ঢাকা ০৪:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আমরা মা-বোনদের নিরাপত্তার ব্যাপারে অত্যন্ত এটেন্টিভ : ডা. শফিকুর রহমান আন্তর্জাতিক আদালতে সাক্ষ্য দিতে যাচ্ছেন তিন রোহিঙ্গা নির্বাচনে ৫ লাখ ৫৫ হাজার আনসার-ভিডিপি দায়িত্ব পালন করবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা কুড়িগ্রামের রৌমারী সীমান্তে গুলি ছুড়ে যুবককে ধরে নিয়ে গেল বিএসএফ ইরানি কর্তৃপক্ষকে ‘সর্বোচ্চ সংযম’ প্রদর্শনের আহ্বান জাতিসংঘ মহাসচিবের দাঁড়িপাল্লার পক্ষে না থাকলে মাহফিল শোনার দরকার নেই :জামায়াতের আমির মো. মিজানুর রহমান বনশ্রীতে স্কুলছাত্রী খুনের ঘটনায় রেস্তোরাঁ কর্মী মিলন গ্রেপ্তার নির্বাচন সামনে রেখে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে সরকার ব্যর্থ : মির্জা ফখরুল ইরানে বিরুদ্ধে ‘কঠোর’ পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষার সময়সূচি জানাল শিক্ষা বোর্ড

নৌকার প্রার্থী পেলেন ২৪৮ ভোট; এলাকায় তোলপাড়

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ঠাকুরগাঁওয়ের একটি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের মনোনীত নৌকা প্রার্থী ভোট পেয়েছেন মাত্র ২৪৮টি। এখানে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন। এ নিয়ে এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।

জেলা নির্বাচন অফিসের তথ্যে দেখা গেছে, রাণীশংকৈল উপজেলার নেকমরদ ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের মনোনীত নৌকার প্রার্থী ডা. মো. হামিদুর রহমান ২৪৮ ভোট পেয়ে পরাজিত হয়েছেন। আর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব মো. আবুল হোসেন ৮৪১৮ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেছেন।

এ নিয়ে স্থানীয় দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে আলোচনা সমালোচনার ঝড় বইছে। নিজেদের মধ্যে কাদা ছিটাছিটির পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

জেলায় দ্বিতীয় দফা ভোটে ঠাকুরগাঁও জেলার হরিপুর ও রাণীশংকৈল উপজেলার ১১টি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী ছয়টি ও স্বতন্ত্র প্রার্থী ৫টিতে নির্বাচিত হয়েছেন। এদের মধ্যে হরিপুর উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নের মধ্যে আওয়ামী লীগ মনোনীত দুটি ও চারটিতেই স্বতন্ত্র প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন। এ উপজেলার হরিপুর ইউনিয়নে গোলাম মোস্তফা ১১৬৪ ভোট পেয়ে পরাজিত হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী রফিকুল ইসলামের কাছে। তিনি ভোট পেয়েছেন ৬৭৩৮টি। যা বিপুল ভোটের ব্যবধান।

এছাড়া রাণীশংকৈল উপজেলার ৫টি ইউনিয়নের চারটিতে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকার প্রার্থীরা বিজয় অর্জন করেছেন। আর ওই উপজেলার নেকমরদ ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের মনোনীত নৌকার প্রার্থীর ভরাডুবি হয়েছে। জয়লাভ করেছেন একই দলের বিদ্রোহী প্রার্থী।

উল্লেখ্য, এ দফায় জেলার হরিপুর ও রাণীশংকৈল উপজেলার ১১টি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ৫৫ প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। প্রতিদ্বন্দ্বীতায় আওয়ামী লীগ ছাড়াও কয়েকটি ইউনিয়নে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও জাকের পার্টি অংশ নিলেও দলীয়ভাবে মাঠে ছিল না বিএনপি ও জাপার কোন প্রার্থী।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আমরা মা-বোনদের নিরাপত্তার ব্যাপারে অত্যন্ত এটেন্টিভ : ডা. শফিকুর রহমান

নৌকার প্রার্থী পেলেন ২৪৮ ভোট; এলাকায় তোলপাড়

আপডেট সময় ০৭:৫২:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ নভেম্বর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ঠাকুরগাঁওয়ের একটি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের মনোনীত নৌকা প্রার্থী ভোট পেয়েছেন মাত্র ২৪৮টি। এখানে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন। এ নিয়ে এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।

জেলা নির্বাচন অফিসের তথ্যে দেখা গেছে, রাণীশংকৈল উপজেলার নেকমরদ ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের মনোনীত নৌকার প্রার্থী ডা. মো. হামিদুর রহমান ২৪৮ ভোট পেয়ে পরাজিত হয়েছেন। আর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব মো. আবুল হোসেন ৮৪১৮ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেছেন।

এ নিয়ে স্থানীয় দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে আলোচনা সমালোচনার ঝড় বইছে। নিজেদের মধ্যে কাদা ছিটাছিটির পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

জেলায় দ্বিতীয় দফা ভোটে ঠাকুরগাঁও জেলার হরিপুর ও রাণীশংকৈল উপজেলার ১১টি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী ছয়টি ও স্বতন্ত্র প্রার্থী ৫টিতে নির্বাচিত হয়েছেন। এদের মধ্যে হরিপুর উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নের মধ্যে আওয়ামী লীগ মনোনীত দুটি ও চারটিতেই স্বতন্ত্র প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন। এ উপজেলার হরিপুর ইউনিয়নে গোলাম মোস্তফা ১১৬৪ ভোট পেয়ে পরাজিত হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী রফিকুল ইসলামের কাছে। তিনি ভোট পেয়েছেন ৬৭৩৮টি। যা বিপুল ভোটের ব্যবধান।

এছাড়া রাণীশংকৈল উপজেলার ৫টি ইউনিয়নের চারটিতে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকার প্রার্থীরা বিজয় অর্জন করেছেন। আর ওই উপজেলার নেকমরদ ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের মনোনীত নৌকার প্রার্থীর ভরাডুবি হয়েছে। জয়লাভ করেছেন একই দলের বিদ্রোহী প্রার্থী।

উল্লেখ্য, এ দফায় জেলার হরিপুর ও রাণীশংকৈল উপজেলার ১১টি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ৫৫ প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। প্রতিদ্বন্দ্বীতায় আওয়ামী লীগ ছাড়াও কয়েকটি ইউনিয়নে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও জাকের পার্টি অংশ নিলেও দলীয়ভাবে মাঠে ছিল না বিএনপি ও জাপার কোন প্রার্থী।