ঢাকা ১১:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শিশুরা নিজেদের গড়ে তুললে দেশ সঠিকভাবে গড়ে উঠবে: প্রধানমন্ত্রী ভারত সীমান্তে চীনের রণহুংকার, পাল্টা জবাবে এক দশক পিছিয়ে দিল্লি গ্যাস সংকট স্বাভাবিক হতে লাগবে আরও ১০–১৫ দিন: জ্বালানিমন্ত্রী গ্রন্থাগারে ঢুকে শিক্ষার্থীদের মারধর করলেন রাকসু ও শিবির নেতারা চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চলের নির্মাণ শুরু, আসবে ১.৩ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ গণমাধ্যমের জন্য নীতিমালা প্রণয়নে সম্পাদকদের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ-চীন অর্থনৈতিক অঞ্চল শিল্প বিপ্লব ও কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ভারতের আন্দোলনের সফলতাকে নিজেদের বলে দাবি করেছে জামায়াতের বুদ্ধিজীবীরা: রাশেদ খাঁন ৩ শর্তে লাইসেন্স ফিরে পেল আদ্-দ্বীন হাসপাতাল মানুষের আস্থার কেন্দ্র, চিকিৎসাসেবা হতে হবে রোগীবান্ধব: তথ্যমন্ত্রী

ঋণ পরিশোধে ফের সময় পেল আর্থিক প্রতিষ্ঠানের গ্রাহকরা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

করোনা মহামারি বিবেচনায় এনে ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানের গ্রাহকদের ঋণ পরিশোধে আবারও সময় বাড়িয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ফলে ৩০ জুনে যাদের কিস্তি পরিশোধের সময় ছিল, তারা আগামী আগস্টে পরিশোধ করতে পারবেন।

এই বিলম্বের কারণে কোনো গ্রাহককে খেলাপি করা যাবে না। একইসঙ্গে গ্রাহকের ঋণে কোনো ধরনের অতিরিক্ত মাশুল, সুদ বা কমিশন আদায় করা যাবে না।

সোমবার (৫ জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বাজার বিভাগ এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা আর্থিকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠিয়েছে।

গত বছর এবং চলতি বছরের ২০ এপ্রিল আর্থিক প্রতিষ্ঠানের গ্রাহকদের একই সুবিধা দিয়েছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। জুনে তার মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। নির্দেশনায় কোভিড-১৯-এর সংক্রমণ পুনরায় বৃদ্ধি পাওয়ায় চলমান অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতিশীলতা বজায় রাখা এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের ওপর এর নেতিবাচক প্রভাব লাঘবের লক্ষ্যে নিম্নোক্ত নির্দেশনাসমূহ অনুসরণের জন্য পরামর্শ দেয়া হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ঋণ-লিজ-অগ্রিমের বিপরীতে জুন/২০২১ পর্যন্ত প্রদেয় কিস্তিসমূহের ন্যূনতম ৫০ শতাংশ আর্থিক প্রতিষ্ঠান-গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে চলতি বছর ৩১ আগস্টের মধ্যে পরিশোধ করা হলে উক্ত সময়ে ঋণ-লিজ-অগ্রিমসমূহ বিরূপমানে শ্রেণিকরণ করা যাবে না। এক্ষেত্রে জুন/২০২১ পর্যন্ত প্রদেয় কিস্তির অবশিষ্টাং পরবর্তী কিস্তির সঙ্গে প্রদেয় হবে। উক্ত ঋণ-লিজ-অগ্রিম হিসাবসমূহের সুদ-মুনাফা শুধু প্রকৃত আদায় সাপেক্ষে আয়খাতে স্থানান্তর করা যাবে এবং ঋণ-লিজ-অগ্রিমের ওপর সুদ/মুনাফা হিসাবায়নের ক্ষেত্রে এতদসংক্রান্ত বিদ্যমান অন্যান্য নীতিমালা বলবৎ থাকবে এবং এ সময়ে কোনো দণ্ড সুদ বা অতিরিক্ত ফি বা চার্জকমিশন (যে নামেই অভিহিত করা হোক না কেন) আরোপ করা যাবে না।

আর্থিক প্রতিষ্ঠান আইন, ১৯৯৩ এর ১৮(ছ) ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ নির্দেশনা জারি করা হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শিশুরা নিজেদের গড়ে তুললে দেশ সঠিকভাবে গড়ে উঠবে: প্রধানমন্ত্রী

ঋণ পরিশোধে ফের সময় পেল আর্থিক প্রতিষ্ঠানের গ্রাহকরা

আপডেট সময় ০৫:১২:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ জুলাই ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

করোনা মহামারি বিবেচনায় এনে ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানের গ্রাহকদের ঋণ পরিশোধে আবারও সময় বাড়িয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ফলে ৩০ জুনে যাদের কিস্তি পরিশোধের সময় ছিল, তারা আগামী আগস্টে পরিশোধ করতে পারবেন।

এই বিলম্বের কারণে কোনো গ্রাহককে খেলাপি করা যাবে না। একইসঙ্গে গ্রাহকের ঋণে কোনো ধরনের অতিরিক্ত মাশুল, সুদ বা কমিশন আদায় করা যাবে না।

সোমবার (৫ জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বাজার বিভাগ এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা আর্থিকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠিয়েছে।

গত বছর এবং চলতি বছরের ২০ এপ্রিল আর্থিক প্রতিষ্ঠানের গ্রাহকদের একই সুবিধা দিয়েছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। জুনে তার মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। নির্দেশনায় কোভিড-১৯-এর সংক্রমণ পুনরায় বৃদ্ধি পাওয়ায় চলমান অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতিশীলতা বজায় রাখা এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের ওপর এর নেতিবাচক প্রভাব লাঘবের লক্ষ্যে নিম্নোক্ত নির্দেশনাসমূহ অনুসরণের জন্য পরামর্শ দেয়া হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ঋণ-লিজ-অগ্রিমের বিপরীতে জুন/২০২১ পর্যন্ত প্রদেয় কিস্তিসমূহের ন্যূনতম ৫০ শতাংশ আর্থিক প্রতিষ্ঠান-গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে চলতি বছর ৩১ আগস্টের মধ্যে পরিশোধ করা হলে উক্ত সময়ে ঋণ-লিজ-অগ্রিমসমূহ বিরূপমানে শ্রেণিকরণ করা যাবে না। এক্ষেত্রে জুন/২০২১ পর্যন্ত প্রদেয় কিস্তির অবশিষ্টাং পরবর্তী কিস্তির সঙ্গে প্রদেয় হবে। উক্ত ঋণ-লিজ-অগ্রিম হিসাবসমূহের সুদ-মুনাফা শুধু প্রকৃত আদায় সাপেক্ষে আয়খাতে স্থানান্তর করা যাবে এবং ঋণ-লিজ-অগ্রিমের ওপর সুদ/মুনাফা হিসাবায়নের ক্ষেত্রে এতদসংক্রান্ত বিদ্যমান অন্যান্য নীতিমালা বলবৎ থাকবে এবং এ সময়ে কোনো দণ্ড সুদ বা অতিরিক্ত ফি বা চার্জকমিশন (যে নামেই অভিহিত করা হোক না কেন) আরোপ করা যাবে না।

আর্থিক প্রতিষ্ঠান আইন, ১৯৯৩ এর ১৮(ছ) ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ নির্দেশনা জারি করা হয়।