ঢাকা ০৪:০৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চট্টগ্রাম বোর্ডের অধীন এইচএসসি ও সমমানের অবশিষ্ট পরীক্ষা স্থগিত পরিকল্পিতভাবে উত্তরাঞ্চলে বড় উন্নয়ন বাজেট কমানো হয়েছে: নাহিদ ইসলাম আবু সাঈদের স্বপ্নের বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত করব: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী অবিলম্বে সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বান করুন,সরকারকে গোলাম পরওয়ার হাসিনার আত্মসমর্পণের সুযোগ নেই, আসলেই গ্রেফতার: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হঠাৎ অসুস্থ মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সরকার দলীয় এমপিরা ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ বাস্তবায়ন আদেশ লঙ্ঘন করেছেন: আইনজীবী শিশির জুলাই শহীদদের আত্মত্যাগ বাঁচার অধিকার ফিরিয়ে দিয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী এখনকার যুদ্ধটা অনেক বড়, ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী অর্থনৈতিক সংস্কার কার্যক্রম ধাপে ধাপে এগিয়ে নেওয়া হবে: অর্থমন্ত্রী

১২০ টাকা বেতনের কর্মচারী থেকে ৪৬০ কোটির মালিক!

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

টেকনাফ বন্দরে চুক্তিভিত্তিক কম্পিউটার অপারেটর হিসেবে ১২০ টাকা বেতনে চাকরি শুরু করেছিল নুরুল ইসলাম। এরপর আর তাকে পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। ১০ বছরে চাকরি করে অবৈধ উপায়ে অর্জন করেছেন ৪৬০ কোটি টাকা। এসব অর্থ তিনি বন্দরে অবৈধভাবে পণ্য খালাস করে কামিয়েছেন।

এই অর্থ দিয়ে রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকায় ৩৭টি বাড়ি ও জমি কিনেছেন। এছাড়া ঢাকার সাভার, টেকনাফসহ বিভিন্ন জায়গায় কিনেছেন সম্পত্তি।

র‍্যাবের একাধিক কর্মকর্তা এ তথ্য জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার ভোররাতে রাজধানীর মোহাম্মদপুর থেকে র‍্যাবের একটি দল তাকে আটক করে। এসময় বিপুল বিদেশি মুদ্রা, ইয়াবা ও জাল টাকা উদ্ধার করা হয়।

র‍্যাব জানায়, একসময় টেকনাফ বন্দরে ১২০ টাকা বেতনে চাকরি শুরু করেছিলেন নুরুল ইসলাম। বন্দরের কম্পিউটার অপারেটর হিসেবে কাজ করলেও অবৈধ উপায়ে কোটি কোটি উপার্জন করেছেন তিনি। পরবর্তী তার পদে অন্য আরেকজনকে চাকরি দেন। আর অবৈধ উপায়ে উপার্জন করা অর্থ দিয়ে রাজধানীর মোহাম্মদপুলে অঢেল সম্পত্তি কেনেন।

মোহাম্মদপুরের হাজি দীন মোহাম্মদ রোডে তার সাড়ে চার কাঠা জমির উপর সাততলা ভবন রয়েছে। এছাড়া নবোদয় হাউজিংয়ে সাত কাঠা জমির উপর সাততলা বাড়ি, ঢাকা উদ্যানে নয় কাঠা জমি ও ১৭ টি দোকান রয়েছে। যার মুল্য ১৫ কোটি টাকা। মোহাম্মদপুরের চন্দ্রিমা উদ্যানে চার কাঠা জমি ও দুইতলা ভবন, একতা হাউজিংয়ে চার কাঠা জমি, হাজী দিল সড়কে ১১ কাঠা ও দুই তলা সাতটি দোকান, নবোদয় হাউজিংয়ে চার কাঠা জমি ও বাড়ি রয়েছে। এমন ও অনেক সম্পদের খোঁজ র‍্যাব পেয়েছে। সব মিলিয়ে নুরুল ইসলামের ৩৭ টি জায়গা ও বাড়ির খোঁজ পাওয়া গেছে।

এছাড়া নয়টি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে নুরুল ইসলামের অনেক অর্থের সন্ধান মিলেছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রাম বোর্ডের অধীন এইচএসসি ও সমমানের অবশিষ্ট পরীক্ষা স্থগিত

১২০ টাকা বেতনের কর্মচারী থেকে ৪৬০ কোটির মালিক!

আপডেট সময় ০১:১২:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

টেকনাফ বন্দরে চুক্তিভিত্তিক কম্পিউটার অপারেটর হিসেবে ১২০ টাকা বেতনে চাকরি শুরু করেছিল নুরুল ইসলাম। এরপর আর তাকে পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। ১০ বছরে চাকরি করে অবৈধ উপায়ে অর্জন করেছেন ৪৬০ কোটি টাকা। এসব অর্থ তিনি বন্দরে অবৈধভাবে পণ্য খালাস করে কামিয়েছেন।

এই অর্থ দিয়ে রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকায় ৩৭টি বাড়ি ও জমি কিনেছেন। এছাড়া ঢাকার সাভার, টেকনাফসহ বিভিন্ন জায়গায় কিনেছেন সম্পত্তি।

র‍্যাবের একাধিক কর্মকর্তা এ তথ্য জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার ভোররাতে রাজধানীর মোহাম্মদপুর থেকে র‍্যাবের একটি দল তাকে আটক করে। এসময় বিপুল বিদেশি মুদ্রা, ইয়াবা ও জাল টাকা উদ্ধার করা হয়।

র‍্যাব জানায়, একসময় টেকনাফ বন্দরে ১২০ টাকা বেতনে চাকরি শুরু করেছিলেন নুরুল ইসলাম। বন্দরের কম্পিউটার অপারেটর হিসেবে কাজ করলেও অবৈধ উপায়ে কোটি কোটি উপার্জন করেছেন তিনি। পরবর্তী তার পদে অন্য আরেকজনকে চাকরি দেন। আর অবৈধ উপায়ে উপার্জন করা অর্থ দিয়ে রাজধানীর মোহাম্মদপুলে অঢেল সম্পত্তি কেনেন।

মোহাম্মদপুরের হাজি দীন মোহাম্মদ রোডে তার সাড়ে চার কাঠা জমির উপর সাততলা ভবন রয়েছে। এছাড়া নবোদয় হাউজিংয়ে সাত কাঠা জমির উপর সাততলা বাড়ি, ঢাকা উদ্যানে নয় কাঠা জমি ও ১৭ টি দোকান রয়েছে। যার মুল্য ১৫ কোটি টাকা। মোহাম্মদপুরের চন্দ্রিমা উদ্যানে চার কাঠা জমি ও দুইতলা ভবন, একতা হাউজিংয়ে চার কাঠা জমি, হাজী দিল সড়কে ১১ কাঠা ও দুই তলা সাতটি দোকান, নবোদয় হাউজিংয়ে চার কাঠা জমি ও বাড়ি রয়েছে। এমন ও অনেক সম্পদের খোঁজ র‍্যাব পেয়েছে। সব মিলিয়ে নুরুল ইসলামের ৩৭ টি জায়গা ও বাড়ির খোঁজ পাওয়া গেছে।

এছাড়া নয়টি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে নুরুল ইসলামের অনেক অর্থের সন্ধান মিলেছে।