ঢাকা ০১:১৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
হাদি হত্যার কেবল চার আসামি নয়, সম্পূর্ণ নেটওয়ার্কের বিচার চাই: ইনকিলাব মঞ্চ অচেতন অবস্থায় রংপুরে উদ্ধার গাইবান্ধা-৩ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী কোনো বিশেষ ক্ষেত্রে ভোট দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া সরকারের উচিত নয়: আমির খসরু আওয়ামী লীগকে নির্বাচনে আনতে আন্তর্জাতিক মহলের কোনো চাপ নেই: শফিকুল আলম আমরা এখন আর আইসিইউতে নেই, কেবিনে উঠে এসেছি: অর্থ উপদেষ্টা ‘বন্দি থাকাকালে বেগম জিয়ার পক্ষে কথা বলার কেউই ছিলেন না’:আসিফ নজরুল নোয়াখালীকে হারিয়ে টেবিলের শীর্ষে চট্টগ্রাম রয়্যালস খালেদা জিয়ার স্মরণে নাগরিক শোকসভা জোট নয়, এককভাবেই নির্বাচনে লড়বে ইসলামী আন্দোলন ওসমান হাদির ভাইকে যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশ মিশনে নিয়োগ

পাঁচ লাখ টাকার বিনিময়ে টপটেন কর্মচারীকে হত্যা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজধানীর মিরপুরের টপটেন টেইলার্সের কর্মচারী শাহদাৎ হোসেন হাসিবকে পাঁচ লাখ টাকা বিনিময়ে হত্যা করা হয়েছে। এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে কারণ ছিল জমি সংক্রান্ত বিরোধ।

শুক্রবার দুপুরে মিরপুর বিভাগের উপ-কমিশনারের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান মিরপুর বিভাগের দারুস সালাম জোনের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) তৈমুর রহমান।

মামলার তদন্তের বর্ণনা দিয়ে এডিসি বলেন, নিহত হাসিবের বাবা ও তার চাচাদের পৈত্রিক সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ রয়েছে। এর জের ধরে কারখানার কর্মী মোফাজ্জল হোসেন মন্ডলের মাধ্যমে হাসিবকে ঢাকায় আনা হয়। এরপর তাকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়। এ জন্য পাঁচ লাখ টাকার চুক্তি করা হয় হত্যাকারীদের সঙ্গে। এ হত্যাকাণ্ডে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে অংশ নেন হুমায়ুন কবির, সাদ্দাম, আল আমিন ও হৃদয়। এদের মধ্যে হৃদয় হাসিবকে ছুরিকাঘাত করেন।

এ ঘটনায় হৃদয় ও সাদ্দাম আদালতে ১৬৪ ধারা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছেন এবং মামলার তদন্ত চলমান রয়েছে বলেও জানিয়েছেন এডিসি তৈমুর।

এডিসি তৈমুর রহমান জানান, নিহত শাহদাৎ হোসেন হাসিব ছয় মাস আগে মিরপুর-১ নম্বরে ঈদগাহ মাঠ সংলগ্ন মল্লিক টাওয়ারের টপটেন কারখানায় কাটিং সেকশনে চাকরি করতেন। করোনাভাইরাস মহামারির কারণে চাকরি ছেড়ে গত জুন মাসে বাড়িতে চলে যান হাসিব। এরপরে গত পহেলা ডিসেম্বর আবার টপটেনে যোগ দেন।

১২ ডিসেম্বর রাত সাড়ে ১১টায় কারখানার কাজ শেষে হাসিব বাসার উদ্দেশে রওনা হন। শাহআলী থানা এলাকার ই-ব্লকের ৬ নম্বর সড়কে অজ্ঞাত পরিচয় কয়েকজন এসে হাসিবকে ছুরিকাঘাত করে। হামলাকারীরা হাসিবের শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাত করে পালিয়ে যান।

