আকাশ জাতীয় ডেস্ক:
নোয়াখালীর বসুরহাট পৌর মেয়র আবদুল কাদের মির্জা বলেছেন, নেত্রী (শেখ হাসিনা) যদি মনে করেন আমার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিক, আমি আওয়ামী লীগ করতে না পারলে বঙ্গবন্ধু শিক্ষা ও গবেষণা পরিষদ নিয়ে কাজ করব এবং সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাব।
শনিবার বিকালে বসুরহাট পৌরসভা মিলনায়তনে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত শোকসভা ও মিলাদ মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন।
এক দেশে দুই আইন চলে কিনা- প্রশ্ন করে কাদের মির্জা বলেন, গুলি করার পর আমার অনেক নেতাকর্মী হাসপাতালে ও জেলে রয়েছেন। প্রতিপক্ষদের জামিন হয়েছে কিন্তু আমার কর্মীদের জামিন হয় না।
তিনি বলেন, কোম্পানীগঞ্জে অস্ত্রের ঝনঝনানি চলছে। প্রতিপক্ষরা পুলিশের ছত্রছায়ায় আমার পৌরসভায় গুলি করল। আর পুলিশের বড় কর্মকর্তারা টাকা খেয়ে বলছে উল্টো কথা। তাদের লোকজন (প্রতিপক্ষ) প্রকাশ্যে ঘুরলেও আমার কর্মীরা ঢাকায় গিয়েও বাঁচতে পারছেন না। তাদের বাড়িতে ‘মাদক সম্রাট’ ওসি তদন্ত রবিউল ও ডিবির নেতৃত্বে অভিযান চালাচ্ছে।
কাদের মির্জাকে অস্ত্রবাজ বানাতে তার কর্মী কাঞ্চনের বাড়িতে অস্ত্র রেখে পুলিশ মামলা দিয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, আমার কর্মীদের অস্ত্রবাজ বানানোর ষড়যন্ত্র করছে। এজন্য একদিন জনতার আদালতে আপনাদের বিচার হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
কাদের মির্জা পুলিশ ও ইউএনওকে উদ্দেশ করে বলেন, এতদিন যা করেছেন মাফ করে দিলাম। এবার নিরপেক্ষ হয়ে যান। ইউএনও সাহেব আপনি আমার আইসোলেশন সেন্টার ভেঙেছেন, একদিন এর জবাব দিতে হবে।
কাদের মির্জা বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর যত সরকার এসেছে সব সরকারের সময় জিল্লুর রহমান এমপি ছিলেন। ওয়ান ইলেভেনের সময় আমাদের নেত্রী শেখ হাসিনা গ্রেফতার হওয়ার পর আওয়ামী লীগের কোনো নেতা ছিল না কথা বলার জন্য। সবাই বেইমানি করেছে, কেউ কেউ পালিয়ে গেছে। একমাত্র জিল্লুর রহমান বুক ফুলিয়ে আওয়ামী লীগের পক্ষে নেতৃত্ব দিয়েছেন।
আগামীকাল রোববার একই সময়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির প্রয়াত সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের মৃত্যুতে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল আয়োজনের ঘোষণা দেন কাদের মির্জা।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 



















