ঢাকা ০৮:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
একটি রাজনৈতিক দল বিভিন্ন এলাকা থেকে ভোটারদের ঢাকায় স্থানান্তর করে আনছে: ফখরুলের অভিযোগ নরসিংদীতে দুই ব্যবসায়ীর ঝগড়ায় একজনের মৃত্যু, অভিযুক্তর বাড়িতে ভাঙচুর-আগুন ৭ কলেজ নিয়ে ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’ অধ্যাদেশ চূড়ান্ত আমি এসেছি শুধু শুনতে, শিখতে এবং একসঙ্গে কাজ করার মনোভাব নিয়ে এগিয়ে যেতে: জাইমা রহমান চাকরির ক্ষেত্রে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি হয়েছে কিনা তা দেখা উচিত : আমীর খসরু ওসমানী হাসপাতাল ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার যুক্তরাষ্ট্রেকেও খেসারত দিতে হবে, ফরাসি কৃষিমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি ভুয়া জরিপ ও মিথ্যা প্রচারণা দিয়ে রাজনৈতিক ইতিহাস বদলানো যাবে না : দুদু গণ-অভ্যুত্থানের নিষ্ঠুরতম খুনিদের বিচার নিশ্চিত করা হবে : তাজুল ইসলাম এক্সপেকটেশন যদি ১০ থাকে, অন্তত চার তো অর্জন করতে পেরেছি : আসিফ নজরুল

প্রধানমন্ত্রীর এপিএস পরিচয়ে প্রতারণা: পাঁচদিনের রিমান্ডে কবির

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী (এপিএস) ও আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়ার পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও জেলা প্রশাসকদের কাছে টাকা দাবি করার অভিযোগে গ্রেফতার গিয়াস উদ্দিন কবিরকে পাঁচদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

রোববার (১১ জুলাই) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জসিম রিমান্ড মঞ্জুর করে আদেশ দেন।

এদিন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) আসাদুজ্জামান আসামিকে আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। সেই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক তার পাঁচদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

রোববার কুমিল্লা থেকে তাকে গ্রেফতার করেন সিটি-সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন ডিভিশন।

পুলিশ জানায়, গ্রেফতার ব্যক্তির কাছ থেকে একটি মোবাইল ও সিম উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি তার অপরাধের কথা স্বীকার করেছে।

জানা যায়, প্রতারণা চক্রের সদস্য গিয়াস উদ্দিন কবির কিছু দিন ধরে বন ও পরিবেশ মন্ত্রী, বিভিন্ন জেলা প্রশাসক এবং পুলিশের বিভিন্ন কর্মকর্তাদের কাছে টাকা দাবি করে। এ চক্র কুমিল্লা জেলার অ্যাডভোকেট কামাল হোসেনের কাছ হতে ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়ার পরিচয় ধারণ করে দেড় লাখ টাকা নেয়। এছাড়া প্রতারণার অংশ হিসেবে এ চক্র বিভিন্ন মন্ত্রী এবং সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের কাছে কখনও ভয়েস কল বা কখনও মেসেজের মাধ্যমে টাকা দাবি করতো।

ওই চক্র প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়ার পরিচয় ধারণ করে বিভিন্ন ব্যক্তির চাকুরি বা বদলির কথা বলে টাকা দাবি করে। কেউ টাকা দিতে অস্বীকার করলে ভয়ভীতি ও সামাজিকভাবে মানসম্মান ক্ষুণ্ন করার হুমকি দিতো। অনেকে ভয়ে এ প্রতারক চক্রকে বিভিন্ন পরিমাণ টাকা দিতো। ওই ঘটনায় পল্টন থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮ এর ২৩/২৪ ধারায় একটি মামলা হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

উত্তরায় নিরাপত্তাকর্মীকে পিটিয়ে অস্ত্র ছিনতাই-অপহরণ

প্রধানমন্ত্রীর এপিএস পরিচয়ে প্রতারণা: পাঁচদিনের রিমান্ডে কবির

আপডেট সময় ১১:২৪:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জুলাই ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী (এপিএস) ও আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়ার পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও জেলা প্রশাসকদের কাছে টাকা দাবি করার অভিযোগে গ্রেফতার গিয়াস উদ্দিন কবিরকে পাঁচদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

রোববার (১১ জুলাই) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জসিম রিমান্ড মঞ্জুর করে আদেশ দেন।

এদিন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) আসাদুজ্জামান আসামিকে আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। সেই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক তার পাঁচদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

রোববার কুমিল্লা থেকে তাকে গ্রেফতার করেন সিটি-সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন ডিভিশন।

পুলিশ জানায়, গ্রেফতার ব্যক্তির কাছ থেকে একটি মোবাইল ও সিম উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি তার অপরাধের কথা স্বীকার করেছে।

জানা যায়, প্রতারণা চক্রের সদস্য গিয়াস উদ্দিন কবির কিছু দিন ধরে বন ও পরিবেশ মন্ত্রী, বিভিন্ন জেলা প্রশাসক এবং পুলিশের বিভিন্ন কর্মকর্তাদের কাছে টাকা দাবি করে। এ চক্র কুমিল্লা জেলার অ্যাডভোকেট কামাল হোসেনের কাছ হতে ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়ার পরিচয় ধারণ করে দেড় লাখ টাকা নেয়। এছাড়া প্রতারণার অংশ হিসেবে এ চক্র বিভিন্ন মন্ত্রী এবং সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের কাছে কখনও ভয়েস কল বা কখনও মেসেজের মাধ্যমে টাকা দাবি করতো।

ওই চক্র প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়ার পরিচয় ধারণ করে বিভিন্ন ব্যক্তির চাকুরি বা বদলির কথা বলে টাকা দাবি করে। কেউ টাকা দিতে অস্বীকার করলে ভয়ভীতি ও সামাজিকভাবে মানসম্মান ক্ষুণ্ন করার হুমকি দিতো। অনেকে ভয়ে এ প্রতারক চক্রকে বিভিন্ন পরিমাণ টাকা দিতো। ওই ঘটনায় পল্টন থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮ এর ২৩/২৪ ধারায় একটি মামলা হয়।