ঢাকা ১১:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গরিবের বিচার, ধনীর বিচার এক করতে হবে —এটাই তারেক রহমানের নতুন বাংলাদেশ আইএইচএফ নেশনস ট্রফিতে ভারতের কাছে হেরে রানার্সআপ বাংলাদেশ কাতার, তুরস্ক, পাকিস্তান ও ইন্দোনেশিয়ার ঐতিহাসিক বদর প্রতিরক্ষা চুক্তি দ্বিগুণ যাত্রী সামলাতে হিমশিম দেশের বিমানবন্দরগুলো মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তির মূল দলিল পেশ করলো তুরস্ক সাইবার আইনে মতপ্রকাশ ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা হুমকিতে ফাঁসের ঘটনায় বিএআরসির সহকারী পরিচালক আটক: যুব উন্নয়নের ৪৫তম বিসিএসে গেজেট থেকে বাদ: অনিশ্চিত জীবনে ৫৬ মেধাবী সকল ধর্মের মানুষকে নিয়ে দেশ গড়তে চাই রাজধানীতে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ ও আধুনিক ওসমানী উদ্যান উদ্বোধন করলেন

লালমনিরহাটে হত্যা মামলায় ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার বহুল আলোচিত একরামুল হক (৪০) হত্যা মামলায় কুখ্যাত মাদক সম্রাট নুর হাই, শামীম হোসেন ও কবির হোসেন নামে তিন আসামিকে মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছেন আদালত। আসামিদের বাড়ি হাতীবান্ধা উপজেলার রমনীগঞ্জ এলাকায়।

মঙ্গলবার দুপুরে লালমনিরহাটের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহা. আদিব আলী এ রায় প্রদান করেন। এ সময় মামলার অন্য ৬ আসামিকে খালাস প্রদান করেছেন আদালত।

আদালত ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২০২০ সালের ১৮ জুলাই মাসে লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার কুখ্যাত মাদক সম্রাট নুর হাইয়ের সঙ্গে মাদক বিক্রির টাকার হিসাব ঠিকমত দিতে না পারায় এবং তার সঙ্গে মাদক ব্যবসা না করার ক্ষোভে একরামুলকে কৌশলে মাদক সেবন করার কথা বলে সানিয়াজান নদীর তীরে নিয়ে যায়। সেখানে আগে থেকে অপেক্ষা করা নুর হাইয়ের অপর দুই সহযোগী শামীম হোসেন ও কবির হোসেনসহ মাদক সেবন করে। এ সময় তারা একরামুলকে অতিরিক্ত মাদক সেবন করার পর অচেতন করে একরামুল হককে তিনজন মিলে হত্যা করে নদীর বালুর নিচে লাশ গুম করে রাখে।

দীর্ঘদিন নিখোঁজ থাকার পর একরামুলের স্ত্রী মনিরা ইয়াছমিন বাদী হয়ে মাদক সম্রাট নুর হাইকে প্রধান করে ৯ জনের নাম উল্লেখ করে হাতীবান্ধা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। পরে পুলিশ মাদক সম্রাট নুর হাইকে গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে একরামুলকে হত্যার বিষয়টি তিনি স্বীকার করেন। এ হত্যাকাণ্ডের সময় তাকে কবির হোসেন ও শামীম হোসেন তাকে সহযোগিতা করেন বলেও স্বীকারোক্তিতে উল্লেখ করেন।

একরামুল হক হত্যা মামলার রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমনিরহাট জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পুলিশ পরিদর্শক আব্দুর রাজ্জাক বলেন, একরামুল হত্যা মামলার রায়ে আদালত নুর হাই, কবির হোসেন ও শামীম হোসেনকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত আদেশ এবং বাকি ৬ আসামির খালাস দিয়েছেন।

রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি নুর হাই ও শামীম হোসেন উপস্থিত থাকলেও অপর আসামি কবির হোসেন পলাতক ছিলেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।

আপলোডকারীর তথ্য

মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বাড়াতে কর্মকর্তাদের প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ

লালমনিরহাটে হত্যা মামলায় ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

আপডেট সময় ১১:৪৪:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ নভেম্বর ২০২৪

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার বহুল আলোচিত একরামুল হক (৪০) হত্যা মামলায় কুখ্যাত মাদক সম্রাট নুর হাই, শামীম হোসেন ও কবির হোসেন নামে তিন আসামিকে মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছেন আদালত। আসামিদের বাড়ি হাতীবান্ধা উপজেলার রমনীগঞ্জ এলাকায়।

মঙ্গলবার দুপুরে লালমনিরহাটের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহা. আদিব আলী এ রায় প্রদান করেন। এ সময় মামলার অন্য ৬ আসামিকে খালাস প্রদান করেছেন আদালত।

আদালত ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২০২০ সালের ১৮ জুলাই মাসে লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার কুখ্যাত মাদক সম্রাট নুর হাইয়ের সঙ্গে মাদক বিক্রির টাকার হিসাব ঠিকমত দিতে না পারায় এবং তার সঙ্গে মাদক ব্যবসা না করার ক্ষোভে একরামুলকে কৌশলে মাদক সেবন করার কথা বলে সানিয়াজান নদীর তীরে নিয়ে যায়। সেখানে আগে থেকে অপেক্ষা করা নুর হাইয়ের অপর দুই সহযোগী শামীম হোসেন ও কবির হোসেনসহ মাদক সেবন করে। এ সময় তারা একরামুলকে অতিরিক্ত মাদক সেবন করার পর অচেতন করে একরামুল হককে তিনজন মিলে হত্যা করে নদীর বালুর নিচে লাশ গুম করে রাখে।

দীর্ঘদিন নিখোঁজ থাকার পর একরামুলের স্ত্রী মনিরা ইয়াছমিন বাদী হয়ে মাদক সম্রাট নুর হাইকে প্রধান করে ৯ জনের নাম উল্লেখ করে হাতীবান্ধা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। পরে পুলিশ মাদক সম্রাট নুর হাইকে গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে একরামুলকে হত্যার বিষয়টি তিনি স্বীকার করেন। এ হত্যাকাণ্ডের সময় তাকে কবির হোসেন ও শামীম হোসেন তাকে সহযোগিতা করেন বলেও স্বীকারোক্তিতে উল্লেখ করেন।

একরামুল হক হত্যা মামলার রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমনিরহাট জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পুলিশ পরিদর্শক আব্দুর রাজ্জাক বলেন, একরামুল হত্যা মামলার রায়ে আদালত নুর হাই, কবির হোসেন ও শামীম হোসেনকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত আদেশ এবং বাকি ৬ আসামির খালাস দিয়েছেন।

রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি নুর হাই ও শামীম হোসেন উপস্থিত থাকলেও অপর আসামি কবির হোসেন পলাতক ছিলেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।