ঢাকা ১০:৪১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

কাদের মির্জার বিরুদ্ধে ছোটবোনের মামলা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নোয়াখালীর বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জাকে আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন তার ছোটবোন রোকেয়া বেগম। গত বুধবার সন্ধ্যায় তার বাসায় হামলার ঘটনায় এ মামলা করেন তিনি।

বৃহস্পতিবার সকালে ৩২ জনের বিরুদ্ধে থানায় একটি অভিযোগ দেন তিনি। তবে শনিবার রাত পর্যন্ত অভিযোগটি রেকর্ড হয়নি বলে অভিযোগ রোকেয়া বেগমের। পরে সেটি রেকর্ড করে পুলিশ।

রোকেয়া বেগম অভিযোগ করে বলেন, এজাহারে ওই ঘটনার ‘নির্দেশদাতা’ মেয়র কাদের মির্জার নাম থাকায় পুলিশ ‘টেকনিক্যালি অ্যাভয়েড’ করেছে। এজাহার দেওয়ার পর পুলিশ তাকে মেয়র কাদের মির্জার নাম বাদ দিতে বলেছে। তবে ওই নাম বাদ দিলে মামলার প্রয়োজন নেই বলে পুলিশকে জানিয়েছেন রোকেয়া বেগম।

রোকেয়া বেগম বলেন, সেদিন কেচ্ছা রাসেলসহ যারা আমার বাসায় হামলা চালিয়েছে সবাই কাদের মির্জার ঘনিষ্ঠ সহযোগী। তার (কাদের মির্জা) নির্দেশে সন্ত্রাসীরা আমার ছেলে ফখরুল ইসলাম রাহাতকে হত্যা করতে এসেছিল।

থানায় দেওয়া অভিযোগে ভাই কাদের মির্জাকে ৪ নম্বর আসামি করেছেন তার বোন। প্রধান আসামি করা হয়েছে কাদের মির্জার ঘনিষ্ঠ সহযোগী শহীদ উল্যাহ রাসেল প্রকাশ কেচ্ছা রাসেলকে। এ মামলায় ৩২ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন আনোয়ার জানান, এজাহারের বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

প্রসঙ্গত, গত বুধবার সন্ধ্যায় কোম্পানীগঞ্জ থানা থেকে মাত্র ১০ ফুট দূরে কাদের মির্জার ছোটবোন রোকেয়া বেগমের বাসায় হামলা করে দুর্বৃত্তরা। তিনি এ হামলার জন্য তার ভাই বসুরহাটের মেয়র আবদুল কাদের মির্জা ও তার লোকজনকে দায়ী করেন। রোকেয়া বেগমের ছেলে ও সেতুমন্ত্রীর ভাগিনা ফখরুল ইসলাম রাহাত মেয়র কাদের মির্জাবিরোধী আওয়ামী লীগের অনুসারী এবং সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদলের সমর্থক

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

কাদের মির্জার বিরুদ্ধে ছোটবোনের মামলা

আপডেট সময় ১০:৫৬:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ জুন ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নোয়াখালীর বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জাকে আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন তার ছোটবোন রোকেয়া বেগম। গত বুধবার সন্ধ্যায় তার বাসায় হামলার ঘটনায় এ মামলা করেন তিনি।

বৃহস্পতিবার সকালে ৩২ জনের বিরুদ্ধে থানায় একটি অভিযোগ দেন তিনি। তবে শনিবার রাত পর্যন্ত অভিযোগটি রেকর্ড হয়নি বলে অভিযোগ রোকেয়া বেগমের। পরে সেটি রেকর্ড করে পুলিশ।

রোকেয়া বেগম অভিযোগ করে বলেন, এজাহারে ওই ঘটনার ‘নির্দেশদাতা’ মেয়র কাদের মির্জার নাম থাকায় পুলিশ ‘টেকনিক্যালি অ্যাভয়েড’ করেছে। এজাহার দেওয়ার পর পুলিশ তাকে মেয়র কাদের মির্জার নাম বাদ দিতে বলেছে। তবে ওই নাম বাদ দিলে মামলার প্রয়োজন নেই বলে পুলিশকে জানিয়েছেন রোকেয়া বেগম।

রোকেয়া বেগম বলেন, সেদিন কেচ্ছা রাসেলসহ যারা আমার বাসায় হামলা চালিয়েছে সবাই কাদের মির্জার ঘনিষ্ঠ সহযোগী। তার (কাদের মির্জা) নির্দেশে সন্ত্রাসীরা আমার ছেলে ফখরুল ইসলাম রাহাতকে হত্যা করতে এসেছিল।

থানায় দেওয়া অভিযোগে ভাই কাদের মির্জাকে ৪ নম্বর আসামি করেছেন তার বোন। প্রধান আসামি করা হয়েছে কাদের মির্জার ঘনিষ্ঠ সহযোগী শহীদ উল্যাহ রাসেল প্রকাশ কেচ্ছা রাসেলকে। এ মামলায় ৩২ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন আনোয়ার জানান, এজাহারের বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

প্রসঙ্গত, গত বুধবার সন্ধ্যায় কোম্পানীগঞ্জ থানা থেকে মাত্র ১০ ফুট দূরে কাদের মির্জার ছোটবোন রোকেয়া বেগমের বাসায় হামলা করে দুর্বৃত্তরা। তিনি এ হামলার জন্য তার ভাই বসুরহাটের মেয়র আবদুল কাদের মির্জা ও তার লোকজনকে দায়ী করেন। রোকেয়া বেগমের ছেলে ও সেতুমন্ত্রীর ভাগিনা ফখরুল ইসলাম রাহাত মেয়র কাদের মির্জাবিরোধী আওয়ামী লীগের অনুসারী এবং সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদলের সমর্থক