ঢাকা ১২:৪৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘আমি রুমিন ফারহানা, আমার কোনো দল লাগে না’ কালি নয়, জুলাই জাতীয় সনদ ‘রক্ত ও প্রাণের বিনিময়ে’ লেখা হয়েছে : আলী রীয়াজ প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন লুৎফুজ্জামান বাবরের স্ত্রী ওসমানী মেডিকেলে ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলা, চলছে কর্মবিরতি নির্বাচন ব্যর্থ হলে শুধু সরকার নয়, পুরো দেশবাসীকেই এর ভয়াবহ খেসারত দিতে হবে : দুদু আন্দোলনের সুফল একটি দলের ঘরে নেওয়ার চেষ্টা বিফলে যাবে : ডা. জাহিদ ঢাকাকে হারিয়ে প্লে-অফ নিশ্চিত করল রংপুর রাইডার্স খালেদা জিয়ার আদর্শই হবে আগামীর চালিকাশক্তি : খন্দকার মোশাররফ হাসনাত আব্দুল্লাহর আসনে বিএনপি প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল ময়মনসিংহের ধোবাউড়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থককে ছুরিকাঘাতে হত্যা

আমরা খালি কথাই বলছি, কাজে মনোযোগ দিচ্ছি না: আতিকুল

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেছেন, উত্তরার দুর্ঘটনায় আমাদের কোনো সেইফটি সেদিন ছিল না। সেখানে শতভাগ গাফিলতি ছিল।

বার বার এমন দুর্ঘটনা প্রমাণ করে আমরা খালি কথাই বলছি, কাজে মনোযোগ দিচ্ছি না।

রোববার (২১ আগস্ট) ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের নগর ভবনে ‘নির্মাণের নিরাপত্তা সম্মতি আন্তর্জাতিক চুক্তি ও দেশীয় প্রেক্ষাপট’ শীর্ষক এক সমন্বয় সভায় তিনি এ কথা বলেন।

আতিকুল ইসলাম বলেন, আমি বার বার বলছি থিওরিটিক্যালি না, বাস্তবে আমাদের কার্যকর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিতে হবে। কাগজে-কলমে না করে প্র‍্যাক্টিকালি কাজ করতে হবে।

উন্নয়ন চলমান অবস্থায় প্রতি মাসে অন্তত একটি নিরাপত্তা সমন্বয় সভা হবে জানিয়ে মেয়র বলেন, আমরা চাই আর কোনো দুর্ঘটনা না ঘটুক। এজন্য যা করা লাগে করবো। আজকে এখানে সবাইকে ডেকেছি। কারণ আমি মনে করেছি সিটি মেয়র হিসেবে আমার দায়িত্ব আছে, তাই সব প্রকল্প এবং সংস্থা প্রধানকে ডেকেছি।

তিনি বলেন, আমরা যখন গার্মেন্টস ব্যবসা শুরু করি, তখন কমপ্লায়েন্স কী জিনিস আমরা বুঝতাম না। এরপর একে একে বিভিন্ন ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা এলো। ঠিক আমাদের এখানেও একই ব্যাপার। যারা নিরাপত্তা মেনে কাজ করতে পারবেন, শুধু তারাই করবেন। এই যে মেসেজটা আজকে এখানে পেলাম সবাই, আমরা যদি এটা মনে ধারন করতে পারি, তাহলে আর এমন ঘটনা ঘটবে না। এ ধরনের ঘটনা ঘটলে যে কন্ট্রাক্টর তাকেই কিন্তু দায়িত্ব নিতে হবে। যে পরিবারটা মারা গেল, তাকে তো ফিরে পাবো না। কিন্তু এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি আর যাতে না হয়। সাধারণ জনগণকে সেইফটি কীভাবে দেব, সে প্রতিজ্ঞা নিয়ে এখান থেকে বের হতে হবে। আমাদের এখনো টনক নড়েনি, এবার টনক নাড়ান।

মেয়র বলেন, প্রকল্পের দায়িত্বপ্রাপ্ত কন্ট্যাক্টারকে মনিটরিং সেফটি মিটিং করতে হবে। ইক্যুইপমেন্ট অপারেটরদের ডোপ টেস্ট করতে হবে। একটি নির্দিষ্ট সীমায় প্রকল্পের কাজ শেষ করতে হবে। আমি বলেছি, কমপ্লায়েন্স মেনে কাজ করতে হবে। সেইফটি নিশ্চিত না করে কেউ কাজ করবেন না। এটাই আজকের মেসেজ। নো সেফটি, নো ওয়ার্ক।

তিনি বলেন, সরকারকে বিব্রত করা যাবে না। জনগণকে ভোগান্তিতে ফেলা যাবে না। জনগণের ভোটে আমরা নির্বাচিত হয়েছি, এটি ভুলে গেলে চলবে না। সভায় মেট্রোরেল প্রকল্পের নিরাপত্তার বিভিন্ন চিত্র তুলে ধরেন অতিরিক্ত প্রকল্প পরিচালক কৃষ্ণকান্ত বিশ্বাস।

