ঢাকা ০৪:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
স্বাস্থ্যসেবায় প্রযুক্তির বিকাশে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী সরকারের ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের নির্ভুল অগ্রগতি প্রতিবেদন তৈরির নির্দেশনা ফ্যামিলি কার্ডে অনিয়মের অভিযোগ প্রমাণিত হলে কঠোর ব্যবস্থা: তথ্যমন্ত্রী আম্মারসহ শিবির নেতাদের হামলায় আহত ২ শিক্ষার্থী কারাগারে বাংলাদেশের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক যুক্ত হচ্ছে না: ডা. জাহেদ দক্ষিণ আফ্রিকায় আগুনে পুড়ে ৬ বাংলাদেশির মৃত্যু নির্দোষ হয়েও আমি অপরাধী: আইভী বিনিয়োগ সেবা সহজ করতে ৬৬১.৫ কোটি টাকার ‘বাংলাবিজ’ প্রকল্প সরকারের শুধু আইন করে মাদক নির্মূল সম্ভব নয়: মির্জা ফখরুল মিরসরাই শিল্পাঞ্চলে ৩০০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগে আগ্রহী তুরস্কের সানকো

পবিত্র কাবা ঘরের দরজার নকশাকারের ইন্তেকাল

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

পবিত্র কাবা ঘরে স্থাপিত দরজার নকশাকার প্রকৌশলি মুনির আল জুনদি আর নেই (ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিউন)। গতকাল শনিবার জার্মানের একটি হাসাপতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। খবর গলফ টুডের।

জানা গেছে, ১৩৯৭ হিজরি (১৯৭০ খ্রিস্টাব্দে) সৌদির তৎকালীন বাদশাহ খালেদ বিন আবদুল আজিজ খাঁটি স্বর্ণ দিয়ে পবিত্র কাবা ঘরের একটি দরজা নির্মাণ করতে বলেন। সেই দরজা নকশার জন্য প্রকৌশলি মুনির আল জুনদিকে নির্বাচন করা হয়।

সৌদির ইতিহাস বিশেষজ্ঞ মানসুর আল আসসাফ এক টুইট বার্তায় বলেন, ‘সৌদি রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠাতা বাদশাহ আবদুল আজিজ পবিত্র কাবার দরজা নির্মাণের দায়িত্ব মক্কার আলে বদর পরিবারের ওপর অর্পণ করেন। প্রায় দেড় বছরের মধ্যে দরজার নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়।’

‘অতঃপর ১৩৯৮ হিজরিতে বাদশাহ খালেদ বিন আবদুল আজিজ আহমদ বিন বদরকে খাঁটি স্বর্ণ দিয়ে পুনরায় দরজা নির্মাণ করতে বলেন। ওই সময় তা প্রকৌশলি মুনির নকশা করেন। দরজার দৈর্ঘ তিন মিটার ও প্রস্থ দুই মিটার। এবং পুরত্ব প্রায় অর্ধ মিটার। থাইল্যান্ডে উৎপাদিত ম্যাকা কাঠ দিয়ে দরজাটি তৈরি করা হয়। তা বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে মূল্যবান কাঠ বলে স্বীকৃত’ বলেও তিনি জানান।

উল্লেখ্য, প্রকৌশলি মুনির আল জুনদি সিরিয়ার হেমস শহরে জন্মগ্রহণ করেন। নকশাকার হিসেবে পবিত্র কাবার দরজার ওপর তার নাম লেখা আছে। সিদ্ধান্ত মতে দরজার নকশাটি জার্মানে প্রস্তুত করা হয়। তবে সৌদি সরকারের নির্দেশনা মতে নকশার কাজ অবশ্যই কোনো মুসলিম প্রকৌশলিকে করতে হবে, যেন তার নাম দরজা লিখে রাখা যায়। অবশেষে প্রকৌশলি মুনির কাবার দরজা নকশা করার মহান দায়িত্ব পান। অতঃপর দরজা নকশার কাজে মক্কার ঐতিহ্যবাহী স্বর্ণাকার মাহমুদ বদরের কারখানায় কাজ শুরু হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

স্বাস্থ্যসেবায় প্রযুক্তির বিকাশে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

পবিত্র কাবা ঘরের দরজার নকশাকারের ইন্তেকাল

আপডেট সময় ০৫:৫১:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ ডিসেম্বর ২০২০

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

পবিত্র কাবা ঘরে স্থাপিত দরজার নকশাকার প্রকৌশলি মুনির আল জুনদি আর নেই (ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিউন)। গতকাল শনিবার জার্মানের একটি হাসাপতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। খবর গলফ টুডের।

জানা গেছে, ১৩৯৭ হিজরি (১৯৭০ খ্রিস্টাব্দে) সৌদির তৎকালীন বাদশাহ খালেদ বিন আবদুল আজিজ খাঁটি স্বর্ণ দিয়ে পবিত্র কাবা ঘরের একটি দরজা নির্মাণ করতে বলেন। সেই দরজা নকশার জন্য প্রকৌশলি মুনির আল জুনদিকে নির্বাচন করা হয়।

সৌদির ইতিহাস বিশেষজ্ঞ মানসুর আল আসসাফ এক টুইট বার্তায় বলেন, ‘সৌদি রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠাতা বাদশাহ আবদুল আজিজ পবিত্র কাবার দরজা নির্মাণের দায়িত্ব মক্কার আলে বদর পরিবারের ওপর অর্পণ করেন। প্রায় দেড় বছরের মধ্যে দরজার নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়।’

‘অতঃপর ১৩৯৮ হিজরিতে বাদশাহ খালেদ বিন আবদুল আজিজ আহমদ বিন বদরকে খাঁটি স্বর্ণ দিয়ে পুনরায় দরজা নির্মাণ করতে বলেন। ওই সময় তা প্রকৌশলি মুনির নকশা করেন। দরজার দৈর্ঘ তিন মিটার ও প্রস্থ দুই মিটার। এবং পুরত্ব প্রায় অর্ধ মিটার। থাইল্যান্ডে উৎপাদিত ম্যাকা কাঠ দিয়ে দরজাটি তৈরি করা হয়। তা বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে মূল্যবান কাঠ বলে স্বীকৃত’ বলেও তিনি জানান।

উল্লেখ্য, প্রকৌশলি মুনির আল জুনদি সিরিয়ার হেমস শহরে জন্মগ্রহণ করেন। নকশাকার হিসেবে পবিত্র কাবার দরজার ওপর তার নাম লেখা আছে। সিদ্ধান্ত মতে দরজার নকশাটি জার্মানে প্রস্তুত করা হয়। তবে সৌদি সরকারের নির্দেশনা মতে নকশার কাজ অবশ্যই কোনো মুসলিম প্রকৌশলিকে করতে হবে, যেন তার নাম দরজা লিখে রাখা যায়। অবশেষে প্রকৌশলি মুনির কাবার দরজা নকশা করার মহান দায়িত্ব পান। অতঃপর দরজা নকশার কাজে মক্কার ঐতিহ্যবাহী স্বর্ণাকার মাহমুদ বদরের কারখানায় কাজ শুরু হয়।