ঢাকা ০১:০০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
হাদি হত্যার কেবল চার আসামি নয়, সম্পূর্ণ নেটওয়ার্কের বিচার চাই: ইনকিলাব মঞ্চ অচেতন অবস্থায় রংপুরে উদ্ধার গাইবান্ধা-৩ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী কোনো বিশেষ ক্ষেত্রে ভোট দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া সরকারের উচিত নয়: আমির খসরু আওয়ামী লীগকে নির্বাচনে আনতে আন্তর্জাতিক মহলের কোনো চাপ নেই: শফিকুল আলম আমরা এখন আর আইসিইউতে নেই, কেবিনে উঠে এসেছি: অর্থ উপদেষ্টা ‘বন্দি থাকাকালে বেগম জিয়ার পক্ষে কথা বলার কেউই ছিলেন না’:আসিফ নজরুল নোয়াখালীকে হারিয়ে টেবিলের শীর্ষে চট্টগ্রাম রয়্যালস খালেদা জিয়ার স্মরণে নাগরিক শোকসভা জোট নয়, এককভাবেই নির্বাচনে লড়বে ইসলামী আন্দোলন ওসমান হাদির ভাইকে যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশ মিশনে নিয়োগ

সন্দেহভাজন বাংলাদেশি সন্ত্রাসীদের জন্যে ভারতের পুরস্কার ঘোষণা

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

সন্দেহভাজন বাংলাদেশি সন্ত্রাসীকে ধরিয়ে দিতে পারলে ভারত সরকার ২৫ হাজার টাকা পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। ভারতের উত্তর প্রদেশ এ্যান্টি- টেরোরিজম স্কোয়াড (এটিএস) তৌহিদ উর রেহমান ওরফে ফজর আলি নামে এক বাংলাদেশি সন্দেহভাজন সন্ত্রাসীকে ধরিয়ে দেওয়ার জন্যে পুরস্কার ঘোষণা করে এক বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে সে আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের সদস্য ও সন্ত্রাসের সঙ্গে জড়িত। ঢাকা ট্রিবিউন

আব্দুল্লাহ আল-মামুন নামে আরেক সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করার পর এটিএস তৌহিদের খোঁজ পায়। আব্দুল্লাহকে গত ৬ আগস্ট মুজাফ্ফরনগরের কুটেসারা গ্রাম থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ভারতের পুলিশ বিভাগ বলছে, আব্দুল্লাহ ওই দুই সন্ত্রাসী ফায়জান ও তৌহিদের খোঁজ দেয়। পুলিশ তার কাছ থেকে জিহাদী পুস্তক উদ্ধার করেছে।

তৌহিদের বাড়ি বাংলাদেশের চুয়াডাঙ্গা জেলায় এবং তাকে ধরিয়ে দিতে পারলে ২৫ হাজার টাকা পুরস্কার দেবে ভারত সরকার। ভারতের দেওবন্দের শাহরানপুরে বেশ কয়েকবার দেখা গেছে। সে ছদ্মবেশ নিতে বেশ পারদর্শী ও অস্ত্রের ব্যবহারেও অভিজ্ঞ। মার্শাল আট জানা আছে তার। অন্যদিকে ভারতের পুলিশ ফায়জানের খোঁজ পাচ্ছে না। যে আব্দুল্লাহকে জাল কাগজপত্র তৈরিতে সাহায্য করেছিল। এটিএস’এর ইন্সপেক্টর জেনারেল অসিম অরুন জানান, কিছু স্থানীয় পত্রিকায় ফায়জানকে ভুল ভাবে চিহ্নিত করে এবং তার ছবিও ছাপে। তার পুরো পরিচয় এখনো উদ্ধার করা যায়নি।

