ঢাকা ১০:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬, ১৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ফান্ড তৈরি করে বেকার শিক্ষার্থীদের জন্য পুঁজির ব্যবস্থা করব: তাসনিম জারা উত্তরায় ফার্নিচার মার্কেটে আগুন নির্বাচনী প্রস্তুতি প্রত্যাশার চেয়েও ভালো: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা যারা মায়েদের গায়ে হাত বাড়িয়েছেন, ক্ষমা চান: ডা. শফিকুর রহমান চট্টগ্রামে গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে গেল শিশু, চলছে উদ্ধার চেষ্টা মুক্তিযোদ্ধা চাচাকে বাবা বানিয়ে বিসিএস ক্যাডার, সিনিয়র সহকারী সচিব কারাগারে সব মাদ্রাসা শিক্ষকদের জন্য অধিদপ্তরের জরুরি নির্দেশনা কূটনীতিকদের পরিবারের নিরাপত্তা উদ্বেগের কথা জানায়নি ভারত: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বিজয়ী হলে ঢাকা-১৩ আসনে কোনো ‘ক্রাইম জোন’ থাকবে না: মামুনুল হক উত্তরায় কাঁচাবাজারে অগ্নিকাণ্ড

হাইতির প্রেসিডেন্টকে হত্যায় মূল সন্দেহভাজন গ্রেপ্তার

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

হাইতির পুলিশ বলছে, তারা একজন চিকিৎসককে গ্রেপ্তার করেছে। প্রেসিডেন্ট জোভেনেল মোইসেকে হামলার ঘটনায় তাকে মূল সন্দেহভাজন মনে করছে তারা। গত ৭ জুলাই নিজ বাসভবনে সন্ত্রাসীদের হামলায় নিহত হন দেশটির ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্ট। খবর বিবিসির।

পুলিশ বলছে, ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্য’ নিয়ে ৬৩ বছর বয়সী ক্রিশ্চিয়ান ইম্মানুয়েল স্যানন গত জুনের প্রথম দিকে একটি প্রাইভেট বিমানে করে হাইতিতে প্রবেশ করেন।

পুলিশের দাবি, এই হামলার ঘটনায় ২৮ জনের একটি দল জড়িত। তার মধ্যে ২৬ জন কলম্বিয়ার নাগরিক। বাকি দুজন হাইতি বংশোদ্ভূত যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক।

হামলায় প্রেসিডেন্ট মোইসের স্ত্রী মার্টিন মোইসে গুরুতর আহত হন। পরে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে যাওয়া হয়। একটি অডিও ম্যাসেজে মার্টিন মোইসে জানিয়েছেন, মুহূর্তের মধ্যেই তার স্বামীকে গুলি করে শরীর ঝাঁজরা করে দেয়া হয়। প্রেসিডেন্টকে একটি শব্দও উচ্চারণ করতে দেননি তারা।

হাইতির রাজধানী পোর্ট অব প্রিন্সে রবিবার পুলিশ ব্রিফিংয়ে স্যাননকে গ্রেপ্তারের কথা জানানো হয়। দেশটির পুলিশ প্রধান লিওন চার্লস বলেন, ‘রাজনৈতিক উদ্দেশে এই ব্যক্তি প্রাইভেট বিমানে করে হাইতিতে প্রবেশ করেছিল স্যানন। তাদের প্রথম পরিকল্পনা ছিল প্রেসিডেন্টকে আটক করা। কিন্তু পরে তারা মিশন পরিবর্তন করে। প্রেসিডেন্টকে হত্যার পেছনে আরো যে দুজনকে মূল হোতা হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে স্যানন তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল।’

যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের একটি প্রতিনিধি দল রবিবার হাইতিতে পৌঁছেছে। তারা হাইতির নিরাপত্তা পরিস্থিতি মূল্যায়ন করে দেখছেন। এই প্রতিনিধি দল হাইতির তিনজন রাজনৈতিক নেতার সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। তাদের প্রত্যেকেই দেশটির বৈধ নেতা বলে দাবি করছেন।

এই হামলার ঘটনার পর হাইতি কর্তৃপক্ষ জাতিসংঘ ও যুক্তরাষ্ট্রের কাছে সেনা সহায়তা চেয়ে আবেদন করে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মহাকাশ গবেষণায় নতুন দিগন্ত খুলছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা

হাইতির প্রেসিডেন্টকে হত্যায় মূল সন্দেহভাজন গ্রেপ্তার

আপডেট সময় ০১:১০:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জুলাই ২০২১

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

হাইতির পুলিশ বলছে, তারা একজন চিকিৎসককে গ্রেপ্তার করেছে। প্রেসিডেন্ট জোভেনেল মোইসেকে হামলার ঘটনায় তাকে মূল সন্দেহভাজন মনে করছে তারা। গত ৭ জুলাই নিজ বাসভবনে সন্ত্রাসীদের হামলায় নিহত হন দেশটির ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্ট। খবর বিবিসির।

পুলিশ বলছে, ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্য’ নিয়ে ৬৩ বছর বয়সী ক্রিশ্চিয়ান ইম্মানুয়েল স্যানন গত জুনের প্রথম দিকে একটি প্রাইভেট বিমানে করে হাইতিতে প্রবেশ করেন।

পুলিশের দাবি, এই হামলার ঘটনায় ২৮ জনের একটি দল জড়িত। তার মধ্যে ২৬ জন কলম্বিয়ার নাগরিক। বাকি দুজন হাইতি বংশোদ্ভূত যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক।

হামলায় প্রেসিডেন্ট মোইসের স্ত্রী মার্টিন মোইসে গুরুতর আহত হন। পরে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে যাওয়া হয়। একটি অডিও ম্যাসেজে মার্টিন মোইসে জানিয়েছেন, মুহূর্তের মধ্যেই তার স্বামীকে গুলি করে শরীর ঝাঁজরা করে দেয়া হয়। প্রেসিডেন্টকে একটি শব্দও উচ্চারণ করতে দেননি তারা।

হাইতির রাজধানী পোর্ট অব প্রিন্সে রবিবার পুলিশ ব্রিফিংয়ে স্যাননকে গ্রেপ্তারের কথা জানানো হয়। দেশটির পুলিশ প্রধান লিওন চার্লস বলেন, ‘রাজনৈতিক উদ্দেশে এই ব্যক্তি প্রাইভেট বিমানে করে হাইতিতে প্রবেশ করেছিল স্যানন। তাদের প্রথম পরিকল্পনা ছিল প্রেসিডেন্টকে আটক করা। কিন্তু পরে তারা মিশন পরিবর্তন করে। প্রেসিডেন্টকে হত্যার পেছনে আরো যে দুজনকে মূল হোতা হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে স্যানন তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল।’

যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের একটি প্রতিনিধি দল রবিবার হাইতিতে পৌঁছেছে। তারা হাইতির নিরাপত্তা পরিস্থিতি মূল্যায়ন করে দেখছেন। এই প্রতিনিধি দল হাইতির তিনজন রাজনৈতিক নেতার সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। তাদের প্রত্যেকেই দেশটির বৈধ নেতা বলে দাবি করছেন।

এই হামলার ঘটনার পর হাইতি কর্তৃপক্ষ জাতিসংঘ ও যুক্তরাষ্ট্রের কাছে সেনা সহায়তা চেয়ে আবেদন করে।