং অর্ডার ঘনঘন পরিবর্তন হতো।’

ক্যারিয়ারে সবচেয়ে বড় কষ্ট তিনি পেয়েছিলেন ২০১৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের কাছে পরাজয়ে। বেঙ্গালুরুতে জয়ের অবস্থানে থেকেও মুশফিকুর রহিমকে সঙ্গে নিয়ে তিনি বাংলাদেশকে জেতাতে পারেননি। এই আক্ষেপ তার রয়ে গেছে।