আকাশ নিউজ ডেস্ক :
স্বাস্থ্যজ্বল, মসৃণ ও ঝলমলে চুলের জন্য অনেকে কাঁচা ডিমের প্যাক লাগান। অনেকে আবার দই দিয়ে তৈরি প্যাক ব্যবহার করেন। এই দুই ঘরোয়া প্রতিকার চুলকে মজবুত ও শক্তিশালী করে, ত্বকে পুষ্টি জোগায় এবং চুলের গঠন উন্নত করে। তবে কোনটি চুলের বৃদ্ধির জন্য বেশি কার্যকর?
চুলের যত্নে দই কতটা কার্যকর?
দই প্রোটিন, ক্যালশিয়াম এবং ল্যাকটিক অ্যাসিডসমৃদ্ধ। যা মাথার ত্বককে গভীরভাবে পুষ্টি জোগায় এবং চুলের গোড়াকে শক্তিশালী করে। দইয়ের ল্যাকটিক অ্যাসিড ত্বকের মৃত কোষ, খুশকি এবং অতিরিক্ত তেল দূর করতে সাহায্য করে, মাথার ত্বক পরিষ্কার এবং আর্দ্র রাখে।
দইয়ের প্যাক কী কী উপকার করে:
• দই প্রাকৃতিক কন্ডিশনার হিসেবে কাজ করে। চুল নরম করে, কোঁকড়া ভাব কমায়। নিয়মিত ব্যবহারে চুল মসৃণ হয়।
• দইয়ের পুষ্টিগুণ চুলের গোড়া মজবুত করে, চুল ভাঙা এবং পাতলা হওয়া থেকে চুলকে রক্ষা করে।
• দই মাথার ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখে এবং শুষ্কতা রোধ করে। বিশেষ করে নিস্তেজ বা রাসায়নিকভাবে চিকিৎসা করা চুলের জন্য উপকারী।
কীভাবে ব্যবহার করবেন?
১ টেবিল চামচ মধু অথবা অলিভ অয়েলের সঙ্গে আধা কাপ দই মিশিয়ে পেস্ট বানান। মাথার ত্বক এবং চুলের গোড়ায় লাগান। ৩০ মিনিটের জন্য রেখে দিন। তারপর হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে মাইল্ড শ্যাম্পু ব্যবহার করুন।
চুলের যত্নে ডিম কতটা কার্যকর?
ডিমে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, বায়োটিন এবং প্রয়োজনীয় ভিটামিন যেমন ভিটামিন এ, ভিটামিন ডি এবং ভিটামিন ই রয়েছে। যা চুলের বৃদ্ধি এবং সামগ্রিক চুলের স্বাস্থ্যের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ।
ডিমের প্যাক কী কী উপকার করে:
• ডিমে উচ্চ মাত্রার প্রোটিন থাকে, যা ক্ষতিগ্রস্ত চুল মেরামত করে। চুলের ঘনত্ব বাড়ায় এবং ভিতর থেকে মজবুত করে।
• ডিমে থাকা বায়োটিন, কেরাটিন উৎপাদনে সহায়তা করে। চুলের দ্রুত বৃদ্ধিতে অপরিহার্য এই প্রোটিন।
• ডিমের মাস্ক চুলের স্থিতিস্থাপকতা উন্নত করতে সাহায্য করে। চুল সহজে ভেঙে যাওয়া এবং ফেটে যাওয়া রোধ করে।
• ডিম চুলের কিউটিকল মসৃণ করে। ফলে চুল আরও চকচকে দেখায়।
কীভাবে ব্যবহার করবেন?
চুলের দৈর্ঘ্যের উপর নির্ভর করে এক বা দুটি ডিম ভালো করে ফেটিয়ে নিন। এক টেবিল চামচ নারকেল তেল বা অ্যালোভেরা জেলের সঙ্গে মিশিয়ে নিন। সমানভাবে সব অংশে লাগান। ২০-২৫ মিনিট রেখে ঠান্ডা পানিতে ধুয়ে নিন।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 

























