ঢাকা ১০:০১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬, ১০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চট্টগ্রামের স্বপ্ন ভেঙে ফের চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী ওয়ারিয়র্স অভিবাসন নীতি মেনে চলতে যুক্তরাষ্ট্রকে আহ্বান জাতিসংঘের দেশকে পুনর্নির্মাণ করতে হলে গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে : তারেক রহমান ‘একটি স্বার্থান্বেষী দল ইসলামী আন্দোলনকে ধোঁকা দিয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে’:রেজাউল করিম ছেলে এনসিপির প্রার্থী, বাবা ভোট চাইলেন ধানের শীষে পর্যাপ্ত খেলার মাঠের অভাবে তরুণ সমাজ বিপদগামী হচ্ছে : মির্জা আব্বাস বাংলাদেশি সন্দেহে ভারতে যুবককে পিটিয়ে হত্যা নতুন বিশ্ব ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হয়ে উঠছে তুরস্ক: এরদোগান জনগণ জেনে গেছে ‘হ্যা’ ভোট দেওয়া হলে দেশে স্বৈরাচার আর ফিরে আসবে না: প্রেস সচিব উন্নয়ন, অগ্রগতি ও গণতন্ত্রের বিকল্প নাম বিএনপি: সালাহউদ্দিন আহমদ

ডাস্ট অ্যালার্জি থেকে সুরক্ষা পেতে কিছু উপায়

আকাশ নিউজ ডেস্ক :

ডাস্ট অ্যালার্জি বা ধুলাবালির প্রতি অতি সংবেদনশীলতা মূলত একটি পরিবেশগত প্রতিক্রিয়া। আমাদের চারপাশে ঘুরে বেড়ানো ধূলিকণার ভেতরে মিশে থাকে নানা ধরনের অ্যালার্জেন। শীতকালে ধুলাবালির আধিক্য এবং শুষ্ক আবহাওয়ার কারণে ডাস্ট অ্যালার্জি বা ধুলোবালিজনিত সমস্যা প্রকট হয়। এটি নিয়ন্ত্রণে রাখতে নিচের পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করতে পারেন। এটি কেবল সাধারণ হাঁচি-কাশিতে সীমাবদ্ধ নয়; দীর্ঘমেয়াদে এটি রাইনাইটিস, কনজাংটিভাইটিস (চোখ ওঠা), চর্মরোগ, একজিমা–এমনকি ভয়াবহ হাঁপানি বা শ্বাসকষ্টের কারণ হতে পারে।

ডাস্ট মাইটস: অদৃশ্য শত্রু
ডাস্ট অ্যালার্জির জন্য প্রধানত দায়ী ধুলাবালির ভেতরে থাকা এক ধরনের অতি ক্ষুদ্র আণুবীক্ষণিক পোকা, যাকে ‘ডাস্ট মাইটস’ বলা হয়। এরা মূলত মানুষের শরীর থেকে খসে পড়া মৃত চামড়ার কোষ খেয়ে বেঁচে থাকে। একটি সাধারণ তোশক বা জরাজীর্ণ কার্পেটে লাখ লাখ ডাস্ট মাইটস থাকতে পারে। এরা বাড়ির আর্দ্র ও উষ্ণ পরিবেশে দ্রুত বংশবিস্তার করে। এদের মল এবং মৃতদেহের অবশিষ্টাংশ বাতাসে মিশে আমাদের শ্বাসনালিতে প্রবেশ করে অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে।

লক্ষণ ও উপসর্গগুলো-
ডাস্ট অ্যালার্জির লক্ষণগুলো ব্যক্তিভেদে ভিন্ন হতে পারে। তবে সাধারণ কিছু উপসর্গ নিচে দেওয়া হলো:

নাক ও চোখের সমস্যা: ঘন ঘন হাঁচি, নাক দিয়ে পানি পড়া, নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া, চোখ লাল হওয়া, চোখে চুলকানি বা অনবরত পানি পড়া।
ত্বকের সমস্যা: চামড়ায় লালচে চাকা হওয়া, তীব্র চুলকানি বা একজিমার মতো সমস্যা দেখা দেওয়া।

শ্বাসনালির সমস্যা: যদি অ্যালার্জি অ্যাজমার রূপ নেয়, তবে বুক ধড়ফড় করা, শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া, নিঃশ্বাস ফেলার সময় বাঁশির মতো ‘শাঁ শাঁ’ শব্দ হওয়া এবং কাশির কারণে রাতে ঘুমানোতে অসুবিধা হতে পারে।

অন্যান্য: দীর্ঘস্থায়ী ডাস্ট অ্যালার্জি থেকে অনেকের সাইনোসাইটিস বা কপালে ও নাকে তীব্র ব্যথার সৃষ্টি হয়।

