ঢাকা ০৫:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

বলাৎকারের চেষ্টার পর দায় চাপালেন শয়তানের ঘাড়ে

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

চট্টগ্রামের রাউজানে চতুর্থ শ্রেণির এক ছাত্রকে বলাৎকারের চেষ্টার পাশাপাশি কামড়ে রক্তাক্ত করার অভিযোগে জালাল আহম্মদ নামে একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

বুধবার উপজেলার নোয়াপাড়া ইউনিয়নের পাঁচখাইন এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের পর জালাল দাবি করেন, ‘শয়তানের ধোঁকায় পড়ে এমন কাজ করেন তিনি। তাতে তার কী করার আছে!’

জালাল আহম্মদ (৬০) চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার আমিরাবাদ সুন্নিয়াপাড়া এলাকার মৃত এজাহার মিয়ার ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার ক্লাস শেষে স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে ভিকটিম ৪র্থ শ্রেণির ছাত্রকে মোবাইল ও টাকার লোভ দেখিয়ে পার্শ্ববর্তী জঙ্গলে নিয়ে যান জালাল। সেখানে তাকে জোরপূর্বক বলাৎকারের চেষ্টার পাশাপাশি কামড়ে রক্তাক্ত করেন তিনি। শিশুটি কাঁদতে কাঁদতে বাড়ি এসে তার মাকে বিস্তারিত খুলে বলেন। পরে তার মা জালালকে আসামি করে রাউজান থানায় মামলা করেন।

মামলার পরপরই পুলিশ গ্রেফতার অভিযানে নামে। এদিকে পরিস্থিতি বেগতিক দেখে সটকে পড়েন জালাল। রাতভর বিভিন্ন পয়েন্টে চিরুনি অভিযানের পর বুধবার ভোরে রাউজানের নোয়াপাড়া ইউনিয়নের পাঁচখাইন এলাকার এক মাজার প্রাঙ্গণ থেকে তাকে আটক করা হয়।

জানা গেছে, জালাল একজন দুশ্চরিত্র লোক হিসেবে এলাকায় পরিচিত। এর আগেও তাকে একই অপরাধে গণধোলাই দেওয়া হয়।

সহকারী পুলিশ সুপার মো. আনোয়ার হোসেন শামীম বলেন, নিজের স্ত্রী থাকা সত্ত্বেও জালালের বিরুদ্ধে একের পর এক শিশু বলাৎকারের অভিযোগ থেকে এটাই প্রতীয়মান হয় যে, তিনি সম্ভবত বিকৃত যৌনাচারে অভ্যস্ত। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ ও আরও তথ্য উদঘাটনের জন্য রিমান্ডের আবেদন করা হবে।

রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল হারুন বলেন, জালাল আহম্মদকে একজন অভ্যাসগত শিশু বলাৎকারকারী হিসেবে আমরা প্রাথমিকভাবে ধারণা করছি। ২০১৫ সালেও শিশু বলাৎকারের ঘটনায় কয়েক মাস জেল খাটেন তিনি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

বলাৎকারের চেষ্টার পর দায় চাপালেন শয়তানের ঘাড়ে

আপডেট সময় ০৮:৫২:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২২

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

চট্টগ্রামের রাউজানে চতুর্থ শ্রেণির এক ছাত্রকে বলাৎকারের চেষ্টার পাশাপাশি কামড়ে রক্তাক্ত করার অভিযোগে জালাল আহম্মদ নামে একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

বুধবার উপজেলার নোয়াপাড়া ইউনিয়নের পাঁচখাইন এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের পর জালাল দাবি করেন, ‘শয়তানের ধোঁকায় পড়ে এমন কাজ করেন তিনি। তাতে তার কী করার আছে!’

জালাল আহম্মদ (৬০) চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার আমিরাবাদ সুন্নিয়াপাড়া এলাকার মৃত এজাহার মিয়ার ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার ক্লাস শেষে স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে ভিকটিম ৪র্থ শ্রেণির ছাত্রকে মোবাইল ও টাকার লোভ দেখিয়ে পার্শ্ববর্তী জঙ্গলে নিয়ে যান জালাল। সেখানে তাকে জোরপূর্বক বলাৎকারের চেষ্টার পাশাপাশি কামড়ে রক্তাক্ত করেন তিনি। শিশুটি কাঁদতে কাঁদতে বাড়ি এসে তার মাকে বিস্তারিত খুলে বলেন। পরে তার মা জালালকে আসামি করে রাউজান থানায় মামলা করেন।

মামলার পরপরই পুলিশ গ্রেফতার অভিযানে নামে। এদিকে পরিস্থিতি বেগতিক দেখে সটকে পড়েন জালাল। রাতভর বিভিন্ন পয়েন্টে চিরুনি অভিযানের পর বুধবার ভোরে রাউজানের নোয়াপাড়া ইউনিয়নের পাঁচখাইন এলাকার এক মাজার প্রাঙ্গণ থেকে তাকে আটক করা হয়।

জানা গেছে, জালাল একজন দুশ্চরিত্র লোক হিসেবে এলাকায় পরিচিত। এর আগেও তাকে একই অপরাধে গণধোলাই দেওয়া হয়।

সহকারী পুলিশ সুপার মো. আনোয়ার হোসেন শামীম বলেন, নিজের স্ত্রী থাকা সত্ত্বেও জালালের বিরুদ্ধে একের পর এক শিশু বলাৎকারের অভিযোগ থেকে এটাই প্রতীয়মান হয় যে, তিনি সম্ভবত বিকৃত যৌনাচারে অভ্যস্ত। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ ও আরও তথ্য উদঘাটনের জন্য রিমান্ডের আবেদন করা হবে।

রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল হারুন বলেন, জালাল আহম্মদকে একজন অভ্যাসগত শিশু বলাৎকারকারী হিসেবে আমরা প্রাথমিকভাবে ধারণা করছি। ২০১৫ সালেও শিশু বলাৎকারের ঘটনায় কয়েক মাস জেল খাটেন তিনি।