ঢাকা ১২:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ব্যাটিং অর্ডার ঘনঘন পরিবর্তন হতো, আমি ‘না’ করতাম না: মাহমুদউল্লাহ

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক : 

বরাবরই তিনি অন্তর্মুখী। স্বল্পভাষী। কিন্তু এতদিন পর শেষ পর্যন্ত মুখ খুললেন মাহমুদউল্লাহ। তার মতো আর কোনো ক্রিকেটার বারবার নিজের অভ্যস্ত ব্যাটিং পজিশন বিসর্জন দেননি, বলেছেন সাবেক বাংলাদেশ অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ। এতদিন পর জানালেন, সব সময় তার পছন্দের পজিশন ছিল চার নম্বর। অথচ, এ নিয়ে তেমন উচ্চবাচ্য কখনো করেননি তিনি। বরং, টিম ম্যানেজমেন্ট যে পজিশনে তাকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছে, তিনি তা মেনে নিয়েছেন। অর্থাৎ, নিজের ইচ্ছার জলাঞ্জলি দিয়ে অনভ্যস্ত ব্যাটিং পজিশনে দ্বিধাহীন চিত্তে নিজেকে সঁপে দিয়েছেন।

‘সিম্পলি সাঈদ’ পডকাস্টে চাপা স্বভাবের মাহমুদউল্লাহ মনের অর্গল খুলে দেন। তার ব্যাটিং পজিশন বারবার বদলানো হয়েছে। অনিচ্ছায় অনুরোধের ঢেঁকি গিলেছেন। প্রায়শই ‘না’ বলতে সংকোচ বোধ করেছেন। এমন ঘটনা বেশিরভাগ সময় ঘটেছে মাশরাফি মুর্তজার অধিনায়ক থাকার সময়। পডকাস্টে তার সাক্ষাৎকার প্রচারিত হয়েছে বৃহস্পতিবার। সেখানে মাহমুদউল্লাহ বলেছেন, ‘আমি সব সময় চেয়েছি চারে কিংবা পাঁচে ব্যাট করতে। কিন্তু এ নিয়ে কখনো কোনো কথা বলিনি। চুপ থেকেছি। সুযোগের অপেক্ষায় থেকেছি।’

২০২৫ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নেওয়া মাহমুদউল্লাহ বলেন, ‘বছরের পর বছর ধরে বাংলাদেশ দলে ব্যাটিং পজিশন নিয়ে আমি যত ত্যাগ স্বীকার করেছি, অন্য কোনো ক্রিকেটার তা করেনি।’ তার সংযোজন, ‘আমার পছন্দের ব্যাটিং পজিশন ছিল চার। কিন্তু আমি সেই পজিশন বারবার ছেড়ে দিয়েছি। আলহামদুলিল্লাহ, আমি এ নিয়ে কোনো অভিযোগ করছি না। দলের প্রয়োজনে আমার আত্মত্যাগ। যদি দলের অনুকূলে ফল হয়, তাতেই আমি খুশি থাকতাম। কোনো অভিযোগ কখনো করিনি।’ মাহমুদউল্লাহ এ প্রসঙ্গে একটি উদাহরণ দেন। যেমন, ‘মাশরাফি ভাই বলতেন, রিয়াদ, আজ তুমি চারে ব্যাট করবে। কাল পাঁচে। আমি বলতাম, ঠিক আছে। পাঁচে যদি আমি রান করতাম, তখন তিনি (মাশরাফি) বলতেন, ঠিক আছে। আজ তুমি ছয়ে ব্যাট করো। আমি ‘না’ করতাম না। এভাবেই আমার ব্যাটিং অর্ডার ঘনঘন পরিবর্তন হতো।’

ক্যারিয়ারে সবচেয়ে বড় কষ্ট তিনি পেয়েছিলেন ২০১৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের কাছে পরাজয়ে। বেঙ্গালুরুতে জয়ের অবস্থানে থেকেও মুশফিকুর রহিমকে সঙ্গে নিয়ে তিনি বাংলাদেশকে জেতাতে পারেননি। এই আক্ষেপ তার রয়ে গেছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

