ঢাকা ০১:৩৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

অত্যাধুনিক কক্ষ থেকে বিশ্বের উপর পুতিনের নজরদারি

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সর্বাধুনিক আবিষ্কারটি দেখলে যে কেউই চমকে উঠতে বাধ্য। কোটি কোটি ডলার খরচ করে একটি নতুন, ত্রিস্তরীয় ওয়ার রুম খুলেছে রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। যেখানে বসে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন অনায়াসে বিশ্বের যেখানে যেখানে রুশ সামরিক অভিযান চলছে তার প্রতিটি খুঁটিনাটি দেখতে পাবেন।

দুর্ভেদ্য দুর্গের মতো এই ওয়ার রুমের নাম ন্যাশনাল কন্ট্রোল ডিফেন্স সেন্টার। ওয়াশিংটন পোস্টের দাবি, গত মাসে রুশ বিমান বিস্ফোরণে ২২৪ জন নাগরিকের মৃত্যুর নিশ্চিত খবর পাওয়ার পরেই এই ওয়ার রুমকে চূড়ান্তরূপে বাস্তবায়িত করে ফেলেন পুতিন।

ওয়ার রুমের মূল স্ত্রিনটি দৈত্যাকার। ওই স্ক্রিনে সিরিয়ার উপর রুশ বিমানের ছোঁড়া প্রতিটি লং রেঞ্জ মিসাইলের গতিপথ দেখা যাবে। জঙ্গিবিরোধী সমস্ত কার্যকলাপ এক জায়গায় বসে নজরে রাখতেই এই সর্বাধুনিক ওয়ার রুম খোলা হয়েছে। রুশ বিশেষজ্ঞরা এ দাবি করলেও মার্কিন গোয়েন্দাদের আশঙ্কা, রুশ মিলিটারির এই নার্ভ সেন্টার বিশ্বের যে কোনও প্রান্তে রুশ আগ্রাসনের লক্ষ্যেই তৈরি করা হয়েছে। এমনকী, নিউক্লিয়ার হামলা বা ব্যালিস্টিক মিসাইল হামলার সময়ও পুতিন আগাগোড়া এই ওয়ার রুমে বসেই ধ্বংসলীলার যাবতীয় খুঁটিনাটি নিয়েও নির্দেশ দিতে পারবেন।

ওয়াশিংটন পোস্টের দাবি, নয়া ওয়ার রুমটি পেন্টাগনের ইউএস ন্যাশনাল মিলিটারি কমান্ড সেন্টারের সমতুল্য। যদিও রুশ ম্যাপে নয়া সেন্টারটির কোনও অস্তিত্ব নেই। মার্কিন গোয়েন্দাদের কাছে খবর, আন্ডারগ্রাউন্ড টানেলে সাপের মতো এঁকেবেকে তৈরি হয়েছে এই ওয়ার রুম। স্যাটেলাইট চিত্র থেকে এটুকুই বোঝা যাচ্ছে। জানা গিয়েছে, মস্কো নদীর বাঁ দিকে, রেড স্কোয়ার থেকে দুই মাইল দূরত্বে বানানো হয়েছে এই ওয়ার রুম।

২০১৪ সালেই এই ওয়ার রুম তৈরির কাজ শেষ হয়েছিল। কয়েকশো বিলিয়ন ডলার খরচ হয়েছে এটি তৈরি করতে। ওয়ার রুমের মাথায় রয়েছে একটি হেলিপ্যাড। রুশ বিমানবাহিনীর এমআই ৮ হেলিকপ্টার ওঠানামা করে সেখানে।

এক রুশ সাংবাদিকের দাবি, ওয়ার রুমে ঢোকার জন্য খোদ প্রেসিডেন্টের অনুমতি লাগে। আর ভিতরটা যেমন দেখতে ও অত্যাধুনিক যন্ত্রে ঠাসা, তা আমেরিকা কল্পনাও করতে পারবেন না। রুশ সেনার শীর্ষকর্তারা সেখানে বসেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

