ঢাকা ০৮:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টাকা খেয়ে ভোট দিলে নেতা এসে রাস্তা খেয়ে ফেলবে: আখতার হোসেন সুষ্ঠু নির্বাচনে জার্মানির সহায়তা চাইলেন জামায়াত আমির জাতীয় পতাকা হাতে প্যারাস্যুট জাম্প, গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে বাংলাদেশ বরেণ্য লোকসংগীতশিল্পী ও মুক্তিযুদ্ধের কণ্ঠযোদ্ধা মলয় কুমার মারা গেছেন ভবিষ্যৎ অর্থনীতির শক্ত ভিত্তি গড়ার দায়িত্ব সরকারের : আশিক মাহমুদ গণভোটে ‘হ্যাঁ’র পক্ষে বিএনপি : নজরুল ইসলাম খান অবিলম্বে মার্কিন নাগরিকদের ইরান ত্যাগের নির্দেশ প্রতারণা করে অর্থ আদায়, ৫১ হাজার সিমসহ ৫ চীনা নাগরিক গ্রেপ্তার সংসদে আর নৃত্যগীত হবে না, মানুষের উন্নয়নের কথা বলা হবে: সালাহউদ্দিন আলোচনার মাধ্যমে সমাধান খুঁজতে বাংলাদেশকে অনুরোধ আইসিসির, অনড় বিসিবি

আমরা এক বোধহীন স্বাস্থ্যমন্ত্রী পেয়েছিলাম

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আজ ২৪ ঘণ্টায় করোনায় ১৬৪ জনের প্রাণহানী ঘঠেছে। কি চরম দুঃসংবাদ। কি উৎকণ্ঠা ও আতঙ্কের যে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়েছে দেশে। সংক্রমণের সংখ্যা বাড়ছে। আইসিইউ ও বেড মিলছে না হাসপাতালগুলিতে। অক্সিজেনের জন্য হাহাকার।

আমরা এক বোধহীন স্বাস্থ্যমন্ত্রী পেয়েছিলাম। এত ব্যর্থতার পরেও তাকে সরিয়ে গতিশীল কাউকে আনা গেলো না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এক বছর আগেই জেলা সদর হাসপাতালে আইসিইউ বেড, অক্সিজেনের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে বলেছিলেন। করা হয়নি। যা হয়েছে অপ্রতুল। এমন কি বাজেটে যে বরাদ্দ দেয়া হয়েছিলো সেটিও খরচ করতে পারেননি। আল্লাহ জানেন কি ভয়ংকর পরিণতি আমাদের সামনে। ফেসবুক খুললেই কেবল মৃত্যুর সংবাদ। মানুষকেও সতর্ক সচেতন হওয়া বড় বেশি জরুরি। করোনার টেস্ট করাতে হবে, টিকা নিতে হবে, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। অনেকে উপসর্গ নিয়েও টেস্ট করাচ্ছেন না, এতে নিজেও ঝুঁকিতে, সংক্রমিতও করছেন চারপাশে। বাড়ছে শনাক্তের হার। বাড়ছে মৃত্যুর মিছিল।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আমরা এক বোধহীন স্বাস্থ্যমন্ত্রী পেয়েছিলাম

আপডেট সময় ১০:৪৫:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ জুলাই ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আজ ২৪ ঘণ্টায় করোনায় ১৬৪ জনের প্রাণহানী ঘঠেছে। কি চরম দুঃসংবাদ। কি উৎকণ্ঠা ও আতঙ্কের যে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়েছে দেশে। সংক্রমণের সংখ্যা বাড়ছে। আইসিইউ ও বেড মিলছে না হাসপাতালগুলিতে। অক্সিজেনের জন্য হাহাকার।

আমরা এক বোধহীন স্বাস্থ্যমন্ত্রী পেয়েছিলাম। এত ব্যর্থতার পরেও তাকে সরিয়ে গতিশীল কাউকে আনা গেলো না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এক বছর আগেই জেলা সদর হাসপাতালে আইসিইউ বেড, অক্সিজেনের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে বলেছিলেন। করা হয়নি। যা হয়েছে অপ্রতুল। এমন কি বাজেটে যে বরাদ্দ দেয়া হয়েছিলো সেটিও খরচ করতে পারেননি। আল্লাহ জানেন কি ভয়ংকর পরিণতি আমাদের সামনে। ফেসবুক খুললেই কেবল মৃত্যুর সংবাদ। মানুষকেও সতর্ক সচেতন হওয়া বড় বেশি জরুরি। করোনার টেস্ট করাতে হবে, টিকা নিতে হবে, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। অনেকে উপসর্গ নিয়েও টেস্ট করাচ্ছেন না, এতে নিজেও ঝুঁকিতে, সংক্রমিতও করছেন চারপাশে। বাড়ছে শনাক্তের হার। বাড়ছে মৃত্যুর মিছিল।