ঢাকা ১১:০৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

যেসব দেশের ভাণ্ডারে আছে পরমাণু অস্ত্র

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

এ বছর শান্তিতে নোবেল পুরস্কার জিতেছে পরমাণু অস্ত্র বিলুপ্তকরণ জোট (আইসিএএন)। গতকাল শুক্রবার বাংলাদেশ সময় ৩টার দিকে নরওয়ের রাজধানী অসলোতে নোবেল কমিটির প্রধান বেরিট রেইস অ্যান্ডারসন শান্তিতে নোবেল জয়ী হিসেবে আইসিএএন-এর নাম ঘোষণা করেন।

পারমাণবিক অস্ত্রের ভয়াবহতা তুলে ধরে সতর্কতা জারি এবং অান্তর্জাতিকভাবে পারমাণবিক অস্ত্র বাতিলে কাজ করার জন্য সংস্থাটিকে শান্তিতে নোবেল দেয়া হয়। আইসিএএন-কে এমন এক সময় শান্তিতে নোবেল দেয়া হলো, যখন ইরানের সঙ্গে পারমাণবিক চুক্তি বাতিলের জন্য হুমকি দিয়ে আসছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

এদিকে ইরানের সঙ্গে পরমাণু চুক্তি বাতিলের হুমকি দেয়ার পর ট্রাম্পের উদ্দেশে ইরানের প্রেসিডেন্ট বলেন, চুক্তি বাতিল হলে যুক্তরাষ্ট্রই ক্ষতিগ্রস্ত হবে। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, আইসিএএন নোবেল পাওয়ার পর ট্রাম্প হয়তো পরমাণু চুক্তি বাতিলের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসবেন।

বর্তমানে মাত্র নয়টি দেশে পরমাণু অস্ত্র মজুদ রয়েছে। দেশগুলো হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, চীন, ভারত, ইসরায়েল, পাকিস্তান ও উত্তর কোরিয়া। তবে দক্ষিণ আফ্রিকাই একমাত্র দেশ যাদের কাছে থাকা সমস্ত পরমাণু অস্ত্র ধ্বংস করে।

বিশ্বে যত পরমাণু অস্ত্র রয়েছে তার প্রায় ৯০ শতাংশই যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার কাছে। এসব অস্ত্রের ভয়াবহ ধ্বংসাত্মক ক্ষমতার কারণে আইসিএএন এগুলোর বিরুদ্ধে আন্দোলন করে আসছে। দশকব্যাপী প্রচারের ফসল হিসেবে ২০১৭ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পেল সংগঠনটি।

ফেডারেশন অব আমেরিকান সায়েন্টিস্টের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বিশ্বে ১৫ হাজারের মতো পরমাণু অস্ত্র রয়েছে। ব্যাপক সংখ্যায় অস্ত্র প্রস্তুত এবং মোতায়েন করা হলেও এ পর্যন্ত শুধু যুক্তরাষ্ট্রই এটি ব্যবহার করেছে।

১৯৭০ সালে পরমাণু বিস্তার নিয়ন্ত্রণ চুক্তির (এনপিটি) পর যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, ফ্রান্স, ব্রিটেন ও চীন অন্য দেশে পরমাণু অস্ত্রের প্রযুক্তি বিক্রি বা হস্তান্তর না করার ব্যাপারে সম্মত হয়। একই সঙ্গে মোট ১৯১টি দেশ পরমাণু অস্ত্র কর্মসূচি এগিয়ে না নেয়ার ব্যাপারে চুক্তি করে।

এনপিটির পরও চারটি দেশ ভারত, পাকিস্তান, ইসরায়েল ও উত্তর কোরিয়া তাদের পরমাণু অস্ত্রের সামর্থ্য উন্নয়ন করে। এই চারটি দেশ অবশ্য এনপিটিতে সই করেনি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

যেসব দেশের ভাণ্ডারে আছে পরমাণু অস্ত্র

আপডেট সময় ১১:১৪:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

এ বছর শান্তিতে নোবেল পুরস্কার জিতেছে পরমাণু অস্ত্র বিলুপ্তকরণ জোট (আইসিএএন)। গতকাল শুক্রবার বাংলাদেশ সময় ৩টার দিকে নরওয়ের রাজধানী অসলোতে নোবেল কমিটির প্রধান বেরিট রেইস অ্যান্ডারসন শান্তিতে নোবেল জয়ী হিসেবে আইসিএএন-এর নাম ঘোষণা করেন।

পারমাণবিক অস্ত্রের ভয়াবহতা তুলে ধরে সতর্কতা জারি এবং অান্তর্জাতিকভাবে পারমাণবিক অস্ত্র বাতিলে কাজ করার জন্য সংস্থাটিকে শান্তিতে নোবেল দেয়া হয়। আইসিএএন-কে এমন এক সময় শান্তিতে নোবেল দেয়া হলো, যখন ইরানের সঙ্গে পারমাণবিক চুক্তি বাতিলের জন্য হুমকি দিয়ে আসছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

এদিকে ইরানের সঙ্গে পরমাণু চুক্তি বাতিলের হুমকি দেয়ার পর ট্রাম্পের উদ্দেশে ইরানের প্রেসিডেন্ট বলেন, চুক্তি বাতিল হলে যুক্তরাষ্ট্রই ক্ষতিগ্রস্ত হবে। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, আইসিএএন নোবেল পাওয়ার পর ট্রাম্প হয়তো পরমাণু চুক্তি বাতিলের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসবেন।

বর্তমানে মাত্র নয়টি দেশে পরমাণু অস্ত্র মজুদ রয়েছে। দেশগুলো হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, চীন, ভারত, ইসরায়েল, পাকিস্তান ও উত্তর কোরিয়া। তবে দক্ষিণ আফ্রিকাই একমাত্র দেশ যাদের কাছে থাকা সমস্ত পরমাণু অস্ত্র ধ্বংস করে।

বিশ্বে যত পরমাণু অস্ত্র রয়েছে তার প্রায় ৯০ শতাংশই যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার কাছে। এসব অস্ত্রের ভয়াবহ ধ্বংসাত্মক ক্ষমতার কারণে আইসিএএন এগুলোর বিরুদ্ধে আন্দোলন করে আসছে। দশকব্যাপী প্রচারের ফসল হিসেবে ২০১৭ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পেল সংগঠনটি।

ফেডারেশন অব আমেরিকান সায়েন্টিস্টের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বিশ্বে ১৫ হাজারের মতো পরমাণু অস্ত্র রয়েছে। ব্যাপক সংখ্যায় অস্ত্র প্রস্তুত এবং মোতায়েন করা হলেও এ পর্যন্ত শুধু যুক্তরাষ্ট্রই এটি ব্যবহার করেছে।

১৯৭০ সালে পরমাণু বিস্তার নিয়ন্ত্রণ চুক্তির (এনপিটি) পর যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, ফ্রান্স, ব্রিটেন ও চীন অন্য দেশে পরমাণু অস্ত্রের প্রযুক্তি বিক্রি বা হস্তান্তর না করার ব্যাপারে সম্মত হয়। একই সঙ্গে মোট ১৯১টি দেশ পরমাণু অস্ত্র কর্মসূচি এগিয়ে না নেয়ার ব্যাপারে চুক্তি করে।

এনপিটির পরও চারটি দেশ ভারত, পাকিস্তান, ইসরায়েল ও উত্তর কোরিয়া তাদের পরমাণু অস্ত্রের সামর্থ্য উন্নয়ন করে। এই চারটি দেশ অবশ্য এনপিটিতে সই করেনি।