ঢাকা ১০:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
একটি রাজনৈতিক দল বিভিন্ন এলাকা থেকে ভোটারদের ঢাকায় স্থানান্তর করে আনছে: ফখরুলের অভিযোগ নরসিংদীতে দুই ব্যবসায়ীর ঝগড়ায় একজনের মৃত্যু, অভিযুক্তর বাড়িতে ভাঙচুর-আগুন ৭ কলেজ নিয়ে ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’ অধ্যাদেশ চূড়ান্ত আমি এসেছি শুধু শুনতে, শিখতে এবং একসঙ্গে কাজ করার মনোভাব নিয়ে এগিয়ে যেতে: জাইমা রহমান চাকরির ক্ষেত্রে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি হয়েছে কিনা তা দেখা উচিত : আমীর খসরু ওসমানী হাসপাতাল ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার যুক্তরাষ্ট্রেকেও খেসারত দিতে হবে, ফরাসি কৃষিমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি ভুয়া জরিপ ও মিথ্যা প্রচারণা দিয়ে রাজনৈতিক ইতিহাস বদলানো যাবে না : দুদু গণ-অভ্যুত্থানের নিষ্ঠুরতম খুনিদের বিচার নিশ্চিত করা হবে : তাজুল ইসলাম এক্সপেকটেশন যদি ১০ থাকে, অন্তত চার তো অর্জন করতে পেরেছি : আসিফ নজরুল

হেফাজতের বিক্ষোভে পুলিশের বাধা, মিয়ানমার দূতাবাসে স্মারকলিপি

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মিয়ানমারের আরাকান (রাখাইন রাজ্য) স্বাধীন করার দাবি জানিয়েছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। হেফাজতের ঢাকা মহানগর সভাপতি এবং কেন্দ্রীয় কমিটির নায়েবে আমির আল্লামা নুর হোসেন কাসেমী, বাংলাদেশ সরকারকে সামরিক অভিযান চালানোর আহ্বান জানিয়েছেন। আর এতে দেশের ১৬ কোটি জনগণ পাশে থাকবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

আজ সোমবার পূর্বঘোষিত মিয়ানমার দূতাবাস ঘেরাও কর্মসূিচর আগে বায়তুল মোকাররমের সামনে আয়োজিত সমাবেশে এসব কথা বলেন তিনি। সমাবেশে হেফাজতের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক আজিজুল হক ইসলামাবাদী বলেন, রোহিঙ্গাদের খাদ্য, বস্ত্র ও বাসস্থানের ব্যবস্থা খুব দ্রুত করতে হবে। অসহায় রোহিঙ্গাদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সেনাবাহিনী দিয়ে এই রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে হবে। এদিকে হেফাজত ইসলামের পূর্বঘোষিত ‘মিয়ানমার দূতাবাস ঘেরাও’ কর্মসূচিতে বাধা দিয়েছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী।

বায়তুল মোকাররমের সমাবেশ শেষে মিয়ানমার দুতাবাস ঘেরাও উদ্দেশ্য মিছিল নিয়ে বের হলে শান্তিনগর মোড়ে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর বাধায় সেখানেই ‘বিক্ষোভ’ করছেন হেফাজতের নেতাকর্মীরা। হেফাজতের মিছিলটি বাধা পাওয়ায় সেখান থেকেই সংগঠনটির কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর নূর হোসেন কাসেমীর নেতৃত্বে দশ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল স্মারকলিপি দিতে মিয়ানমার দূতাবাসে যান। প্রতিনিধি দলটি দূতাবাসে রোহিঙ্গা মুসলিম নির্যাতন ও হত্যা বন্ধে প্রতিবাদ ও স্মারকলিপি দেন।

গত ১৫ই সেপ্টেম্বর (শুক্রবার) জুম্মা নামাজ শেষে অনুষ্ঠিত সমাবেশ থেকে ‘মিয়ানমার দূতাবাস ঘেরাও’ করার ঘোষণা দেয় হেফাজত ইসলাম। পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী সকাল থেকেই হেফাজতের নেতাকর্মীরা বায়তুল মোকাররমের সামনে জমায়েত হন। তারা বিভিন্ন ধরণের প্লেকার্ড বহন করে। রোহিঙ্গা নির্যাতনের বিরুদ্ধে স্লোগানে মুখর ছিল পুরো এলাকা। সমাবেশ শেষে দুপুরের দিকে মিছিল নিয়ে কাইরাইলের দিকে যেতে থাকলে পুলিশ শান্তিনগরে তাদের আটকে দেয়।

