ঢাকা ১২:৪৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ২৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চাইলে এক দিনেই ইরানকে ধ্বংস করতে পারি: ট্রাম্প জাতীয় সংসদে এক অধিবেশনে এত বেশি বিল পাসের নজির নেই: চিফ হুইপ বিএনপি ‘আত্মঘাতী’ রাজনীতি করছে: মামুনুল হক জুলাই সনদ সরকার ও বিরোধী দলকে মুখোমুখি পর্যায়ে নিয়ে যাচ্ছে :পার্থ সনদ বাস্তবায়ন না হলে রাজপথে নামার হুঁশিয়ার শহীদ পরিবার ও জুলাইযোদ্ধার শান্তি আলোচনা ভেস্তে গেলে ‘প্রত্যেক দেশই ক্ষতিগ্রস্ত’ হবে: শামা ওবায়েদ ইরানকে ‘উপযুক্ত সময়ে’ ধ্বংসের হুমকি ট্রাম্পের বিএনপি নেতাকর্মীদের প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহযোগিতা করার নির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদপুরে কিশোর গ্যাংয়ের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে ‘অ্যালেক্স ইমন’ নিহত তুরস্কের কাছে ‘সবচেয়ে সুন্দরী নারী’ চেয়ে উগান্ডার সেনাপ্রধানের হুঁশিয়ারি!

নেইমারকে পেনাল্টি নিতে দেননি কাভানি

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

পিএসজির জয়রথ ছুটছেই। লিগ ওয়ানে গতকাল লিঁওকে ২-০ গোলে হারিয়েছেন নেইমার-কাভানিরা, জয় পেয়েছে টানা ৬ ম্যাচে। কিন্তু জয় ছাপিয়েও বড় হয়ে উঠেছে পেনাল্টি নিয়ে এই দুই ফরোয়ার্ডের বিবাদ। দৃষ্টিকটু এই ব্যাপার নিয়ে ম্যাচ শেষে মন্তব্য করতে হয়েছে কোচ উনাই এমেরিকে।

তবে সংবাদমাধ্যমদের ভালোই সামলেছেন পিএসজি কোচ, ‘গুটিকয়েক খেলোয়াড়ই পেনাল্টি নেবেন। এঁদের একজন কাভানি, অন্যজন নেইমার। মাঠে পেনাল্টি নেওয়ার ব্যাপারে একটা সাধারণ বোঝাপড়া থাকতেই হয়। নেইমার আর কাভানিই এটা ঠিক করে নিক, দুজনই তো গোল করতে পারে। যদি কোনো সমঝোতা না হয়, তখন আমি ঠিক করব, কে পেনাল্টি নেবে।’ শেষ কথাটা দিয়ে হয়তো দুই তারকাকে শীতল বার্তা পাঠালেন কোচ। শীর্ষপর্যায়ে এমন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ছেলেখেলা খুবই অশোভন ব্যাপার।

ঘটনার শুরু দ্বিতীয়ার্ধে, ৫৭ মিনিটে লিঁওর ডি-বক্সের বাইরে ফ্রি কিক পেয়েছিল পিএসজি। স্পট কিক নিতে এগিয়ে আসেন কাভানি, কিন্তু দানি আলভেজ তাঁর কাছ থেকে বল কেড়ে নিয়ে নেইমারকে শট নিতে দেন। দুর্দান্ত শট নিয়েছিলেন ব্রাজিল ফরোয়ার্ড। গোলরক্ষক লোপেস ডান পাশের পুরোটা ঝাঁপিয়ে সে যাত্রা দলকে রক্ষা করেন।

এরপরই নাটকের ক্লাইম্যাক্স। ডান প্রান্তে ফ্রি কিক পেয়েছিল পিএসজি। নেইমার ফ্রি কিক নিলে বক্সে এমবাপ্পেকে ফাউল করেন মেন্ডি। রেফারি পেনাল্টি দেন, এবার আগেই বল নিয়ে স্পটে দাঁড়িয়ে যান কাভানি। শট নেওয়ার আগে নেইমার এগিয়ে এসে কথা বলেন, শটটা নিজে নিতে চেয়েছিলেন বলেই মনে হয়েছে। তবে সুযোগ দেননি কাভানি। পিএসজিতে পেনাল্টি নেওয়ার ভারটা যে তাঁর কাঁধেই। নেইমারের স্বেচ্ছায় সে ভার বুঝে নেওয়ার আগ্রহ পছন্দ হয়নি ‘নম্বর নাইনে’র। ভিডিও দেখেই বোঝা গেছে কথোপকথনটা খুব একটা সুখকর কিছু ছিল না। ডান প্রান্তে বুলেটগতির শট নিলেও কাভানিকে আটকে দিয়েছেন লোপেস।