কেন এটি বিপজ্জনক হতে পারে?
ডাস্ট মাইটস সাধারণত দুই ধরনের–হাউস ডাস্ট মাইটস এবং স্টোরেজ মাইটস। কিছু বিরল ক্ষেত্রে এই অ্যালার্জি থেকে ‘অ্যানাফাইলেটিক শক’ হতে পারে, যা একটি জীবনসংহারী পরিস্থিতি। বিশেষ করে যদি ডাস্ট মাইটস কোনোভাবে খাবারের মাধ্যমে পেটে চলে যায় (যেমন–পুরোনো বা খোলা রাখা ময়দায় মাইটস জন্মালে), তবে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হতে পারে। শিশু, গর্ভবতী মা এবং আগে থেকেই শ্বাসকষ্টে ভুগছেন এমন রোগীর ক্ষেত্রে এই ঝুঁকি অনেক বেশি।

রোগ নির্ণয় ও পরীক্ষা-
সঠিক চিকিৎসার জন্য ঠিক কোন উপাদানটি আপনার অ্যালার্জির কারণ তা জানা জরুরি। এর জন্য প্রচলিত কিছু পরীক্ষা হলো:

# স্কিন প্রিক টেস্ট: ত্বকের ওপর সামান্য ছিদ্র করে অ্যালার্জেন নির্যাস দিয়ে পরীক্ষা করা হয়। যদি ওই স্থানটি ফুলে যায় বা লাল হয়, তবে অ্যালার্জি নিশ্চিত হওয়া যায়।
# রক্ত পরীক্ষা: রক্তের মাধ্যমে নির্দিষ্ট অ্যান্টিবডি শনাক্ত করা হয়। যাদের ত্বক অত্যন্ত সংবেদনশীল, তাদের জন্য রক্ত পরীক্ষা বেশি কার্যকর।
# নাসাল বা কনজাংটিভাল চ্যালেঞ্জ টেস্ট: নাকের বা চোখের ঝিল্লির প্রতিক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করেও এটি নির্ণয় করা যায়।

আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি-

অ্যালার্জির চিকিৎসায় এখন অনেক উন্নত পদ্ধতি রয়েছে:

ওষুধ: অ্যান্টি-হিস্টামিন, নাসাল স্টেরয়েড স্প্রে এবং লিউকোট্রাইন মডিফায়ার জাতীয় ওষুধ উপসর্গ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর।

ইমিউনোথেরাপি: এটি অ্যালার্জি চিকিৎসার একটি দীর্ঘস্থায়ী ও কার্যকর পদ্ধতি। এতে ক্রমান্বয়ে অ্যালার্জেনের স্বল্পমাত্রা শরীরে প্রবেশ করিয়ে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে ওই নির্দিষ্ট অ্যালার্জেনের প্রতি সহনশীল করে তোলা হয়।

জরুরি কিট: যাদের অ্যানাফিল্যাক্সিসের ঝুঁকি আছে, তাদের সঙ্গে সবসময় জরুরি ওষুধ রাখা প্রয়োজন।

ঘরোয়া সুরক্ষা ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা:

ডাস্ট অ্যালার্জি থেকে বাঁচতে জীবনযাত্রায় কিছু পরিবর্তন আনা অপরিহার্য:

# বিছানার পরিচ্ছন্নতা: প্রতি সপ্তাহে অন্তত একবার বিছানার চাদর, বালিশের কভার ও পর্দা ৬০ ডিগ্রি সেলসিয়াস গরম পানিতে ধুয়ে নিন। এতে মাইটস মারা যায়।

# কার্পেট বর্জন: শোবার ঘর থেকে কার্পেট বা পশমি পাপোশ সরিয়ে ফেলুন। কাঠের বা টাইলসের মেঝে ডাস্ট অ্যালার্জি রোগীদের জন্য সবচেয়ে নিরাপদ।

# ভ্যাকুয়াম ক্লিনিং: সাধারণ ঝাড়ু দেওয়ার বদলে হেপা ফিল্টারযুক্ত ভ্যাকুয়াম ক্লিনার ব্যবহার করুন। ঝাড়ু দিলে ধুলা বাতাসে ওড়ে, যা রোগীর জন্য ক্ষতিকর।

# আর্দ্রতা নিয়ন্ত্রণ: ঘরে যেন আর্দ্রতা ৫০ শতাংশের বেশি না থাকে সেদিকে খেয়াল রাখুন। প্রয়োজনে ডি-হিউমিডিফায়ার ব্যবহার করতে পারেন।

#খেলনা পরিষ্কার: শিশুদের নরম প্লাশ টয় বা কাপড়ের পুতুল নিয়মিত পরিষ্কার করুন। সম্ভব হলে এগুলো প্লাস্টিক ব্যাগে ভরে ২৪ ঘণ্টা ফ্রিজে রাখলেও মাইটস মারা যায়।

