ঢাকা ০৬:৪৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২

১৫ কুকুরকে তিন মাস খাওয়ানোর শর্তে আসামির জামিন

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

ফেনীতে ৯টি শাবকসহ দুই মা কুকুরকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় জসিম উদ্দিন নামে এক ব্যক্তিকে ১৫টি কুকুরকে তিন মাস খাওয়ানোর শর্তে জামিন দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার বিকালে আদালতে হাজির হয়ে দোষ স্বীকার করলে ফেনীর দ্বিতীয় জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম অপরাজিতা দাস ওই শর্তে তাকে তিন মাসের প্রবেশনে মুক্তি দেন বলে বাদীপক্ষের আইনজীবী সফিকুল ইসলাম পিয়াস জানান।

মামলার বাদী অ্যানিমেল এইড ফেনীর পরিচালক এনাম হোসেন বলেন, গত ৪ ফেব্রুয়ারি ফেনী শহরের শান্তি কোম্পানি বাড়ির জসিম উদ্দিন বিনা কারণে দুটি মা কুকুর ও নয়টি শাবককে প্রকাশ্যে পিটিয়ে হত্যা করেন; যা প্রাণিকল্যাণ আইনের লঙ্ঘন।

ঘটনার দুই মাস পর গত ১ এপ্রিল ফেনীর জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আদালতে তিনজনকে আসামি করে মামলা করেন এনাম হোসেন। এনাম বলেন, অন্যায়ভাবে প্রাণী নিধন বন্ধের জন্যই তিনি আইনের আশ্রয় নিয়েছেন।

পরে মামলাটি আমলে নিয়ে সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাকে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন আদালতের তৎকালীন বিচারক মুহাম্মদ আশেকুর রহমান।

বাদীপক্ষের আইনজীবী সফিকুল ইসলাম পিয়াস বলেন, মামলার তিন মাস পর গত ৯ জুলাই আদালত তদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করেন। একই দিন শুনানি শেষে প্রধান আসামি জসিম উদ্দিনের বিরুদ্ধে সমন জারি করেন আদালত।

সফিকুল ইসলাম বলেন, বৃহস্পতিবার আসামি জসিম উদ্দিন আদালতে উপস্থিত হয়ে দোষ স্বীকার করেন। আদালত কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়ার আগমুহূর্তে আসামির আইনজীবী শোধরানোর সুযোগ চান। আসামি গরিব লোক হওয়ায় অর্থদণ্ড দেওয়া তার পক্ষে অসম্ভব ও জীবনে প্রথম এ ধরনের ঘটনা ঘটায় ক্ষমা প্রত্যাশা করেন। এরপর আদালত তাকে তিন মাসের প্রবেশন দেন।

বাদীর আইনজীবী বলেন, বিচারক তার আদেশে আসামিকে প্রবেশনকালীন ১৫টি কুকুরকে তিন মাস খাওয়ানো ও পশুর যত্ন নেওয়ার শর্ত দেন। ছবি ও ভিডিওসহ প্রতিবেদন সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার মাধ্যমে পরে আদালতে দাখিল করতে বলেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

২৬ অক্টোবর চারদিনের সফরে জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

১৫ কুকুরকে তিন মাস খাওয়ানোর শর্তে আসামির জামিন

আপডেট সময় ০৬:১০:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৪

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

ফেনীতে ৯টি শাবকসহ দুই মা কুকুরকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় জসিম উদ্দিন নামে এক ব্যক্তিকে ১৫টি কুকুরকে তিন মাস খাওয়ানোর শর্তে জামিন দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার বিকালে আদালতে হাজির হয়ে দোষ স্বীকার করলে ফেনীর দ্বিতীয় জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম অপরাজিতা দাস ওই শর্তে তাকে তিন মাসের প্রবেশনে মুক্তি দেন বলে বাদীপক্ষের আইনজীবী সফিকুল ইসলাম পিয়াস জানান।

মামলার বাদী অ্যানিমেল এইড ফেনীর পরিচালক এনাম হোসেন বলেন, গত ৪ ফেব্রুয়ারি ফেনী শহরের শান্তি কোম্পানি বাড়ির জসিম উদ্দিন বিনা কারণে দুটি মা কুকুর ও নয়টি শাবককে প্রকাশ্যে পিটিয়ে হত্যা করেন; যা প্রাণিকল্যাণ আইনের লঙ্ঘন।

ঘটনার দুই মাস পর গত ১ এপ্রিল ফেনীর জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আদালতে তিনজনকে আসামি করে মামলা করেন এনাম হোসেন। এনাম বলেন, অন্যায়ভাবে প্রাণী নিধন বন্ধের জন্যই তিনি আইনের আশ্রয় নিয়েছেন।

পরে মামলাটি আমলে নিয়ে সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাকে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন আদালতের তৎকালীন বিচারক মুহাম্মদ আশেকুর রহমান।

বাদীপক্ষের আইনজীবী সফিকুল ইসলাম পিয়াস বলেন, মামলার তিন মাস পর গত ৯ জুলাই আদালত তদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করেন। একই দিন শুনানি শেষে প্রধান আসামি জসিম উদ্দিনের বিরুদ্ধে সমন জারি করেন আদালত।

সফিকুল ইসলাম বলেন, বৃহস্পতিবার আসামি জসিম উদ্দিন আদালতে উপস্থিত হয়ে দোষ স্বীকার করেন। আদালত কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়ার আগমুহূর্তে আসামির আইনজীবী শোধরানোর সুযোগ চান। আসামি গরিব লোক হওয়ায় অর্থদণ্ড দেওয়া তার পক্ষে অসম্ভব ও জীবনে প্রথম এ ধরনের ঘটনা ঘটায় ক্ষমা প্রত্যাশা করেন। এরপর আদালত তাকে তিন মাসের প্রবেশন দেন।

বাদীর আইনজীবী বলেন, বিচারক তার আদেশে আসামিকে প্রবেশনকালীন ১৫টি কুকুরকে তিন মাস খাওয়ানো ও পশুর যত্ন নেওয়ার শর্ত দেন। ছবি ও ভিডিওসহ প্রতিবেদন সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার মাধ্যমে পরে আদালতে দাখিল করতে বলেন।