ঢাকা ০১:৫৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নাজমুল পদত্যাগ না করলে খেলা বর্জনের হুমকি ক্রিকেটারদের চাঁদাবাজি-মাস্তানি করলে এখনই বিএনপি থেকে বের হয়ে যান: আমীর খসরু আগামী সপ্তাহ থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের জন্য মার্কিন ভিসা কার্যক্রম স্থগিত একটি দল বাড়ি বাড়ি গিয়ে এনআইডি ও বিকাশ নম্বর সংগ্রহ করছে: নজরুল ইসলাম খান স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করায় বিএনপি নেতা সাজুকে বহিষ্কার গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলে তরুণরা বৈষম্যহীন বাংলাদেশ পাবে: আলী রীয়াজ গণভোটে ‘হ্যাঁ’কে বিজয়ী করতে মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা ডাকসুর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন স্থগিত চেয়ে রিট অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতেই অন-অ্যারাইভাল ভিসা বন্ধ : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মবোক্রেসি সব জায়গায় চলে না, আমি ঢাকায় ভেসে আসি নাই : মির্জা আব্বাস

বড়শিতে ২৫০ কেজির হাঙর শিকার করে রেকর্ড গড়লেন মৎস্যজীবী

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

বন্য পশু শিকারের ভিডিও ভাইরাল হলেও, মাছ ধরার ভিডিও খুব একটা ভাইরাল হয় না সোশ্যাল মিডিয়ায়। কিন্তু এবার ৭ ফুটের একটি হাঙর ধরে রেকর্ড‌ গড়লেন যুক্তরাজ্যের এক মৎস্যজীবী। আর সেই মাছ ধরার ভিডিও ভাইরাল হয়ে গেছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।

ওই মৎস্যজীবীর নাম সাইমন ডেভিডসন। তিনি নর্থম্পটনারের বাসিন্দা। তিনি এই ৭ ফুটের হাঙর মাছটিকে বড়শি দিয়ে ধরতে সক্ষম হন। কিন্তু তাকে ধরার প্রায় এক ঘণ্টা আগে থেকে চলে লড়াই। তবে শেষ পর্যন্ত তিনি এই মাছটিকে ধরতে সক্ষম হন। জানা গেছে, ওই ৭ ফুটের হাঙর মাছটির ওজন ২৫০ কেজি। সুতরাং স্বাভাবিক ভাবেই খুব একটা সহজ কাজ নয় এত বড় মাছ বড়শি দিয়ে ধরা।

ভিডিওটি ক্লিকহার্ট টিভি নামক একটি ইউটিউব অ্যাকাউন্ট থেকে পোস্ট করা হয়েছে। সেই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে যে, ছিপে আটকে গেছে হাঙর মাছটি। সে ওই বড়সি থেকে মুক্ত হওয়ার জন্য পানির মধ্যেই ছটপট করে চলেছে। এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে লড়াই করার পর তাকে ধরতে পারে সাইমন। তবে শেষ মুহূর্তে গিয়ে এই বিষয়টি ক্যামেরা বন্দি করতে সক্ষম হন সাইমন।

যদিও এই হাঙরটিকে ধরার পিছনে সাইমন একা ছিলেন না। তার সঙ্গে ছিলেন আরও পাঁচ জন সহকর্মী, যাদের যৌথ প্রচেষ্টায় তারা এই ২৫০ কেজির হাঙরটিকে ধরতে পারে। আবার তারাই একত্রিত ভাবে এই হাঙর মাছটিকে পানিতে ফেলে দিতে সাহায্য করেন।

তথ্য অনুযায়ী, এর আগে ১৯৯৩ সালে স্কটস মৎস্যজীবী ক্রিস বেনেটের জালে ধরা পড়েছিল ২২৯ কেজির হাঙর। এবার সেই রেকর্ড‌টি ভেঙে দিলেন সাইমন ডেভিডসন। ডেভিডসন জানিয়েছেন যে, তিনি প্রথমে বুঝতে পারেননি এত বড় একটি হাঙর ধরা দিয়েছে তার বড়শিতে।

