ঢাকা ০৮:৩৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকদের শান্তিতে নির্বাচন করতে দেব না: আসিফ মাহমুদ ‘আমি রুমিন ফারহানা, আমার কোনো দল লাগে না’ গুম হওয়া পরিবারের আর্তনাদ শুনে কাঁদলেন তারেক রহমান কালি নয়, জুলাই জাতীয় সনদ ‘রক্ত ও প্রাণের বিনিময়ে’ লেখা হয়েছে : আলী রীয়াজ প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন লুৎফুজ্জামান বাবরের স্ত্রী ওসমানী মেডিকেলে ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলা, চলছে কর্মবিরতি নির্বাচন ব্যর্থ হলে শুধু সরকার নয়, পুরো দেশবাসীকেই এর ভয়াবহ খেসারত দিতে হবে : দুদু আন্দোলনের সুফল একটি দলের ঘরে নেওয়ার চেষ্টা বিফলে যাবে : ডা. জাহিদ ঢাকাকে হারিয়ে প্লে-অফ নিশ্চিত করল রংপুর রাইডার্স খালেদা জিয়ার আদর্শই হবে আগামীর চালিকাশক্তি : খন্দকার মোশাররফ

ভারত ‘বি’ দলকেও হারাল টাইগার যুবারা

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

তিন দলের যুব ওয়ানডে সিরিজে ভারত অনূর্ধ্ব-১৯ ‘বি’ দলকে ১১৩ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে বাংলাদেশের যুবারা। এর আগে ভারত অনূর্ধ্ব-১৯ ‘এ’ দলকেও হারিয়েছিল টাইগার যুবারা।

কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে শুরুতে ব্যাটিং করে প্রান্তিক নওরোজ নাবিলের শতক এবং মেহরাব হোসেন অর্ধ শতকে ৩০৫ রানের বড় সংংগ্রহ পায় বাংলাদেশ। সেই লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে সবকটি উইকেট হারিয়ে ১৯২ রান করতে পারে ভারত অনূর্ধ্ব-১৯ ‘বি’ দল। এতে সিরিজে টানা দ্বিতীয় জয় পায় টাইগার যুবারা।

জয়ের জন্য ৩০৫ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে শুরু থেকেই নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে ভারত অনূর্ধ্ব-১৯ ‘বি’ দল। ইনিংসের নবম ওভারে ভারতের উদ্বোধনী জুটি ভাঙেন আশিকুর জামান। সাজঘরে ফেরেন ১২ রান করা বিমল খুমার। বড় ইনিংস খেলতে পারেননি মোহাম্মদ ফাইয়াজ ও গোসাই। তারা দুজনেই ফিরেছেন ব্যক্তিগত ২৭ রান করে।

ভারতীয় ব্যাটার কুশল থাম্বে মিডল অর্ডারে খানিকটা প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। তার ব্যাট থেকে আসে ৪২ রান। এরপর আর সেভাবে কেউ দাঁড়াতে না পারায় মাত্র ১৯২ রানেই গুড়িয়ে যায় ভারত দল। বাংলাদেশের হয়ে আরিফুল ইসলাম চারটি, নাইমুর রহমান নয়ন নিজের ঝুলিতে পুরেছেন দুটি উইকেট।

এর আগে, সিরিজে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশের যুবারা। দলীয় ৩০ রানে ওপেনার মাহফিজুল ইসলামকে হারিয়ে বিপাকে পড়ে বর্তমান বিশ্বকাপ জয়ী দল। এরপর লড়াই চালিয়ে যান ইফতেখার আহমেদ ও নাবিল। দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে দুজন তোলেন ৯৫ রান।

৭৫ বলে ৫৭ রান ফিরে যান ইফতেখার ফিরে গেলেও প্রান্তিক এক প্রান্ত আগলে রেখে সেঞ্চুরি তুলে নেন। ১০৮ বলের এই ইনিংসে ছিল ১৪টি চারের মার। এরপর দলটির হয়ে হাল ধরেন এস এম মেহরাব । ৪৮ বলে ছয়টি চার ও দুটি ছক্কা হাঁকিয়ে অপরাজিত ৭০ অসাধারণ একটি ইনিংস খেলেন তিনি।

শেষদিকে তার এই ইনিংসের কল্যাণে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৬ উইকেটে ৩০৫ রান তোলে সফরকারীরা। ভারতের বোলারদের মধ্যে থাম্বে দুটি উইকেট নেন। এছাড়া একটি করে উইকেট নেন পিএম সিং রাঠোর, আয়ুশ সিং ঠাকুর ও অনেশ্বর গৌতম।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকদের শান্তিতে নির্বাচন করতে দেব না: আসিফ মাহমুদ

ভারত ‘বি’ দলকেও হারাল টাইগার যুবারা

আপডেট সময় ০৭:২৮:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ ডিসেম্বর ২০২১

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

তিন দলের যুব ওয়ানডে সিরিজে ভারত অনূর্ধ্ব-১৯ ‘বি’ দলকে ১১৩ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে বাংলাদেশের যুবারা। এর আগে ভারত অনূর্ধ্ব-১৯ ‘এ’ দলকেও হারিয়েছিল টাইগার যুবারা।

কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে শুরুতে ব্যাটিং করে প্রান্তিক নওরোজ নাবিলের শতক এবং মেহরাব হোসেন অর্ধ শতকে ৩০৫ রানের বড় সংংগ্রহ পায় বাংলাদেশ। সেই লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে সবকটি উইকেট হারিয়ে ১৯২ রান করতে পারে ভারত অনূর্ধ্ব-১৯ ‘বি’ দল। এতে সিরিজে টানা দ্বিতীয় জয় পায় টাইগার যুবারা।

জয়ের জন্য ৩০৫ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে শুরু থেকেই নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে ভারত অনূর্ধ্ব-১৯ ‘বি’ দল। ইনিংসের নবম ওভারে ভারতের উদ্বোধনী জুটি ভাঙেন আশিকুর জামান। সাজঘরে ফেরেন ১২ রান করা বিমল খুমার। বড় ইনিংস খেলতে পারেননি মোহাম্মদ ফাইয়াজ ও গোসাই। তারা দুজনেই ফিরেছেন ব্যক্তিগত ২৭ রান করে।

ভারতীয় ব্যাটার কুশল থাম্বে মিডল অর্ডারে খানিকটা প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। তার ব্যাট থেকে আসে ৪২ রান। এরপর আর সেভাবে কেউ দাঁড়াতে না পারায় মাত্র ১৯২ রানেই গুড়িয়ে যায় ভারত দল। বাংলাদেশের হয়ে আরিফুল ইসলাম চারটি, নাইমুর রহমান নয়ন নিজের ঝুলিতে পুরেছেন দুটি উইকেট।

এর আগে, সিরিজে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশের যুবারা। দলীয় ৩০ রানে ওপেনার মাহফিজুল ইসলামকে হারিয়ে বিপাকে পড়ে বর্তমান বিশ্বকাপ জয়ী দল। এরপর লড়াই চালিয়ে যান ইফতেখার আহমেদ ও নাবিল। দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে দুজন তোলেন ৯৫ রান।

৭৫ বলে ৫৭ রান ফিরে যান ইফতেখার ফিরে গেলেও প্রান্তিক এক প্রান্ত আগলে রেখে সেঞ্চুরি তুলে নেন। ১০৮ বলের এই ইনিংসে ছিল ১৪টি চারের মার। এরপর দলটির হয়ে হাল ধরেন এস এম মেহরাব । ৪৮ বলে ছয়টি চার ও দুটি ছক্কা হাঁকিয়ে অপরাজিত ৭০ অসাধারণ একটি ইনিংস খেলেন তিনি।

শেষদিকে তার এই ইনিংসের কল্যাণে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৬ উইকেটে ৩০৫ রান তোলে সফরকারীরা। ভারতের বোলারদের মধ্যে থাম্বে দুটি উইকেট নেন। এছাড়া একটি করে উইকেট নেন পিএম সিং রাঠোর, আয়ুশ সিং ঠাকুর ও অনেশ্বর গৌতম।