জনদুর্ভোগের বিষয়টি জানিয়ে মিয়ানমার দূতাবাসে প্রতিনিধি পাঠানোর অনুরোধ করলে হেফাজত নেতারা এতে রাজি হন। সময় কিছুক্ষণের জন্য সেখানে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন নেতাকর্মীরা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

উত্তরায় নিরাপত্তাকর্মীকে পিটিয়ে অস্ত্র ছিনতাই-অপহরণ

হেফাজতের বিক্ষোভে পুলিশের বাধা, মিয়ানমার দূতাবাসে স্মারকলিপি

আপডেট সময় ০৯:৩৮:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মিয়ানমারের আরাকান (রাখাইন রাজ্য) স্বাধীন করার দাবি জানিয়েছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। হেফাজতের ঢাকা মহানগর সভাপতি এবং কেন্দ্রীয় কমিটির নায়েবে আমির আল্লামা নুর হোসেন কাসেমী, বাংলাদেশ সরকারকে সামরিক অভিযান চালানোর আহ্বান জানিয়েছেন। আর এতে দেশের ১৬ কোটি জনগণ পাশে থাকবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

আজ সোমবার পূর্বঘোষিত মিয়ানমার দূতাবাস ঘেরাও কর্মসূিচর আগে বায়তুল মোকাররমের সামনে আয়োজিত সমাবেশে এসব কথা বলেন তিনি। সমাবেশে হেফাজতের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক আজিজুল হক ইসলামাবাদী বলেন, রোহিঙ্গাদের খাদ্য, বস্ত্র ও বাসস্থানের ব্যবস্থা খুব দ্রুত করতে হবে। অসহায় রোহিঙ্গাদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সেনাবাহিনী দিয়ে এই রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে হবে। এদিকে হেফাজত ইসলামের পূর্বঘোষিত ‘মিয়ানমার দূতাবাস ঘেরাও’ কর্মসূচিতে বাধা দিয়েছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী।

বায়তুল মোকাররমের সমাবেশ শেষে মিয়ানমার দুতাবাস ঘেরাও উদ্দেশ্য মিছিল নিয়ে বের হলে শান্তিনগর মোড়ে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর বাধায় সেখানেই ‘বিক্ষোভ’ করছেন হেফাজতের নেতাকর্মীরা। হেফাজতের মিছিলটি বাধা পাওয়ায় সেখান থেকেই সংগঠনটির কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর নূর হোসেন কাসেমীর নেতৃত্বে দশ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল স্মারকলিপি দিতে মিয়ানমার দূতাবাসে যান। প্রতিনিধি দলটি দূতাবাসে রোহিঙ্গা মুসলিম নির্যাতন ও হত্যা বন্ধে প্রতিবাদ ও স্মারকলিপি দেন।

গত ১৫ই সেপ্টেম্বর (শুক্রবার) জুম্মা নামাজ শেষে অনুষ্ঠিত সমাবেশ থেকে ‘মিয়ানমার দূতাবাস ঘেরাও’ করার ঘোষণা দেয় হেফাজত ইসলাম। পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী সকাল থেকেই হেফাজতের নেতাকর্মীরা বায়তুল মোকাররমের সামনে জমায়েত হন। তারা বিভিন্ন ধরণের প্লেকার্ড বহন করে। রোহিঙ্গা নির্যাতনের বিরুদ্ধে স্লোগানে মুখর ছিল পুরো এলাকা। সমাবেশ শেষে দুপুরের দিকে মিছিল নিয়ে কাইরাইলের দিকে যেতে থাকলে পুলিশ শান্তিনগরে তাদের আটকে দেয়।

জনদুর্ভোগের বিষয়টি জানিয়ে মিয়ানমার দূতাবাসে প্রতিনিধি পাঠানোর অনুরোধ করলে হেফাজত নেতারা এতে রাজি হন। সময় কিছুক্ষণের জন্য সেখানে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন নেতাকর্মীরা।