অত্যাধুনিক কক্ষ থেকে বিশ্বের উপর পুতিনের নজরদারি

আপডেট সময় ০৯:৩৭:০১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সর্বাধুনিক আবিষ্কারটি দেখলে যে কেউই চমকে উঠতে বাধ্য। কোটি কোটি ডলার খরচ করে একটি নতুন, ত্রিস্তরীয় ওয়ার রুম খুলেছে রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। যেখানে বসে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন অনায়াসে বিশ্বের যেখানে যেখানে রুশ সামরিক অভিযান চলছে তার প্রতিটি খুঁটিনাটি দেখতে পাবেন।

দুর্ভেদ্য দুর্গের মতো এই ওয়ার রুমের নাম ন্যাশনাল কন্ট্রোল ডিফেন্স সেন্টার। ওয়াশিংটন পোস্টের দাবি, গত মাসে রুশ বিমান বিস্ফোরণে ২২৪ জন নাগরিকের মৃত্যুর নিশ্চিত খবর পাওয়ার পরেই এই ওয়ার রুমকে চূড়ান্তরূপে বাস্তবায়িত করে ফেলেন পুতিন।

ওয়ার রুমের মূল স্ত্রিনটি দৈত্যাকার। ওই স্ক্রিনে সিরিয়ার উপর রুশ বিমানের ছোঁড়া প্রতিটি লং রেঞ্জ মিসাইলের গতিপথ দেখা যাবে। জঙ্গিবিরোধী সমস্ত কার্যকলাপ এক জায়গায় বসে নজরে রাখতেই এই সর্বাধুনিক ওয়ার রুম খোলা হয়েছে। রুশ বিশেষজ্ঞরা এ দাবি করলেও মার্কিন গোয়েন্দাদের আশঙ্কা, রুশ মিলিটারির এই নার্ভ সেন্টার বিশ্বের যে কোনও প্রান্তে রুশ আগ্রাসনের লক্ষ্যেই তৈরি করা হয়েছে। এমনকী, নিউক্লিয়ার হামলা বা ব্যালিস্টিক মিসাইল হামলার সময়ও পুতিন আগাগোড়া এই ওয়ার রুমে বসেই ধ্বংসলীলার যাবতীয় খুঁটিনাটি নিয়েও নির্দেশ দিতে পারবেন।

ওয়াশিংটন পোস্টের দাবি, নয়া ওয়ার রুমটি পেন্টাগনের ইউএস ন্যাশনাল মিলিটারি কমান্ড সেন্টারের সমতুল্য। যদিও রুশ ম্যাপে নয়া সেন্টারটির কোনও অস্তিত্ব নেই। মার্কিন গোয়েন্দাদের কাছে খবর, আন্ডারগ্রাউন্ড টানেলে সাপের মতো এঁকেবেকে তৈরি হয়েছে এই ওয়ার রুম। স্যাটেলাইট চিত্র থেকে এটুকুই বোঝা যাচ্ছে। জানা গিয়েছে, মস্কো নদীর বাঁ দিকে, রেড স্কোয়ার থেকে দুই মাইল দূরত্বে বানানো হয়েছে এই ওয়ার রুম।

২০১৪ সালেই এই ওয়ার রুম তৈরির কাজ শেষ হয়েছিল। কয়েকশো বিলিয়ন ডলার খরচ হয়েছে এটি তৈরি করতে। ওয়ার রুমের মাথায় রয়েছে একটি হেলিপ্যাড। রুশ বিমানবাহিনীর এমআই ৮ হেলিকপ্টার ওঠানামা করে সেখানে।

এক রুশ সাংবাদিকের দাবি, ওয়ার রুমে ঢোকার জন্য খোদ প্রেসিডেন্টের অনুমতি লাগে। আর ভিতরটা যেমন দেখতে ও অত্যাধুনিক যন্ত্রে ঠাসা, তা আমেরিকা কল্পনাও করতে পারবেন না। রুশ সেনার শীর্ষকর্তারা সেখানে বসেন।