আরও বক্তব্য রাখেন সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মনির হোসেন পাঠান, সেতু বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মনিরুজ্জামান, জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান দেলোয়ার হায়দার, রাজউকের চেয়ারম্যান আনিছুর রহমান মিয়া, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আমিরুল ইসলাম, মেট্রোরেলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এন এম সিদ্দিক প্রমুখ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘আমি রুমিন ফারহানা, আমার কোনো দল লাগে না’

আমরা খালি কথাই বলছি, কাজে মনোযোগ দিচ্ছি না: আতিকুল

আপডেট সময় ০৫:৩৩:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ অগাস্ট ২০২২

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেছেন, উত্তরার দুর্ঘটনায় আমাদের কোনো সেইফটি সেদিন ছিল না। সেখানে শতভাগ গাফিলতি ছিল।

বার বার এমন দুর্ঘটনা প্রমাণ করে আমরা খালি কথাই বলছি, কাজে মনোযোগ দিচ্ছি না।

রোববার (২১ আগস্ট) ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের নগর ভবনে ‘নির্মাণের নিরাপত্তা সম্মতি আন্তর্জাতিক চুক্তি ও দেশীয় প্রেক্ষাপট’ শীর্ষক এক সমন্বয় সভায় তিনি এ কথা বলেন।

আতিকুল ইসলাম বলেন, আমি বার বার বলছি থিওরিটিক্যালি না, বাস্তবে আমাদের কার্যকর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিতে হবে। কাগজে-কলমে না করে প্র‍্যাক্টিকালি কাজ করতে হবে।

উন্নয়ন চলমান অবস্থায় প্রতি মাসে অন্তত একটি নিরাপত্তা সমন্বয় সভা হবে জানিয়ে মেয়র বলেন, আমরা চাই আর কোনো দুর্ঘটনা না ঘটুক। এজন্য যা করা লাগে করবো। আজকে এখানে সবাইকে ডেকেছি। কারণ আমি মনে করেছি সিটি মেয়র হিসেবে আমার দায়িত্ব আছে, তাই সব প্রকল্প এবং সংস্থা প্রধানকে ডেকেছি।

তিনি বলেন, আমরা যখন গার্মেন্টস ব্যবসা শুরু করি, তখন কমপ্লায়েন্স কী জিনিস আমরা বুঝতাম না। এরপর একে একে বিভিন্ন ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা এলো। ঠিক আমাদের এখানেও একই ব্যাপার। যারা নিরাপত্তা মেনে কাজ করতে পারবেন, শুধু তারাই করবেন। এই যে মেসেজটা আজকে এখানে পেলাম সবাই, আমরা যদি এটা মনে ধারন করতে পারি, তাহলে আর এমন ঘটনা ঘটবে না। এ ধরনের ঘটনা ঘটলে যে কন্ট্রাক্টর তাকেই কিন্তু দায়িত্ব নিতে হবে। যে পরিবারটা মারা গেল, তাকে তো ফিরে পাবো না। কিন্তু এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি আর যাতে না হয়। সাধারণ জনগণকে সেইফটি কীভাবে দেব, সে প্রতিজ্ঞা নিয়ে এখান থেকে বের হতে হবে। আমাদের এখনো টনক নড়েনি, এবার টনক নাড়ান।

মেয়র বলেন, প্রকল্পের দায়িত্বপ্রাপ্ত কন্ট্যাক্টারকে মনিটরিং সেফটি মিটিং করতে হবে। ইক্যুইপমেন্ট অপারেটরদের ডোপ টেস্ট করতে হবে। একটি নির্দিষ্ট সীমায় প্রকল্পের কাজ শেষ করতে হবে। আমি বলেছি, কমপ্লায়েন্স মেনে কাজ করতে হবে। সেইফটি নিশ্চিত না করে কেউ কাজ করবেন না। এটাই আজকের মেসেজ। নো সেফটি, নো ওয়ার্ক।

তিনি বলেন, সরকারকে বিব্রত করা যাবে না। জনগণকে ভোগান্তিতে ফেলা যাবে না। জনগণের ভোটে আমরা নির্বাচিত হয়েছি, এটি ভুলে গেলে চলবে না। সভায় মেট্রোরেল প্রকল্পের নিরাপত্তার বিভিন্ন চিত্র তুলে ধরেন অতিরিক্ত প্রকল্প পরিচালক কৃষ্ণকান্ত বিশ্বাস।

আরও বক্তব্য রাখেন সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মনির হোসেন পাঠান, সেতু বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মনিরুজ্জামান, জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান দেলোয়ার হায়দার, রাজউকের চেয়ারম্যান আনিছুর রহমান মিয়া, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আমিরুল ইসলাম, মেট্রোরেলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এন এম সিদ্দিক প্রমুখ।