ঢাকা ০৭:৩৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ, চোখে গুরুতর আঘাত পেলেন যাত্রী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সীমান্ত হত্যাকে বৈধতা দিয়েছেন: হাসনাত আবদুল্লাহ মাইলস্টোন ট্র্যাজেডির বর্ষপূতি: শোককে শক্তিতে পরিণত করে এগোতে হবে: ডা. জুবাইদা লুটপাটের জন্য ছাত্রজনতা রক্ত দেয়নি: হাসনাত আবদুল্লাহ যুক্তরাষ্ট্র ইরানে আঘাত না হানলে আজ ইসরাইলের অস্তিত্ব থাকত না: ডোনাল্ড ট্রাম্প রাজধানীতে বিএনপি কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা গণতন্ত্র না থাকায় অনেক এলাকার সমস্যা গুরুত্ব পায়নি: ডেপুটি স্পিকার ছাত্র-জনতার অধিকার রক্ষায় দলীয় প্রভাবমুক্ত রাষ্ট্রকাঠামো গড়ার বিকল্প নেই:নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী স্কুলমুখী করতে সাড়ে তিন লাখ শিশুকে স্কুল ড্রেস দেবে সরকার: শিক্ষামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ, আটক রাহুল-প্রিয়াঙ্কা

নৌকার প্রার্থী পেলেন ২৪৮ ভোট; এলাকায় তোলপাড়

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ঠাকুরগাঁওয়ের একটি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের মনোনীত নৌকা প্রার্থী ভোট পেয়েছেন মাত্র ২৪৮টি। এখানে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন। এ নিয়ে এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।

জেলা নির্বাচন অফিসের তথ্যে দেখা গেছে, রাণীশংকৈল উপজেলার নেকমরদ ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের মনোনীত নৌকার প্রার্থী ডা. মো. হামিদুর রহমান ২৪৮ ভোট পেয়ে পরাজিত হয়েছেন। আর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব মো. আবুল হোসেন ৮৪১৮ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেছেন।

এ নিয়ে স্থানীয় দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে আলোচনা সমালোচনার ঝড় বইছে। নিজেদের মধ্যে কাদা ছিটাছিটির পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

জেলায় দ্বিতীয় দফা ভোটে ঠাকুরগাঁও জেলার হরিপুর ও রাণীশংকৈল উপজেলার ১১টি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী ছয়টি ও স্বতন্ত্র প্রার্থী ৫টিতে নির্বাচিত হয়েছেন। এদের মধ্যে হরিপুর উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নের মধ্যে আওয়ামী লীগ মনোনীত দুটি ও চারটিতেই স্বতন্ত্র প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন। এ উপজেলার হরিপুর ইউনিয়নে গোলাম মোস্তফা ১১৬৪ ভোট পেয়ে পরাজিত হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী রফিকুল ইসলামের কাছে। তিনি ভোট পেয়েছেন ৬৭৩৮টি। যা বিপুল ভোটের ব্যবধান।

এছাড়া রাণীশংকৈল উপজেলার ৫টি ইউনিয়নের চারটিতে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকার প্রার্থীরা বিজয় অর্জন করেছেন। আর ওই উপজেলার নেকমরদ ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের মনোনীত নৌকার প্রার্থীর ভরাডুবি হয়েছে। জয়লাভ করেছেন একই দলের বিদ্রোহী প্রার্থী।

উল্লেখ্য, এ দফায় জেলার হরিপুর ও রাণীশংকৈল উপজেলার ১১টি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ৫৫ প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। প্রতিদ্বন্দ্বীতায় আওয়ামী লীগ ছাড়াও কয়েকটি ইউনিয়নে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও জাকের পার্টি অংশ নিলেও দলীয়ভাবে মাঠে ছিল না বিএনপি ও জাপার কোন প্রার্থী।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ, চোখে গুরুতর আঘাত পেলেন যাত্রী

নৌকার প্রার্থী পেলেন ২৪৮ ভোট; এলাকায় তোলপাড়

আপডেট সময় ০৭:৫২:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ নভেম্বর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ঠাকুরগাঁওয়ের একটি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের মনোনীত নৌকা প্রার্থী ভোট পেয়েছেন মাত্র ২৪৮টি। এখানে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন। এ নিয়ে এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।

জেলা নির্বাচন অফিসের তথ্যে দেখা গেছে, রাণীশংকৈল উপজেলার নেকমরদ ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের মনোনীত নৌকার প্রার্থী ডা. মো. হামিদুর রহমান ২৪৮ ভোট পেয়ে পরাজিত হয়েছেন। আর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব মো. আবুল হোসেন ৮৪১৮ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেছেন।

এ নিয়ে স্থানীয় দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে আলোচনা সমালোচনার ঝড় বইছে। নিজেদের মধ্যে কাদা ছিটাছিটির পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

জেলায় দ্বিতীয় দফা ভোটে ঠাকুরগাঁও জেলার হরিপুর ও রাণীশংকৈল উপজেলার ১১টি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী ছয়টি ও স্বতন্ত্র প্রার্থী ৫টিতে নির্বাচিত হয়েছেন। এদের মধ্যে হরিপুর উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নের মধ্যে আওয়ামী লীগ মনোনীত দুটি ও চারটিতেই স্বতন্ত্র প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন। এ উপজেলার হরিপুর ইউনিয়নে গোলাম মোস্তফা ১১৬৪ ভোট পেয়ে পরাজিত হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী রফিকুল ইসলামের কাছে। তিনি ভোট পেয়েছেন ৬৭৩৮টি। যা বিপুল ভোটের ব্যবধান।

এছাড়া রাণীশংকৈল উপজেলার ৫টি ইউনিয়নের চারটিতে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকার প্রার্থীরা বিজয় অর্জন করেছেন। আর ওই উপজেলার নেকমরদ ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের মনোনীত নৌকার প্রার্থীর ভরাডুবি হয়েছে। জয়লাভ করেছেন একই দলের বিদ্রোহী প্রার্থী।

উল্লেখ্য, এ দফায় জেলার হরিপুর ও রাণীশংকৈল উপজেলার ১১টি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ৫৫ প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। প্রতিদ্বন্দ্বীতায় আওয়ামী লীগ ছাড়াও কয়েকটি ইউনিয়নে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও জাকের পার্টি অংশ নিলেও দলীয়ভাবে মাঠে ছিল না বিএনপি ও জাপার কোন প্রার্থী।