ঢাকা ০১:২৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দল দেখে না, মানুষ দেখে ভোট দেবেন: মেজর হাফিজ কোনও ধরনের চাঁদাবাজিকে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না : ইলিয়াসপত্নী লুনা অবশেষে মুক্তি পেলেন ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দাম, স্ত্রী-সন্তানের কবর জিয়ারত ইসলামী নীতি অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনা করব: চরমোনাই পীর পরিবর্তনশীল বিশ্বের সঙ্গে তাল মেলাতে প্রযুক্তির দ্রুত অগ্রগতি প্রয়োজন: প্রধান উপদেষ্টা শেরপুরে বিএনপির সঙ্গে সংঘর্ষে জামায়াত নেতা নিহত ধানের শীষ প্রতীক তারেক রহমানের আমানত : রাশেদ খাঁন ফান্ড তৈরি করে বেকার শিক্ষার্থীদের জন্য পুঁজির ব্যবস্থা করব: তাসনিম জারা উত্তরায় ফার্নিচার মার্কেটে আগুন নির্বাচনী প্রস্তুতি প্রত্যাশার চেয়েও ভালো: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

দই না ডিম, মসৃণ চুলের জন্য সেরা কোনটি?

আকাশ নিউজ ডেস্ক : 

স্বাস্থ্যজ্বল, মসৃণ ও ঝলমলে চুলের জন্য অনেকে কাঁচা ডিমের প্যাক লাগান। অনেকে আবার দই দিয়ে তৈরি প্যাক ব্যবহার করেন। এই দুই ঘরোয়া প্রতিকার চুলকে মজবুত ও শক্তিশালী করে, ত্বকে পুষ্টি জোগায় এবং চুলের গঠন উন্নত করে। তবে কোনটি চুলের বৃদ্ধির জন্য বেশি কার্যকর?

চুলের যত্নে দই কতটা কার্যকর?

দই প্রোটিন, ক্যালশিয়াম এবং ল্যাকটিক অ্যাসিডসমৃদ্ধ। যা মাথার ত্বককে গভীরভাবে পুষ্টি জোগায় এবং চুলের গোড়াকে শক্তিশালী করে। দইয়ের ল্যাকটিক অ্যাসিড ত্বকের মৃত কোষ, খুশকি এবং অতিরিক্ত তেল দূর করতে সাহায্য করে, মাথার ত্বক পরিষ্কার এবং আর্দ্র রাখে।

দইয়ের প্যাক কী কী উপকার করে:

• দই প্রাকৃতিক কন্ডিশনার হিসেবে কাজ করে। চুল নরম করে, কোঁকড়া ভাব কমায়। নিয়মিত ব্যবহারে চুল মসৃণ হয়।
• দইয়ের পুষ্টিগুণ চুলের গোড়া মজবুত করে, চুল ভাঙা এবং পাতলা হওয়া থেকে চুলকে রক্ষা করে।
• দই মাথার ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখে এবং শুষ্কতা রোধ করে। বিশেষ করে নিস্তেজ বা রাসায়নিকভাবে চিকিৎসা করা চুলের জন্য উপকারী।

কীভাবে ব্যবহার করবেন?

১ টেবিল চামচ মধু অথবা অলিভ অয়েলের সঙ্গে আধা কাপ দই মিশিয়ে পেস্ট বানান। মাথার ত্বক এবং চুলের গোড়ায় লাগান। ৩০ মিনিটের জন্য রেখে দিন। তারপর হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে মাইল্ড শ্যাম্পু ব্যবহার করুন।

চুলের যত্নে ডিম কতটা কার্যকর?

ডিমে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, বায়োটিন এবং প্রয়োজনীয় ভিটামিন যেমন ভিটামিন এ, ভিটামিন ডি এবং ভিটামিন ই রয়েছে। যা চুলের বৃদ্ধি এবং সামগ্রিক চুলের স্বাস্থ্যের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ।

ডিমের প্যাক কী কী উপকার করে:

• ডিমে উচ্চ মাত্রার প্রোটিন থাকে, যা ক্ষতিগ্রস্ত চুল মেরামত করে। চুলের ঘনত্ব বাড়ায় এবং ভিতর থেকে মজবুত করে।
• ডিমে থাকা বায়োটিন, কেরাটিন উৎপাদনে সহায়তা করে। চুলের দ্রুত বৃদ্ধিতে অপরিহার্য এই প্রোটিন।
• ডিমের মাস্ক চুলের স্থিতিস্থাপকতা উন্নত করতে সাহায্য করে। চুল সহজে ভেঙে যাওয়া এবং ফেটে যাওয়া রোধ করে।
• ডিম চুলের কিউটিকল মসৃণ করে। ফলে চুল আরও চকচকে দেখায়।

কীভাবে ব্যবহার করবেন?
চুলের দৈর্ঘ্যের উপর নির্ভর করে এক বা দুটি ডিম ভালো করে ফেটিয়ে নিন। এক টেবিল চামচ নারকেল তেল বা অ্যালোভেরা জেলের সঙ্গে মিশিয়ে নিন। সমানভাবে সব অংশে লাগান। ২০-২৫ মিনিট রেখে ঠান্ডা পানিতে ধুয়ে নিন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দল দেখে না, মানুষ দেখে ভোট দেবেন: মেজর হাফিজ

দই না ডিম, মসৃণ চুলের জন্য সেরা কোনটি?