ভারতের টেরোরিজম, রিসার্চ এন্ড এ্যানালাইসিস কনসোর্টিয়াম (টিআরএসি) বলছে আনসারুল্লাহ বাংলা টিম আল-কায়দায় উদ্বুদ্ধ সন্ত্রাসী গ্রুপ হিসেবে বাংলাদেশে সক্রিয় রয়েছে। এরা বাংলাদেশি যুবকদের সন্ত্রাসী কাজে উদ্বুদ্ধ করে এবং স্থানীয়ভাবে এলাকা নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে। তারা সাইবারস্পেস ও মসজিদ ব্যবহার করে। জিহাদে উদ্বুদ্ধ করে এরা তরুণদেরকে সন্ত্রাসে ঠেলে দিচ্ছে। ২০১৩ সালের ১২ আগস্ট এ গ্রুপের নেতা মুফতি জসিমউদ্দিন রাহমানি বরগুণায় ৩০ জন সদস্য সহ ধরা পড়ে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হাদি হত্যার কেবল চার আসামি নয়, সম্পূর্ণ নেটওয়ার্কের বিচার চাই: ইনকিলাব মঞ্চ

সন্দেহভাজন বাংলাদেশি সন্ত্রাসীদের জন্যে ভারতের পুরস্কার ঘোষণা

আপডেট সময় ০৮:৩৬:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

সন্দেহভাজন বাংলাদেশি সন্ত্রাসীকে ধরিয়ে দিতে পারলে ভারত সরকার ২৫ হাজার টাকা পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। ভারতের উত্তর প্রদেশ এ্যান্টি- টেরোরিজম স্কোয়াড (এটিএস) তৌহিদ উর রেহমান ওরফে ফজর আলি নামে এক বাংলাদেশি সন্দেহভাজন সন্ত্রাসীকে ধরিয়ে দেওয়ার জন্যে পুরস্কার ঘোষণা করে এক বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে সে আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের সদস্য ও সন্ত্রাসের সঙ্গে জড়িত। ঢাকা ট্রিবিউন

আব্দুল্লাহ আল-মামুন নামে আরেক সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করার পর এটিএস তৌহিদের খোঁজ পায়। আব্দুল্লাহকে গত ৬ আগস্ট মুজাফ্ফরনগরের কুটেসারা গ্রাম থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ভারতের পুলিশ বিভাগ বলছে, আব্দুল্লাহ ওই দুই সন্ত্রাসী ফায়জান ও তৌহিদের খোঁজ দেয়। পুলিশ তার কাছ থেকে জিহাদী পুস্তক উদ্ধার করেছে।

তৌহিদের বাড়ি বাংলাদেশের চুয়াডাঙ্গা জেলায় এবং তাকে ধরিয়ে দিতে পারলে ২৫ হাজার টাকা পুরস্কার দেবে ভারত সরকার। ভারতের দেওবন্দের শাহরানপুরে বেশ কয়েকবার দেখা গেছে। সে ছদ্মবেশ নিতে বেশ পারদর্শী ও অস্ত্রের ব্যবহারেও অভিজ্ঞ। মার্শাল আট জানা আছে তার। অন্যদিকে ভারতের পুলিশ ফায়জানের খোঁজ পাচ্ছে না। যে আব্দুল্লাহকে জাল কাগজপত্র তৈরিতে সাহায্য করেছিল। এটিএস’এর ইন্সপেক্টর জেনারেল অসিম অরুন জানান, কিছু স্থানীয় পত্রিকায় ফায়জানকে ভুল ভাবে চিহ্নিত করে এবং তার ছবিও ছাপে। তার পুরো পরিচয় এখনো উদ্ধার করা যায়নি।

ভারতের টেরোরিজম, রিসার্চ এন্ড এ্যানালাইসিস কনসোর্টিয়াম (টিআরএসি) বলছে আনসারুল্লাহ বাংলা টিম আল-কায়দায় উদ্বুদ্ধ সন্ত্রাসী গ্রুপ হিসেবে বাংলাদেশে সক্রিয় রয়েছে। এরা বাংলাদেশি যুবকদের সন্ত্রাসী কাজে উদ্বুদ্ধ করে এবং স্থানীয়ভাবে এলাকা নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে। তারা সাইবারস্পেস ও মসজিদ ব্যবহার করে। জিহাদে উদ্বুদ্ধ করে এরা তরুণদেরকে সন্ত্রাসে ঠেলে দিচ্ছে। ২০১৩ সালের ১২ আগস্ট এ গ্রুপের নেতা মুফতি জসিমউদ্দিন রাহমানি বরগুণায় ৩০ জন সদস্য সহ ধরা পড়ে।