ঢাকা ০২:৩৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

পরীমনির সহযোগী জিমির বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মাদকসহ গ্রেপ্তারের পর রিমান্ডে থাকা অভিনেত্রী পরীমনির কস্টিউম ডিজাইনার এবং তার অনেক অনৈতিক কাজের সহযোগী জুনায়েদ করিম জিমির বিরুদ্ধে মাদকের আইনে একটি মামলা হয়েছে।

শুক্রবার রাতে বনানী থানায় তার বিরুদ্ধে মামলাটি করা হয়।

বনানী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরে আজম মিয়া এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ওসি বলেন, রাতে ডিবির ইন্সপেক্টর উদয় কুমার মণ্ডল বাদী হয়ে জিমির বিরুদ্ধে মাদকের ওই মামলাটি করেন। ডিবি মামলাটির তদন্ত করবে।

শুক্রবার রাত নয়টার দিকে রাজধানীর গুলশান থেকে জিমিকে গ্রেপ্তার করেছিল গোয়েন্দা পুলিশ। পরে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের কার্যালয়ে নেওয়া হয়।

জিমিকে গ্রেপ্তারের আগে একই দিন বিকালে রাজধানীর পান্থপথ থেকে আটক হন চলচ্চিত্র নির্মাতা চয়নিকা চৌধুরী। পরে গোয়েন্দা কার্যালয়ে নেয়া হয় তাকে। সেখানে চার ঘণ্টার মতো জিজ্ঞাসাবাদ শেষে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেয়া হয় চয়নিকাকে।

পুলিশের একটি সূত্র জানায়, গ্রেপ্তারের পর রিমান্ডে থাকা পরীমনি জিজ্ঞাসাবাদে তার বিভিন্ন অপকর্মের সঙ্গে জিমির সম্পৃক্ততার কথা জানান। এজন্য তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

পরীমনির অন্ধকার জগতে জড়িয়ে পড়ার পেছনে অন্যতম সাহায্যকারী এই জিমি। যাকে নিয়ে রাত-বিরাতে বিভিন্ন ক্লাবের পার্টিতে পরীমনিকে অংশ নিতে দেখা গেছে। জিমি পরীমনির সঙ্গে সঙ্গী হয়ে অনেক দেশ ঘুরতে যেতেন। তার সঙ্গে বিত্তবানরা থাকত। বিনিময়ে জিমি তাদের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা আদায় করতো। পরীমনির এই অন্ধকার জগতে জড়িয়ে পড়ার পেছনে অন্যতম সাহায্যকারী তার কস্টিউম ডিজাইনার জিমি।

মডেলিং ও সিনেমায় অভিনয় করার পাশাপাশি পরীমনি বিভিন্ন অনুষ্ঠান আয়োজন করে সেখানে ব্যবসায়ীদের দাওয়াত দিয়ে টাকা নিতেন। ব্যবসায়ীদের সঙ্গে দেশে-বিদেশে ঘুরতে গিয়ে একজনের মাধ্যমে আরেকজনের পরিচয় হতো। একই পন্থায় তাদের কাছ থেকেও মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিতেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

পরীমনির সহযোগী জিমির বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা

আপডেট সময় ১২:৫৯:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ অগাস্ট ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মাদকসহ গ্রেপ্তারের পর রিমান্ডে থাকা অভিনেত্রী পরীমনির কস্টিউম ডিজাইনার এবং তার অনেক অনৈতিক কাজের সহযোগী জুনায়েদ করিম জিমির বিরুদ্ধে মাদকের আইনে একটি মামলা হয়েছে।

শুক্রবার রাতে বনানী থানায় তার বিরুদ্ধে মামলাটি করা হয়।

বনানী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরে আজম মিয়া এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ওসি বলেন, রাতে ডিবির ইন্সপেক্টর উদয় কুমার মণ্ডল বাদী হয়ে জিমির বিরুদ্ধে মাদকের ওই মামলাটি করেন। ডিবি মামলাটির তদন্ত করবে।

শুক্রবার রাত নয়টার দিকে রাজধানীর গুলশান থেকে জিমিকে গ্রেপ্তার করেছিল গোয়েন্দা পুলিশ। পরে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের কার্যালয়ে নেওয়া হয়।

জিমিকে গ্রেপ্তারের আগে একই দিন বিকালে রাজধানীর পান্থপথ থেকে আটক হন চলচ্চিত্র নির্মাতা চয়নিকা চৌধুরী। পরে গোয়েন্দা কার্যালয়ে নেয়া হয় তাকে। সেখানে চার ঘণ্টার মতো জিজ্ঞাসাবাদ শেষে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেয়া হয় চয়নিকাকে।

পুলিশের একটি সূত্র জানায়, গ্রেপ্তারের পর রিমান্ডে থাকা পরীমনি জিজ্ঞাসাবাদে তার বিভিন্ন অপকর্মের সঙ্গে জিমির সম্পৃক্ততার কথা জানান। এজন্য তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

পরীমনির অন্ধকার জগতে জড়িয়ে পড়ার পেছনে অন্যতম সাহায্যকারী এই জিমি। যাকে নিয়ে রাত-বিরাতে বিভিন্ন ক্লাবের পার্টিতে পরীমনিকে অংশ নিতে দেখা গেছে। জিমি পরীমনির সঙ্গে সঙ্গী হয়ে অনেক দেশ ঘুরতে যেতেন। তার সঙ্গে বিত্তবানরা থাকত। বিনিময়ে জিমি তাদের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা আদায় করতো। পরীমনির এই অন্ধকার জগতে জড়িয়ে পড়ার পেছনে অন্যতম সাহায্যকারী তার কস্টিউম ডিজাইনার জিমি।

মডেলিং ও সিনেমায় অভিনয় করার পাশাপাশি পরীমনি বিভিন্ন অনুষ্ঠান আয়োজন করে সেখানে ব্যবসায়ীদের দাওয়াত দিয়ে টাকা নিতেন। ব্যবসায়ীদের সঙ্গে দেশে-বিদেশে ঘুরতে গিয়ে একজনের মাধ্যমে আরেকজনের পরিচয় হতো। একই পন্থায় তাদের কাছ থেকেও মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিতেন।