ঢাকা ০৯:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ক্ষুধামুক্ত সমাজ গড়তে শহীদ জিয়ার দূরদর্শী রাষ্ট্রচিন্তা আজও গুরুত্বপূর্ণ : সড়ক প্রতিমন্ত্রী শিশু যৌন নিপীড়নের দায়ে যুক্তরাজ্যে ৩ বাংলাদেশির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র ব্যবসা-বাণিজ্যে এআই ও ব্লকচেইনের ব্যবহার বাড়াতে গুরুত্বারোপ বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক এখন ইতিহাসের অন্যতম সেরা পর্যায়ে: রাষ্ট্রদূত আগামী মাসের মধ্যে ‘প্রবাসী কার্ডের’ পরীক্ষামূলক প্রকল্পের কাজ চালু করবে সরকার সারাদেশে ১০টি আন্তর্জাতিক মানের স্পোর্টস ভিলেজ নির্মাণ করা হবে : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তি থেকে সরে দাঁড়াল ইরান মানুষের কল্যাণ নিশ্চিত করাই সরকারের রাজনীতির মূল লক্ষ্য: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কোনো ধরনের দুর্নীতি সহ্য করা হবে না: কৃষিমন্ত্রী ট্রাম্পের মাথার দাম ঘোষণা, পুরস্কার ১২৩ কোটি টাকা: আইআরআই

মেয়েকে বাঁচাতে পারলেও নিজেকে রক্ষা করতে পারেননি মা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

শেরপুরের মীর্জাপুর এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় সিএনজিতে থাকা সাত যাত্রীর মধ্যে রবিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ছয়জন মারা গেছেন। তবে হাত-পা ভেঙে গলেও বেঁচে আছে সিএনজিতে থাকা শিশু রুমি (৭)।

স্থানীয়রা জানান, ঘটনার সময় মা রোকসানা তার মেয়ে রুমিকে বাইরে ছুড়ে ফেলে দেন। এতে রুমির হাত-পা ভেঙে যায়। সে এখন শেরপুর সদর হাসপতালে চিকিৎসাধীন। তবে রুমি এখন অনেকটা বিপদমুক্ত বলে জানিয়েছেন হাসপাতালের আরএমও ডা. সুমন।

রবিবার ট্রাক-সিএনজির মুখোমুখি সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই তিনজন মারা যান। চালকসহ বাকি তিনজনকে জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। দুপরের মধ্যে আরো দুজন মারা যান। সর্বশেষ এদিন রাত ৮টার দিকে মারা যান আরও একজন। শিশুটা ছাড়া সিএনজিতে থাকা আর কেউ বেঁচে নেই।

নিহতরা হলেন-নালিতাবাড়ী উপজেলার বন্ধধারা গ্রামের ইউসূফ আলীর ছেলে সিএনজি চালক জবেদ আলী (২৫), রাজনগর ইউনিয়নের চাঁদগাও গ্রামের তায়েব আলীর ছেলে সেলিম (২৫), একই গ্রামের রফিকুল ইসলামের স্ত্রী রোকসানা বেগম (৩০), কেতু মিয়ার ছেলে লাল মিয়া (৩৫), তিনআনী ঘুটুরাপাড়া এলাকার আব্দুল মান্নান (৫৮) ও নন্নী বাইগরপাড়া গ্রামের মিস্টার আলীর ছেলে মামুন (২৫)।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, রবিবার সকালে সিএনজিচালিত অটোরিকশা নালিতাবাড়ী উপজেলার নন্নী বাজার থেকে যাত্রী নিয়ে শেরপুর শহরে যাচ্ছিল। পথিমধ্যে শেরপুর-নালিতাবাড়ী সড়কের মির্জাপুর এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে সিএনজি দুমড়েমুচড়ে সড়কের পাশে ছিটকে পড়ে।

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, ওই দুর্ঘটনায় মোট ছয়জন মারা গেছেন। এ বিষয়ে একটি মামলা দায়ের হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ক্ষুধামুক্ত সমাজ গড়তে শহীদ জিয়ার দূরদর্শী রাষ্ট্রচিন্তা আজও গুরুত্বপূর্ণ : সড়ক প্রতিমন্ত্রী

মেয়েকে বাঁচাতে পারলেও নিজেকে রক্ষা করতে পারেননি মা

আপডেট সময় ০২:০১:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

শেরপুরের মীর্জাপুর এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় সিএনজিতে থাকা সাত যাত্রীর মধ্যে রবিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ছয়জন মারা গেছেন। তবে হাত-পা ভেঙে গলেও বেঁচে আছে সিএনজিতে থাকা শিশু রুমি (৭)।

স্থানীয়রা জানান, ঘটনার সময় মা রোকসানা তার মেয়ে রুমিকে বাইরে ছুড়ে ফেলে দেন। এতে রুমির হাত-পা ভেঙে যায়। সে এখন শেরপুর সদর হাসপতালে চিকিৎসাধীন। তবে রুমি এখন অনেকটা বিপদমুক্ত বলে জানিয়েছেন হাসপাতালের আরএমও ডা. সুমন।

রবিবার ট্রাক-সিএনজির মুখোমুখি সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই তিনজন মারা যান। চালকসহ বাকি তিনজনকে জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। দুপরের মধ্যে আরো দুজন মারা যান। সর্বশেষ এদিন রাত ৮টার দিকে মারা যান আরও একজন। শিশুটা ছাড়া সিএনজিতে থাকা আর কেউ বেঁচে নেই।

নিহতরা হলেন-নালিতাবাড়ী উপজেলার বন্ধধারা গ্রামের ইউসূফ আলীর ছেলে সিএনজি চালক জবেদ আলী (২৫), রাজনগর ইউনিয়নের চাঁদগাও গ্রামের তায়েব আলীর ছেলে সেলিম (২৫), একই গ্রামের রফিকুল ইসলামের স্ত্রী রোকসানা বেগম (৩০), কেতু মিয়ার ছেলে লাল মিয়া (৩৫), তিনআনী ঘুটুরাপাড়া এলাকার আব্দুল মান্নান (৫৮) ও নন্নী বাইগরপাড়া গ্রামের মিস্টার আলীর ছেলে মামুন (২৫)।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, রবিবার সকালে সিএনজিচালিত অটোরিকশা নালিতাবাড়ী উপজেলার নন্নী বাজার থেকে যাত্রী নিয়ে শেরপুর শহরে যাচ্ছিল। পথিমধ্যে শেরপুর-নালিতাবাড়ী সড়কের মির্জাপুর এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে সিএনজি দুমড়েমুচড়ে সড়কের পাশে ছিটকে পড়ে।

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, ওই দুর্ঘটনায় মোট ছয়জন মারা গেছেন। এ বিষয়ে একটি মামলা দায়ের হয়েছে।