ঢাকা ১০:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ধনী হতে শত শত মানুষ ছুটছেন এই গ্রামে

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

মাটি খুঁড়তে খুঁড়তে কাকতালীয়ভাবে অচেনা পাথর হাতে পড়েছিল এক পশুপালকের। পাথরটি কী তিনি জানতেন না। তবে এ রকম পাথর আগে কখনও দেখেননি।

উজ্জ্বল, সাদা, সূর্যের আলো পড়লে যেন জ্যোতি ঠিকরে পড়ছে তার চারপাশ থেকে। ঠিক যেন হীরা! ওই পশুপালকের এই আবিষ্কারের কথা সামনে আসার পর আরেক কাণ্ড। ধনী হতে মাটি খোঁড়ার যন্ত্র নিয়ে হুড়মুড়িয়ে লোকজন ছুটছেন সেই গ্রামে।

শত শত মানুষের এই হুল্লোড় নিমেষে নজর টেনেছে সারাবিশ্বের। করোনাকালে এত মানষের জমায়েতেও উদ্বেগ বাড়িয়েছে প্রশাসনের। সত্যিই ওই এলাকার মাটির নিচে হীরা রয়েছে কি না, তা নিয়েই তৈরি হয়েছে ধন্দ।

ঘটনা দক্ষিণ আফ্রিকার খালাথি গ্রামের। ওই গ্রামে একটি বিস্তৃত ফাঁকা মাঠ রয়েছে। সেই মাঠে সচরাচর মানুষের যাতায়াত নেই। মূলত গৃহপালিত পশুর চারণক্ষেত্রই হয়ে উঠেছিল ওই এলাকা। সম্প্রতি সেখান থেকেই মাটি খুঁড়ে ওই অচেনা উজ্জ্বল পাথরের খোঁজ মেলে।

এখবর ছড়িয়ে পড়তে বেশি সময় লাগেনি। দক্ষিণ আফ্রিকার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে শত শত লোক ওই পাথরের খোঁজে আসতে শুরু করেন। সঙ্গে নিয়ে আসেন মাটি খোঁড়ার নানা যন্ত্রও। তাদের বিশ্বাস ওই এলাকায় মাটির নিচে হীরা লুকিয়ে আছে। কিন্তু মাটি খুঁড়ে কোয়ার্জ ছাড়া আর কিছুর সন্ধান এখনও মেলেনি।

আফ্রিকার মধ্যে সবচেয়ে বেশি বেকার দক্ষিণ আফ্রিকায়। দেশের বেশির ভাগ পরিবারই দারিদ্র্যসীমার নিচে। সে কারণেই এই আবিষ্কারের কথা জানতে পেরে বহু মানুষ ছুটে গিয়েছেন ওই এলাকায়। তাদের অনেকেই নানারকম দেখতে পাথরও উদ্ধার করেছেন। ওই অঞ্চলে ঘাঁটি ফেলে মাটি খোঁড়ার কাজ শুরু করেছে একাধিক হীরা উত্তোলক সংস্থাও।

কিন্তু সত্যিই সেখানে হীরা পাওয়া গেছে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। দক্ষিণ আফ্রিকা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ভূতত্ত্ববিদদের একটি দল পাঠানো হয়েছে সেখানে। যত দ্রুত সম্ভব ওই এলাকা খালি করার কাজ শুরু করেছে প্রশাসন। এরপরই সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে পারবেন বিশেষজ্ঞরা। উদ্ধার হওয়া পাথরগুলো হীরারই ভিন্ন রূপ কি না, তা জানা যাবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

ধনী হতে শত শত মানুষ ছুটছেন এই গ্রামে

আপডেট সময় ১১:৪৮:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ জুন ২০২১

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

মাটি খুঁড়তে খুঁড়তে কাকতালীয়ভাবে অচেনা পাথর হাতে পড়েছিল এক পশুপালকের। পাথরটি কী তিনি জানতেন না। তবে এ রকম পাথর আগে কখনও দেখেননি।

উজ্জ্বল, সাদা, সূর্যের আলো পড়লে যেন জ্যোতি ঠিকরে পড়ছে তার চারপাশ থেকে। ঠিক যেন হীরা! ওই পশুপালকের এই আবিষ্কারের কথা সামনে আসার পর আরেক কাণ্ড। ধনী হতে মাটি খোঁড়ার যন্ত্র নিয়ে হুড়মুড়িয়ে লোকজন ছুটছেন সেই গ্রামে।

শত শত মানুষের এই হুল্লোড় নিমেষে নজর টেনেছে সারাবিশ্বের। করোনাকালে এত মানষের জমায়েতেও উদ্বেগ বাড়িয়েছে প্রশাসনের। সত্যিই ওই এলাকার মাটির নিচে হীরা রয়েছে কি না, তা নিয়েই তৈরি হয়েছে ধন্দ।

ঘটনা দক্ষিণ আফ্রিকার খালাথি গ্রামের। ওই গ্রামে একটি বিস্তৃত ফাঁকা মাঠ রয়েছে। সেই মাঠে সচরাচর মানুষের যাতায়াত নেই। মূলত গৃহপালিত পশুর চারণক্ষেত্রই হয়ে উঠেছিল ওই এলাকা। সম্প্রতি সেখান থেকেই মাটি খুঁড়ে ওই অচেনা উজ্জ্বল পাথরের খোঁজ মেলে।

এখবর ছড়িয়ে পড়তে বেশি সময় লাগেনি। দক্ষিণ আফ্রিকার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে শত শত লোক ওই পাথরের খোঁজে আসতে শুরু করেন। সঙ্গে নিয়ে আসেন মাটি খোঁড়ার নানা যন্ত্রও। তাদের বিশ্বাস ওই এলাকায় মাটির নিচে হীরা লুকিয়ে আছে। কিন্তু মাটি খুঁড়ে কোয়ার্জ ছাড়া আর কিছুর সন্ধান এখনও মেলেনি।

আফ্রিকার মধ্যে সবচেয়ে বেশি বেকার দক্ষিণ আফ্রিকায়। দেশের বেশির ভাগ পরিবারই দারিদ্র্যসীমার নিচে। সে কারণেই এই আবিষ্কারের কথা জানতে পেরে বহু মানুষ ছুটে গিয়েছেন ওই এলাকায়। তাদের অনেকেই নানারকম দেখতে পাথরও উদ্ধার করেছেন। ওই অঞ্চলে ঘাঁটি ফেলে মাটি খোঁড়ার কাজ শুরু করেছে একাধিক হীরা উত্তোলক সংস্থাও।

কিন্তু সত্যিই সেখানে হীরা পাওয়া গেছে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। দক্ষিণ আফ্রিকা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ভূতত্ত্ববিদদের একটি দল পাঠানো হয়েছে সেখানে। যত দ্রুত সম্ভব ওই এলাকা খালি করার কাজ শুরু করেছে প্রশাসন। এরপরই সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে পারবেন বিশেষজ্ঞরা। উদ্ধার হওয়া পাথরগুলো হীরারই ভিন্ন রূপ কি না, তা জানা যাবে।