ঢাকা ০৩:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

মিয়ানমার সরকার চাইলে আরসা শান্তির জন্য প্রস্তুত

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

রোহিঙ্গা বিদ্রোহীরা জানিয়েছেন, তারা মিয়ানমার সরকারের যেকোনো শান্তির পদক্ষেপের জন্য প্রস্তুত। শিগগিরই সহিংসতার শিকার মিয়ানমারের আরাকান রাজ্যে একমাসের অস্ত্রবিরতি শেষ হতে যাচ্ছে। ৯ অক্টোবর রাতে যুদ্ধবিরতি শেষ হওয়ার পরে কি করা হবে সেই ব্যাপারে কোনো কথা বলেনি আরাকান রোহিঙ্গা সালভেশন আর্মি (আরসা)। তবে তারা জানিয়েছে, তারা চায় অত্যাচার ও নিপীড়ন বন্ধ হোক। যেকোনো সময়ে যদি বার্মিজ সরকার শান্তির কথা বলেন, তাহলে সেটার প্রতিক্রিয়ায় আরসা অবশ্যই সহায়তা করবে বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে রয়টার্স।

তবে এই বিষয়ে মতামত নেওয়ার জন্য সেই সময়ে সরকারি কোনো মুখপাত্রকে পাওয়া যায়নি। সেপ্টেম্বরের ১০ তারিখে এক মাসের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে আরসা। তখন বার্মার সরকারি মুখপাত্র জানিয়েছিলো, সন্ত্রাসীদের সঙ্গে আলোচনার কোনো নীতি আমাদের নেই।

অাগস্টের ২৫ তারিখে ৩০ টি নিরাপদ পোস্ট এবং একটি আর্মি ক্যাম্পে বিদ্রোহীরা হামলা চালায় বলে দাবি করে মিয়ানমার। এরপরই রোহিঙ্গাদের উপর হামলা চালানো শুরু করে সেখানকার সেনা কর্মকর্তারা। সেখানে নির্যাতন শুরু করে মিয়ানমারের আর্মি যেটাকে জাতিসংঘ নাম দেয় জাতিগত নিধন। নির্যাতনের শিকার হয়ে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে চলে আসে প্রায় ৫ লাখ রোহিঙ্গা। মিয়ানমার সরকারের দাবি, সেই ঘটনায় ৫০০ মানুষ সেই হামলায় মারা যায় যাদের বেশিরভাগই সন্ত্রাসী। আর তারা সাধারণ নাগরিকদের আক্রমণ করছিলো এবং গ্রাম তছনছ করছিলো।

অাগস্টের আগে আরসা বিদ্রোহীদের আর কখনো এতটা অাক্রমণাত্মক দেখা যায়নি। সঙ্গে সবাই এটাও ভাবছেন, মিলিটারি নিয়ন্ত্রিত একটি এলাকায় যেখানে সাধারণ মানুষকেও বিতাড়িত করা হচ্ছে, বিদ্রোহীদের চাকরি, খাবার, অর্থ, তথ্য থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে, সেখানে এই বিদ্রোহ কিভাবে সম্ভব। অন্যদিকে আরসার দাবি মিয়ানমার সরকার হত্যা ও লুঠতরাজ ও ধর্ষণকে বিতাড়িত করার মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করছে। আরসা কোনো বিদেশী মুসলিমদের সঙ্গে যোগাযোগের কথাও অস্বীকার করেছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

মিয়ানমার সরকার চাইলে আরসা শান্তির জন্য প্রস্তুত

আপডেট সময় ০৬:১০:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

রোহিঙ্গা বিদ্রোহীরা জানিয়েছেন, তারা মিয়ানমার সরকারের যেকোনো শান্তির পদক্ষেপের জন্য প্রস্তুত। শিগগিরই সহিংসতার শিকার মিয়ানমারের আরাকান রাজ্যে একমাসের অস্ত্রবিরতি শেষ হতে যাচ্ছে। ৯ অক্টোবর রাতে যুদ্ধবিরতি শেষ হওয়ার পরে কি করা হবে সেই ব্যাপারে কোনো কথা বলেনি আরাকান রোহিঙ্গা সালভেশন আর্মি (আরসা)। তবে তারা জানিয়েছে, তারা চায় অত্যাচার ও নিপীড়ন বন্ধ হোক। যেকোনো সময়ে যদি বার্মিজ সরকার শান্তির কথা বলেন, তাহলে সেটার প্রতিক্রিয়ায় আরসা অবশ্যই সহায়তা করবে বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে রয়টার্স।

তবে এই বিষয়ে মতামত নেওয়ার জন্য সেই সময়ে সরকারি কোনো মুখপাত্রকে পাওয়া যায়নি। সেপ্টেম্বরের ১০ তারিখে এক মাসের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে আরসা। তখন বার্মার সরকারি মুখপাত্র জানিয়েছিলো, সন্ত্রাসীদের সঙ্গে আলোচনার কোনো নীতি আমাদের নেই।

অাগস্টের ২৫ তারিখে ৩০ টি নিরাপদ পোস্ট এবং একটি আর্মি ক্যাম্পে বিদ্রোহীরা হামলা চালায় বলে দাবি করে মিয়ানমার। এরপরই রোহিঙ্গাদের উপর হামলা চালানো শুরু করে সেখানকার সেনা কর্মকর্তারা। সেখানে নির্যাতন শুরু করে মিয়ানমারের আর্মি যেটাকে জাতিসংঘ নাম দেয় জাতিগত নিধন। নির্যাতনের শিকার হয়ে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে চলে আসে প্রায় ৫ লাখ রোহিঙ্গা। মিয়ানমার সরকারের দাবি, সেই ঘটনায় ৫০০ মানুষ সেই হামলায় মারা যায় যাদের বেশিরভাগই সন্ত্রাসী। আর তারা সাধারণ নাগরিকদের আক্রমণ করছিলো এবং গ্রাম তছনছ করছিলো।

অাগস্টের আগে আরসা বিদ্রোহীদের আর কখনো এতটা অাক্রমণাত্মক দেখা যায়নি। সঙ্গে সবাই এটাও ভাবছেন, মিলিটারি নিয়ন্ত্রিত একটি এলাকায় যেখানে সাধারণ মানুষকেও বিতাড়িত করা হচ্ছে, বিদ্রোহীদের চাকরি, খাবার, অর্থ, তথ্য থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে, সেখানে এই বিদ্রোহ কিভাবে সম্ভব। অন্যদিকে আরসার দাবি মিয়ানমার সরকার হত্যা ও লুঠতরাজ ও ধর্ষণকে বিতাড়িত করার মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করছে। আরসা কোনো বিদেশী মুসলিমদের সঙ্গে যোগাযোগের কথাও অস্বীকার করেছে।