ঢাকা ০৩:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

ঘরের মেঝে খুঁড়ে মিলল অপহৃত কলেজছাত্রের ১০ টুকরা লাশ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

অপহরণের তিন দিন পর একই এলাকার এক ব্যক্তির ঘরের মেঝে খুঁড়ে পাওয়া গেল কলেজছাত্র নাইমুল ইসলাম হৃদয়ের (২৫) এর ১০ টুকরা মৃতদেহ। চাঁদ আলী নামের এক ব্যক্তির ঘর থেকে মৃতদেহ পাওয়া যায়। ওই ঘরে ভাড়া থাকতেন হোসেন আলী নামে এক ব্যক্তি। তাঁকে আটক করেছে পুলিশ।

নাইমুল ইসলাম হৃদয় পাবনা এডওয়ার্ড কলেজের শিক্ষার্থী এবং ঈশ্বরদী উপজেলার পাকশী ইউনিয়নের নতুন রূপপুর এলাকায় তাঁর বাড়ি। বাবার নাম মজনু মোল্লা। তাদের ওই এলাকায় বিকাশের দোকান রয়েছে।

সোমবার রাতে রূপপুর পুলিশ ফাঁড়ির কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) আতিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘পাবনা জেলা পুলিশের তথ্যপ্রযুক্তি ও মোবাইল ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে আমরা নিশ্চিত হই জড়িতরা কোথায় আছে। এরপর রাত ৯টার দিকে ঈশ্বরদী উপজেলার নওদাপাড়া গ্রামে জনৈক চাঁদ আলী নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে অভিযান চালিয়ে অপহৃত ছাত্রের লাশের সন্ধান পেয়েছি। হোসেন আলীকে আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, তাঁর ঘরের মেঝে খুঁড়ে ছাত্র হৃদয়ের লাশটি পুঁতে রাখা হয়েছে। মাটি খুঁড়ে লাশটি উদ্ধারের চেষ্টা করছে পুলিশ।’

গত ১০ ডিসেম্বর ঈশ্বরদীর রূপপুর মোড় থেকে অপহরণের পর নাইমুল ইসলাম হৃদয়ের পরিবারের কাছে মুক্তিপণ হিসেবে ৪০ লাখ টাকা দাবি করে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করা হয়।

এসআই আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘১০ ডিসেম্বর এই অপহরণের ঘটনার পর থেকে সোমবার দুপুর পর্যন্ত ওই শিক্ষার্থীর কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। তবে এরই মধ্যে অপহরণকারী চক্রটির মোবাইল ফোন ট্র্যাকিং ও তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে তাঁদের অবস্থান নিশ্চিত হয়ে রাতে লাশের সন্ধান পাওয়া গেছে।’

এ ব্যাপারে ঈশ্বরদী থানার ওসি আসাদুজ্জামান বলেন, ‘হৃদয়কে হত্যা করে মৃতদেহ ১০ টুকরা করা হয়। এরপর ঘরের মেঝেতে পুঁতে রাখা হয়েছিল। আমরা এই মুহূর্তে বিস্তারিত কিছু বলতে পারছি না কারা কী কারণে অপহরণ করেছিল। তবে হোসেন আলী নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কাতারের এলএনজি জাহাজে হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানাল সৌদি আরব

ঘরের মেঝে খুঁড়ে মিলল অপহৃত কলেজছাত্রের ১০ টুকরা লাশ

আপডেট সময় ০৩:২৯:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

অপহরণের তিন দিন পর একই এলাকার এক ব্যক্তির ঘরের মেঝে খুঁড়ে পাওয়া গেল কলেজছাত্র নাইমুল ইসলাম হৃদয়ের (২৫) এর ১০ টুকরা মৃতদেহ। চাঁদ আলী নামের এক ব্যক্তির ঘর থেকে মৃতদেহ পাওয়া যায়। ওই ঘরে ভাড়া থাকতেন হোসেন আলী নামে এক ব্যক্তি। তাঁকে আটক করেছে পুলিশ।

নাইমুল ইসলাম হৃদয় পাবনা এডওয়ার্ড কলেজের শিক্ষার্থী এবং ঈশ্বরদী উপজেলার পাকশী ইউনিয়নের নতুন রূপপুর এলাকায় তাঁর বাড়ি। বাবার নাম মজনু মোল্লা। তাদের ওই এলাকায় বিকাশের দোকান রয়েছে।

সোমবার রাতে রূপপুর পুলিশ ফাঁড়ির কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) আতিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘পাবনা জেলা পুলিশের তথ্যপ্রযুক্তি ও মোবাইল ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে আমরা নিশ্চিত হই জড়িতরা কোথায় আছে। এরপর রাত ৯টার দিকে ঈশ্বরদী উপজেলার নওদাপাড়া গ্রামে জনৈক চাঁদ আলী নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে অভিযান চালিয়ে অপহৃত ছাত্রের লাশের সন্ধান পেয়েছি। হোসেন আলীকে আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, তাঁর ঘরের মেঝে খুঁড়ে ছাত্র হৃদয়ের লাশটি পুঁতে রাখা হয়েছে। মাটি খুঁড়ে লাশটি উদ্ধারের চেষ্টা করছে পুলিশ।’

গত ১০ ডিসেম্বর ঈশ্বরদীর রূপপুর মোড় থেকে অপহরণের পর নাইমুল ইসলাম হৃদয়ের পরিবারের কাছে মুক্তিপণ হিসেবে ৪০ লাখ টাকা দাবি করে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করা হয়।

এসআই আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘১০ ডিসেম্বর এই অপহরণের ঘটনার পর থেকে সোমবার দুপুর পর্যন্ত ওই শিক্ষার্থীর কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। তবে এরই মধ্যে অপহরণকারী চক্রটির মোবাইল ফোন ট্র্যাকিং ও তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে তাঁদের অবস্থান নিশ্চিত হয়ে রাতে লাশের সন্ধান পাওয়া গেছে।’

এ ব্যাপারে ঈশ্বরদী থানার ওসি আসাদুজ্জামান বলেন, ‘হৃদয়কে হত্যা করে মৃতদেহ ১০ টুকরা করা হয়। এরপর ঘরের মেঝেতে পুঁতে রাখা হয়েছিল। আমরা এই মুহূর্তে বিস্তারিত কিছু বলতে পারছি না কারা কী কারণে অপহরণ করেছিল। তবে হোসেন আলী নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।’