ঢাকা ০২:২০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আইজিপি: চাঁদাবাজির অভিযোগে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা করার ক্ষমতা পাচ্ছে পুলিশ জাপান সফরে তারেক রহমান: অর্থনৈতিক অংশীদারত্বে নতুন গতির আশা রাষ্ট্রদূতকে আনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ বিষয়: শামা ওবায়েদ সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটির নবম বৈঠক চলছে স্মরণকালের সেরা দুর্গাপূজা উপহার দিলেন দেশনায়ক  তারেক রহমান ঢাকার বাস টার্মিনাল ও অটোরিকশা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে সোহেল গরিবের বিচার, ধনীর বিচার এক করতে হবে —এটাই তারেক রহমানের নতুন বাংলাদেশ আইএইচএফ নেশনস ট্রফিতে ভারতের কাছে হেরে রানার্সআপ বাংলাদেশ কাতার, তুরস্ক, পাকিস্তান ও ইন্দোনেশিয়ার ঐতিহাসিক বদর প্রতিরক্ষা চুক্তি দ্বিগুণ যাত্রী সামলাতে হিমশিম দেশের বিমানবন্দরগুলো

যারা বাংলাদেশে পাকিস্তানের পতাকা উড়ায় তাদের জন্ম পরিচয় জানা দরকার: প্রতিমন্ত্রী

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম বলেছেন, খেলার মাঠে যারা বাংলাদেশে পাকিস্তানের পতাকা উড়ায় তাদের জন্ম পরিচয় জানা দরকার। শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ-পাকিস্তান ম্যাচে পাকিস্তানি জার্সি ও পাকিস্তানের পতাকা হাতে নিয়ে একদল তরুণ ‘পাকিস্তান জিন্দাবাদ’ স্লোগান দিয়েছে। বিষয়টি বেদনাদায়ক।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের নাগরিক হয়ে পাকিস্তানের পতাকা উড়ানোয় এরা কী সংকেত দিচ্ছে- এটা দেখার দরকার।

বুধবার রাজধানীর শেরবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে ‘বঙ্গবন্ধুস জার্নি টুওয়ার্ডস হাঙ্গার অ্যান্ড প্রভার্টি ফ্রী প্ল্যানেড ইকোনমি’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।

পরিকল্পনা বিভাগের সচিব প্রদীপ রঞ্জন চক্রবর্তীর সভাপতিত্বে সেমিনারে অংশ নেন সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমান, বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) মহাপরিচালক ড. বিনায়েক সেন প্রমুখ।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার ৫০ বছরে এমন দুঃখজনক ঘটনা ঘটার কথা নয়। পিতা-মাতা হয়তো অন্য মতবাদের হতে পারে। তারপরও তরুণ প্রজন্মের এটা করার কথা নয়। সেমিনারে আলোচনায় অংশ নেওয়া এক সচিব বলেন, যারা পতাকা উড়ায় তারা বিহারি। এতে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিহারিও তো এ দেশে থাকে। পাকিস্তানের পতাকা নিয়ে লাফালাফি কষ্টদায়ক।

শামসুল আলম আরও বলেন, বঙ্গবন্ধুকে আরও জানা দরকার। তরুণ প্রজন্মের মধ্যে বঙ্গবন্ধু নিয়ে আরও আলোচনা হওয়া দরকার। তরুণ প্রজন্ম যেন আরও বেশি করে বঙ্গবন্ধুকে জানেন। বঙ্গবন্ধুর জীবন দর্শন জানতে হবে, তাহলে অসমতা কমে যাবে। অসমতা নেই এমন দেশ খুঁজে পাওয়া যাবে না। তারপরও বঙ্গবন্ধুর দর্শন জানতে পারলে অসমতা কমে যাবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশকে ক্ষুধামুক্ত করতে হলে উৎপাদনমূলক খাতে বেশি প্রকল্প নিতে হবে। শিক্ষা ও মানসিক বিকাশ হয় এমন খাতে বেশি কাজ করতে হবে। স্বাস্থ্যসেবা খাতে গুরুত্ব দিতে হবে। ক্যান্সার হলেই সবকিছু শেষ হয়ে যাচ্ছে- এটা নিয়ে আরও গভীরভাবে কাজ করতে হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

সংবিধান সংশোধন কমিটিতে সর্বোচ্চ অর্জন প্রত্যাশা আসিফ নজরুলের

যারা বাংলাদেশে পাকিস্তানের পতাকা উড়ায় তাদের জন্ম পরিচয় জানা দরকার: প্রতিমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৯:০১:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ নভেম্বর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম বলেছেন, খেলার মাঠে যারা বাংলাদেশে পাকিস্তানের পতাকা উড়ায় তাদের জন্ম পরিচয় জানা দরকার। শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ-পাকিস্তান ম্যাচে পাকিস্তানি জার্সি ও পাকিস্তানের পতাকা হাতে নিয়ে একদল তরুণ ‘পাকিস্তান জিন্দাবাদ’ স্লোগান দিয়েছে। বিষয়টি বেদনাদায়ক।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের নাগরিক হয়ে পাকিস্তানের পতাকা উড়ানোয় এরা কী সংকেত দিচ্ছে- এটা দেখার দরকার।

বুধবার রাজধানীর শেরবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে ‘বঙ্গবন্ধুস জার্নি টুওয়ার্ডস হাঙ্গার অ্যান্ড প্রভার্টি ফ্রী প্ল্যানেড ইকোনমি’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।

পরিকল্পনা বিভাগের সচিব প্রদীপ রঞ্জন চক্রবর্তীর সভাপতিত্বে সেমিনারে অংশ নেন সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমান, বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) মহাপরিচালক ড. বিনায়েক সেন প্রমুখ।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার ৫০ বছরে এমন দুঃখজনক ঘটনা ঘটার কথা নয়। পিতা-মাতা হয়তো অন্য মতবাদের হতে পারে। তারপরও তরুণ প্রজন্মের এটা করার কথা নয়। সেমিনারে আলোচনায় অংশ নেওয়া এক সচিব বলেন, যারা পতাকা উড়ায় তারা বিহারি। এতে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিহারিও তো এ দেশে থাকে। পাকিস্তানের পতাকা নিয়ে লাফালাফি কষ্টদায়ক।

শামসুল আলম আরও বলেন, বঙ্গবন্ধুকে আরও জানা দরকার। তরুণ প্রজন্মের মধ্যে বঙ্গবন্ধু নিয়ে আরও আলোচনা হওয়া দরকার। তরুণ প্রজন্ম যেন আরও বেশি করে বঙ্গবন্ধুকে জানেন। বঙ্গবন্ধুর জীবন দর্শন জানতে হবে, তাহলে অসমতা কমে যাবে। অসমতা নেই এমন দেশ খুঁজে পাওয়া যাবে না। তারপরও বঙ্গবন্ধুর দর্শন জানতে পারলে অসমতা কমে যাবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশকে ক্ষুধামুক্ত করতে হলে উৎপাদনমূলক খাতে বেশি প্রকল্প নিতে হবে। শিক্ষা ও মানসিক বিকাশ হয় এমন খাতে বেশি কাজ করতে হবে। স্বাস্থ্যসেবা খাতে গুরুত্ব দিতে হবে। ক্যান্সার হলেই সবকিছু শেষ হয়ে যাচ্ছে- এটা নিয়ে আরও গভীরভাবে কাজ করতে হবে।