ব্যাটিং অর্ডার ঘনঘন পরিবর্তন হতো, আমি ‘না’ করতাম না: মাহমুদউল্লাহ

আপডেট সময় ০২:৩১:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক : 

বরাবরই তিনি অন্তর্মুখী। স্বল্পভাষী। কিন্তু এতদিন পর শেষ পর্যন্ত মুখ খুললেন মাহমুদউল্লাহ। তার মতো আর কোনো ক্রিকেটার বারবার নিজের অভ্যস্ত ব্যাটিং পজিশন বিসর্জন দেননি, বলেছেন সাবেক বাংলাদেশ অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ। এতদিন পর জানালেন, সব সময় তার পছন্দের পজিশন ছিল চার নম্বর। অথচ, এ নিয়ে তেমন উচ্চবাচ্য কখনো করেননি তিনি। বরং, টিম ম্যানেজমেন্ট যে পজিশনে তাকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছে, তিনি তা মেনে নিয়েছেন। অর্থাৎ, নিজের ইচ্ছার জলাঞ্জলি দিয়ে অনভ্যস্ত ব্যাটিং পজিশনে দ্বিধাহীন চিত্তে নিজেকে সঁপে দিয়েছেন।

‘সিম্পলি সাঈদ’ পডকাস্টে চাপা স্বভাবের মাহমুদউল্লাহ মনের অর্গল খুলে দেন। তার ব্যাটিং পজিশন বারবার বদলানো হয়েছে। অনিচ্ছায় অনুরোধের ঢেঁকি গিলেছেন। প্রায়শই ‘না’ বলতে সংকোচ বোধ করেছেন। এমন ঘটনা বেশিরভাগ সময় ঘটেছে মাশরাফি মুর্তজার অধিনায়ক থাকার সময়। পডকাস্টে তার সাক্ষাৎকার প্রচারিত হয়েছে বৃহস্পতিবার। সেখানে মাহমুদউল্লাহ বলেছেন, ‘আমি সব সময় চেয়েছি চারে কিংবা পাঁচে ব্যাট করতে। কিন্তু এ নিয়ে কখনো কোনো কথা বলিনি। চুপ থেকেছি। সুযোগের অপেক্ষায় থেকেছি।’

২০২৫ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নেওয়া মাহমুদউল্লাহ বলেন, ‘বছরের পর বছর ধরে বাংলাদেশ দলে ব্যাটিং পজিশন নিয়ে আমি যত ত্যাগ স্বীকার করেছি, অন্য কোনো ক্রিকেটার তা করেনি।’ তার সংযোজন, ‘আমার পছন্দের ব্যাটিং পজিশন ছিল চার। কিন্তু আমি সেই পজিশন বারবার ছেড়ে দিয়েছি। আলহামদুলিল্লাহ, আমি এ নিয়ে কোনো অভিযোগ করছি না। দলের প্রয়োজনে আমার আত্মত্যাগ। যদি দলের অনুকূলে ফল হয়, তাতেই আমি খুশি থাকতাম। কোনো অভিযোগ কখনো করিনি।’ মাহমুদউল্লাহ এ প্রসঙ্গে একটি উদাহরণ দেন। যেমন, ‘মাশরাফি ভাই বলতেন, রিয়াদ, আজ তুমি চারে ব্যাট করবে। কাল পাঁচে। আমি বলতাম, ঠিক আছে। পাঁচে যদি আমি রান করতাম, তখন তিনি (মাশরাফি) বলতেন, ঠিক আছে। আজ তুমি ছয়ে ব্যাট করো। আমি ‘না’ করতাম না। এভাবেই আমার ব্যাটিং অর্ডার ঘনঘন পরিবর্তন হতো।’

ক্যারিয়ারে সবচেয়ে বড় কষ্ট তিনি পেয়েছিলেন ২০১৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের কাছে পরাজয়ে। বেঙ্গালুরুতে জয়ের অবস্থানে থেকেও মুশফিকুর রহিমকে সঙ্গে নিয়ে তিনি বাংলাদেশকে জেতাতে পারেননি। এই আক্ষেপ তার রয়ে গেছে।