ঢাকা ০৭:১৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আপিল শুনানিতে কোনো ধরনের পক্ষপাত করিনি : সিইসি নির্বাচনে অংশ নেবে কিনা ভাববে এনসিপি : আসিফ মাহমুদ প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে : আব্দুল্লাহ মো. তাহের একটি রাজনৈতিক দল বিভিন্ন এলাকা থেকে ভোটারদের ঢাকায় স্থানান্তর করে আনছে: ফখরুলের অভিযোগ নরসিংদীতে দুই ব্যবসায়ীর ঝগড়ায় একজনের মৃত্যু, অভিযুক্তর বাড়িতে ভাঙচুর-আগুন ৭ কলেজ নিয়ে ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’ অধ্যাদেশ চূড়ান্ত আমি এসেছি শুধু শুনতে, শিখতে এবং একসঙ্গে কাজ করার মনোভাব নিয়ে এগিয়ে যেতে: জাইমা রহমান চাকরির ক্ষেত্রে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি হয়েছে কিনা তা দেখা উচিত : আমীর খসরু ওসমানী হাসপাতাল ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার যুক্তরাষ্ট্রেকেও খেসারত দিতে হবে, ফরাসি কৃষিমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি

আবারও বাড়ল ডলারের দাম

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

একদিনের ব্যবধানে আন্তঃব্যাংক লেনদেনের ক্ষেত্রে ডলারের দাম আবারও বেড়েছে। বুধবার আন্তঃব্যাংকে ডলারের বিক্রয় দর ৭৫ পয়সা বেড়ে প্রতি ডলার বিক্রি হচ্ছে ১০৬ টাকা ৯০ পয়সায়, যা মঙ্গলবার ছিল ১০৬ টাকা ১৫ পয়সা। তবে আমদানি খাতে ডলারের দাম ১০৮ টাকায় রয়েছে।

বুধবার নতুন আন্তঃব্যাংক রেট (বিনিময় হার) বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইটে আপলোড করা হয়েছে। বাজারে ডলার ও টাকার জোগান–চাহিদার ভিত্তিতে বাংলাদেশ ফরেন এক্সচেঞ্জ ডিলার অ্যাসোসিয়েশনের (বাফেদা) বিবেচনার ভিত্তিতে ডলারের এ দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে এখন থেকে বাংলাদেশ ব্যাংক দৈনন্দিন ভিত্তিতে ডলার কেনাবেচা করবে না। কিন্তু বাজার বিবেচনায় প্রয়োজন হলে ডলার কেনাবেচা করবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ওয়েবসাইটে ব্যাংকগুলোর ডলারের কেনাবেচার গড় দাম প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে ডলারের গড় ক্রয়মূল্য ১০২ টাকা ৩৭ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার যা ছিল ১০১ টাকা ৬৭ পয়সা। আর বিক্রয়মূল্য বেড়ে হয়েছে ১০৬ টাকা ৯০ পয়সা, যা মঙ্গলবার ছিল ১০৬ টাকা ১৫ পয়সা।

মঙ্গলবার দেশের ইতিহাসে একদিনে সর্বোচ্চ ১০ টাকা বাড়ে ডলারে দাম। গতকাল এক লাফে প্রতি ডলার সর্বোচ্চ ১০৬ টাকা ১৫ পয়সা দরে বিক্রি করে এবং তাদের ক্রয়মূল্য ছিল ১০১ টাকা ৬৭ পয়সা, যা তার আগের দিন (সোমবার) ছিল ৯৬ টাকা। ওই দিন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভ ছিল ৩৭ দশমিক ১৩ বিলিয়ন ডলার। তবে ডলারের নতুন এই দাম কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বেঁধে দেওয়া দর নয়। ব্যাংকগুলোর নিজেদের মধ্যে এই দরে ডলার ক্রয়-বিক্রয় করেছে।

এদিকে বিদেশি এক্সচেঞ্জ হাউস থেকে রেমিট্যান্সের ডলার সংগ্রহের দর সর্বোচ্চ ১০৮ টাকা বেঁধে দেওয়ার ফলে গত তিন দিন ধরে ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স প্রবাহ কমে গেছে। আগামীতে এর প্রবাহ আরও কমতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ব্যাংকের পরিবর্তে হুন্ডিতে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়তে পারে। এতে দেশের বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনা আরও সংকটে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আবারও বাড়ল ডলারের দাম

আপডেট সময় ০৫:১৯:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২২

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

একদিনের ব্যবধানে আন্তঃব্যাংক লেনদেনের ক্ষেত্রে ডলারের দাম আবারও বেড়েছে। বুধবার আন্তঃব্যাংকে ডলারের বিক্রয় দর ৭৫ পয়সা বেড়ে প্রতি ডলার বিক্রি হচ্ছে ১০৬ টাকা ৯০ পয়সায়, যা মঙ্গলবার ছিল ১০৬ টাকা ১৫ পয়সা। তবে আমদানি খাতে ডলারের দাম ১০৮ টাকায় রয়েছে।

বুধবার নতুন আন্তঃব্যাংক রেট (বিনিময় হার) বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইটে আপলোড করা হয়েছে। বাজারে ডলার ও টাকার জোগান–চাহিদার ভিত্তিতে বাংলাদেশ ফরেন এক্সচেঞ্জ ডিলার অ্যাসোসিয়েশনের (বাফেদা) বিবেচনার ভিত্তিতে ডলারের এ দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে এখন থেকে বাংলাদেশ ব্যাংক দৈনন্দিন ভিত্তিতে ডলার কেনাবেচা করবে না। কিন্তু বাজার বিবেচনায় প্রয়োজন হলে ডলার কেনাবেচা করবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ওয়েবসাইটে ব্যাংকগুলোর ডলারের কেনাবেচার গড় দাম প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে ডলারের গড় ক্রয়মূল্য ১০২ টাকা ৩৭ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার যা ছিল ১০১ টাকা ৬৭ পয়সা। আর বিক্রয়মূল্য বেড়ে হয়েছে ১০৬ টাকা ৯০ পয়সা, যা মঙ্গলবার ছিল ১০৬ টাকা ১৫ পয়সা।

মঙ্গলবার দেশের ইতিহাসে একদিনে সর্বোচ্চ ১০ টাকা বাড়ে ডলারে দাম। গতকাল এক লাফে প্রতি ডলার সর্বোচ্চ ১০৬ টাকা ১৫ পয়সা দরে বিক্রি করে এবং তাদের ক্রয়মূল্য ছিল ১০১ টাকা ৬৭ পয়সা, যা তার আগের দিন (সোমবার) ছিল ৯৬ টাকা। ওই দিন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভ ছিল ৩৭ দশমিক ১৩ বিলিয়ন ডলার। তবে ডলারের নতুন এই দাম কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বেঁধে দেওয়া দর নয়। ব্যাংকগুলোর নিজেদের মধ্যে এই দরে ডলার ক্রয়-বিক্রয় করেছে।

এদিকে বিদেশি এক্সচেঞ্জ হাউস থেকে রেমিট্যান্সের ডলার সংগ্রহের দর সর্বোচ্চ ১০৮ টাকা বেঁধে দেওয়ার ফলে গত তিন দিন ধরে ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স প্রবাহ কমে গেছে। আগামীতে এর প্রবাহ আরও কমতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ব্যাংকের পরিবর্তে হুন্ডিতে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়তে পারে। এতে দেশের বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনা আরও সংকটে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।