ঢাকা ০২:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ইউক্রেনে সেনা না পাঠানোর ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ইউক্রেন ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার উত্তেজনা এখন চরমে। মূলত ইউক্রেন সীমান্তে রাশিয়ার সেনা সমাবেশকে কেন্দ্র করেই এ উত্তেজনা। তবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন চলমান উত্তেজনার মধ্যে ইউক্রেনে সেনা না পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছেন।

সিএনবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লামিদির পুতিনের সঙ্গে দুই ঘণ্টার বৈঠকে উত্তেজনা প্রশমিত হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দেওয়ার পর বুধবার এই ঘোষণা দেন বাইডেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, সেনা না পাঠালেও রাশিয়া যদি ইউক্রেনে হামলা করে তাহলে কঠোর জবাব দেবে যুক্তরাষ্ট্র। জবাবে প্রেসিডেন্ট পুতিন বলেছিলেন, রাশিয়া ইউক্রেনে হামলা করবে না। তবে ইউক্রেনের বিরুদ্ধে প্ররোচনা ও উসকানির অভিযোগ আনেন রুশ প্রেসিডেন্ট। এছাড়া পূর্ব ইউরোপে সামরিক জোট ন্যাটোর বিস্তার না করা এবং রাশিয়ার আশেপাশে বিধ্বংসী অস্ত্রের মোতায়েন না করার দাবিও জানান পুতিন।

হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের বাইডেন আরও বলেন, ‘ইউক্রেনে সেনা মোতায়েন আমাদের বিবেচনাধীন নয়। হামলার ঘটনা ঘটলে তার পরিণাম হবে ভয়াবহ।’

এদিকে ওয়াশিংটন পোস্ট বলছে, যুদ্ধের প্রস্তুতিতে রাশিয়া ইতোমধ্যেই অর্ধেক সৈন্যকে ইউক্রেন সীমান্তে মোতায়েন করেছে। রাশিয়ার পরিকল্পনা হচ্ছে ইউক্রেনের বিরুদ্ধে ২০২২ সালের শুরুতে সামরিক আগ্রাসন শুরু করা। অপর এক সূত্রে গণমাধ্যমটি দাবি করেছে, বর্তমানে ইউক্রেন সীমান্তে চার এলাকায় রাশিয়া সৈন্য মোতায়েন করছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইউক্রেনে সেনা না পাঠানোর ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের

আপডেট সময় ০৫:১২:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২১

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ইউক্রেন ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার উত্তেজনা এখন চরমে। মূলত ইউক্রেন সীমান্তে রাশিয়ার সেনা সমাবেশকে কেন্দ্র করেই এ উত্তেজনা। তবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন চলমান উত্তেজনার মধ্যে ইউক্রেনে সেনা না পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছেন।

সিএনবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লামিদির পুতিনের সঙ্গে দুই ঘণ্টার বৈঠকে উত্তেজনা প্রশমিত হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দেওয়ার পর বুধবার এই ঘোষণা দেন বাইডেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, সেনা না পাঠালেও রাশিয়া যদি ইউক্রেনে হামলা করে তাহলে কঠোর জবাব দেবে যুক্তরাষ্ট্র। জবাবে প্রেসিডেন্ট পুতিন বলেছিলেন, রাশিয়া ইউক্রেনে হামলা করবে না। তবে ইউক্রেনের বিরুদ্ধে প্ররোচনা ও উসকানির অভিযোগ আনেন রুশ প্রেসিডেন্ট। এছাড়া পূর্ব ইউরোপে সামরিক জোট ন্যাটোর বিস্তার না করা এবং রাশিয়ার আশেপাশে বিধ্বংসী অস্ত্রের মোতায়েন না করার দাবিও জানান পুতিন।

হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের বাইডেন আরও বলেন, ‘ইউক্রেনে সেনা মোতায়েন আমাদের বিবেচনাধীন নয়। হামলার ঘটনা ঘটলে তার পরিণাম হবে ভয়াবহ।’

এদিকে ওয়াশিংটন পোস্ট বলছে, যুদ্ধের প্রস্তুতিতে রাশিয়া ইতোমধ্যেই অর্ধেক সৈন্যকে ইউক্রেন সীমান্তে মোতায়েন করেছে। রাশিয়ার পরিকল্পনা হচ্ছে ইউক্রেনের বিরুদ্ধে ২০২২ সালের শুরুতে সামরিক আগ্রাসন শুরু করা। অপর এক সূত্রে গণমাধ্যমটি দাবি করেছে, বর্তমানে ইউক্রেন সীমান্তে চার এলাকায় রাশিয়া সৈন্য মোতায়েন করছে।