ঢাকা ০৬:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তারেক রহমানের নেতৃত্বে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে গণঅভ্যুত্থান হয়েছে: সেতুমন্ত্রী মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিক্রি করি না, ধারণ করি: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সংবিধান সংশোধনে ১৭ সদস্যের কমিটি গঠনের প্রস্তাব সরকারি দলের ভদ্রতার দিন শেষ, রাইফেল হাতে ইরানকে হুমকি ট্রাম্পের প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদের গাড়িতে ধাক্কা, বাসচালক গ্রেফতার সংরক্ষিত নারী আসনের ৪৯ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে করা চুক্তি সংসদে আনার দাবি রুমিন ফারহানার অর্থনীতিকে গতিশীল করতে ব্যবসায়ীদের মতামতকে গুরুত্ব দেবে সরকার : বাণিজ্যমন্ত্রী সংসদ চলাকালে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লেন জামায়াতের এমপি তলানিতে থাকা অর্থনীতিকে তুলে ধরতে বড় বিনিয়োগ জরুরি : অর্থমন্ত্রী

ঋণ পরিশোধে ফের সময় পেল আর্থিক প্রতিষ্ঠানের গ্রাহকরা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

করোনা মহামারি বিবেচনায় এনে ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানের গ্রাহকদের ঋণ পরিশোধে আবারও সময় বাড়িয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ফলে ৩০ জুনে যাদের কিস্তি পরিশোধের সময় ছিল, তারা আগামী আগস্টে পরিশোধ করতে পারবেন।

এই বিলম্বের কারণে কোনো গ্রাহককে খেলাপি করা যাবে না। একইসঙ্গে গ্রাহকের ঋণে কোনো ধরনের অতিরিক্ত মাশুল, সুদ বা কমিশন আদায় করা যাবে না।

সোমবার (৫ জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বাজার বিভাগ এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা আর্থিকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠিয়েছে।

গত বছর এবং চলতি বছরের ২০ এপ্রিল আর্থিক প্রতিষ্ঠানের গ্রাহকদের একই সুবিধা দিয়েছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। জুনে তার মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। নির্দেশনায় কোভিড-১৯-এর সংক্রমণ পুনরায় বৃদ্ধি পাওয়ায় চলমান অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতিশীলতা বজায় রাখা এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের ওপর এর নেতিবাচক প্রভাব লাঘবের লক্ষ্যে নিম্নোক্ত নির্দেশনাসমূহ অনুসরণের জন্য পরামর্শ দেয়া হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ঋণ-লিজ-অগ্রিমের বিপরীতে জুন/২০২১ পর্যন্ত প্রদেয় কিস্তিসমূহের ন্যূনতম ৫০ শতাংশ আর্থিক প্রতিষ্ঠান-গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে চলতি বছর ৩১ আগস্টের মধ্যে পরিশোধ করা হলে উক্ত সময়ে ঋণ-লিজ-অগ্রিমসমূহ বিরূপমানে শ্রেণিকরণ করা যাবে না। এক্ষেত্রে জুন/২০২১ পর্যন্ত প্রদেয় কিস্তির অবশিষ্টাং পরবর্তী কিস্তির সঙ্গে প্রদেয় হবে। উক্ত ঋণ-লিজ-অগ্রিম হিসাবসমূহের সুদ-মুনাফা শুধু প্রকৃত আদায় সাপেক্ষে আয়খাতে স্থানান্তর করা যাবে এবং ঋণ-লিজ-অগ্রিমের ওপর সুদ/মুনাফা হিসাবায়নের ক্ষেত্রে এতদসংক্রান্ত বিদ্যমান অন্যান্য নীতিমালা বলবৎ থাকবে এবং এ সময়ে কোনো দণ্ড সুদ বা অতিরিক্ত ফি বা চার্জকমিশন (যে নামেই অভিহিত করা হোক না কেন) আরোপ করা যাবে না।

আর্থিক প্রতিষ্ঠান আইন, ১৯৯৩ এর ১৮(ছ) ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ নির্দেশনা জারি করা হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

তারেক রহমানের নেতৃত্বে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে গণঅভ্যুত্থান হয়েছে: সেতুমন্ত্রী

ঋণ পরিশোধে ফের সময় পেল আর্থিক প্রতিষ্ঠানের গ্রাহকরা

আপডেট সময় ০৫:১২:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ জুলাই ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

করোনা মহামারি বিবেচনায় এনে ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানের গ্রাহকদের ঋণ পরিশোধে আবারও সময় বাড়িয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ফলে ৩০ জুনে যাদের কিস্তি পরিশোধের সময় ছিল, তারা আগামী আগস্টে পরিশোধ করতে পারবেন।

এই বিলম্বের কারণে কোনো গ্রাহককে খেলাপি করা যাবে না। একইসঙ্গে গ্রাহকের ঋণে কোনো ধরনের অতিরিক্ত মাশুল, সুদ বা কমিশন আদায় করা যাবে না।

সোমবার (৫ জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বাজার বিভাগ এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা আর্থিকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠিয়েছে।

গত বছর এবং চলতি বছরের ২০ এপ্রিল আর্থিক প্রতিষ্ঠানের গ্রাহকদের একই সুবিধা দিয়েছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। জুনে তার মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। নির্দেশনায় কোভিড-১৯-এর সংক্রমণ পুনরায় বৃদ্ধি পাওয়ায় চলমান অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতিশীলতা বজায় রাখা এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের ওপর এর নেতিবাচক প্রভাব লাঘবের লক্ষ্যে নিম্নোক্ত নির্দেশনাসমূহ অনুসরণের জন্য পরামর্শ দেয়া হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ঋণ-লিজ-অগ্রিমের বিপরীতে জুন/২০২১ পর্যন্ত প্রদেয় কিস্তিসমূহের ন্যূনতম ৫০ শতাংশ আর্থিক প্রতিষ্ঠান-গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে চলতি বছর ৩১ আগস্টের মধ্যে পরিশোধ করা হলে উক্ত সময়ে ঋণ-লিজ-অগ্রিমসমূহ বিরূপমানে শ্রেণিকরণ করা যাবে না। এক্ষেত্রে জুন/২০২১ পর্যন্ত প্রদেয় কিস্তির অবশিষ্টাং পরবর্তী কিস্তির সঙ্গে প্রদেয় হবে। উক্ত ঋণ-লিজ-অগ্রিম হিসাবসমূহের সুদ-মুনাফা শুধু প্রকৃত আদায় সাপেক্ষে আয়খাতে স্থানান্তর করা যাবে এবং ঋণ-লিজ-অগ্রিমের ওপর সুদ/মুনাফা হিসাবায়নের ক্ষেত্রে এতদসংক্রান্ত বিদ্যমান অন্যান্য নীতিমালা বলবৎ থাকবে এবং এ সময়ে কোনো দণ্ড সুদ বা অতিরিক্ত ফি বা চার্জকমিশন (যে নামেই অভিহিত করা হোক না কেন) আরোপ করা যাবে না।

আর্থিক প্রতিষ্ঠান আইন, ১৯৯৩ এর ১৮(ছ) ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ নির্দেশনা জারি করা হয়।