এডিসির ভাষ্য, হাসিব রক্তাক্ত অবস্থায় রাস্তায় পড়ে গেলে আশেপাশের লোকজন তাকে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। এ সময় হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক হাসিবকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে হাসিবের পরিবার হাসপাতালে গিয়ে তাকে শনাক্ত করে।

এ মামলায় গ্রেপ্তাররা হলেন- মোফাজ্জল হোসেন মণ্ডল, হুমায়ুন কবির, মো. হৃদয়, মো. সাদ্দাম ও আল আমিন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হাদি হত্যার কেবল চার আসামি নয়, সম্পূর্ণ নেটওয়ার্কের বিচার চাই: ইনকিলাব মঞ্চ

পাঁচ লাখ টাকার বিনিময়ে টপটেন কর্মচারীকে হত্যা

আপডেট সময় ০৬:৩৫:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজধানীর মিরপুরের টপটেন টেইলার্সের কর্মচারী শাহদাৎ হোসেন হাসিবকে পাঁচ লাখ টাকা বিনিময়ে হত্যা করা হয়েছে। এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে কারণ ছিল জমি সংক্রান্ত বিরোধ।

শুক্রবার দুপুরে মিরপুর বিভাগের উপ-কমিশনারের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান মিরপুর বিভাগের দারুস সালাম জোনের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) তৈমুর রহমান।

মামলার তদন্তের বর্ণনা দিয়ে এডিসি বলেন, নিহত হাসিবের বাবা ও তার চাচাদের পৈত্রিক সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ রয়েছে। এর জের ধরে কারখানার কর্মী মোফাজ্জল হোসেন মন্ডলের মাধ্যমে হাসিবকে ঢাকায় আনা হয়। এরপর তাকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়। এ জন্য পাঁচ লাখ টাকার চুক্তি করা হয় হত্যাকারীদের সঙ্গে। এ হত্যাকাণ্ডে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে অংশ নেন হুমায়ুন কবির, সাদ্দাম, আল আমিন ও হৃদয়। এদের মধ্যে হৃদয় হাসিবকে ছুরিকাঘাত করেন।

এ ঘটনায় হৃদয় ও সাদ্দাম আদালতে ১৬৪ ধারা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছেন এবং মামলার তদন্ত চলমান রয়েছে বলেও জানিয়েছেন এডিসি তৈমুর।

এডিসি তৈমুর রহমান জানান, নিহত শাহদাৎ হোসেন হাসিব ছয় মাস আগে মিরপুর-১ নম্বরে ঈদগাহ মাঠ সংলগ্ন মল্লিক টাওয়ারের টপটেন কারখানায় কাটিং সেকশনে চাকরি করতেন। করোনাভাইরাস মহামারির কারণে চাকরি ছেড়ে গত জুন মাসে বাড়িতে চলে যান হাসিব। এরপরে গত পহেলা ডিসেম্বর আবার টপটেনে যোগ দেন।

১২ ডিসেম্বর রাত সাড়ে ১১টায় কারখানার কাজ শেষে হাসিব বাসার উদ্দেশে রওনা হন। শাহআলী থানা এলাকার ই-ব্লকের ৬ নম্বর সড়কে অজ্ঞাত পরিচয় কয়েকজন এসে হাসিবকে ছুরিকাঘাত করে। হামলাকারীরা হাসিবের শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাত করে পালিয়ে যান।

এডিসির ভাষ্য, হাসিব রক্তাক্ত অবস্থায় রাস্তায় পড়ে গেলে আশেপাশের লোকজন তাকে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। এ সময় হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক হাসিবকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে হাসিবের পরিবার হাসপাতালে গিয়ে তাকে শনাক্ত করে।

এ মামলায় গ্রেপ্তাররা হলেন- মোফাজ্জল হোসেন মণ্ডল, হুমায়ুন কবির, মো. হৃদয়, মো. সাদ্দাম ও আল আমিন।