ঢাকা ০৮:২৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট বনশ্রীতে স্কুলছাত্রী খুন,পুলিশের সন্দেহের তালিকায় পলাতক রেস্তোরাঁ কর্মী স্বৈরাচারের লোকেরা নির্বাচন ভণ্ডুলের চেষ্টা করবে: ড. মুহাম্মদ ইউনূস গাজীপুরে নবজাতকের লাশ নিয়ে কুকুরের টানাহ্যাঁচড়া, উদ্ধার করল পুলিশ ধর্মকে পুঁজি করে মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে, ধোঁকা দেওয়া হচ্ছে : খায়রুল কবির খোকন দলে বড় নাম থাকলেও জেতার জন্য সবাইকে আরও দায়িত্ব নিতে হবে: সোহান ২৫ জন বাংলাদেশিকে ক্ষমা করল আমিরাত দেশের ভবিষ্যত গড়ার জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয় নিশ্চিত করতে হবে : চরমোনাই পীর ব্যালটবাক্স ভরে কোনো নির্দিষ্ট প্রতীকের জয়ের সুযোগ নেই: রুমিন ফারহানা এইচএসসি পাসে নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ , রোগী দেখেন দুই জেলায়

কাদের মির্জার বিরুদ্ধে ছোটবোনের মামলা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নোয়াখালীর বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জাকে আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন তার ছোটবোন রোকেয়া বেগম। গত বুধবার সন্ধ্যায় তার বাসায় হামলার ঘটনায় এ মামলা করেন তিনি।

বৃহস্পতিবার সকালে ৩২ জনের বিরুদ্ধে থানায় একটি অভিযোগ দেন তিনি। তবে শনিবার রাত পর্যন্ত অভিযোগটি রেকর্ড হয়নি বলে অভিযোগ রোকেয়া বেগমের। পরে সেটি রেকর্ড করে পুলিশ।

রোকেয়া বেগম অভিযোগ করে বলেন, এজাহারে ওই ঘটনার ‘নির্দেশদাতা’ মেয়র কাদের মির্জার নাম থাকায় পুলিশ ‘টেকনিক্যালি অ্যাভয়েড’ করেছে। এজাহার দেওয়ার পর পুলিশ তাকে মেয়র কাদের মির্জার নাম বাদ দিতে বলেছে। তবে ওই নাম বাদ দিলে মামলার প্রয়োজন নেই বলে পুলিশকে জানিয়েছেন রোকেয়া বেগম।

রোকেয়া বেগম বলেন, সেদিন কেচ্ছা রাসেলসহ যারা আমার বাসায় হামলা চালিয়েছে সবাই কাদের মির্জার ঘনিষ্ঠ সহযোগী। তার (কাদের মির্জা) নির্দেশে সন্ত্রাসীরা আমার ছেলে ফখরুল ইসলাম রাহাতকে হত্যা করতে এসেছিল।

থানায় দেওয়া অভিযোগে ভাই কাদের মির্জাকে ৪ নম্বর আসামি করেছেন তার বোন। প্রধান আসামি করা হয়েছে কাদের মির্জার ঘনিষ্ঠ সহযোগী শহীদ উল্যাহ রাসেল প্রকাশ কেচ্ছা রাসেলকে। এ মামলায় ৩২ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন আনোয়ার জানান, এজাহারের বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

প্রসঙ্গত, গত বুধবার সন্ধ্যায় কোম্পানীগঞ্জ থানা থেকে মাত্র ১০ ফুট দূরে কাদের মির্জার ছোটবোন রোকেয়া বেগমের বাসায় হামলা করে দুর্বৃত্তরা। তিনি এ হামলার জন্য তার ভাই বসুরহাটের মেয়র আবদুল কাদের মির্জা ও তার লোকজনকে দায়ী করেন। রোকেয়া বেগমের ছেলে ও সেতুমন্ত্রীর ভাগিনা ফখরুল ইসলাম রাহাত মেয়র কাদের মির্জাবিরোধী আওয়ামী লীগের অনুসারী এবং সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদলের সমর্থক

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট

কাদের মির্জার বিরুদ্ধে ছোটবোনের মামলা

আপডেট সময় ১০:৫৬:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ জুন ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নোয়াখালীর বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জাকে আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন তার ছোটবোন রোকেয়া বেগম। গত বুধবার সন্ধ্যায় তার বাসায় হামলার ঘটনায় এ মামলা করেন তিনি।

বৃহস্পতিবার সকালে ৩২ জনের বিরুদ্ধে থানায় একটি অভিযোগ দেন তিনি। তবে শনিবার রাত পর্যন্ত অভিযোগটি রেকর্ড হয়নি বলে অভিযোগ রোকেয়া বেগমের। পরে সেটি রেকর্ড করে পুলিশ।

রোকেয়া বেগম অভিযোগ করে বলেন, এজাহারে ওই ঘটনার ‘নির্দেশদাতা’ মেয়র কাদের মির্জার নাম থাকায় পুলিশ ‘টেকনিক্যালি অ্যাভয়েড’ করেছে। এজাহার দেওয়ার পর পুলিশ তাকে মেয়র কাদের মির্জার নাম বাদ দিতে বলেছে। তবে ওই নাম বাদ দিলে মামলার প্রয়োজন নেই বলে পুলিশকে জানিয়েছেন রোকেয়া বেগম।

রোকেয়া বেগম বলেন, সেদিন কেচ্ছা রাসেলসহ যারা আমার বাসায় হামলা চালিয়েছে সবাই কাদের মির্জার ঘনিষ্ঠ সহযোগী। তার (কাদের মির্জা) নির্দেশে সন্ত্রাসীরা আমার ছেলে ফখরুল ইসলাম রাহাতকে হত্যা করতে এসেছিল।

থানায় দেওয়া অভিযোগে ভাই কাদের মির্জাকে ৪ নম্বর আসামি করেছেন তার বোন। প্রধান আসামি করা হয়েছে কাদের মির্জার ঘনিষ্ঠ সহযোগী শহীদ উল্যাহ রাসেল প্রকাশ কেচ্ছা রাসেলকে। এ মামলায় ৩২ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন আনোয়ার জানান, এজাহারের বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

প্রসঙ্গত, গত বুধবার সন্ধ্যায় কোম্পানীগঞ্জ থানা থেকে মাত্র ১০ ফুট দূরে কাদের মির্জার ছোটবোন রোকেয়া বেগমের বাসায় হামলা করে দুর্বৃত্তরা। তিনি এ হামলার জন্য তার ভাই বসুরহাটের মেয়র আবদুল কাদের মির্জা ও তার লোকজনকে দায়ী করেন। রোকেয়া বেগমের ছেলে ও সেতুমন্ত্রীর ভাগিনা ফখরুল ইসলাম রাহাত মেয়র কাদের মির্জাবিরোধী আওয়ামী লীগের অনুসারী এবং সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদলের সমর্থক