আকাশ জাতীয় ডেস্ক :
অতিরিক্ত ক্যালরি গ্রহণ, শারীরিক পরিশ্রমের অভাব, মানসিক চাপ, অপর্যাপ্ত ঘুম, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা ইত্যাদির কারণে ওজন বাড়তে পারে।
ফাস্ট ফুডসহ মিষ্টি জাতীয় খাবারের ফলেও শরীরে মেদ জমে ওজন বাড়তে পারে। অনেকে পরিশ্রম কিংবা সঠিক নিয়ম না মেনে ওজন কমাতে ইনজেকশন নিয়ে থাকেন। কিন্তু, ওজন কমানোর এ ইনজেকশন শরীরের জন্য খুব বেশি ঝুঁকিপূর্ণ বলে জানাচ্ছেন ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডনের (UCL) এর গবেষকরা।
তারা বলছেন, চিকিৎসকের তত্ত্বাবধান বা প্রেসক্রিপশন ছাড়া ‘অফ-লেবেল’ ইনজেকশন ব্যবহার গুরুতর স্বাস্থ্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
ইউসিএলের গবেষকরা ৫ হাজার ২৬০ জনের ওপর জরিপ চালান। সাম্প্রতিক সময়ে করা অন্য আরেক জরিপে দেখা যায়, গত বছর যুক্তরাজ্যে কমপক্ষে ১ দশমিক ৬ মিলিয়ন মানুষ ওজন কমানোর ইনজেকশন ব্যবহার করেছেন। ব্যবহারকারীর প্রতি সাতজনে একজন ওজন কমানোর বিনা প্রেসক্রিপশনে ওষুধ গ্রহণ করেন।
তাদের জরিপে উঠে আসে, এ বছর আনুমানিক ৩ দশমিক ৩ মিলিয়ন মানুষ ওজন কমানোর ওষুধ ব্যবহার করবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ওয়েগোভি ও মুনজারোর (ক্ষুধা কমিয়ে পেট ভরা অনুভব করায়) মতো ওজন কমানোর ওষুধের জনপ্রিয়তা বেড়েছে। অনেক ব্যক্তি ওজন কমানোর জন্য প্রেসক্রিপশন ছাড়াই এ ওষুধগুলি কিনছেন বলে জরিপে উঠে আসে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ওজন কমানোর ইনজেকশন ব্যবহারের ফলে কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে। বমি বমি ভাব, মাথা ঘোরা, পেটের সমস্যা, কোষ্ঠকাঠিন্য বা ডায়রিয়া, কিছু ক্ষেত্রে হরমোনজনিত সমস্যা। যাদের ডায়াবেটিস, থাইরয়েড বা অন্য কোনো দীর্ঘ মেয়াদি রোগ আছে, এ ইনজেকশন ব্যবহারের আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
নিয়মিত ব্যায়াম ও ওজন কমানোর জন্য স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস সবচেয়ে ভালো উপায়। এছাড়াও পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করা,চিনি ও প্রসেসড ফুড পরিহার করা, পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিতের মাধ্যমে ওজন কমানো সম্ভব।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 

























