ঢাকা ০২:২৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অর্থের অভাবে কারও চিকিৎসা বন্ধ থাকবে না: সমাজকল্যাণমন্ত্রী প্রত্যেক মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করছে বিএনপি: হাসনাত আবদুল্লাহ দাবানলে ঝুঁকিতে ফ্রান্সের মিসাইল-রকেট মোটর কারখানা, স্পেনও সংকটে ইরানে ভয়াবহ হামলার হুঁশিয়ারি দিলেন ট্রাম্প প্রাইম মিনিস্টার্স কাপ শুরু আগামী মাসে: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী খাদ্য নিরাপত্তা ও জলবায়ু-সহিষ্ণুতা একসঙ্গে এগিয়ে নিতে হবে: শামা ওবায়েদ রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় থাকলে উন্নয়নের গতি বাড়বে: পরিবেশমন্ত্রী শিশুরা নিজেদের গড়ে তুললে দেশ সঠিকভাবে গড়ে উঠবে: প্রধানমন্ত্রী ভারত সীমান্তে চীনের রণহুংকার, পাল্টা জবাবে এক দশক পিছিয়ে দিল্লি গ্যাস সংকট স্বাভাবিক হতে লাগবে আরও ১০–১৫ দিন: জ্বালানিমন্ত্রী

হতাশ যুবক ফেসবুক লাইভে এসে ছিঁড়লেন একাডেমিক সনদপত্র

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দীর্ঘদিন চেষ্টা করেও চাকরি না পেয়ে হতাশ এক যুবক তার একাডেমিক সব সনদপত্র ছিঁড়ে ফেলেছেন।

সোমবার দুপুরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক লাইভে এসে এ কাণ্ড ঘটান তিনি।

বাদশা মিয়া নামে ওই যুবক ডিমলা উপজেলার বালাপাড়া ইউনিয়নের দক্ষিণ সুন্দরখাতা গ্রামের কৃষক মহুবার রহমানের ছেলে। তিনি ছয় ভাই-বোনের মধ্যে সবার বড়।

জানা যায়, বাদশা পাঙ্গা চৌপতি আব্দুল মজিদ দাখিল মাদরাসা থেকে ২০০৭ সালে জিপিএ ৩.৯২ পেয়ে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে দাখিল, ২০০৯ সালে সোনাখুলি মুন্সিপাড়া কামিল মাদরাসা থেকে জিপিএ ৪.০৮ পেয়ে আলিম ও ২০১৪ সালে নীলফামারী সরকারি কলেজ থেকে পদার্থ বিজ্ঞান বিষয়ে স্নাতক সম্পন্ন করেন।

গত জুনে সরকারি চাকরির বয়স শেষ হওয়ায় হতাশায় ভুগছিলেন তিনি। দিন-দিন হতাশা বেড়ে যাওয়ায় ফেসবুক লাইভে এসে তার সকল একাডেমিক সনদপত্র ছিঁড়ে ফেলেন।

বাদশা মিয়া বলেন, সার্টিফিকেটের চাকরির বয়স শেষ। এখন সে সার্টিফিকেট রেখে কি লাভ? বয়স থাকতেই তো চাকরি নিতে পারিনি। এখন বয়সও শেষ। তাহলে সে সার্টিফিকেট রেখে কী হবে। এখন সার্টিফিকেটগুলো আমার কাছে শুধুই কাগজ।

তিনি বলেন, আমার ধারণা বর্তমানে মধ্যবিত্ত ও নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারের শিক্ষিত ছেলেরা। এরা না পারে সহজে চাকরি জোটাতে, আবার না পারে অর্থের অভাবে ব্যবসা-বাণিজ্য করতে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অর্থের অভাবে কারও চিকিৎসা বন্ধ থাকবে না: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

হতাশ যুবক ফেসবুক লাইভে এসে ছিঁড়লেন একাডেমিক সনদপত্র

আপডেট সময় ১১:৫৫:৫৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২২

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দীর্ঘদিন চেষ্টা করেও চাকরি না পেয়ে হতাশ এক যুবক তার একাডেমিক সব সনদপত্র ছিঁড়ে ফেলেছেন।

সোমবার দুপুরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক লাইভে এসে এ কাণ্ড ঘটান তিনি।

বাদশা মিয়া নামে ওই যুবক ডিমলা উপজেলার বালাপাড়া ইউনিয়নের দক্ষিণ সুন্দরখাতা গ্রামের কৃষক মহুবার রহমানের ছেলে। তিনি ছয় ভাই-বোনের মধ্যে সবার বড়।

জানা যায়, বাদশা পাঙ্গা চৌপতি আব্দুল মজিদ দাখিল মাদরাসা থেকে ২০০৭ সালে জিপিএ ৩.৯২ পেয়ে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে দাখিল, ২০০৯ সালে সোনাখুলি মুন্সিপাড়া কামিল মাদরাসা থেকে জিপিএ ৪.০৮ পেয়ে আলিম ও ২০১৪ সালে নীলফামারী সরকারি কলেজ থেকে পদার্থ বিজ্ঞান বিষয়ে স্নাতক সম্পন্ন করেন।

গত জুনে সরকারি চাকরির বয়স শেষ হওয়ায় হতাশায় ভুগছিলেন তিনি। দিন-দিন হতাশা বেড়ে যাওয়ায় ফেসবুক লাইভে এসে তার সকল একাডেমিক সনদপত্র ছিঁড়ে ফেলেন।

বাদশা মিয়া বলেন, সার্টিফিকেটের চাকরির বয়স শেষ। এখন সে সার্টিফিকেট রেখে কি লাভ? বয়স থাকতেই তো চাকরি নিতে পারিনি। এখন বয়সও শেষ। তাহলে সে সার্টিফিকেট রেখে কী হবে। এখন সার্টিফিকেটগুলো আমার কাছে শুধুই কাগজ।

তিনি বলেন, আমার ধারণা বর্তমানে মধ্যবিত্ত ও নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারের শিক্ষিত ছেলেরা। এরা না পারে সহজে চাকরি জোটাতে, আবার না পারে অর্থের অভাবে ব্যবসা-বাণিজ্য করতে।