ঢাকা ০২:০২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট বনশ্রীতে স্কুলছাত্রী খুন,পুলিশের সন্দেহের তালিকায় পলাতক রেস্তোরাঁ কর্মী স্বৈরাচারের লোকেরা নির্বাচন ভণ্ডুলের চেষ্টা করবে: ড. মুহাম্মদ ইউনূস গাজীপুরে নবজাতকের লাশ নিয়ে কুকুরের টানাহ্যাঁচড়া, উদ্ধার করল পুলিশ ধর্মকে পুঁজি করে মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে, ধোঁকা দেওয়া হচ্ছে : খায়রুল কবির খোকন দলে বড় নাম থাকলেও জেতার জন্য সবাইকে আরও দায়িত্ব নিতে হবে: সোহান ২৫ জন বাংলাদেশিকে ক্ষমা করল আমিরাত দেশের ভবিষ্যত গড়ার জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয় নিশ্চিত করতে হবে : চরমোনাই পীর ব্যালটবাক্স ভরে কোনো নির্দিষ্ট প্রতীকের জয়ের সুযোগ নেই: রুমিন ফারহানা এইচএসসি পাসে নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ , রোগী দেখেন দুই জেলায়

জালিমের সহায়ক নয়, মজলুমের পক্ষে আওয়াজ তুলুন: মিজানুর রহমান আজহারি

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

যার যা প্রাপ্য তাকে সেই প্রাপ্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করার নাম জুলুম। সে হিসেবে কারও অধিকার হরণ, বিনা অপরাধে নির্যাতন, আর্থিক, দৈহিক ও মর্যাদার ক্ষতিসাধন, মানহানিকর অপবাদ দেওয়া, দুর্বলের ওপর নৃশংসতা চালানো, অন্যায়ভাবে অন্যের সম্পদ হরণ, অশ্লীল ভাষায় গালাগাল, উৎপীড়ন বা যন্ত্রণা ইত্যাদি কাজ জুলুমের পর্যায়ভুক্ত।

ইসলামে সব ধরনের জুলুম বা অত্যাচার কঠোরভাবে নিষিদ্ধ ও হারাম। শুধু জুলুম নয়, জুলুমের সহযোগিতা করা এবং জালেমদের সঙ্গে সুসম্পর্ক ও ঘনিষ্ঠতা রক্ষা করাও হারাম।

বর্তমান পরিস্থিতিতে জালিমের সহায়ক নয়, মজলুমের পক্ষে আওয়াজ তুলতে দেশবাসীকে আহ্বান জানিয়েছেন ইসলামি আলোচক মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারি।

শুক্রবার (৮ নভেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজের এক পোস্টে এ আহ্বান জানান আলোচিত এই ধর্মীয় বক্তা।

ফেসবুক পোস্টে আজহারী লেখেন, ‘জালিমের সহায়ক নয়, মজলুমের পক্ষের আওয়াজ হোন’। আজহারীর ফেসবুক পোস্টটির সঙ্গে সংযুক্ত ছবিতে ইবনে মাজাহর একটি হাদিস লেখা আছে।

হাদিসটি হলো- ‘রাসুলুল্লাহ (স.) ইরশাদ করেন, যে ব্যক্তি জালিমের পক্ষ নেয় অথবা জুলুমে সহায়তা করে, সে তা ত্যাগ না করা পর্যন্ত আল্লাহর ক্রোধের মাঝে থাকে। (সুনানু ইবনে মাজাহ: ২৩২০)’

গত ২ অক্টোবর দেশে এসেছিলেন আজহারি। ৯ দিনের মাথায় আবার মালয়েশিয়া ফিরে গেছেন। এরই মাঝে বিভিন্ন ঘরানার আলিম-ওলামা ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন।

