ঢাকা ০৭:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
একটি রাজনৈতিক দল বিভিন্ন এলাকা থেকে ভোটারদের ঢাকায় স্থানান্তর করে আনছে: ফখরুলের অভিযোগ নরসিংদীতে দুই ব্যবসায়ীর ঝগড়ায় একজনের মৃত্যু, অভিযুক্তর বাড়িতে ভাঙচুর-আগুন ৭ কলেজ নিয়ে ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’ অধ্যাদেশ চূড়ান্ত আমি এসেছি শুধু শুনতে, শিখতে এবং একসঙ্গে কাজ করার মনোভাব নিয়ে এগিয়ে যেতে: জাইমা রহমান চাকরির ক্ষেত্রে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি হয়েছে কিনা তা দেখা উচিত : আমীর খসরু ওসমানী হাসপাতাল ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার যুক্তরাষ্ট্রেকেও খেসারত দিতে হবে, ফরাসি কৃষিমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি ভুয়া জরিপ ও মিথ্যা প্রচারণা দিয়ে রাজনৈতিক ইতিহাস বদলানো যাবে না : দুদু গণ-অভ্যুত্থানের নিষ্ঠুরতম খুনিদের বিচার নিশ্চিত করা হবে : তাজুল ইসলাম এক্সপেকটেশন যদি ১০ থাকে, অন্তত চার তো অর্জন করতে পেরেছি : আসিফ নজরুল

যেসব দেশের ভাণ্ডারে আছে পরমাণু অস্ত্র

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

এ বছর শান্তিতে নোবেল পুরস্কার জিতেছে পরমাণু অস্ত্র বিলুপ্তকরণ জোট (আইসিএএন)। গতকাল শুক্রবার বাংলাদেশ সময় ৩টার দিকে নরওয়ের রাজধানী অসলোতে নোবেল কমিটির প্রধান বেরিট রেইস অ্যান্ডারসন শান্তিতে নোবেল জয়ী হিসেবে আইসিএএন-এর নাম ঘোষণা করেন।

পারমাণবিক অস্ত্রের ভয়াবহতা তুলে ধরে সতর্কতা জারি এবং অান্তর্জাতিকভাবে পারমাণবিক অস্ত্র বাতিলে কাজ করার জন্য সংস্থাটিকে শান্তিতে নোবেল দেয়া হয়। আইসিএএন-কে এমন এক সময় শান্তিতে নোবেল দেয়া হলো, যখন ইরানের সঙ্গে পারমাণবিক চুক্তি বাতিলের জন্য হুমকি দিয়ে আসছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

এদিকে ইরানের সঙ্গে পরমাণু চুক্তি বাতিলের হুমকি দেয়ার পর ট্রাম্পের উদ্দেশে ইরানের প্রেসিডেন্ট বলেন, চুক্তি বাতিল হলে যুক্তরাষ্ট্রই ক্ষতিগ্রস্ত হবে। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, আইসিএএন নোবেল পাওয়ার পর ট্রাম্প হয়তো পরমাণু চুক্তি বাতিলের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসবেন।

বর্তমানে মাত্র নয়টি দেশে পরমাণু অস্ত্র মজুদ রয়েছে। দেশগুলো হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, চীন, ভারত, ইসরায়েল, পাকিস্তান ও উত্তর কোরিয়া। তবে দক্ষিণ আফ্রিকাই একমাত্র দেশ যাদের কাছে থাকা সমস্ত পরমাণু অস্ত্র ধ্বংস করে।

বিশ্বে যত পরমাণু অস্ত্র রয়েছে তার প্রায় ৯০ শতাংশই যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার কাছে। এসব অস্ত্রের ভয়াবহ ধ্বংসাত্মক ক্ষমতার কারণে আইসিএএন এগুলোর বিরুদ্ধে আন্দোলন করে আসছে। দশকব্যাপী প্রচারের ফসল হিসেবে ২০১৭ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পেল সংগঠনটি।

ফেডারেশন অব আমেরিকান সায়েন্টিস্টের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বিশ্বে ১৫ হাজারের মতো পরমাণু অস্ত্র রয়েছে। ব্যাপক সংখ্যায় অস্ত্র প্রস্তুত এবং মোতায়েন করা হলেও এ পর্যন্ত শুধু যুক্তরাষ্ট্রই এটি ব্যবহার করেছে।