সংক্ষিপ্ত ভিডিও ক্লিপটি হাঙরটি ডেভিডসনের নৌকার কাছাকাছি আসলে ক্যামেরা বন্দি করা হয়। এবং শুধু মাত্র সেই অংশটুকুই ইন্টারনেটে পোস্ট করা হয়। আর পোস্ট করা মাত্রই নজর কাড়ে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কিশোরগঞ্জে মসজিদের বাক্সে ৯ লাখ টাকা

বড়শিতে ২৫০ কেজির হাঙর শিকার করে রেকর্ড গড়লেন মৎস্যজীবী

আপডেট সময় ১১:১৩:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ অক্টোবর ২০২১

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

বন্য পশু শিকারের ভিডিও ভাইরাল হলেও, মাছ ধরার ভিডিও খুব একটা ভাইরাল হয় না সোশ্যাল মিডিয়ায়। কিন্তু এবার ৭ ফুটের একটি হাঙর ধরে রেকর্ড‌ গড়লেন যুক্তরাজ্যের এক মৎস্যজীবী। আর সেই মাছ ধরার ভিডিও ভাইরাল হয়ে গেছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।

ওই মৎস্যজীবীর নাম সাইমন ডেভিডসন। তিনি নর্থম্পটনারের বাসিন্দা। তিনি এই ৭ ফুটের হাঙর মাছটিকে বড়শি দিয়ে ধরতে সক্ষম হন। কিন্তু তাকে ধরার প্রায় এক ঘণ্টা আগে থেকে চলে লড়াই। তবে শেষ পর্যন্ত তিনি এই মাছটিকে ধরতে সক্ষম হন। জানা গেছে, ওই ৭ ফুটের হাঙর মাছটির ওজন ২৫০ কেজি। সুতরাং স্বাভাবিক ভাবেই খুব একটা সহজ কাজ নয় এত বড় মাছ বড়শি দিয়ে ধরা।

ভিডিওটি ক্লিকহার্ট টিভি নামক একটি ইউটিউব অ্যাকাউন্ট থেকে পোস্ট করা হয়েছে। সেই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে যে, ছিপে আটকে গেছে হাঙর মাছটি। সে ওই বড়সি থেকে মুক্ত হওয়ার জন্য পানির মধ্যেই ছটপট করে চলেছে। এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে লড়াই করার পর তাকে ধরতে পারে সাইমন। তবে শেষ মুহূর্তে গিয়ে এই বিষয়টি ক্যামেরা বন্দি করতে সক্ষম হন সাইমন।

যদিও এই হাঙরটিকে ধরার পিছনে সাইমন একা ছিলেন না। তার সঙ্গে ছিলেন আরও পাঁচ জন সহকর্মী, যাদের যৌথ প্রচেষ্টায় তারা এই ২৫০ কেজির হাঙরটিকে ধরতে পারে। আবার তারাই একত্রিত ভাবে এই হাঙর মাছটিকে পানিতে ফেলে দিতে সাহায্য করেন।

তথ্য অনুযায়ী, এর আগে ১৯৯৩ সালে স্কটস মৎস্যজীবী ক্রিস বেনেটের জালে ধরা পড়েছিল ২২৯ কেজির হাঙর। এবার সেই রেকর্ড‌টি ভেঙে দিলেন সাইমন ডেভিডসন। ডেভিডসন জানিয়েছেন যে, তিনি প্রথমে বুঝতে পারেননি এত বড় একটি হাঙর ধরা দিয়েছে তার বড়শিতে।

সংক্ষিপ্ত ভিডিও ক্লিপটি হাঙরটি ডেভিডসনের নৌকার কাছাকাছি আসলে ক্যামেরা বন্দি করা হয়। এবং শুধু মাত্র সেই অংশটুকুই ইন্টারনেটে পোস্ট করা হয়। আর পোস্ট করা মাত্রই নজর কাড়ে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের।