ঢাকা ০১:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সুনির্দিষ্ট মামলা ছাড়া গ্রেফতার না করার বিষয়ে হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত চট্টগ্রামে ব্যবসায়ীর চলন্ত গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি বিএনপিকে মাইনাস করার ফর্মুলা ছিল ড. ইউনূসের : রাশেদ খান জামায়াতের সঙ্গে বৈঠকে সিইসি বিএনপি-এনসিপির পালটাপালটি কর্মসূচি, হবিগঞ্জে ১৪৪ ধারা জারি এমপি​ হিসেবে সরোয়ার আলমগীরের দায়িত্ব পালনে বাধা নেই:আপিল বিভাগ রুমায় দুর্গম পাড়ায় হামের উপসর্গে ১৫ দিনে ৮ শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৪১ মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার: প্রধানমন্ত্রী সারের ঘাটতি নেই, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করলে কঠোর ব্যবস্থা: কৃষিমন্ত্রী ছাত্রলীগের প্রতি মায়াকান্না দেখানো সাংবাদিকদের জড়ো করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে

মিয়ানমার সরকার চাইলে আরসা শান্তির জন্য প্রস্তুত

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

রোহিঙ্গা বিদ্রোহীরা জানিয়েছেন, তারা মিয়ানমার সরকারের যেকোনো শান্তির পদক্ষেপের জন্য প্রস্তুত। শিগগিরই সহিংসতার শিকার মিয়ানমারের আরাকান রাজ্যে একমাসের অস্ত্রবিরতি শেষ হতে যাচ্ছে। ৯ অক্টোবর রাতে যুদ্ধবিরতি শেষ হওয়ার পরে কি করা হবে সেই ব্যাপারে কোনো কথা বলেনি আরাকান রোহিঙ্গা সালভেশন আর্মি (আরসা)। তবে তারা জানিয়েছে, তারা চায় অত্যাচার ও নিপীড়ন বন্ধ হোক। যেকোনো সময়ে যদি বার্মিজ সরকার শান্তির কথা বলেন, তাহলে সেটার প্রতিক্রিয়ায় আরসা অবশ্যই সহায়তা করবে বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে রয়টার্স।

তবে এই বিষয়ে মতামত নেওয়ার জন্য সেই সময়ে সরকারি কোনো মুখপাত্রকে পাওয়া যায়নি। সেপ্টেম্বরের ১০ তারিখে এক মাসের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে আরসা। তখন বার্মার সরকারি মুখপাত্র জানিয়েছিলো, সন্ত্রাসীদের সঙ্গে আলোচনার কোনো নীতি আমাদের নেই।

অাগস্টের ২৫ তারিখে ৩০ টি নিরাপদ পোস্ট এবং একটি আর্মি ক্যাম্পে বিদ্রোহীরা হামলা চালায় বলে দাবি করে মিয়ানমার। এরপরই রোহিঙ্গাদের উপর হামলা চালানো শুরু করে সেখানকার সেনা কর্মকর্তারা। সেখানে নির্যাতন শুরু করে মিয়ানমারের আর্মি যেটাকে জাতিসংঘ নাম দেয় জাতিগত নিধন। নির্যাতনের শিকার হয়ে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে চলে আসে প্রায় ৫ লাখ রোহিঙ্গা। মিয়ানমার সরকারের দাবি, সেই ঘটনায় ৫০০ মানুষ সেই হামলায় মারা যায় যাদের বেশিরভাগই সন্ত্রাসী। আর তারা সাধারণ নাগরিকদের আক্রমণ করছিলো এবং গ্রাম তছনছ করছিলো।