#মাস্ক ব্যবহার: ঘর পরিষ্কার বা বাইরে বের হওয়ার সময় অবশ্যই এন-৯৫ মাস্ক ব্যবহার করুন।
ডাস্ট অ্যালার্জি অবহেলার বিষয় নয়। দীর্ঘস্থায়ী জটিলতা এড়াতে একজন অ্যালার্জি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে সঠিক চিকিৎসা শুরু করা উচিত।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ডাস্ট অ্যালার্জি থেকে সুরক্ষা পেতে কিছু উপায়

ডাস্ট অ্যালার্জি থেকে সুরক্ষা পেতে কিছু উপায়

আপডেট সময় ০৯:৫৪:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬

আকাশ নিউজ ডেস্ক :

ডাস্ট অ্যালার্জি বা ধুলাবালির প্রতি অতি সংবেদনশীলতা মূলত একটি পরিবেশগত প্রতিক্রিয়া। আমাদের চারপাশে ঘুরে বেড়ানো ধূলিকণার ভেতরে মিশে থাকে নানা ধরনের অ্যালার্জেন। শীতকালে ধুলাবালির আধিক্য এবং শুষ্ক আবহাওয়ার কারণে ডাস্ট অ্যালার্জি বা ধুলোবালিজনিত সমস্যা প্রকট হয়। এটি নিয়ন্ত্রণে রাখতে নিচের পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করতে পারেন। এটি কেবল সাধারণ হাঁচি-কাশিতে সীমাবদ্ধ নয়; দীর্ঘমেয়াদে এটি রাইনাইটিস, কনজাংটিভাইটিস (চোখ ওঠা), চর্মরোগ, একজিমা–এমনকি ভয়াবহ হাঁপানি বা শ্বাসকষ্টের কারণ হতে পারে।

ডাস্ট মাইটস: অদৃশ্য শত্রু
ডাস্ট অ্যালার্জির জন্য প্রধানত দায়ী ধুলাবালির ভেতরে থাকা এক ধরনের অতি ক্ষুদ্র আণুবীক্ষণিক পোকা, যাকে ‘ডাস্ট মাইটস’ বলা হয়। এরা মূলত মানুষের শরীর থেকে খসে পড়া মৃত চামড়ার কোষ খেয়ে বেঁচে থাকে। একটি সাধারণ তোশক বা জরাজীর্ণ কার্পেটে লাখ লাখ ডাস্ট মাইটস থাকতে পারে। এরা বাড়ির আর্দ্র ও উষ্ণ পরিবেশে দ্রুত বংশবিস্তার করে। এদের মল এবং মৃতদেহের অবশিষ্টাংশ বাতাসে মিশে আমাদের শ্বাসনালিতে প্রবেশ করে অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে।

লক্ষণ ও উপসর্গগুলো-
ডাস্ট অ্যালার্জির লক্ষণগুলো ব্যক্তিভেদে ভিন্ন হতে পারে। তবে সাধারণ কিছু উপসর্গ নিচে দেওয়া হলো:

নাক ও চোখের সমস্যা: ঘন ঘন হাঁচি, নাক দিয়ে পানি পড়া, নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া, চোখ লাল হওয়া, চোখে চুলকানি বা অনবরত পানি পড়া।
ত্বকের সমস্যা: চামড়ায় লালচে চাকা হওয়া, তীব্র চুলকানি বা একজিমার মতো সমস্যা দেখা দেওয়া।

শ্বাসনালির সমস্যা: যদি অ্যালার্জি অ্যাজমার রূপ নেয়, তবে বুক ধড়ফড় করা, শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া, নিঃশ্বাস ফেলার সময় বাঁশির মতো ‘শাঁ শাঁ’ শব্দ হওয়া এবং কাশির কারণে রাতে ঘুমানোতে অসুবিধা হতে পারে।

অন্যান্য: দীর্ঘস্থায়ী ডাস্ট অ্যালার্জি থেকে অনেকের সাইনোসাইটিস বা কপালে ও নাকে তীব্র ব্যথার সৃষ্টি হয়।

কেন এটি বিপজ্জনক হতে পারে?
ডাস্ট মাইটস সাধারণত দুই ধরনের–হাউস ডাস্ট মাইটস এবং স্টোরেজ মাইটস। কিছু বিরল ক্ষেত্রে এই অ্যালার্জি থেকে ‘অ্যানাফাইলেটিক শক’ হতে পারে, যা একটি জীবনসংহারী পরিস্থিতি। বিশেষ করে যদি ডাস্ট মাইটস কোনোভাবে খাবারের মাধ্যমে পেটে চলে যায় (যেমন–পুরোনো বা খোলা রাখা ময়দায় মাইটস জন্মালে), তবে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হতে পারে। শিশু, গর্ভবতী মা এবং আগে থেকেই শ্বাসকষ্টে ভুগছেন এমন রোগীর ক্ষেত্রে এই ঝুঁকি অনেক বেশি।

