ঢাকা ০২:৩৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রুবেলকে বিদায়ি সম্মাননা দেবে বিসিবি বাংলাদেশে নীতির অনিশ্চয়তা আমাদের ভয়ের কারণ: ব্রুনাইয়ের রাষ্ট্রদূত চবিতে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ নেতার অবস্থান কর্মসূচি যুক্তরাষ্ট্র অবরোধ প্রত্যাহার না করলে পাকিস্তানে প্রতিনিধি দল পাঠাবে না ইরান যুক্তরাষ্ট্রে বন্দুকধারীর হামলায় আট শিশু নিহত এপ্রিলের ১৮ দিনে রেমিট্যান্স এলো ১৮০ কোটি ডলার বিগত সরকারের দুর্নীতির কারণে হাতুড়ির টোকায় বর্তমান স্বাস্থ্যখাত পুনর্গঠন কঠিন স্কুলপড়ুয়া শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ, অভিযুক্তকে পুলিশে সোপর্দ নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা, দ্বিতীয় দফার বৈঠকে পাকিস্তানে যাচ্ছেন না মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট ভারতে বাজি তৈরির কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত ২০

বাবা ছেলেকে হেলিকপ্টারে বাড়িতে এনে তার শখ পূরণ করলেন

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে প্রবাসী ছেলেকে হেলিকপ্টারে চড়িয়ে গ্রামের বাড়িতে নিয়ে আসার শখ ছিল বাবার দীর্ঘদিনের। সেই শখ পূরণ করলেন দরিকান্দি গ্রামের রমজান মোল্লা।

বুধবার সকালে হেলিকপ্টারে করে গ্রামের বাড়িতে আসেন মালয়েশিয়া প্রবাসী ব্যবসায়ী আব্দুল কুদ্দুস মোল্লা। দীর্ঘ ৯ বছর যাবত মালয়েশিয়ায় ফিশারিজ ব্যবসা পরিচালনা করে মালয়েশিয়ায় বেশ সুনাম কুড়িয়েছেন তিনি। এর পরিপ্রেক্ষিতে আরও দুই ভাইকে মালয়েশিয়ায় নিয়ে ফিশারিজ ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত করেছেন আব্দুল কুদ্দুস মোল্লা।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, তিনি মালয়েশিয়া প্রবাসী দরিকান্দি গ্রামের রমজান মোল্লার ছেলে। তারা তিন ভাই মালয়েশিয়ার একটি শহরে ফিশারিজের ব্যবসা পরিচালনা করেন। আব্দুল কুদ্দুস দীর্ঘ ৯ বছর যাবৎ মালয়েশিয়ায় অত্যন্ত সুনামের সঙ্গে ফিশারিজের ব্যবসা করছেন বলে জানা গেছে।

প্রবাস থেকে ফিরে হেলিকপ্টারে করে বাড়িতে আসবেন বলে অধীর অপেক্ষায় ছিলেন তার পিতা-মাতা।

এ বিষয়ে আব্দুল কুদ্দুসের পিতা রমজান মোল্লা বলেন, আমার ছেলে দীর্ঘদিন ধরে মালয়েশিয়ায় থাকেন। আমার শখ ছিল আমার ছেলেকে হেলিকপ্টারে করে বাড়িতে নিয়ে আসব। তাই শখ পূরণ করার জন্য হেলিকপ্টারে করে আমার ছেলেকে বাড়িতে নিয়ে এসেছি। আজ আমি অত্যন্ত আনন্দিত। সবাই আমার ছেলের জন্য দোয়া করবেন।

দীর্ঘদিন পর রমজান মোল্লার ছেলে আব্দুল কুদ্দুস হেলিকপ্টারে করে বাড়িতে ফেরায় স্থানীয় জনসাধারণ হেলিকপ্টার দেখতে ভিড় জমান। পরে স্থানীয় মুরুব্বিদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন আব্দুল কুদ্দুস মোল্লা। তিনি বাড়িতে ফিরে এতগুলো মানুষ দেখে আবেগাপ্লুত হন। আব্দুল কুদ্দুস মোল্লা বাড়িতে ফেরায় স্থানীয় শিশু-কিশোরদের মাঝে মিষ্টি বিতরণ করেছে তার পরিবার।