পিএসজির দুই গোলই আত্মঘাতী। ম্যাচের শেষ মুহূর্তে লিঁও ডিফেন্ডারদের ভুলে গোল খেয়ে না বসলে হয়তো পয়েন্ট নিয়েই ফিরতে পারত তারা। ৭৫ মিনিট পর্যন্ত নেইমারদের গোল করতে দেয়নি। (সূত্র: গোল)

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

চাইলে এক দিনেই ইরানকে ধ্বংস করতে পারি: ট্রাম্প

নেইমারকে পেনাল্টি নিতে দেননি কাভানি

আপডেট সময় ১২:৫১:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৭

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

পিএসজির জয়রথ ছুটছেই। লিগ ওয়ানে গতকাল লিঁওকে ২-০ গোলে হারিয়েছেন নেইমার-কাভানিরা, জয় পেয়েছে টানা ৬ ম্যাচে। কিন্তু জয় ছাপিয়েও বড় হয়ে উঠেছে পেনাল্টি নিয়ে এই দুই ফরোয়ার্ডের বিবাদ। দৃষ্টিকটু এই ব্যাপার নিয়ে ম্যাচ শেষে মন্তব্য করতে হয়েছে কোচ উনাই এমেরিকে।

তবে সংবাদমাধ্যমদের ভালোই সামলেছেন পিএসজি কোচ, ‘গুটিকয়েক খেলোয়াড়ই পেনাল্টি নেবেন। এঁদের একজন কাভানি, অন্যজন নেইমার। মাঠে পেনাল্টি নেওয়ার ব্যাপারে একটা সাধারণ বোঝাপড়া থাকতেই হয়। নেইমার আর কাভানিই এটা ঠিক করে নিক, দুজনই তো গোল করতে পারে। যদি কোনো সমঝোতা না হয়, তখন আমি ঠিক করব, কে পেনাল্টি নেবে।’ শেষ কথাটা দিয়ে হয়তো দুই তারকাকে শীতল বার্তা পাঠালেন কোচ। শীর্ষপর্যায়ে এমন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ছেলেখেলা খুবই অশোভন ব্যাপার।

ঘটনার শুরু দ্বিতীয়ার্ধে, ৫৭ মিনিটে লিঁওর ডি-বক্সের বাইরে ফ্রি কিক পেয়েছিল পিএসজি। স্পট কিক নিতে এগিয়ে আসেন কাভানি, কিন্তু দানি আলভেজ তাঁর কাছ থেকে বল কেড়ে নিয়ে নেইমারকে শট নিতে দেন। দুর্দান্ত শট নিয়েছিলেন ব্রাজিল ফরোয়ার্ড। গোলরক্ষক লোপেস ডান পাশের পুরোটা ঝাঁপিয়ে সে যাত্রা দলকে রক্ষা করেন।

এরপরই নাটকের ক্লাইম্যাক্স। ডান প্রান্তে ফ্রি কিক পেয়েছিল পিএসজি। নেইমার ফ্রি কিক নিলে বক্সে এমবাপ্পেকে ফাউল করেন মেন্ডি। রেফারি পেনাল্টি দেন, এবার আগেই বল নিয়ে স্পটে দাঁড়িয়ে যান কাভানি। শট নেওয়ার আগে নেইমার এগিয়ে এসে কথা বলেন, শটটা নিজে নিতে চেয়েছিলেন বলেই মনে হয়েছে। তবে সুযোগ দেননি কাভানি। পিএসজিতে পেনাল্টি নেওয়ার ভারটা যে তাঁর কাঁধেই। নেইমারের স্বেচ্ছায় সে ভার বুঝে নেওয়ার আগ্রহ পছন্দ হয়নি ‘নম্বর নাইনে’র। ভিডিও দেখেই বোঝা গেছে কথোপকথনটা খুব একটা সুখকর কিছু ছিল না। ডান প্রান্তে বুলেটগতির শট নিলেও কাভানিকে আটকে দিয়েছেন লোপেস।

পিএসজির দুই গোলই আত্মঘাতী। ম্যাচের শেষ মুহূর্তে লিঁও ডিফেন্ডারদের ভুলে গোল খেয়ে না বসলে হয়তো পয়েন্ট নিয়েই ফিরতে পারত তারা। ৭৫ মিনিট পর্যন্ত নেইমারদের গোল করতে দেয়নি। (সূত্র: গোল)