আপডেট সময় ১০:৪০:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

আকাশ নিউজ ডেস্ক : 

স্বাস্থ্যজ্বল, মসৃণ ও ঝলমলে চুলের জন্য অনেকে কাঁচা ডিমের প্যাক লাগান। অনেকে আবার দই দিয়ে তৈরি প্যাক ব্যবহার করেন। এই দুই ঘরোয়া প্রতিকার চুলকে মজবুত ও শক্তিশালী করে, ত্বকে পুষ্টি জোগায় এবং চুলের গঠন উন্নত করে। তবে কোনটি চুলের বৃদ্ধির জন্য বেশি কার্যকর?

চুলের যত্নে দই কতটা কার্যকর?

দই প্রোটিন, ক্যালশিয়াম এবং ল্যাকটিক অ্যাসিডসমৃদ্ধ। যা মাথার ত্বককে গভীরভাবে পুষ্টি জোগায় এবং চুলের গোড়াকে শক্তিশালী করে। দইয়ের ল্যাকটিক অ্যাসিড ত্বকের মৃত কোষ, খুশকি এবং অতিরিক্ত তেল দূর করতে সাহায্য করে, মাথার ত্বক পরিষ্কার এবং আর্দ্র রাখে।

দইয়ের প্যাক কী কী উপকার করে:

• দই প্রাকৃতিক কন্ডিশনার হিসেবে কাজ করে। চুল নরম করে, কোঁকড়া ভাব কমায়। নিয়মিত ব্যবহারে চুল মসৃণ হয়।
• দইয়ের পুষ্টিগুণ চুলের গোড়া মজবুত করে, চুল ভাঙা এবং পাতলা হওয়া থেকে চুলকে রক্ষা করে।
• দই মাথার ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখে এবং শুষ্কতা রোধ করে। বিশেষ করে নিস্তেজ বা রাসায়নিকভাবে চিকিৎসা করা চুলের জন্য উপকারী।

কীভাবে ব্যবহার করবেন?

১ টেবিল চামচ মধু অথবা অলিভ অয়েলের সঙ্গে আধা কাপ দই মিশিয়ে পেস্ট বানান। মাথার ত্বক এবং চুলের গোড়ায় লাগান। ৩০ মিনিটের জন্য রেখে দিন। তারপর হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে মাইল্ড শ্যাম্পু ব্যবহার করুন।

চুলের যত্নে ডিম কতটা কার্যকর?

ডিমে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, বায়োটিন এবং প্রয়োজনীয় ভিটামিন যেমন ভিটামিন এ, ভিটামিন ডি এবং ভিটামিন ই রয়েছে। যা চুলের বৃদ্ধি এবং সামগ্রিক চুলের স্বাস্থ্যের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ।

ডিমের প্যাক কী কী উপকার করে:

• ডিমে উচ্চ মাত্রার প্রোটিন থাকে, যা ক্ষতিগ্রস্ত চুল মেরামত করে। চুলের ঘনত্ব বাড়ায় এবং ভিতর থেকে মজবুত করে।
• ডিমে থাকা বায়োটিন, কেরাটিন উৎপাদনে সহায়তা করে। চুলের দ্রুত বৃদ্ধিতে অপরিহার্য এই প্রোটিন।
• ডিমের মাস্ক চুলের স্থিতিস্থাপকতা উন্নত করতে সাহায্য করে। চুল সহজে ভেঙে যাওয়া এবং ফেটে যাওয়া রোধ করে।
• ডিম চুলের কিউটিকল মসৃণ করে। ফলে চুল আরও চকচকে দেখায়।

কীভাবে ব্যবহার করবেন?
চুলের দৈর্ঘ্যের উপর নির্ভর করে এক বা দুটি ডিম ভালো করে ফেটিয়ে নিন। এক টেবিল চামচ নারকেল তেল বা অ্যালোভেরা জেলের সঙ্গে মিশিয়ে নিন। সমানভাবে সব অংশে লাগান। ২০-২৫ মিনিট রেখে ঠান্ডা পানিতে ধুয়ে নিন।