ঢাকা ০৩:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

যারা বাংলাদেশে পাকিস্তানের পতাকা উড়ায় তাদের জন্ম পরিচয় জানা দরকার: প্রতিমন্ত্রী

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম বলেছেন, খেলার মাঠে যারা বাংলাদেশে পাকিস্তানের পতাকা উড়ায় তাদের জন্ম পরিচয় জানা দরকার। শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ-পাকিস্তান ম্যাচে পাকিস্তানি জার্সি ও পাকিস্তানের পতাকা হাতে নিয়ে একদল তরুণ ‘পাকিস্তান জিন্দাবাদ’ স্লোগান দিয়েছে। বিষয়টি বেদনাদায়ক।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের নাগরিক হয়ে পাকিস্তানের পতাকা উড়ানোয় এরা কী সংকেত দিচ্ছে- এটা দেখার দরকার।

বুধবার রাজধানীর শেরবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে ‘বঙ্গবন্ধুস জার্নি টুওয়ার্ডস হাঙ্গার অ্যান্ড প্রভার্টি ফ্রী প্ল্যানেড ইকোনমি’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।

পরিকল্পনা বিভাগের সচিব প্রদীপ রঞ্জন চক্রবর্তীর সভাপতিত্বে সেমিনারে অংশ নেন সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমান, বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) মহাপরিচালক ড. বিনায়েক সেন প্রমুখ।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার ৫০ বছরে এমন দুঃখজনক ঘটনা ঘটার কথা নয়। পিতা-মাতা হয়তো অন্য মতবাদের হতে পারে। তারপরও তরুণ প্রজন্মের এটা করার কথা নয়। সেমিনারে আলোচনায় অংশ নেওয়া এক সচিব বলেন, যারা পতাকা উড়ায় তারা বিহারি। এতে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিহারিও তো এ দেশে থাকে। পাকিস্তানের পতাকা নিয়ে লাফালাফি কষ্টদায়ক।

শামসুল আলম আরও বলেন, বঙ্গবন্ধুকে আরও জানা দরকার। তরুণ প্রজন্মের মধ্যে বঙ্গবন্ধু নিয়ে আরও আলোচনা হওয়া দরকার। তরুণ প্রজন্ম যেন আরও বেশি করে বঙ্গবন্ধুকে জানেন। বঙ্গবন্ধুর জীবন দর্শন জানতে হবে, তাহলে অসমতা কমে যাবে। অসমতা নেই এমন দেশ খুঁজে পাওয়া যাবে না। তারপরও বঙ্গবন্ধুর দর্শন জানতে পারলে অসমতা কমে যাবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশকে ক্ষুধামুক্ত করতে হলে উৎপাদনমূলক খাতে বেশি প্রকল্প নিতে হবে। শিক্ষা ও মানসিক বিকাশ হয় এমন খাতে বেশি কাজ করতে হবে। স্বাস্থ্যসেবা খাতে গুরুত্ব দিতে হবে। ক্যান্সার হলেই সবকিছু শেষ হয়ে যাচ্ছে- এটা নিয়ে আরও গভীরভাবে কাজ করতে হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

যারা বাংলাদেশে পাকিস্তানের পতাকা উড়ায় তাদের জন্ম পরিচয় জানা দরকার: প্রতিমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৯:০১:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ নভেম্বর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম বলেছেন, খেলার মাঠে যারা বাংলাদেশে পাকিস্তানের পতাকা উড়ায় তাদের জন্ম পরিচয় জানা দরকার। শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ-পাকিস্তান ম্যাচে পাকিস্তানি জার্সি ও পাকিস্তানের পতাকা হাতে নিয়ে একদল তরুণ ‘পাকিস্তান জিন্দাবাদ’ স্লোগান দিয়েছে। বিষয়টি বেদনাদায়ক।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের নাগরিক হয়ে পাকিস্তানের পতাকা উড়ানোয় এরা কী সংকেত দিচ্ছে- এটা দেখার দরকার।

বুধবার রাজধানীর শেরবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে ‘বঙ্গবন্ধুস জার্নি টুওয়ার্ডস হাঙ্গার অ্যান্ড প্রভার্টি ফ্রী প্ল্যানেড ইকোনমি’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।

পরিকল্পনা বিভাগের সচিব প্রদীপ রঞ্জন চক্রবর্তীর সভাপতিত্বে সেমিনারে অংশ নেন সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমান, বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) মহাপরিচালক ড. বিনায়েক সেন প্রমুখ।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার ৫০ বছরে এমন দুঃখজনক ঘটনা ঘটার কথা নয়। পিতা-মাতা হয়তো অন্য মতবাদের হতে পারে। তারপরও তরুণ প্রজন্মের এটা করার কথা নয়। সেমিনারে আলোচনায় অংশ নেওয়া এক সচিব বলেন, যারা পতাকা উড়ায় তারা বিহারি। এতে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিহারিও তো এ দেশে থাকে। পাকিস্তানের পতাকা নিয়ে লাফালাফি কষ্টদায়ক।

শামসুল আলম আরও বলেন, বঙ্গবন্ধুকে আরও জানা দরকার। তরুণ প্রজন্মের মধ্যে বঙ্গবন্ধু নিয়ে আরও আলোচনা হওয়া দরকার। তরুণ প্রজন্ম যেন আরও বেশি করে বঙ্গবন্ধুকে জানেন। বঙ্গবন্ধুর জীবন দর্শন জানতে হবে, তাহলে অসমতা কমে যাবে। অসমতা নেই এমন দেশ খুঁজে পাওয়া যাবে না। তারপরও বঙ্গবন্ধুর দর্শন জানতে পারলে অসমতা কমে যাবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশকে ক্ষুধামুক্ত করতে হলে উৎপাদনমূলক খাতে বেশি প্রকল্প নিতে হবে। শিক্ষা ও মানসিক বিকাশ হয় এমন খাতে বেশি কাজ করতে হবে। স্বাস্থ্যসেবা খাতে গুরুত্ব দিতে হবে। ক্যান্সার হলেই সবকিছু শেষ হয়ে যাচ্ছে- এটা নিয়ে আরও গভীরভাবে কাজ করতে হবে।