ঢাকা ১২:২৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ফজলুর রহমান, ওদের সবার আতঙ্কের নাম: রাশেদ পাচার হওয়া ক্রিপ্টোকারেন্সি দেশে ফিরিয়ে এনেছে সিআইডি ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে ভাইরাল হয়ে রাজনীতি হয় না : সংসদে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিউমার্কেটে গুলিতে নিহত যুবক শীর্ষ সন্ত্রাসী টিটন: পুলিশ চলন্ত ট্রেন থেকে পড়ে গেল ছেলে, ঝাঁপ দিয়ে বাঁচালেন বাবা অবরোধের মধ্যেই হরমুজ প্রণালি পাড়ি দিল রাশিয়ান নৌযান বিচার শেষ না হলে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সুযোগ নেই: আন্দালিভ রহমান পার্থ অতীতের ইতিহাস দিয়ে বর্তমান জামায়াতকে বিশ্লেষণ করবেন না: শাহজাহান চৌধুরী হরমুজ খুলে দেওয়ার দাবি কাতারের, ‘ফ্রোজেন কনফ্লিক্ট’ নিয়ে সতর্কতা মোমবাতির আলোয় এসএসসি পরীক্ষা, বিপাকে শিক্ষার্থীরা

পাঁচ লাখ টাকার বিনিময়ে টপটেন কর্মচারীকে হত্যা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজধানীর মিরপুরের টপটেন টেইলার্সের কর্মচারী শাহদাৎ হোসেন হাসিবকে পাঁচ লাখ টাকা বিনিময়ে হত্যা করা হয়েছে। এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে কারণ ছিল জমি সংক্রান্ত বিরোধ।

শুক্রবার দুপুরে মিরপুর বিভাগের উপ-কমিশনারের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান মিরপুর বিভাগের দারুস সালাম জোনের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) তৈমুর রহমান।

মামলার তদন্তের বর্ণনা দিয়ে এডিসি বলেন, নিহত হাসিবের বাবা ও তার চাচাদের পৈত্রিক সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ রয়েছে। এর জের ধরে কারখানার কর্মী মোফাজ্জল হোসেন মন্ডলের মাধ্যমে হাসিবকে ঢাকায় আনা হয়। এরপর তাকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়। এ জন্য পাঁচ লাখ টাকার চুক্তি করা হয় হত্যাকারীদের সঙ্গে। এ হত্যাকাণ্ডে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে অংশ নেন হুমায়ুন কবির, সাদ্দাম, আল আমিন ও হৃদয়। এদের মধ্যে হৃদয় হাসিবকে ছুরিকাঘাত করেন।

এ ঘটনায় হৃদয় ও সাদ্দাম আদালতে ১৬৪ ধারা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছেন এবং মামলার তদন্ত চলমান রয়েছে বলেও জানিয়েছেন এডিসি তৈমুর।

এডিসি তৈমুর রহমান জানান, নিহত শাহদাৎ হোসেন হাসিব ছয় মাস আগে মিরপুর-১ নম্বরে ঈদগাহ মাঠ সংলগ্ন মল্লিক টাওয়ারের টপটেন কারখানায় কাটিং সেকশনে চাকরি করতেন। করোনাভাইরাস মহামারির কারণে চাকরি ছেড়ে গত জুন মাসে বাড়িতে চলে যান হাসিব। এরপরে গত পহেলা ডিসেম্বর আবার টপটেনে যোগ দেন।

১২ ডিসেম্বর রাত সাড়ে ১১টায় কারখানার কাজ শেষে হাসিব বাসার উদ্দেশে রওনা হন। শাহআলী থানা এলাকার ই-ব্লকের ৬ নম্বর সড়কে অজ্ঞাত পরিচয় কয়েকজন এসে হাসিবকে ছুরিকাঘাত করে। হামলাকারীরা হাসিবের শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাত করে পালিয়ে যান।

এডিসির ভাষ্য, হাসিব রক্তাক্ত অবস্থায় রাস্তায় পড়ে গেলে আশেপাশের লোকজন তাকে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। এ সময় হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক হাসিবকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে হাসিবের পরিবার হাসপাতালে গিয়ে তাকে শনাক্ত করে।

এ মামলায় গ্রেপ্তাররা হলেন- মোফাজ্জল হোসেন মণ্ডল, হুমায়ুন কবির, মো. হৃদয়, মো. সাদ্দাম ও আল আমিন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

ফজলুর রহমান, ওদের সবার আতঙ্কের নাম: রাশেদ

পাঁচ লাখ টাকার বিনিময়ে টপটেন কর্মচারীকে হত্যা

আপডেট সময় ০৬:৩৫:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজধানীর মিরপুরের টপটেন টেইলার্সের কর্মচারী শাহদাৎ হোসেন হাসিবকে পাঁচ লাখ টাকা বিনিময়ে হত্যা করা হয়েছে। এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে কারণ ছিল জমি সংক্রান্ত বিরোধ।

শুক্রবার দুপুরে মিরপুর বিভাগের উপ-কমিশনারের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান মিরপুর বিভাগের দারুস সালাম জোনের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) তৈমুর রহমান।

মামলার তদন্তের বর্ণনা দিয়ে এডিসি বলেন, নিহত হাসিবের বাবা ও তার চাচাদের পৈত্রিক সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ রয়েছে। এর জের ধরে কারখানার কর্মী মোফাজ্জল হোসেন মন্ডলের মাধ্যমে হাসিবকে ঢাকায় আনা হয়। এরপর তাকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়। এ জন্য পাঁচ লাখ টাকার চুক্তি করা হয় হত্যাকারীদের সঙ্গে। এ হত্যাকাণ্ডে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে অংশ নেন হুমায়ুন কবির, সাদ্দাম, আল আমিন ও হৃদয়। এদের মধ্যে হৃদয় হাসিবকে ছুরিকাঘাত করেন।

এ ঘটনায় হৃদয় ও সাদ্দাম আদালতে ১৬৪ ধারা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছেন এবং মামলার তদন্ত চলমান রয়েছে বলেও জানিয়েছেন এডিসি তৈমুর।

এডিসি তৈমুর রহমান জানান, নিহত শাহদাৎ হোসেন হাসিব ছয় মাস আগে মিরপুর-১ নম্বরে ঈদগাহ মাঠ সংলগ্ন মল্লিক টাওয়ারের টপটেন কারখানায় কাটিং সেকশনে চাকরি করতেন। করোনাভাইরাস মহামারির কারণে চাকরি ছেড়ে গত জুন মাসে বাড়িতে চলে যান হাসিব। এরপরে গত পহেলা ডিসেম্বর আবার টপটেনে যোগ দেন।

১২ ডিসেম্বর রাত সাড়ে ১১টায় কারখানার কাজ শেষে হাসিব বাসার উদ্দেশে রওনা হন। শাহআলী থানা এলাকার ই-ব্লকের ৬ নম্বর সড়কে অজ্ঞাত পরিচয় কয়েকজন এসে হাসিবকে ছুরিকাঘাত করে। হামলাকারীরা হাসিবের শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাত করে পালিয়ে যান।

এডিসির ভাষ্য, হাসিব রক্তাক্ত অবস্থায় রাস্তায় পড়ে গেলে আশেপাশের লোকজন তাকে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। এ সময় হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক হাসিবকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে হাসিবের পরিবার হাসপাতালে গিয়ে তাকে শনাক্ত করে।

এ মামলায় গ্রেপ্তাররা হলেন- মোফাজ্জল হোসেন মণ্ডল, হুমায়ুন কবির, মো. হৃদয়, মো. সাদ্দাম ও আল আমিন।