রোগ নির্ণয় ও পরীক্ষা-
সঠিক চিকিৎসার জন্য ঠিক কোন উপাদানটি আপনার অ্যালার্জির কারণ তা জানা জরুরি। এর জন্য প্রচলিত কিছু পরীক্ষা হলো:

# স্কিন প্রিক টেস্ট: ত্বকের ওপর সামান্য ছিদ্র করে অ্যালার্জেন নির্যাস দিয়ে পরীক্ষা করা হয়। যদি ওই স্থানটি ফুলে যায় বা লাল হয়, তবে অ্যালার্জি নিশ্চিত হওয়া যায়।
# রক্ত পরীক্ষা: রক্তের মাধ্যমে নির্দিষ্ট অ্যান্টিবডি শনাক্ত করা হয়। যাদের ত্বক অত্যন্ত সংবেদনশীল, তাদের জন্য রক্ত পরীক্ষা বেশি কার্যকর।
# নাসাল বা কনজাংটিভাল চ্যালেঞ্জ টেস্ট: নাকের বা চোখের ঝিল্লির প্রতিক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করেও এটি নির্ণয় করা যায়।

আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি-

অ্যালার্জির চিকিৎসায় এখন অনেক উন্নত পদ্ধতি রয়েছে:

ওষুধ: অ্যান্টি-হিস্টামিন, নাসাল স্টেরয়েড স্প্রে এবং লিউকোট্রাইন মডিফায়ার জাতীয় ওষুধ উপসর্গ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর।

ইমিউনোথেরাপি: এটি অ্যালার্জি চিকিৎসার একটি দীর্ঘস্থায়ী ও কার্যকর পদ্ধতি। এতে ক্রমান্বয়ে অ্যালার্জেনের স্বল্পমাত্রা শরীরে প্রবেশ করিয়ে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে ওই নির্দিষ্ট অ্যালার্জেনের প্রতি সহনশীল করে তোলা হয়।

জরুরি কিট: যাদের অ্যানাফিল্যাক্সিসের ঝুঁকি আছে, তাদের সঙ্গে সবসময় জরুরি ওষুধ রাখা প্রয়োজন।

ঘরোয়া সুরক্ষা ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা:

ডাস্ট অ্যালার্জি থেকে বাঁচতে জীবনযাত্রায় কিছু পরিবর্তন আনা অপরিহার্য:

# বিছানার পরিচ্ছন্নতা: প্রতি সপ্তাহে অন্তত একবার বিছানার চাদর, বালিশের কভার ও পর্দা ৬০ ডিগ্রি সেলসিয়াস গরম পানিতে ধুয়ে নিন। এতে মাইটস মারা যায়।

# কার্পেট বর্জন: শোবার ঘর থেকে কার্পেট বা পশমি পাপোশ সরিয়ে ফেলুন। কাঠের বা টাইলসের মেঝে ডাস্ট অ্যালার্জি রোগীদের জন্য সবচেয়ে নিরাপদ।

# ভ্যাকুয়াম ক্লিনিং: সাধারণ ঝাড়ু দেওয়ার বদলে হেপা ফিল্টারযুক্ত ভ্যাকুয়াম ক্লিনার ব্যবহার করুন। ঝাড়ু দিলে ধুলা বাতাসে ওড়ে, যা রোগীর জন্য ক্ষতিকর।

# আর্দ্রতা নিয়ন্ত্রণ: ঘরে যেন আর্দ্রতা ৫০ শতাংশের বেশি না থাকে সেদিকে খেয়াল রাখুন। প্রয়োজনে ডি-হিউমিডিফায়ার ব্যবহার করতে পারেন।

#খেলনা পরিষ্কার: শিশুদের নরম প্লাশ টয় বা কাপড়ের পুতুল নিয়মিত পরিষ্কার করুন। সম্ভব হলে এগুলো প্লাস্টিক ব্যাগে ভরে ২৪ ঘণ্টা ফ্রিজে রাখলেও মাইটস মারা যায়।

#মাস্ক ব্যবহার: ঘর পরিষ্কার বা বাইরে বের হওয়ার সময় অবশ্যই এন-৯৫ মাস্ক ব্যবহার করুন।
ডাস্ট অ্যালার্জি অবহেলার বিষয় নয়। দীর্ঘস্থায়ী জটিলতা এড়াতে একজন অ্যালার্জি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে সঠিক চিকিৎসা শুরু করা উচিত।