ঢাকা ০৫:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

হাইতির প্রেসিডেন্টকে হত্যায় মূল সন্দেহভাজন গ্রেপ্তার

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

হাইতির পুলিশ বলছে, তারা একজন চিকিৎসককে গ্রেপ্তার করেছে। প্রেসিডেন্ট জোভেনেল মোইসেকে হামলার ঘটনায় তাকে মূল সন্দেহভাজন মনে করছে তারা। গত ৭ জুলাই নিজ বাসভবনে সন্ত্রাসীদের হামলায় নিহত হন দেশটির ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্ট। খবর বিবিসির।

পুলিশ বলছে, ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্য’ নিয়ে ৬৩ বছর বয়সী ক্রিশ্চিয়ান ইম্মানুয়েল স্যানন গত জুনের প্রথম দিকে একটি প্রাইভেট বিমানে করে হাইতিতে প্রবেশ করেন।

পুলিশের দাবি, এই হামলার ঘটনায় ২৮ জনের একটি দল জড়িত। তার মধ্যে ২৬ জন কলম্বিয়ার নাগরিক। বাকি দুজন হাইতি বংশোদ্ভূত যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক।

হামলায় প্রেসিডেন্ট মোইসের স্ত্রী মার্টিন মোইসে গুরুতর আহত হন। পরে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে যাওয়া হয়। একটি অডিও ম্যাসেজে মার্টিন মোইসে জানিয়েছেন, মুহূর্তের মধ্যেই তার স্বামীকে গুলি করে শরীর ঝাঁজরা করে দেয়া হয়। প্রেসিডেন্টকে একটি শব্দও উচ্চারণ করতে দেননি তারা।

হাইতির রাজধানী পোর্ট অব প্রিন্সে রবিবার পুলিশ ব্রিফিংয়ে স্যাননকে গ্রেপ্তারের কথা জানানো হয়। দেশটির পুলিশ প্রধান লিওন চার্লস বলেন, ‘রাজনৈতিক উদ্দেশে এই ব্যক্তি প্রাইভেট বিমানে করে হাইতিতে প্রবেশ করেছিল স্যানন। তাদের প্রথম পরিকল্পনা ছিল প্রেসিডেন্টকে আটক করা। কিন্তু পরে তারা মিশন পরিবর্তন করে। প্রেসিডেন্টকে হত্যার পেছনে আরো যে দুজনকে মূল হোতা হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে স্যানন তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল।’

যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের একটি প্রতিনিধি দল রবিবার হাইতিতে পৌঁছেছে। তারা হাইতির নিরাপত্তা পরিস্থিতি মূল্যায়ন করে দেখছেন। এই প্রতিনিধি দল হাইতির তিনজন রাজনৈতিক নেতার সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। তাদের প্রত্যেকেই দেশটির বৈধ নেতা বলে দাবি করছেন।

এই হামলার ঘটনার পর হাইতি কর্তৃপক্ষ জাতিসংঘ ও যুক্তরাষ্ট্রের কাছে সেনা সহায়তা চেয়ে আবেদন করে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

হাইতির প্রেসিডেন্টকে হত্যায় মূল সন্দেহভাজন গ্রেপ্তার

আপডেট সময় ০১:১০:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জুলাই ২০২১

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

হাইতির পুলিশ বলছে, তারা একজন চিকিৎসককে গ্রেপ্তার করেছে। প্রেসিডেন্ট জোভেনেল মোইসেকে হামলার ঘটনায় তাকে মূল সন্দেহভাজন মনে করছে তারা। গত ৭ জুলাই নিজ বাসভবনে সন্ত্রাসীদের হামলায় নিহত হন দেশটির ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্ট। খবর বিবিসির।

পুলিশ বলছে, ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্য’ নিয়ে ৬৩ বছর বয়সী ক্রিশ্চিয়ান ইম্মানুয়েল স্যানন গত জুনের প্রথম দিকে একটি প্রাইভেট বিমানে করে হাইতিতে প্রবেশ করেন।

পুলিশের দাবি, এই হামলার ঘটনায় ২৮ জনের একটি দল জড়িত। তার মধ্যে ২৬ জন কলম্বিয়ার নাগরিক। বাকি দুজন হাইতি বংশোদ্ভূত যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক।

হামলায় প্রেসিডেন্ট মোইসের স্ত্রী মার্টিন মোইসে গুরুতর আহত হন। পরে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে যাওয়া হয়। একটি অডিও ম্যাসেজে মার্টিন মোইসে জানিয়েছেন, মুহূর্তের মধ্যেই তার স্বামীকে গুলি করে শরীর ঝাঁজরা করে দেয়া হয়। প্রেসিডেন্টকে একটি শব্দও উচ্চারণ করতে দেননি তারা।

হাইতির রাজধানী পোর্ট অব প্রিন্সে রবিবার পুলিশ ব্রিফিংয়ে স্যাননকে গ্রেপ্তারের কথা জানানো হয়। দেশটির পুলিশ প্রধান লিওন চার্লস বলেন, ‘রাজনৈতিক উদ্দেশে এই ব্যক্তি প্রাইভেট বিমানে করে হাইতিতে প্রবেশ করেছিল স্যানন। তাদের প্রথম পরিকল্পনা ছিল প্রেসিডেন্টকে আটক করা। কিন্তু পরে তারা মিশন পরিবর্তন করে। প্রেসিডেন্টকে হত্যার পেছনে আরো যে দুজনকে মূল হোতা হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে স্যানন তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল।’

যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের একটি প্রতিনিধি দল রবিবার হাইতিতে পৌঁছেছে। তারা হাইতির নিরাপত্তা পরিস্থিতি মূল্যায়ন করে দেখছেন। এই প্রতিনিধি দল হাইতির তিনজন রাজনৈতিক নেতার সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। তাদের প্রত্যেকেই দেশটির বৈধ নেতা বলে দাবি করছেন।

এই হামলার ঘটনার পর হাইতি কর্তৃপক্ষ জাতিসংঘ ও যুক্তরাষ্ট্রের কাছে সেনা সহায়তা চেয়ে আবেদন করে।