ঢাকা ০৭:০১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টাকা খেয়ে ভোট দিলে নেতা এসে রাস্তা খেয়ে ফেলবে: আখতার হোসেন সুষ্ঠু নির্বাচনে জার্মানির সহায়তা চাইলেন জামায়াত আমির জাতীয় পতাকা হাতে প্যারাস্যুট জাম্প, গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে বাংলাদেশ বরেণ্য লোকসংগীতশিল্পী ও মুক্তিযুদ্ধের কণ্ঠযোদ্ধা মলয় কুমার মারা গেছেন ভবিষ্যৎ অর্থনীতির শক্ত ভিত্তি গড়ার দায়িত্ব সরকারের : আশিক মাহমুদ গণভোটে ‘হ্যাঁ’র পক্ষে বিএনপি : নজরুল ইসলাম খান অবিলম্বে মার্কিন নাগরিকদের ইরান ত্যাগের নির্দেশ প্রতারণা করে অর্থ আদায়, ৫১ হাজার সিমসহ ৫ চীনা নাগরিক গ্রেপ্তার সংসদে আর নৃত্যগীত হবে না, মানুষের উন্নয়নের কথা বলা হবে: সালাহউদ্দিন আলোচনার মাধ্যমে সমাধান খুঁজতে বাংলাদেশকে অনুরোধ আইসিসির, অনড় বিসিবি

রাজশাহীতে গৃহবধূর লাশ উদ্ধার

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজশাহীর বাঘায় জেবা খাতুন নামের এক গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার বিকেলে বাঘা পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুল কুদ্দুস সরকারের পুত্রবধূর লাশ নিজ বাড়ি বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বাঘা পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পৌরসভার প্যানেল মেয়র আবদুল কুদ্দুস সরকারের ছোট ছেলে শামিম আহাম্মেদ এক সন্তানসহ তিন বছর আগে প্রথম স্ত্রীকে ডিভোর্স দেন। পরে জেবা খাতুন নামে এক মেয়েকে দ্বিতীয় বিয়ে করেন। জেবা খাতুন উপজেলার ধন্দ বোয়ালিয়া গ্রামের বাদশা আলীর মেয়ে।

শামিম জানান, শুক্রবার বিকেল ৩টার সময় তার এক বছরের ছেলে আনাম সরকারকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যেতে চায়। এটা নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে স্ত্রী জেবা খাতুনকে বাদ দিয়ে ছেলেকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যায়। বাড়িতে ফিরে এসে দেখেন তার স্ত্রী নিজ শয়ন কক্ষে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় শাড়ি পেঁচিয়ে ঝুলছে। তাৎক্ষণিক তার আত্মচিৎকারে এলাকার লোকজন এগিয়ে গিয়ে লাশ নামানো হয়। পরে পুলিশকে খবর দিলে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

শামিমের চাচা মহিদুল ইসলাম সরকার জানান, ঘটনার সময় বাসায় কেউ ছিল না। বৃহস্পতিবার তার বড় ভাই আবদুল কুদ্দুস সরকার ও তার ভাবী চিকিৎসার জন্য ভারতে গেছেন। আর শামিমের বড় ভাই ব্যবসার কাজে বাইরে ছিল। তবে স্থানীয় লোকজন বলছেন, শামিম ও তার স্ত্রী জেবার মধ্যে বিভিন্ন পারিবারিক দ্বন্দ্ব নিয়ে মাঝেমধ্যে ঝগড়া-বিবাদ হতো। এই কারণে এই মৃত্যুটিকে অনেকে আত্মহত্যা আবার কেউ কেউ রহস্যজনক মৃত্যু বলে দাবি করেছেন।

এ বিষয়ে বাঘা থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আলী মাহামুদ জানান, প্রাথমিক অবস্থায় লাশ দেখে কোনো মন্তব্য করা যাচ্ছে না। শনিবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হবে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট না পাওয়া পর্যন্ত কিছুই বলা যাচ্ছে না। তবে সন্ধ্যা পর্যন্ত মেয়ের পরিবার থানায় কোন অভিযোগ করেনি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজশাহীতে গৃহবধূর লাশ উদ্ধার

আপডেট সময় ০১:৩৮:১৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজশাহীর বাঘায় জেবা খাতুন নামের এক গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার বিকেলে বাঘা পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুল কুদ্দুস সরকারের পুত্রবধূর লাশ নিজ বাড়ি বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বাঘা পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পৌরসভার প্যানেল মেয়র আবদুল কুদ্দুস সরকারের ছোট ছেলে শামিম আহাম্মেদ এক সন্তানসহ তিন বছর আগে প্রথম স্ত্রীকে ডিভোর্স দেন। পরে জেবা খাতুন নামে এক মেয়েকে দ্বিতীয় বিয়ে করেন। জেবা খাতুন উপজেলার ধন্দ বোয়ালিয়া গ্রামের বাদশা আলীর মেয়ে।

শামিম জানান, শুক্রবার বিকেল ৩টার সময় তার এক বছরের ছেলে আনাম সরকারকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যেতে চায়। এটা নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে স্ত্রী জেবা খাতুনকে বাদ দিয়ে ছেলেকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যায়। বাড়িতে ফিরে এসে দেখেন তার স্ত্রী নিজ শয়ন কক্ষে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় শাড়ি পেঁচিয়ে ঝুলছে। তাৎক্ষণিক তার আত্মচিৎকারে এলাকার লোকজন এগিয়ে গিয়ে লাশ নামানো হয়। পরে পুলিশকে খবর দিলে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

শামিমের চাচা মহিদুল ইসলাম সরকার জানান, ঘটনার সময় বাসায় কেউ ছিল না। বৃহস্পতিবার তার বড় ভাই আবদুল কুদ্দুস সরকার ও তার ভাবী চিকিৎসার জন্য ভারতে গেছেন। আর শামিমের বড় ভাই ব্যবসার কাজে বাইরে ছিল। তবে স্থানীয় লোকজন বলছেন, শামিম ও তার স্ত্রী জেবার মধ্যে বিভিন্ন পারিবারিক দ্বন্দ্ব নিয়ে মাঝেমধ্যে ঝগড়া-বিবাদ হতো। এই কারণে এই মৃত্যুটিকে অনেকে আত্মহত্যা আবার কেউ কেউ রহস্যজনক মৃত্যু বলে দাবি করেছেন।

এ বিষয়ে বাঘা থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আলী মাহামুদ জানান, প্রাথমিক অবস্থায় লাশ দেখে কোনো মন্তব্য করা যাচ্ছে না। শনিবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হবে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট না পাওয়া পর্যন্ত কিছুই বলা যাচ্ছে না। তবে সন্ধ্যা পর্যন্ত মেয়ের পরিবার থানায় কোন অভিযোগ করেনি।