ঢাকা ১১:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে আহমদ ছফার ঠাঁই হয়নি রাজনৈতিক কারণে: সলিমুল্লাহ খান নেতানিয়াহু একজন যুদ্ধাপরাধী: মামদানি বিএনপি ভোট মানলেও গণভোট মানে না: আখতার হোসেন সাঁথিয়ায় আওয়ামী লীগ নেতাকে গলা কেটে হত্যা জুলাইয়ের শক্তির অনৈক্য পরাজিতদের সুযোগ করে দিচ্ছে: মজিবুর রহমান মঞ্জু বিশ্বজুড়ে স্বাস্থ্যকর্মীদের বড় ধরনের চাহিদা তৈরি হচ্ছে: হুমায়ুন কবির জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করলে পরিণতির জন্য প্রস্তুত থাকুন:শফিকুর রহমান ক্ষুধামুক্ত সমাজ গড়তে শহীদ জিয়ার দূরদর্শী রাষ্ট্রচিন্তা আজও গুরুত্বপূর্ণ : সড়ক প্রতিমন্ত্রী শিশু যৌন নিপীড়নের দায়ে যুক্তরাজ্যে ৩ বাংলাদেশির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র ব্যবসা-বাণিজ্যে এআই ও ব্লকচেইনের ব্যবহার বাড়াতে গুরুত্বারোপ

মেয়েকে বাঁচাতে পারলেও নিজেকে রক্ষা করতে পারেননি মা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

শেরপুরের মীর্জাপুর এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় সিএনজিতে থাকা সাত যাত্রীর মধ্যে রবিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ছয়জন মারা গেছেন। তবে হাত-পা ভেঙে গলেও বেঁচে আছে সিএনজিতে থাকা শিশু রুমি (৭)।

স্থানীয়রা জানান, ঘটনার সময় মা রোকসানা তার মেয়ে রুমিকে বাইরে ছুড়ে ফেলে দেন। এতে রুমির হাত-পা ভেঙে যায়। সে এখন শেরপুর সদর হাসপতালে চিকিৎসাধীন। তবে রুমি এখন অনেকটা বিপদমুক্ত বলে জানিয়েছেন হাসপাতালের আরএমও ডা. সুমন।

রবিবার ট্রাক-সিএনজির মুখোমুখি সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই তিনজন মারা যান। চালকসহ বাকি তিনজনকে জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। দুপরের মধ্যে আরো দুজন মারা যান। সর্বশেষ এদিন রাত ৮টার দিকে মারা যান আরও একজন। শিশুটা ছাড়া সিএনজিতে থাকা আর কেউ বেঁচে নেই।

নিহতরা হলেন-নালিতাবাড়ী উপজেলার বন্ধধারা গ্রামের ইউসূফ আলীর ছেলে সিএনজি চালক জবেদ আলী (২৫), রাজনগর ইউনিয়নের চাঁদগাও গ্রামের তায়েব আলীর ছেলে সেলিম (২৫), একই গ্রামের রফিকুল ইসলামের স্ত্রী রোকসানা বেগম (৩০), কেতু মিয়ার ছেলে লাল মিয়া (৩৫), তিনআনী ঘুটুরাপাড়া এলাকার আব্দুল মান্নান (৫৮) ও নন্নী বাইগরপাড়া গ্রামের মিস্টার আলীর ছেলে মামুন (২৫)।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, রবিবার সকালে সিএনজিচালিত অটোরিকশা নালিতাবাড়ী উপজেলার নন্নী বাজার থেকে যাত্রী নিয়ে শেরপুর শহরে যাচ্ছিল। পথিমধ্যে শেরপুর-নালিতাবাড়ী সড়কের মির্জাপুর এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে সিএনজি দুমড়েমুচড়ে সড়কের পাশে ছিটকে পড়ে।

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, ওই দুর্ঘটনায় মোট ছয়জন মারা গেছেন। এ বিষয়ে একটি মামলা দায়ের হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে আহমদ ছফার ঠাঁই হয়নি রাজনৈতিক কারণে: সলিমুল্লাহ খান

মেয়েকে বাঁচাতে পারলেও নিজেকে রক্ষা করতে পারেননি মা

আপডেট সময় ০২:০১:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

শেরপুরের মীর্জাপুর এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় সিএনজিতে থাকা সাত যাত্রীর মধ্যে রবিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ছয়জন মারা গেছেন। তবে হাত-পা ভেঙে গলেও বেঁচে আছে সিএনজিতে থাকা শিশু রুমি (৭)।

স্থানীয়রা জানান, ঘটনার সময় মা রোকসানা তার মেয়ে রুমিকে বাইরে ছুড়ে ফেলে দেন। এতে রুমির হাত-পা ভেঙে যায়। সে এখন শেরপুর সদর হাসপতালে চিকিৎসাধীন। তবে রুমি এখন অনেকটা বিপদমুক্ত বলে জানিয়েছেন হাসপাতালের আরএমও ডা. সুমন।

রবিবার ট্রাক-সিএনজির মুখোমুখি সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই তিনজন মারা যান। চালকসহ বাকি তিনজনকে জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। দুপরের মধ্যে আরো দুজন মারা যান। সর্বশেষ এদিন রাত ৮টার দিকে মারা যান আরও একজন। শিশুটা ছাড়া সিএনজিতে থাকা আর কেউ বেঁচে নেই।

নিহতরা হলেন-নালিতাবাড়ী উপজেলার বন্ধধারা গ্রামের ইউসূফ আলীর ছেলে সিএনজি চালক জবেদ আলী (২৫), রাজনগর ইউনিয়নের চাঁদগাও গ্রামের তায়েব আলীর ছেলে সেলিম (২৫), একই গ্রামের রফিকুল ইসলামের স্ত্রী রোকসানা বেগম (৩০), কেতু মিয়ার ছেলে লাল মিয়া (৩৫), তিনআনী ঘুটুরাপাড়া এলাকার আব্দুল মান্নান (৫৮) ও নন্নী বাইগরপাড়া গ্রামের মিস্টার আলীর ছেলে মামুন (২৫)।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, রবিবার সকালে সিএনজিচালিত অটোরিকশা নালিতাবাড়ী উপজেলার নন্নী বাজার থেকে যাত্রী নিয়ে শেরপুর শহরে যাচ্ছিল। পথিমধ্যে শেরপুর-নালিতাবাড়ী সড়কের মির্জাপুর এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে সিএনজি দুমড়েমুচড়ে সড়কের পাশে ছিটকে পড়ে।

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, ওই দুর্ঘটনায় মোট ছয়জন মারা গেছেন। এ বিষয়ে একটি মামলা দায়ের হয়েছে।