যাওয়ার আগে দেওয়া ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি লেখেন, ‘দীর্ঘ পাঁচ বছর পর সংক্ষিপ্ত সফরে দেশে এসেছিলাম। বেশির ভাগ সময় পরিবারের সঙ্গে কাটিয়েছি। এরই মাঝে বিভিন্ন ঘরানার আলিম-উলামা ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের নিয়ে একটি ক্লোজ মিট-আপ প্রগ্রাম করেছিলাম। আলহামদুলিল্লাহ, সত্যিই সে দিনটি বেশ উপভোগ্য ছিল। তবে শর্ট নোটিশে প্রোগ্রামটি আয়োজনের কারণে অনেক প্রিয় ভাই আসতে পারেননি। আবার কিছুটা তাড়াহুড়ো করে দাওয়াত দেওয়ার কারণে, বেখেয়ালবশত অনেকে বাদ পড়েছেন। আশা করি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। পরবর্তী সময়ে সবার সঙ্গে সাক্ষাতের প্রত্যাশা রইল।’

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট

জালিমের সহায়ক নয়, মজলুমের পক্ষে আওয়াজ তুলুন: মিজানুর রহমান আজহারি

আপডেট সময় ০১:২৪:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ নভেম্বর ২০২৪

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

যার যা প্রাপ্য তাকে সেই প্রাপ্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করার নাম জুলুম। সে হিসেবে কারও অধিকার হরণ, বিনা অপরাধে নির্যাতন, আর্থিক, দৈহিক ও মর্যাদার ক্ষতিসাধন, মানহানিকর অপবাদ দেওয়া, দুর্বলের ওপর নৃশংসতা চালানো, অন্যায়ভাবে অন্যের সম্পদ হরণ, অশ্লীল ভাষায় গালাগাল, উৎপীড়ন বা যন্ত্রণা ইত্যাদি কাজ জুলুমের পর্যায়ভুক্ত।

ইসলামে সব ধরনের জুলুম বা অত্যাচার কঠোরভাবে নিষিদ্ধ ও হারাম। শুধু জুলুম নয়, জুলুমের সহযোগিতা করা এবং জালেমদের সঙ্গে সুসম্পর্ক ও ঘনিষ্ঠতা রক্ষা করাও হারাম।

বর্তমান পরিস্থিতিতে জালিমের সহায়ক নয়, মজলুমের পক্ষে আওয়াজ তুলতে দেশবাসীকে আহ্বান জানিয়েছেন ইসলামি আলোচক মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারি।

শুক্রবার (৮ নভেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজের এক পোস্টে এ আহ্বান জানান আলোচিত এই ধর্মীয় বক্তা।

ফেসবুক পোস্টে আজহারী লেখেন, ‘জালিমের সহায়ক নয়, মজলুমের পক্ষের আওয়াজ হোন’। আজহারীর ফেসবুক পোস্টটির সঙ্গে সংযুক্ত ছবিতে ইবনে মাজাহর একটি হাদিস লেখা আছে।

হাদিসটি হলো- ‘রাসুলুল্লাহ (স.) ইরশাদ করেন, যে ব্যক্তি জালিমের পক্ষ নেয় অথবা জুলুমে সহায়তা করে, সে তা ত্যাগ না করা পর্যন্ত আল্লাহর ক্রোধের মাঝে থাকে। (সুনানু ইবনে মাজাহ: ২৩২০)’

গত ২ অক্টোবর দেশে এসেছিলেন আজহারি। ৯ দিনের মাথায় আবার মালয়েশিয়া ফিরে গেছেন। এরই মাঝে বিভিন্ন ঘরানার আলিম-ওলামা ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন।

যাওয়ার আগে দেওয়া ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি লেখেন, ‘দীর্ঘ পাঁচ বছর পর সংক্ষিপ্ত সফরে দেশে এসেছিলাম। বেশির ভাগ সময় পরিবারের সঙ্গে কাটিয়েছি। এরই মাঝে বিভিন্ন ঘরানার আলিম-উলামা ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের নিয়ে একটি ক্লোজ মিট-আপ প্রগ্রাম করেছিলাম। আলহামদুলিল্লাহ, সত্যিই সে দিনটি বেশ উপভোগ্য ছিল। তবে শর্ট নোটিশে প্রোগ্রামটি আয়োজনের কারণে অনেক প্রিয় ভাই আসতে পারেননি। আবার কিছুটা তাড়াহুড়ো করে দাওয়াত দেওয়ার কারণে, বেখেয়ালবশত অনেকে বাদ পড়েছেন। আশা করি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। পরবর্তী সময়ে সবার সঙ্গে সাক্ষাতের প্রত্যাশা রইল।’