অাগস্টের আগে আরসা বিদ্রোহীদের আর কখনো এতটা অাক্রমণাত্মক দেখা যায়নি। সঙ্গে সবাই এটাও ভাবছেন, মিলিটারি নিয়ন্ত্রিত একটি এলাকায় যেখানে সাধারণ মানুষকেও বিতাড়িত করা হচ্ছে, বিদ্রোহীদের চাকরি, খাবার, অর্থ, তথ্য থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে, সেখানে এই বিদ্রোহ কিভাবে সম্ভব। অন্যদিকে আরসার দাবি মিয়ানমার সরকার হত্যা ও লুঠতরাজ ও ধর্ষণকে বিতাড়িত করার মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করছে। আরসা কোনো বিদেশী মুসলিমদের সঙ্গে যোগাযোগের কথাও অস্বীকার করেছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সুনির্দিষ্ট মামলা ছাড়া গ্রেফতার না করার বিষয়ে হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত

মিয়ানমার সরকার চাইলে আরসা শান্তির জন্য প্রস্তুত

আপডেট সময় ০৬:১০:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

রোহিঙ্গা বিদ্রোহীরা জানিয়েছেন, তারা মিয়ানমার সরকারের যেকোনো শান্তির পদক্ষেপের জন্য প্রস্তুত। শিগগিরই সহিংসতার শিকার মিয়ানমারের আরাকান রাজ্যে একমাসের অস্ত্রবিরতি শেষ হতে যাচ্ছে। ৯ অক্টোবর রাতে যুদ্ধবিরতি শেষ হওয়ার পরে কি করা হবে সেই ব্যাপারে কোনো কথা বলেনি আরাকান রোহিঙ্গা সালভেশন আর্মি (আরসা)। তবে তারা জানিয়েছে, তারা চায় অত্যাচার ও নিপীড়ন বন্ধ হোক। যেকোনো সময়ে যদি বার্মিজ সরকার শান্তির কথা বলেন, তাহলে সেটার প্রতিক্রিয়ায় আরসা অবশ্যই সহায়তা করবে বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে রয়টার্স।

তবে এই বিষয়ে মতামত নেওয়ার জন্য সেই সময়ে সরকারি কোনো মুখপাত্রকে পাওয়া যায়নি। সেপ্টেম্বরের ১০ তারিখে এক মাসের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে আরসা। তখন বার্মার সরকারি মুখপাত্র জানিয়েছিলো, সন্ত্রাসীদের সঙ্গে আলোচনার কোনো নীতি আমাদের নেই।

অাগস্টের ২৫ তারিখে ৩০ টি নিরাপদ পোস্ট এবং একটি আর্মি ক্যাম্পে বিদ্রোহীরা হামলা চালায় বলে দাবি করে মিয়ানমার। এরপরই রোহিঙ্গাদের উপর হামলা চালানো শুরু করে সেখানকার সেনা কর্মকর্তারা। সেখানে নির্যাতন শুরু করে মিয়ানমারের আর্মি যেটাকে জাতিসংঘ নাম দেয় জাতিগত নিধন। নির্যাতনের শিকার হয়ে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে চলে আসে প্রায় ৫ লাখ রোহিঙ্গা। মিয়ানমার সরকারের দাবি, সেই ঘটনায় ৫০০ মানুষ সেই হামলায় মারা যায় যাদের বেশিরভাগই সন্ত্রাসী। আর তারা সাধারণ নাগরিকদের আক্রমণ করছিলো এবং গ্রাম তছনছ করছিলো।

অাগস্টের আগে আরসা বিদ্রোহীদের আর কখনো এতটা অাক্রমণাত্মক দেখা যায়নি। সঙ্গে সবাই এটাও ভাবছেন, মিলিটারি নিয়ন্ত্রিত একটি এলাকায় যেখানে সাধারণ মানুষকেও বিতাড়িত করা হচ্ছে, বিদ্রোহীদের চাকরি, খাবার, অর্থ, তথ্য থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে, সেখানে এই বিদ্রোহ কিভাবে সম্ভব। অন্যদিকে আরসার দাবি মিয়ানমার সরকার হত্যা ও লুঠতরাজ ও ধর্ষণকে বিতাড়িত করার মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করছে। আরসা কোনো বিদেশী মুসলিমদের সঙ্গে যোগাযোগের কথাও অস্বীকার করেছে।