ঢাকা ০৫:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

হেফাজতের বিক্ষোভে পুলিশের বাধা, মিয়ানমার দূতাবাসে স্মারকলিপি

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মিয়ানমারের আরাকান (রাখাইন রাজ্য) স্বাধীন করার দাবি জানিয়েছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। হেফাজতের ঢাকা মহানগর সভাপতি এবং কেন্দ্রীয় কমিটির নায়েবে আমির আল্লামা নুর হোসেন কাসেমী, বাংলাদেশ সরকারকে সামরিক অভিযান চালানোর আহ্বান জানিয়েছেন। আর এতে দেশের ১৬ কোটি জনগণ পাশে থাকবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

আজ সোমবার পূর্বঘোষিত মিয়ানমার দূতাবাস ঘেরাও কর্মসূিচর আগে বায়তুল মোকাররমের সামনে আয়োজিত সমাবেশে এসব কথা বলেন তিনি। সমাবেশে হেফাজতের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক আজিজুল হক ইসলামাবাদী বলেন, রোহিঙ্গাদের খাদ্য, বস্ত্র ও বাসস্থানের ব্যবস্থা খুব দ্রুত করতে হবে। অসহায় রোহিঙ্গাদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সেনাবাহিনী দিয়ে এই রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে হবে। এদিকে হেফাজত ইসলামের পূর্বঘোষিত ‘মিয়ানমার দূতাবাস ঘেরাও’ কর্মসূচিতে বাধা দিয়েছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী।

বায়তুল মোকাররমের সমাবেশ শেষে মিয়ানমার দুতাবাস ঘেরাও উদ্দেশ্য মিছিল নিয়ে বের হলে শান্তিনগর মোড়ে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর বাধায় সেখানেই ‘বিক্ষোভ’ করছেন হেফাজতের নেতাকর্মীরা। হেফাজতের মিছিলটি বাধা পাওয়ায় সেখান থেকেই সংগঠনটির কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর নূর হোসেন কাসেমীর নেতৃত্বে দশ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল স্মারকলিপি দিতে মিয়ানমার দূতাবাসে যান। প্রতিনিধি দলটি দূতাবাসে রোহিঙ্গা মুসলিম নির্যাতন ও হত্যা বন্ধে প্রতিবাদ ও স্মারকলিপি দেন।

গত ১৫ই সেপ্টেম্বর (শুক্রবার) জুম্মা নামাজ শেষে অনুষ্ঠিত সমাবেশ থেকে ‘মিয়ানমার দূতাবাস ঘেরাও’ করার ঘোষণা দেয় হেফাজত ইসলাম। পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী সকাল থেকেই হেফাজতের নেতাকর্মীরা বায়তুল মোকাররমের সামনে জমায়েত হন। তারা বিভিন্ন ধরণের প্লেকার্ড বহন করে। রোহিঙ্গা নির্যাতনের বিরুদ্ধে স্লোগানে মুখর ছিল পুরো এলাকা। সমাবেশ শেষে দুপুরের দিকে মিছিল নিয়ে কাইরাইলের দিকে যেতে থাকলে পুলিশ শান্তিনগরে তাদের আটকে দেয়।

জনদুর্ভোগের বিষয়টি জানিয়ে মিয়ানমার দূতাবাসে প্রতিনিধি পাঠানোর অনুরোধ করলে হেফাজত নেতারা এতে রাজি হন। সময় কিছুক্ষণের জন্য সেখানে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন নেতাকর্মীরা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

হেফাজতের বিক্ষোভে পুলিশের বাধা, মিয়ানমার দূতাবাসে স্মারকলিপি

আপডেট সময় ০৯:৩৮:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মিয়ানমারের আরাকান (রাখাইন রাজ্য) স্বাধীন করার দাবি জানিয়েছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। হেফাজতের ঢাকা মহানগর সভাপতি এবং কেন্দ্রীয় কমিটির নায়েবে আমির আল্লামা নুর হোসেন কাসেমী, বাংলাদেশ সরকারকে সামরিক অভিযান চালানোর আহ্বান জানিয়েছেন। আর এতে দেশের ১৬ কোটি জনগণ পাশে থাকবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

আজ সোমবার পূর্বঘোষিত মিয়ানমার দূতাবাস ঘেরাও কর্মসূিচর আগে বায়তুল মোকাররমের সামনে আয়োজিত সমাবেশে এসব কথা বলেন তিনি। সমাবেশে হেফাজতের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক আজিজুল হক ইসলামাবাদী বলেন, রোহিঙ্গাদের খাদ্য, বস্ত্র ও বাসস্থানের ব্যবস্থা খুব দ্রুত করতে হবে। অসহায় রোহিঙ্গাদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সেনাবাহিনী দিয়ে এই রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে হবে। এদিকে হেফাজত ইসলামের পূর্বঘোষিত ‘মিয়ানমার দূতাবাস ঘেরাও’ কর্মসূচিতে বাধা দিয়েছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী।

বায়তুল মোকাররমের সমাবেশ শেষে মিয়ানমার দুতাবাস ঘেরাও উদ্দেশ্য মিছিল নিয়ে বের হলে শান্তিনগর মোড়ে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর বাধায় সেখানেই ‘বিক্ষোভ’ করছেন হেফাজতের নেতাকর্মীরা। হেফাজতের মিছিলটি বাধা পাওয়ায় সেখান থেকেই সংগঠনটির কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর নূর হোসেন কাসেমীর নেতৃত্বে দশ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল স্মারকলিপি দিতে মিয়ানমার দূতাবাসে যান। প্রতিনিধি দলটি দূতাবাসে রোহিঙ্গা মুসলিম নির্যাতন ও হত্যা বন্ধে প্রতিবাদ ও স্মারকলিপি দেন।

গত ১৫ই সেপ্টেম্বর (শুক্রবার) জুম্মা নামাজ শেষে অনুষ্ঠিত সমাবেশ থেকে ‘মিয়ানমার দূতাবাস ঘেরাও’ করার ঘোষণা দেয় হেফাজত ইসলাম। পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী সকাল থেকেই হেফাজতের নেতাকর্মীরা বায়তুল মোকাররমের সামনে জমায়েত হন। তারা বিভিন্ন ধরণের প্লেকার্ড বহন করে। রোহিঙ্গা নির্যাতনের বিরুদ্ধে স্লোগানে মুখর ছিল পুরো এলাকা। সমাবেশ শেষে দুপুরের দিকে মিছিল নিয়ে কাইরাইলের দিকে যেতে থাকলে পুলিশ শান্তিনগরে তাদের আটকে দেয়।

জনদুর্ভোগের বিষয়টি জানিয়ে মিয়ানমার দূতাবাসে প্রতিনিধি পাঠানোর অনুরোধ করলে হেফাজত নেতারা এতে রাজি হন। সময় কিছুক্ষণের জন্য সেখানে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন নেতাকর্মীরা।