১৯৭০ সালে পরমাণু বিস্তার নিয়ন্ত্রণ চুক্তির (এনপিটি) পর যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, ফ্রান্স, ব্রিটেন ও চীন অন্য দেশে পরমাণু অস্ত্রের প্রযুক্তি বিক্রি বা হস্তান্তর না করার ব্যাপারে সম্মত হয়। একই সঙ্গে মোট ১৯১টি দেশ পরমাণু অস্ত্র কর্মসূচি এগিয়ে না নেয়ার ব্যাপারে চুক্তি করে।

এনপিটির পরও চারটি দেশ ভারত, পাকিস্তান, ইসরায়েল ও উত্তর কোরিয়া তাদের পরমাণু অস্ত্রের সামর্থ্য উন্নয়ন করে। এই চারটি দেশ অবশ্য এনপিটিতে সই করেনি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নিজের নামের সঙ্গে ‘খান’পদবি মুছে ফেললেন রোজা

যেসব দেশের ভাণ্ডারে আছে পরমাণু অস্ত্র

আপডেট সময় ১১:১৪:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

এ বছর শান্তিতে নোবেল পুরস্কার জিতেছে পরমাণু অস্ত্র বিলুপ্তকরণ জোট (আইসিএএন)। গতকাল শুক্রবার বাংলাদেশ সময় ৩টার দিকে নরওয়ের রাজধানী অসলোতে নোবেল কমিটির প্রধান বেরিট রেইস অ্যান্ডারসন শান্তিতে নোবেল জয়ী হিসেবে আইসিএএন-এর নাম ঘোষণা করেন।

পারমাণবিক অস্ত্রের ভয়াবহতা তুলে ধরে সতর্কতা জারি এবং অান্তর্জাতিকভাবে পারমাণবিক অস্ত্র বাতিলে কাজ করার জন্য সংস্থাটিকে শান্তিতে নোবেল দেয়া হয়। আইসিএএন-কে এমন এক সময় শান্তিতে নোবেল দেয়া হলো, যখন ইরানের সঙ্গে পারমাণবিক চুক্তি বাতিলের জন্য হুমকি দিয়ে আসছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

এদিকে ইরানের সঙ্গে পরমাণু চুক্তি বাতিলের হুমকি দেয়ার পর ট্রাম্পের উদ্দেশে ইরানের প্রেসিডেন্ট বলেন, চুক্তি বাতিল হলে যুক্তরাষ্ট্রই ক্ষতিগ্রস্ত হবে। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, আইসিএএন নোবেল পাওয়ার পর ট্রাম্প হয়তো পরমাণু চুক্তি বাতিলের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসবেন।

বর্তমানে মাত্র নয়টি দেশে পরমাণু অস্ত্র মজুদ রয়েছে। দেশগুলো হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, চীন, ভারত, ইসরায়েল, পাকিস্তান ও উত্তর কোরিয়া। তবে দক্ষিণ আফ্রিকাই একমাত্র দেশ যাদের কাছে থাকা সমস্ত পরমাণু অস্ত্র ধ্বংস করে।

বিশ্বে যত পরমাণু অস্ত্র রয়েছে তার প্রায় ৯০ শতাংশই যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার কাছে। এসব অস্ত্রের ভয়াবহ ধ্বংসাত্মক ক্ষমতার কারণে আইসিএএন এগুলোর বিরুদ্ধে আন্দোলন করে আসছে। দশকব্যাপী প্রচারের ফসল হিসেবে ২০১৭ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পেল সংগঠনটি।

ফেডারেশন অব আমেরিকান সায়েন্টিস্টের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বিশ্বে ১৫ হাজারের মতো পরমাণু অস্ত্র রয়েছে। ব্যাপক সংখ্যায় অস্ত্র প্রস্তুত এবং মোতায়েন করা হলেও এ পর্যন্ত শুধু যুক্তরাষ্ট্রই এটি ব্যবহার করেছে।

১৯৭০ সালে পরমাণু বিস্তার নিয়ন্ত্রণ চুক্তির (এনপিটি) পর যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, ফ্রান্স, ব্রিটেন ও চীন অন্য দেশে পরমাণু অস্ত্রের প্রযুক্তি বিক্রি বা হস্তান্তর না করার ব্যাপারে সম্মত হয়। একই সঙ্গে মোট ১৯১টি দেশ পরমাণু অস্ত্র কর্মসূচি এগিয়ে না নেয়ার ব্যাপারে চুক্তি করে।

এনপিটির পরও চারটি দেশ ভারত, পাকিস্তান, ইসরায়েল ও উত্তর কোরিয়া তাদের পরমাণু অস্ত্রের সামর্থ্য উন্নয়ন করে। এই চারটি দেশ অবশ্য এনপিটিতে সই করেনি।