ঢাকা ০৮:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কালি নয়, জুলাই জাতীয় সনদ ‘রক্ত ও প্রাণের বিনিময়ে’ লেখা হয়েছে : আলী রীয়াজ প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন লুৎফুজ্জামান বাবরের স্ত্রী ওসমানী মেডিকেলে ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলা, চলছে কর্মবিরতি নির্বাচন ব্যর্থ হলে শুধু সরকার নয়, পুরো দেশবাসীকেই এর ভয়াবহ খেসারত দিতে হবে : দুদু আন্দোলনের সুফল একটি দলের ঘরে নেওয়ার চেষ্টা বিফলে যাবে : ডা. জাহিদ ঢাকাকে হারিয়ে প্লে-অফ নিশ্চিত করল রংপুর রাইডার্স খালেদা জিয়ার আদর্শই হবে আগামীর চালিকাশক্তি : খন্দকার মোশাররফ হাসনাত আব্দুল্লাহর আসনে বিএনপি প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল ময়মনসিংহের ধোবাউড়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থককে ছুরিকাঘাতে হত্যা কৌশলের অজুহাতে বিএনপি কোনো গোপন বেশ ধারণ করেনি: তারেক রহমান

১৫ কুকুরকে তিন মাস খাওয়ানোর শর্তে আসামির জামিন

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

ফেনীতে ৯টি শাবকসহ দুই মা কুকুরকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় জসিম উদ্দিন নামে এক ব্যক্তিকে ১৫টি কুকুরকে তিন মাস খাওয়ানোর শর্তে জামিন দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার বিকালে আদালতে হাজির হয়ে দোষ স্বীকার করলে ফেনীর দ্বিতীয় জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম অপরাজিতা দাস ওই শর্তে তাকে তিন মাসের প্রবেশনে মুক্তি দেন বলে বাদীপক্ষের আইনজীবী সফিকুল ইসলাম পিয়াস জানান।

মামলার বাদী অ্যানিমেল এইড ফেনীর পরিচালক এনাম হোসেন বলেন, গত ৪ ফেব্রুয়ারি ফেনী শহরের শান্তি কোম্পানি বাড়ির জসিম উদ্দিন বিনা কারণে দুটি মা কুকুর ও নয়টি শাবককে প্রকাশ্যে পিটিয়ে হত্যা করেন; যা প্রাণিকল্যাণ আইনের লঙ্ঘন।

ঘটনার দুই মাস পর গত ১ এপ্রিল ফেনীর জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আদালতে তিনজনকে আসামি করে মামলা করেন এনাম হোসেন। এনাম বলেন, অন্যায়ভাবে প্রাণী নিধন বন্ধের জন্যই তিনি আইনের আশ্রয় নিয়েছেন।

পরে মামলাটি আমলে নিয়ে সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাকে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন আদালতের তৎকালীন বিচারক মুহাম্মদ আশেকুর রহমান।

বাদীপক্ষের আইনজীবী সফিকুল ইসলাম পিয়াস বলেন, মামলার তিন মাস পর গত ৯ জুলাই আদালত তদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করেন। একই দিন শুনানি শেষে প্রধান আসামি জসিম উদ্দিনের বিরুদ্ধে সমন জারি করেন আদালত।

সফিকুল ইসলাম বলেন, বৃহস্পতিবার আসামি জসিম উদ্দিন আদালতে উপস্থিত হয়ে দোষ স্বীকার করেন। আদালত কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়ার আগমুহূর্তে আসামির আইনজীবী শোধরানোর সুযোগ চান। আসামি গরিব লোক হওয়ায় অর্থদণ্ড দেওয়া তার পক্ষে অসম্ভব ও জীবনে প্রথম এ ধরনের ঘটনা ঘটায় ক্ষমা প্রত্যাশা করেন। এরপর আদালত তাকে তিন মাসের প্রবেশন দেন।

বাদীর আইনজীবী বলেন, বিচারক তার আদেশে আসামিকে প্রবেশনকালীন ১৫টি কুকুরকে তিন মাস খাওয়ানো ও পশুর যত্ন নেওয়ার শর্ত দেন। ছবি ও ভিডিওসহ প্রতিবেদন সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার মাধ্যমে পরে আদালতে দাখিল করতে বলেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সালমানের পর বিষ্ণোই গ্যাংয়ের টার্গেটে আরেক জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী

১৫ কুকুরকে তিন মাস খাওয়ানোর শর্তে আসামির জামিন

আপডেট সময় ০৬:১০:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৪

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

ফেনীতে ৯টি শাবকসহ দুই মা কুকুরকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় জসিম উদ্দিন নামে এক ব্যক্তিকে ১৫টি কুকুরকে তিন মাস খাওয়ানোর শর্তে জামিন দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার বিকালে আদালতে হাজির হয়ে দোষ স্বীকার করলে ফেনীর দ্বিতীয় জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম অপরাজিতা দাস ওই শর্তে তাকে তিন মাসের প্রবেশনে মুক্তি দেন বলে বাদীপক্ষের আইনজীবী সফিকুল ইসলাম পিয়াস জানান।

মামলার বাদী অ্যানিমেল এইড ফেনীর পরিচালক এনাম হোসেন বলেন, গত ৪ ফেব্রুয়ারি ফেনী শহরের শান্তি কোম্পানি বাড়ির জসিম উদ্দিন বিনা কারণে দুটি মা কুকুর ও নয়টি শাবককে প্রকাশ্যে পিটিয়ে হত্যা করেন; যা প্রাণিকল্যাণ আইনের লঙ্ঘন।

ঘটনার দুই মাস পর গত ১ এপ্রিল ফেনীর জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আদালতে তিনজনকে আসামি করে মামলা করেন এনাম হোসেন। এনাম বলেন, অন্যায়ভাবে প্রাণী নিধন বন্ধের জন্যই তিনি আইনের আশ্রয় নিয়েছেন।

পরে মামলাটি আমলে নিয়ে সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাকে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন আদালতের তৎকালীন বিচারক মুহাম্মদ আশেকুর রহমান।

বাদীপক্ষের আইনজীবী সফিকুল ইসলাম পিয়াস বলেন, মামলার তিন মাস পর গত ৯ জুলাই আদালত তদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করেন। একই দিন শুনানি শেষে প্রধান আসামি জসিম উদ্দিনের বিরুদ্ধে সমন জারি করেন আদালত।

সফিকুল ইসলাম বলেন, বৃহস্পতিবার আসামি জসিম উদ্দিন আদালতে উপস্থিত হয়ে দোষ স্বীকার করেন। আদালত কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়ার আগমুহূর্তে আসামির আইনজীবী শোধরানোর সুযোগ চান। আসামি গরিব লোক হওয়ায় অর্থদণ্ড দেওয়া তার পক্ষে অসম্ভব ও জীবনে প্রথম এ ধরনের ঘটনা ঘটায় ক্ষমা প্রত্যাশা করেন। এরপর আদালত তাকে তিন মাসের প্রবেশন দেন।

বাদীর আইনজীবী বলেন, বিচারক তার আদেশে আসামিকে প্রবেশনকালীন ১৫টি কুকুরকে তিন মাস খাওয়ানো ও পশুর যত্ন নেওয়ার শর্ত দেন। ছবি ও ভিডিওসহ প্রতিবেদন সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার মাধ্যমে পরে আদালতে দাখিল করতে বলেন।