ঢাকা ০৩:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আ.লীগ দুর্নীতি করে অর্থনীতির বেহাল দশা করে গেছে: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী পাকিস্তানের সেনাপ্রধানের সঙ্গে ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক নির্বাচনের আগে থেকেই রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নষ্ট করছে জামায়াত: মির্জা ফখরুল জঙ্গি হামলার আশঙ্কা নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই: সিটিটিসি জ্বালানির কারণে রফতানি কমেছে—এমন ধারণা ভুল: পাটমন্ত্রী বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের অভিবাসী ভিসা স্থগিত করলো যুক্তরাষ্ট্র রাউজানে টিলা কাটা নিয়ে বিরোধে বিএনপি কর্মীকে গুলি করে হত্যা যুক্তরাষ্ট্রে নিখোঁজ বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নাহিদা বৃষ্টিও মারা গেছেন মেধানির্ভর আত্মবিশ্বাসী মানবসম্পদ গড়তে চায় সরকার: প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের দাবি মেনে প্রস্তাব দিতে যাচ্ছে ইরান: ট্রাম্প

মিরপুরের আউট ফিল্ড বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছে বিসিবি

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:
মিরপুরস্থ শের-ই-বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামের আউট ফিল্ড সংক্রান্ত আইসিসির চিঠির ব্যাখ্যা দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। ২০০৬ সালে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পাওয়ার পর থেকে সবসময় প্রশংসিত হয়ে এসেছে মিরপুর স্টেডিয়াম। কিন্তু অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টের পর মাঠের আউট ফিল্ড নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল(আইসিসি)। প্রশ্ন উঠেছে বিসিবির কিউরেটর থেকে শুরু করে পুরো গ্রাউন্ডস কমিটির অদূরদর্শিতা নিয়ে।
বিসিবির সিইও নিজামউদ্দিন চৌধুরী অবশ্য কাউকে দোষারোপ করতে চান না। তিনি বলেন, স্বীকৃতি পাওয়ার পর শের-ই-বাংলা নিয়ে কোনো অভিযোগ কখনও পাইনি। এই মাঠে আইসিসির কয়েকটি বড় আয়োজন হয়েছে। ২০১৪ সালে টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনাল এখানে হয়েছে। পরপর তিনটি এশিয়া কাপ আমরা এখানেই আয়োজন করেছি। মাঠের প্রস্তুতিতে কোনো ঘাটতি ছিলো না। বৈরি আবহাওয়ার কারণে এটা হয়েছে। আইসিসি কিন্তু শুধুমাত্র ঘাসের কারণে অভিযোগ করেছে। অন্যান্য দিক ঠিক আছে।
এখন সময়ের সাথে সাথে এটা ভালো হয়ে যাবে। আমাদের প্রস্তুতির ঘাটতি ছিলো, তা বলবো না। সংস্কারের পর পুরোপুরি প্রস্তুত হওয়ার আগেই মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে গড়ায় বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া টেস্ট। ম্যাচ শুরুর আগে দেখা যায় মাঠের ঘাসগুলোর মাঝে প্রচুর ফাঁক। আন্তর্জাতিক ভেন্যুর এমন দশা কেন হলো, তার জবাব চেয়ে বিসিবিকে চিঠি দেয় আইসিসি।
চিঠিতে কী উল্লেখ করা হয়েছে, সেটি প্রকাশ না করলেও বুধবার বিসিবির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নিজামউদ্দিন চৌধুরী বলেন, আইসিসি শের-ই-বাংলার আউটফিল্ডকে বাজে বলে আখ্যায়িত করেছে। আমরা এ বিষয়ে আইসিসিকে একটা রিপোর্ট জমা দিয়েছি। আপনারা জানেন যে, গত চার-পাঁচ মাসে বাংলাদেশে যে বন্যা পরিস্থিতি ও বৃষ্টি, তাতে সময় মতো মাঠটা প্রস্তুত করা একটা চ্যালেঞ্জিং কাজ ছিলো। তারপরও আমরা চেষ্টা করেছি। আমরা মনে করি, আমাদের গ্রাউন্ডস কমিটি খুব কষ্ট করে কাজ করেছে।
Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

কলেজছাত্রের বানানো গো-কার্ট চালালেন প্রধানমন্ত্রী, দিলেন উৎসাহ

মিরপুরের আউট ফিল্ড বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছে বিসিবি

আপডেট সময় ১২:০৯:৫০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৭
আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:
মিরপুরস্থ শের-ই-বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামের আউট ফিল্ড সংক্রান্ত আইসিসির চিঠির ব্যাখ্যা দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। ২০০৬ সালে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পাওয়ার পর থেকে সবসময় প্রশংসিত হয়ে এসেছে মিরপুর স্টেডিয়াম। কিন্তু অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টের পর মাঠের আউট ফিল্ড নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল(আইসিসি)। প্রশ্ন উঠেছে বিসিবির কিউরেটর থেকে শুরু করে পুরো গ্রাউন্ডস কমিটির অদূরদর্শিতা নিয়ে।
বিসিবির সিইও নিজামউদ্দিন চৌধুরী অবশ্য কাউকে দোষারোপ করতে চান না। তিনি বলেন, স্বীকৃতি পাওয়ার পর শের-ই-বাংলা নিয়ে কোনো অভিযোগ কখনও পাইনি। এই মাঠে আইসিসির কয়েকটি বড় আয়োজন হয়েছে। ২০১৪ সালে টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনাল এখানে হয়েছে। পরপর তিনটি এশিয়া কাপ আমরা এখানেই আয়োজন করেছি। মাঠের প্রস্তুতিতে কোনো ঘাটতি ছিলো না। বৈরি আবহাওয়ার কারণে এটা হয়েছে। আইসিসি কিন্তু শুধুমাত্র ঘাসের কারণে অভিযোগ করেছে। অন্যান্য দিক ঠিক আছে।
এখন সময়ের সাথে সাথে এটা ভালো হয়ে যাবে। আমাদের প্রস্তুতির ঘাটতি ছিলো, তা বলবো না। সংস্কারের পর পুরোপুরি প্রস্তুত হওয়ার আগেই মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে গড়ায় বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া টেস্ট। ম্যাচ শুরুর আগে দেখা যায় মাঠের ঘাসগুলোর মাঝে প্রচুর ফাঁক। আন্তর্জাতিক ভেন্যুর এমন দশা কেন হলো, তার জবাব চেয়ে বিসিবিকে চিঠি দেয় আইসিসি।
চিঠিতে কী উল্লেখ করা হয়েছে, সেটি প্রকাশ না করলেও বুধবার বিসিবির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নিজামউদ্দিন চৌধুরী বলেন, আইসিসি শের-ই-বাংলার আউটফিল্ডকে বাজে বলে আখ্যায়িত করেছে। আমরা এ বিষয়ে আইসিসিকে একটা রিপোর্ট জমা দিয়েছি। আপনারা জানেন যে, গত চার-পাঁচ মাসে বাংলাদেশে যে বন্যা পরিস্থিতি ও বৃষ্টি, তাতে সময় মতো মাঠটা প্রস্তুত করা একটা চ্যালেঞ্জিং কাজ ছিলো। তারপরও আমরা চেষ্টা করেছি। আমরা মনে করি, আমাদের গ্রাউন্ডস কমিটি খুব কষ্ট করে কাজ করেছে।