ঢাকা ০৬:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জ্বালানি তেল নিয়ে গুজব ছড়ানো হচ্ছে: জ্বালানি বিভাগ নৈতিক স্খলন প্রমাণিত, জামায়াতের এমপি নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কার টাঙ্গাইলে পৃথক হত্যা মামলায় দুইজনের মৃত্যুদণ্ড ৪২ কর্মদিবসে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি পরীক্ষার ফল প্রকাশ বস্ত্র খাতের জন্য উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করে দিলেন প্রধানমন্ত্রী জামায়াতের এমপির অনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে মোংলায় মানববন্ধন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি টাকার ৮ প্রকল্প অনুমোদন শিক্ষা ও কারিগরি খাতে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী সিঙ্গাপুর ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের জন্য ২০২৬-২০২৭ করবর্ষের ই-রিটার্ন সেবা চালু রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ও করিডোর নিয়ে চীন-বাংলাদেশের মধ্যে আলোচনা

লালমনিরহাটে হত্যা মামলায় ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার বহুল আলোচিত একরামুল হক (৪০) হত্যা মামলায় কুখ্যাত মাদক সম্রাট নুর হাই, শামীম হোসেন ও কবির হোসেন নামে তিন আসামিকে মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছেন আদালত। আসামিদের বাড়ি হাতীবান্ধা উপজেলার রমনীগঞ্জ এলাকায়।

মঙ্গলবার দুপুরে লালমনিরহাটের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহা. আদিব আলী এ রায় প্রদান করেন। এ সময় মামলার অন্য ৬ আসামিকে খালাস প্রদান করেছেন আদালত।

আদালত ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২০২০ সালের ১৮ জুলাই মাসে লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার কুখ্যাত মাদক সম্রাট নুর হাইয়ের সঙ্গে মাদক বিক্রির টাকার হিসাব ঠিকমত দিতে না পারায় এবং তার সঙ্গে মাদক ব্যবসা না করার ক্ষোভে একরামুলকে কৌশলে মাদক সেবন করার কথা বলে সানিয়াজান নদীর তীরে নিয়ে যায়। সেখানে আগে থেকে অপেক্ষা করা নুর হাইয়ের অপর দুই সহযোগী শামীম হোসেন ও কবির হোসেনসহ মাদক সেবন করে। এ সময় তারা একরামুলকে অতিরিক্ত মাদক সেবন করার পর অচেতন করে একরামুল হককে তিনজন মিলে হত্যা করে নদীর বালুর নিচে লাশ গুম করে রাখে।

দীর্ঘদিন নিখোঁজ থাকার পর একরামুলের স্ত্রী মনিরা ইয়াছমিন বাদী হয়ে মাদক সম্রাট নুর হাইকে প্রধান করে ৯ জনের নাম উল্লেখ করে হাতীবান্ধা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। পরে পুলিশ মাদক সম্রাট নুর হাইকে গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে একরামুলকে হত্যার বিষয়টি তিনি স্বীকার করেন। এ হত্যাকাণ্ডের সময় তাকে কবির হোসেন ও শামীম হোসেন তাকে সহযোগিতা করেন বলেও স্বীকারোক্তিতে উল্লেখ করেন।

একরামুল হক হত্যা মামলার রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমনিরহাট জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পুলিশ পরিদর্শক আব্দুর রাজ্জাক বলেন, একরামুল হত্যা মামলার রায়ে আদালত নুর হাই, কবির হোসেন ও শামীম হোসেনকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত আদেশ এবং বাকি ৬ আসামির খালাস দিয়েছেন।

রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি নুর হাই ও শামীম হোসেন উপস্থিত থাকলেও অপর আসামি কবির হোসেন পলাতক ছিলেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জ্বালানি তেল নিয়ে গুজব ছড়ানো হচ্ছে: জ্বালানি বিভাগ

লালমনিরহাটে হত্যা মামলায় ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

আপডেট সময় ১১:৪৪:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ নভেম্বর ২০২৪

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার বহুল আলোচিত একরামুল হক (৪০) হত্যা মামলায় কুখ্যাত মাদক সম্রাট নুর হাই, শামীম হোসেন ও কবির হোসেন নামে তিন আসামিকে মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছেন আদালত। আসামিদের বাড়ি হাতীবান্ধা উপজেলার রমনীগঞ্জ এলাকায়।

মঙ্গলবার দুপুরে লালমনিরহাটের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহা. আদিব আলী এ রায় প্রদান করেন। এ সময় মামলার অন্য ৬ আসামিকে খালাস প্রদান করেছেন আদালত।

আদালত ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২০২০ সালের ১৮ জুলাই মাসে লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার কুখ্যাত মাদক সম্রাট নুর হাইয়ের সঙ্গে মাদক বিক্রির টাকার হিসাব ঠিকমত দিতে না পারায় এবং তার সঙ্গে মাদক ব্যবসা না করার ক্ষোভে একরামুলকে কৌশলে মাদক সেবন করার কথা বলে সানিয়াজান নদীর তীরে নিয়ে যায়। সেখানে আগে থেকে অপেক্ষা করা নুর হাইয়ের অপর দুই সহযোগী শামীম হোসেন ও কবির হোসেনসহ মাদক সেবন করে। এ সময় তারা একরামুলকে অতিরিক্ত মাদক সেবন করার পর অচেতন করে একরামুল হককে তিনজন মিলে হত্যা করে নদীর বালুর নিচে লাশ গুম করে রাখে।

দীর্ঘদিন নিখোঁজ থাকার পর একরামুলের স্ত্রী মনিরা ইয়াছমিন বাদী হয়ে মাদক সম্রাট নুর হাইকে প্রধান করে ৯ জনের নাম উল্লেখ করে হাতীবান্ধা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। পরে পুলিশ মাদক সম্রাট নুর হাইকে গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে একরামুলকে হত্যার বিষয়টি তিনি স্বীকার করেন। এ হত্যাকাণ্ডের সময় তাকে কবির হোসেন ও শামীম হোসেন তাকে সহযোগিতা করেন বলেও স্বীকারোক্তিতে উল্লেখ করেন।

একরামুল হক হত্যা মামলার রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমনিরহাট জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পুলিশ পরিদর্শক আব্দুর রাজ্জাক বলেন, একরামুল হত্যা মামলার রায়ে আদালত নুর হাই, কবির হোসেন ও শামীম হোসেনকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত আদেশ এবং বাকি ৬ আসামির খালাস দিয়েছেন।

রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি নুর হাই ও শামীম হোসেন উপস্থিত থাকলেও অপর আসামি কবির হোসেন পলাতক ছিলেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।