এ বিষয়ে আব্দুল কুদ্দুস বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরে মালয়েশিয়ায় প্রবাস জীবন কাটিয়েছি। মালয়েশিয়ায় ফিশারিজ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত রয়েছি। আমি যেখানে থাকি ওই স্থানে বাংলাদেশিদের কোনো সহযোগিতার প্রয়োজন হলে অবশ্যই আমাকে জানাবেন, আমি চেষ্টা করব আমার সাধ্যমতো সহযোগিতা করার জন্য।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

রুবেলকে বিদায়ি সম্মাননা দেবে বিসিবি

বাবা ছেলেকে হেলিকপ্টারে বাড়িতে এনে তার শখ পূরণ করলেন

আপডেট সময় ০৮:১১:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ অক্টোবর ২০২৪

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে প্রবাসী ছেলেকে হেলিকপ্টারে চড়িয়ে গ্রামের বাড়িতে নিয়ে আসার শখ ছিল বাবার দীর্ঘদিনের। সেই শখ পূরণ করলেন দরিকান্দি গ্রামের রমজান মোল্লা।

বুধবার সকালে হেলিকপ্টারে করে গ্রামের বাড়িতে আসেন মালয়েশিয়া প্রবাসী ব্যবসায়ী আব্দুল কুদ্দুস মোল্লা। দীর্ঘ ৯ বছর যাবত মালয়েশিয়ায় ফিশারিজ ব্যবসা পরিচালনা করে মালয়েশিয়ায় বেশ সুনাম কুড়িয়েছেন তিনি। এর পরিপ্রেক্ষিতে আরও দুই ভাইকে মালয়েশিয়ায় নিয়ে ফিশারিজ ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত করেছেন আব্দুল কুদ্দুস মোল্লা।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, তিনি মালয়েশিয়া প্রবাসী দরিকান্দি গ্রামের রমজান মোল্লার ছেলে। তারা তিন ভাই মালয়েশিয়ার একটি শহরে ফিশারিজের ব্যবসা পরিচালনা করেন। আব্দুল কুদ্দুস দীর্ঘ ৯ বছর যাবৎ মালয়েশিয়ায় অত্যন্ত সুনামের সঙ্গে ফিশারিজের ব্যবসা করছেন বলে জানা গেছে।

প্রবাস থেকে ফিরে হেলিকপ্টারে করে বাড়িতে আসবেন বলে অধীর অপেক্ষায় ছিলেন তার পিতা-মাতা।

এ বিষয়ে আব্দুল কুদ্দুসের পিতা রমজান মোল্লা বলেন, আমার ছেলে দীর্ঘদিন ধরে মালয়েশিয়ায় থাকেন। আমার শখ ছিল আমার ছেলেকে হেলিকপ্টারে করে বাড়িতে নিয়ে আসব। তাই শখ পূরণ করার জন্য হেলিকপ্টারে করে আমার ছেলেকে বাড়িতে নিয়ে এসেছি। আজ আমি অত্যন্ত আনন্দিত। সবাই আমার ছেলের জন্য দোয়া করবেন।

দীর্ঘদিন পর রমজান মোল্লার ছেলে আব্দুল কুদ্দুস হেলিকপ্টারে করে বাড়িতে ফেরায় স্থানীয় জনসাধারণ হেলিকপ্টার দেখতে ভিড় জমান। পরে স্থানীয় মুরুব্বিদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন আব্দুল কুদ্দুস মোল্লা। তিনি বাড়িতে ফিরে এতগুলো মানুষ দেখে আবেগাপ্লুত হন। আব্দুল কুদ্দুস মোল্লা বাড়িতে ফেরায় স্থানীয় শিশু-কিশোরদের মাঝে মিষ্টি বিতরণ করেছে তার পরিবার।

এ বিষয়ে আব্দুল কুদ্দুস বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরে মালয়েশিয়ায় প্রবাস জীবন কাটিয়েছি। মালয়েশিয়ায় ফিশারিজ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত রয়েছি। আমি যেখানে থাকি ওই স্থানে বাংলাদেশিদের কোনো সহযোগিতার প্রয়োজন হলে অবশ্যই আমাকে জানাবেন, আমি চেষ্টা করব আমার সাধ্যমতো সহযোগিতা করার জন্য।