ঢাকা ১২:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

মেয়েকে অস্বীকার বাবার, দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন মা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

প্রায় ১২ বছর আগে বিয়ে হয়েছে মাকসুদা বেগমের। স্বামী মান্নান জোমাদ্দার ও তিন বছরের কন্যাসন্তান নিয়ে সংসার ভালোই চলছিল। কিন্তু বিধিবাম একপর্যায়ে স্বামী তাকে ও সন্তানকে অস্বীকার করতে শুরু করেন।

এর পর তাদের ঢাকায় রেখে নিজ এলাকায় পালিয়ে যান স্বামী। এখন শিশুর পিতৃ পরিচয় ও তার স্বীকৃতির জন্য দ্বারে দ্বারে ধরনা দিচ্ছেন মাকসুদা বেগম।

সোমবার বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলায় ভুক্তভোগী মাকসুদা বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে এ কথাগুলো জানান।

তিনি বলেন, আমার সংসারে তিন বছরের একটি কন্যাসন্তান আছে। তার নাম তাইয়্যেবা। তাকে নিয়ে আমি এখন মানবতার জীবনযাপন করছি। এখন কোথায় যাব? কার কাছে যাব; কি করব? কিছুই বুঝে উঠতে পারছি না।

তার অভিযোগ, সম্প্রতি কন্যাসন্তানকে নিয়ে স্বামী মান্নান জোমাদ্দারের বাড়িতে গেলে তাকে বেধড়ক পিটুনি দেয়া হয়। এ ঘটনায় থানা পুলিশের কাছে গিয়েও আইনি সহায়তা পাচ্ছি না।

জানা যায়, বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার গারুড়িয়া ইউনিয়নের রবিপুর গ্রামের মৃত হোসেন জোমাদ্দারের ছেলে মান্নান জোমাদ্দার ২০০৯ সালে একই গ্রামের মৃত মুনসুর আলী খানের মেয়ে মাকসুদা বেগমকে আইন মোতাবেক বিয়ে করেন।

বিয়ের পর তারা ঢাকার একটি ভাড়া বাসায় কয়েক বছর সংসার করেন। এরই মধ্যে তাদের তাইয়্যেবা নামে একটি কন্যাসন্তান জন্ম নেয়।

বিয়ের কয়েক বছর যেতে না যেতেই স্বামী মান্নান তাকে ও তার তিন বছরের কন্যাসন্তানকে অস্বীকার করতে শুরু করেন। একপর্যায় তাদের ঢাকা রেখে তার নিজ এলাকায় পালিয়ে আসেন। উপায় না পেয়ে মাকসুদা বেগম তার সন্তান তাইয়্যেবাকে নিয়ে তার বাবা বাড়ি চলে আসেন।

ওই থেকে দীর্ঘ ১২ বছর ধরে তার ও তার মেয়ের পিতৃত্ব পরিচয় ও তার স্বীকৃতি পেতে স্থানীয় সালিশদের দ্বারে দ্বারে ধরনা দিচ্ছেন। এর পরও তিনি স্বীকৃতি পাননি।

এ বিষয় জানতে চাইলে বাকেরগঞ্জ থানার ওসি আবুল কালাম বলেন, আমার কাছে অভিযোগ নিয়ে আসছেন ওই নারী, আমি খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নেব।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মেয়েকে অস্বীকার বাবার, দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন মা

আপডেট সময় ১২:২৫:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ জানুয়ারী ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

প্রায় ১২ বছর আগে বিয়ে হয়েছে মাকসুদা বেগমের। স্বামী মান্নান জোমাদ্দার ও তিন বছরের কন্যাসন্তান নিয়ে সংসার ভালোই চলছিল। কিন্তু বিধিবাম একপর্যায়ে স্বামী তাকে ও সন্তানকে অস্বীকার করতে শুরু করেন।

এর পর তাদের ঢাকায় রেখে নিজ এলাকায় পালিয়ে যান স্বামী। এখন শিশুর পিতৃ পরিচয় ও তার স্বীকৃতির জন্য দ্বারে দ্বারে ধরনা দিচ্ছেন মাকসুদা বেগম।

সোমবার বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলায় ভুক্তভোগী মাকসুদা বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে এ কথাগুলো জানান।

তিনি বলেন, আমার সংসারে তিন বছরের একটি কন্যাসন্তান আছে। তার নাম তাইয়্যেবা। তাকে নিয়ে আমি এখন মানবতার জীবনযাপন করছি। এখন কোথায় যাব? কার কাছে যাব; কি করব? কিছুই বুঝে উঠতে পারছি না।

তার অভিযোগ, সম্প্রতি কন্যাসন্তানকে নিয়ে স্বামী মান্নান জোমাদ্দারের বাড়িতে গেলে তাকে বেধড়ক পিটুনি দেয়া হয়। এ ঘটনায় থানা পুলিশের কাছে গিয়েও আইনি সহায়তা পাচ্ছি না।

জানা যায়, বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার গারুড়িয়া ইউনিয়নের রবিপুর গ্রামের মৃত হোসেন জোমাদ্দারের ছেলে মান্নান জোমাদ্দার ২০০৯ সালে একই গ্রামের মৃত মুনসুর আলী খানের মেয়ে মাকসুদা বেগমকে আইন মোতাবেক বিয়ে করেন।

বিয়ের পর তারা ঢাকার একটি ভাড়া বাসায় কয়েক বছর সংসার করেন। এরই মধ্যে তাদের তাইয়্যেবা নামে একটি কন্যাসন্তান জন্ম নেয়।

বিয়ের কয়েক বছর যেতে না যেতেই স্বামী মান্নান তাকে ও তার তিন বছরের কন্যাসন্তানকে অস্বীকার করতে শুরু করেন। একপর্যায় তাদের ঢাকা রেখে তার নিজ এলাকায় পালিয়ে আসেন। উপায় না পেয়ে মাকসুদা বেগম তার সন্তান তাইয়্যেবাকে নিয়ে তার বাবা বাড়ি চলে আসেন।

ওই থেকে দীর্ঘ ১২ বছর ধরে তার ও তার মেয়ের পিতৃত্ব পরিচয় ও তার স্বীকৃতি পেতে স্থানীয় সালিশদের দ্বারে দ্বারে ধরনা দিচ্ছেন। এর পরও তিনি স্বীকৃতি পাননি।

এ বিষয় জানতে চাইলে বাকেরগঞ্জ থানার ওসি আবুল কালাম বলেন, আমার কাছে অভিযোগ নিয়ে আসছেন ওই নারী, আমি খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নেব।